Wednesday, November 20, 2019
Home Blog

দেশের জওয়ানদের সুরক্ষার জন্য এক ছাত্র বানালো আইরন ম্যান এর রক্ষা কবজ, তাজ্জব গোটা দেশ

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ হলিউড সিনেমা আইরন ম্যান (Iron Man) এর চরিত্র থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে বারাণসীর এক ছাত্র আইরন ম্যান স্যুট তৈরি করেছে। ছাত্র জানায়, এই স্যুট দেশের জওয়ানদের শত্রুদের সাথে যুদ্ধ করার সময় রক্ষা করবে, আর আমাদের জওয়ান সুরক্ষিত থাকবে। বারাণসী এর পহড়িয়া এর অশোকা ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট এর আর এন্ড টি ডিপার্টমেন্টের ছাত্র শ্যাম চৌরাসিয়া নিজের হাতে এই কবজ বানিয়েছে।

শ্যাম জানায়, আমার মনে ছোট থেকেই দেশের জন্য কিছু করার ইচ্ছে ছিল। আর সেই চিন্তা ভাবনা নিয়ে দেশের জওয়ানদের সুরক্ষার জন্য এইরকম মেটাল স্যুট তৈরি করেছি। এই মেটাল স্যুটের সাহায্যে আমাদের দেশের জওয়ান সুরক্ষিত থেকে জঙ্গি আর শত্রুপক্ষের সাথে যুদ্ধ করতে পারবে। এই মেটাল স্যুটের ওজন প্রায় সাত কেজি। স্যুটে আলাদা আলাদা ভাবে ১০ টি ব্যারেল সেট করা হয়েছে। স্যুটে লাগানো বন্দুককে ইন্টারনেট আর সোশ্যাল মিডিয়া যেরকম হোয়াটসঅ্যাপ আর ফেসবুকের মাধ্যমে সঞ্চালিত করা সম্ভব।

এই স্যুট বানানোর প্রধান উদ্দেশ্য হল আমাদের দেশের জওয়ানদের রক্ষা করা। এই প্রোটোটাইপ মডেল স্বয়ং শ্যাম চৌরাসিয়া তৈরি করেছে। শ্যাম জানায়, এই স্যুট পড়ে আমাদের দেশের জওয়ানেরা জঙ্গিদের সাথে যুদ্ধ করতে সক্ষম হবে, আর তাঁদের কোন ক্ষয়ক্ষতি হবেনা। শ্যাম বলে, এই মেটাল স্যুটের প্রোটোটাইপ বানানোর জন্য এক থেকে দুই মাস সময় লেগেছে। আর সাথে সাথে ইন্সটিটিউট এর ভায়েস চেয়ারম্যান অমিত মৌর্য এই প্রচেষ্টাকে সন্মান জানিয়েছেন।

দেশের মধ্যে সবথেকে খারাপ অবস্থায় আছ পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানরা!

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ সোমবার কোচবিহারের কর্মীসভায় নাম না করে আসাদউদ্দিন ওয়েসির দল মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল-মুসলিমিন তথা মিম নিয়ে আক্রমণ শানিয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২৪ ঘণ্টা কাটার আগেই মিম সুপ্রিমো তথা হায়দরাবাদের সাংসদ ওয়েসি পাল্টা আক্রমণ শানালেন মমতার বিরুদ্ধে। দলের কোর গ্রুপের বর্ধিত বৈঠকে নেতাদের পইপই করে বুঝিয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার কোচবিহারের কর্মীসভায় নাম না করেও প্রকাশ্যে মিম নিয়ে মন্তব্য করেন নেত্রী। বললেন, “ওরা বিজেপির কাছে টাকা নেয়। সংখ্যালঘুরা ভুল করবেন না। ওদের বাড়ি হায়দরবাদে। এখানে নয়।”

এদিন টুইট করে ওয়েসি লিখেছেন, “মানবসম্পদ উন্নয়নের মাপকাঠি অনুযায়ী বাংলার মুসলমানদের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ, এটা বলা কোনও ধর্মীয় উগ্রতা নয়।” এখানেই থামেননি হায়দরাবাদের নিজামের প্রতিষ্ঠা করা দলের নেতা। তাঁর কথায়, “হায়দরাবাদ থেকে আসা লোকজন নিয়ে দিদি যদি এতই উদ্বিগ্ন হন, তাহলে বাংলায় ৪২টির মধ্যে ১৮টি লোকসভা আসন বিজেপি জিতল কী করে?” বাংলা লাগোয়া বিহারের কিষাণগঞ্জের বিধানসভা উপনির্বাচনে হইহই করে জিতেছে মিম। তখনই দ্য ওয়াল-এ লেখা হয়েছিল  তৃণমূলের চিন্তা বাড়িয়ে বিহারে খাতা খুলে ফেলল মিম।’ এর দু’সপ্তাহের মধ্যেই মিমের পোস্টারে ছয়লাপ হয়ে গিয়েছিল কোচবিহার শহর। সেই পোস্টারে ছিল ওয়েসির বিরাটাকার ছবি। আর নীচে লেখা ‘ইনতেজার অব খতম, মিশন ওয়েস্ট বেঙ্গল!’

বাংলায় তৃণমূলের অন্যতম মজবুত ভোট ব্যাঙ্কও তো সংখ্যালঘুরাই। পর্যবেক্ষকদের মতে, এখন মিম যদি বলে, এরপর ‘মিশন বাংলা’, দিদির চিন্তা হবে না! হাওড়া, হুগলি, মুর্শিদাবাদ, দুই চব্বিশ পরগনায় ইতিমধ্যেই তলে তলে সংগঠন গোছানোর কাজ শুরু করে দিয়েছে দক্ষিণ ভারতের এই দল। কিন্তু কোচবিহারে একেবারে ঢাকঢোল বাজিয়ে নিজেদের সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু করে দিয়েছে ওয়েসি বাহিনী। মমতা এ ব্যাপারে দলের কোর গ্রুপের বৈঠকেও নেতাদের সতর্ক করেছিলেন। বলেছিলেন, মিম হইতে সাবধান। ওরা কিন্তু বিজেপির বি টিম। সোমবার কোচবিহারে আক্রমণ শানিয়েছিলেন প্রকাশ্যে।

পর্যবেক্ষকদের মতে, তৃণমূল হয়তো সত্যিই বড় বিপদের গন্ধ পাচ্ছে। আর তার বাস্তবতাও রয়েছে। লোকসভা ভোটে বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলার শাসকদল। অনেকের মতে, বাংলায় যে সিপিএমকে হারানো যায় এটা যেমন তৃণমূল প্রমাণ করে দিয়েছিল, ঠিক তেমনই উনিশের ভোটে বিজেপি বাংলায় প্রমাণ করেছে তৃণমূলকেও হারানো যায়। তৃণমূলের জয়রথ থেমেছে। লোকসভায় ৩৪ থেকে নেমে এসেছে ২২টি আসনে।

কিন্তু এর মধ্যেও এমন আসন আছে, যেখানে সুতোর ব্যবধানে জিতেছে শাসকদল। যেমন আরামবাগ আসন। দু’হাজারের কম ভোটে জিতেছেন তৃণমূলের অপরূপা পোদ্দার। কিন্তু সেই আসনের বুথ স্তরের ফলাফল দেখলে দেখা যাচ্ছে, হিন্দু এলাকায় যেমন বিজেপির রমরমা, তেমন সংখ্যালঘু এলাকায় তৃণমূলের দাপট। এরকম আসনে যদি মিম উড়ে এসে জুড়ে বসে তা হলে কী হবে সহজেই অনুমান করা যাচ্ছে।

বাংলায় যে এ বার মেরুকরণের ভোট হয়েছে তা মেনে নিয়েছেন অনেকেই। ভোটের ফল ঘোষণার দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট বলেছিলেন, “টোটালটা হিন্দু-মুসলমান হয়েছে।” একই সঙ্গে বলেছিলেন, “যে গরু দুধ দেয়, আমি তার লাথিও সহ্য করতে পারি!” বিশদ ব্যাখ্যা না করলেও দিদি কী বলতে চেয়েছিলেন তা বাংলার মানুষের বুঝতে অসুবিধে হয়নি। তৃণমূল মনে করে, মিম কট্টর মুসলিম দল হলেও ওদের সঙ্গে বিজেপির একটা অদৃশ্য বোঝাপড়া আছে। যার উদ্দেশ্য, মুসলমান প্রার্থী দিয়ে ধর্মনিরপেক্ষ ভোট কেটে বিজেপির সুবিধে করে দেওয়া।

একে কংগ্রেস-সিপিএম কৌশলগত জোট করে তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোট কাটতে চাইছে। তার উপর মিমও থাবা বসালে তৃণমূলের জন্য তা উদ্বেগের বইকি! সেটাকেই স্পষ্ট করতে চেয়েছিলেন মমতা। কিন্তু মিম প্রধান এদিন বুঝিয়ে দিলেন, তাঁরাও জমি ছাড়ছেন না।

এবার এমন এক উপগ্রহ লঞ্চ করছে ISRO, যেটা দিয়ে মাটির ১০ ইঞ্চি উপর পর্যন্ত তোলা যাবে স্পষ্ট ছবি

নয়া দিল্লীঃ ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র (ISRO) তিনটি আর্থ অবজার্ভেশন অথবা সার্ভিলেন্স স্যাটেলাইট লঞ্চ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রথম স্যাটেলাইট ২৫ নভেম্বর আর বাকি দুটি ২ ডিসেম্বর লঞ্চ করা হবে। এই স্যাটেলাইট গুলোর মাধ্যমে দেশের সীমান্ত গুলোতে নজরদারি রাখা সম্ভব হবে। এই তিনটি প্রাথমিক উপগ্রহ বাদে, তিনটি পিএসএলভি রকেট দুই ডজনের থেকে বেশি বিদেশী আর ন্যানো মাইক্রো স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠাবে ইসরো।

পিএসএলএভি সি-৪৭ রকেটকে ২৫ নভেম্বর শ্রীহরিকোটা থেকে সকাল ৯ঃ২৮ মিনিটে লঞ্চ করা হবে। এটি নিজের সাথে থার্ড কজনরেশন আর্থ ইমেজিং স্যাটেলাইট কার্টোস্যাট আর আমেরিকার ১৩ টি কমার্শিয়াল ন্যানোস্যাটেলাইট মহাকাশে নিয়ে যাবে। ইসরোর অনুসারে, ১৩ আমেরিকার ন্যানোস্যাটেলাইট লঞ্চ করার চুক্তি সম্প্রতি গঠিত ব্যাবসায়িক শাখা নিউ স্পেস ইন্ডিয়া লিমিটেড করেছিল।

কার্টোস্যাট-৩ কে ৫০৯ কিমি অর্বিটরে স্থাপিত করা হবে। স্পেসফ্লাইট অনুযায়ী, ইসরো আরও দুটি সার্ভিল্যেন্স স্যাটেলাইট- রিস্যাট- ২বিআর১ আর রিস্যাট- ২বিআর২ কে পিএসএলভি ৪৮ আর সি ৪৯ রকেটের মাধ্যমে শ্রীহরিকোটা থেকে ডিসেম্বরে লঞ্চ করা হবে।

ISRO : Indian Space Research Organisation

এর আগে এজেন্সি ২২ মেতে সার্ভিলেন্স স্যাটেলাট রিস্যাট-২বি আর ১লা এপ্রিলে এমিস্যাট লঞ্চ করেছিল। এমিস্যাট ডিআরডিও শত্রুদের র‍্যাডারের উপর নজর রাখার জন্য সাহায্য করবে। চন্দ্রযান-২ এর কারণে এই অপারেশনাল স্যাটেলাইট লঞ্চ করতে ছয় মাস দেরি হয়। এটা ইসরোর ইতিহাসে প্রথম যে, শ্রীহরিকোটা থেকে ইসরো সেনার উদ্দেশ্যে স্যাটেলাইট লঞ্চ করল।

শোনা যাচ্ছে যে, পাকিস্তানে করা সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের জন্য কার্টোস্যাট-১ আর উপগ্রহ থেকে গোপন তথ্য জোটানো হয়েছিল। যদিও এটা অফিসিয়ালি কোন ঘোষণা হয়নি। কার্টোস্যাট স্যাটেলাইট যেকোন আবওহাওয়ায় পৃথিবীর ছবি নেওয়া যেতে পারে। এর মাধ্যমে আকাশ থেকে দিন আর রাতের সময় মাটি থেকে এক ফুট উঁচু পর্যন্ত পরিস্কার ছবি তোলা যেতে পারে।

কার্টোস্যাট-৩ এর ক্যামেরা এতটাই শক্তিশালী যে, ওই ক্যামেরা মহাকাশ থেকে পৃথিবীর পৃষ্ঠের ৯.৮৪ ইঞ্চি দূরত্ব পর্যন্ত স্পষ্ট ছবি তোলা যেতে পারে।  আরেকদিকে আমেরিকার স্পেস কোম্পানি জিওআই-১ স্যাটেলাইট ১৬.১৪ ইঞ্চি দূরত্ব পর্যন্ত ছবি তুলতে পারে। কার্টোস্যাট সিরিজের স্যাটেলাইটের প্রয়োজন ২৬/১১ জঙ্গি ঘটনা হওয়ার পর দরকার পড়েছিল। কার্টোস্যাট -১ কে পাঁচই মে ২০০৫ সালে ইসরো লঞ্চ করেছিল।

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে বাঙালি নৌ-বিদ্রোহী বলাই চাঁদ দত্তের সংগ্রামের কাহিনী

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ নৌবিদ্রোহের অন্যতম নায়ক জন্ম ১৯২৩ সালে বর্ধমানের রায়না অঞ্চলের মেড়াল নামে এক প্রত্যন্ত গ্রামে ১৯৪০ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করে পটনায় চলে যান। তার পর টাইপিং শেখেন। ১৯৪১ সালে ওয়ারলেস টেলিগ্রাফিস্ট পদে যোগ দেন নৌবাহিনীতে। নৌ বিদ্রোহ (১১ই ফেব্রুয়ারি ১৯৪৬) ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের শেষ সশস্ত্র অভ্যুত্থান। এই বিদ্রোহের সাথে প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত ছিল তিনজন বাঙালি নৌসেনা।

স্বাধীনতার পর প্যাটেল ঘোষনা করেছিল নৌবিদ্রোহের যোগ দেওয়ার জন্য যে নাবিকরা কর্মচ্যুত হয়েছেন ইচ্ছা করলে তাঁরা তাঁদের পুরনো পদে যোগ দিতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী নেহেরু কে চিঠি লিখেও এই বিদ্রোহী বঙ্গ সন্তানকে আর বহাল করেনি নেহরু সরকার অথচ পাকিস্তানে আলাদা ব্যাপার ছিল নাবিকরা যারা ফিরতে চেয়েছিলেন তাঁরা পূর্বপদে নিযুক্ত হয়েছেন মোহাম্মদ আলি জিন্নাহ কথা রেখেছিল নৌ সেনা বিদ্রোহের কেন্দ্রীয় সমিতির সভাপতি এম এস খানকে পাকিস্তান নৌ বাহিনীতে অফিসার পদ দেওয়া হয়েছিল।

 

কিন্তু এই বঙ্গ সন্তান স্বাধীনতার পর ফ্রি প্রেস জার্নালে যোগ দেন, পরে কাজ করেন একটি বিজ্ঞাপন সংস্থায়। ২০০৯ সালে ৮৬ বছর বয়সে প্রয়াত হয় ১৯৪৬ সালে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের নৌ বিদ্রোহের অন্যতম নায়ক। নৌ বিদ্রোহের উপরে লেখা Mutiny of the innocents বইয়ের লেখক বি.সি.দত্ত যার পুরো নাম ছিল বলাই চাঁদ দত্ত ।

আজ বীর বীরাঙ্গনা ঝাঁসির রানী লক্ষী বাইয়ের জন্মদিন, যার নাম শুনে কাঁপত ব্রিটিশরা

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ ১৮২৭ সালের ১৯ নভেম্বর তিনি মহারাষ্ট্রের মারাঠার ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ১৮৪২ সালে ঝাঁসির মহারাজা গঙ্গাধর রাও নিওয়াকরের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। এভাবেই তিনি ঝাঁসির রানি (Rani of Jhansi) হিসেবে পরিচিতি পান। বিয়ের পর তাঁর নতুন নাম হয় লক্ষ্মী বাঈ।

১০ মে ১৮৫৭ সালে মিরাটে বিদ্রোহের সূচনা হয়। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে, লি এনফিল্ড রাইফেলের আচ্ছাদনে শূকরের মাংস আর গরুর চর্বি ব্যবহার করা হয়। এরপরও ব্রিটিশ শাসকগোষ্ঠী রাইফেলে শূকরের মাংস ও গরুর চর্বির ব্যবহার অব্যাহত রাখে। তারা বিবৃতি দেয়, যারা এই রাইফেল ব্যবহারে অসম্মতি জানাবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে শুরু করে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ। এই বিদ্রোহে সিপাহিরা অনেক ব্রিটিশ সেনাসহ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিতে নিযুক্ত কর্মকর্তাদের হত্যা করেন।

সমগ্র ভারতবর্ষে গণ-আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। লক্ষ্মী বাঈ ঝাঁসির নেতৃত্বে ঝাঁসিতে শান্ত ও শান্তিপূর্ণ অবস্থা বজায় ছিল। ব্রিটিশ সৈন্যরা স্যার হিউজ রোজের নেতৃত্বে ঘাঁটি গেড়ে বসে এবং ২৩ মার্চ ১৮৫৮ তারিখে ঝাঁসি অবরোধ করে। লক্ষ্মী বাঈ তাঁর বাহিনীর সামনে দাঁড়িয়ে নেতৃত্ব দেন। ঝাঁসি আর লক্ষ্মী বাঈকে মুক্ত করতে ২০ হাজার সৈন্যের একটি দলের নেতৃত্ব দেন অন্যতম বিদ্রোহী নেতা তাতিয়া টোপি। ব্রিটিশ সৈন্য দলে সৈনিকের সংখ্যা ছিল মাত্র ১ হাজার ৫৪০ জন। এরপরও তাতিয়া টোপি ব্রিটিশ সৈন্যদের অবরোধ ভাঙতে পারেননি।

কারণ ব্রিটিশ সৈনিকেরা ছিল প্রশিক্ষিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ। রানি লক্ষ্মী বাঈয়ের বাহিনী এ আক্রমণ সহ্য করতে পারেনি। আক্রমণের তিন দিন পর ব্রিটিশ সৈন্যরা দুর্গের দেয়ালে ফাটল ধরায় এবং ঝাঁসি শহরে নিজেদের শাসন প্রতিষ্ঠা করে। এর আগেই এক রাতে দুর্গের দেয়াল থেকে সন্তানসহ লাফ দিয়ে লক্ষ্মী বাঈ প্রাণ রক্ষা করেন ও পালিয়ে যান।

রানি কাল্পিতে যান। সেখানে তিনি অন্য বিদ্রোহী বাহিনীর সঙ্গে যোগ দেন। এরপর রানি লক্ষ্মী বাঈ এবং তাতিয়া টোপি গোয়ালিয়রের দিকে রওনা দেন। সেখানে তাদের যৌথ বাহিনী গোয়ালিয়রের মহারাজার দলকে পরাজিত করে। পরাজিত বাহিনীর সদস্যরা পরে যৌথ বাহিনীর সঙ্গে যোগ দেয়। কৌশলগত অবস্থানে থাকা গোয়ালিয়রের কেল্লা দখল করে লক্ষ্মী বাঈ আর টোপির সম্মিলিত বাহিনী। ১৭ জুন ১৮৫৮ সালে ফুল বাগ এলাকার কাছাকাছি কোটাহ-কি সেরাইয়ে রাজকীয় বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে নিহত হন রানি লক্ষ্মী বাঈ।

সংখ্যালঘু ভোট হারানোর আশঙ্কায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী! সতর্ক করলেন দলীয় নেতাদের

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ (AIMIM) ‘মিম’ নিয়ে গভীর উদ্বেগ ধরা পড়ল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলায়! সোমবার কোচবিহারের রাজনৈতিক সমাবেশের মঞ্চ থেকে বিজেপির পাশাপাশি, তৃণমূল (TMC) নেত্রী আক্রমণ করেন আসাউদ্দিন ওয়াইসির দল মিম-কে (MIM)। এদিন মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল-মুসলিমিন তথা মিম নিয়ে দলের কোর গ্রুপের বর্ধিত বৈঠকে নেতাদের সতর্ক করে দেন দিদি।

কোচবিহারের কর্মীসভায় নাম না করেও প্রকাশ্যে মিম নিয়ে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তিনি বলেন, “ওরা বিজেপির কাছে টাকা নেয়। সংখ্যালঘুরা ভুল করবেন না। ওদের বাড়ি হায়দরবাদে। এখানে নয়।” প্রসঙ্গত, বিজেপির দাপটে পশ্চিমবঙ্গে হিন্দু ভোট হাতছাড়া হয়েছে তৃণমূলের। ফলস্বরূপ, লোকসভা ভোটে একলাফে ৪০ শতাংশ ভোট পড়েছে পদ্ম শিবিরের ঝুলিতে। এমতাবস্থায় মুসলিম কট্টরপন্থী রাজনৈতিক দল পশ্চিমবঙ্গের মাটি জায়গা পায় তাহলে তৃণমূলের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটে টান পড়বে।

রাজনৈতিক মহলের মতোই এমন অংক কোশ্চেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যে বিহারের কিষানগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছেন মিমের বিধায়ক। এমন ফলাফলে উৎসাহী হয়ে উত্তরবঙ্গে নজর দিয়েছেন আসাউদ্দিন ওয়াইসি। এমন পরিস্থিতি দেখে আগেই দলকে সতর্ক করে দিচ্ছেন তৃণমূল নেত্রী। তাই এদিন বিজেপির পাশাপাশি ‘মিম’কে ও তুলোধোনা করতে পারেননি তিনি।

মাত্র এক মাসেই ঘরোয়া পদ্ধতিতে লম্বা করুন চুল, বিজ্ঞানও হার মেনেছে এই ঘরোয়া উপায়ে

১ মাসেই লম্বা চুল কথাটি শুনে ভাবছেন হয়ত কোন প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন! তা নয় মোটেও। এ লেখায় আপনাদের জানাবো কি করে হোম মেইড মাস্ক দিয়ে এক মাসেই পাবেন লম্বা চুল। তার পূর্বে আমার নিজের কিছু সমস্যা ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি। আমার মামনি সবসময় বলেন নারীর সৌন্দর্য চুলে। লম্বা চুল সর্বদাই সকলের প্রিয়। সবার কথা অত জানি না তবে আমার নিজের লম্বা চুল ভীষন পছন্দ।

আমার চুল বেশ লম্বাই ছিল। সবার কাছেই চুলের জন্যে আমার জনপ্রিয়তাটা একটু বেশিই ছিল। সবাই আমার চুল অনেক পছন্দ করত। গত বছর আমার টাইফয়েড হয়। আর এ কারণে আমার চুল এত বেশি পড়ে যে কেটে ফেলা ছাড়া কোন উপায় ছিল না। কষ্ট হওয়া সত্ত্বেও বাধ্য হয়েই চুলগুলো কেটে ফেলি। রোগ তো ভালো হয়ে গেল ঠিকই কিন্তু আমার চুল একদমই বড় হচ্ছিল না।

নিজের চুল না বাড়ার কষ্টটা আরও বেশি বেড়ে যেত যখন আশেপাশের সবাই চুলের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করত। অনেক কিছু ব্যবহার করেছি কিন্তু এই সমস্যার সমাধান পাচ্ছিলাম না। পরে আমার মামনি আমাকে একটি হেয়ার মাস্ক বানিয়ে দেন। যেটা ব্যবহার করে আমার চুল এক মাসের মধ্যেই অনেকটুকু বেড়ে উঠে। আজ আমি আপনাদের সাথে হেয়ার মাস্কটি কীভাবে বানাবেন এবং ব্যবহার করবেন তা শেয়ার করব। আসুন তাহলে জেনে নিই, হেয়ার মাস্কটি কীভাবে এবং কী কী দিয়ে তৈরি করবেন।

১ মাসেই লম্বা হবে চুল পেতে ঘরে তৈরি হেয়ার মাস্ক

হেয়ার মাস্কটি বানাতে যা যা লাগবে-

ডিম- ১ টি

অলিভ অয়েল – ১ টেবিল চামচ

নারিকেল তেল – ১ টেবিল চামচ

মধু – ১ টেবিল চামচ

মাস্কটি যেভাবে বানাবেন

প্রথমেই একটি পরিষ্কার পাত্র নিন। পাত্রে অলিভ অয়েল, নারিকেল তেল এবং মধু ভালো করে মিশিয়ে নিন। সবশেষে সেটায় ডিম দিয়ে আবারও ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার আপনার হেয়ার মাস্ক রেডি।

মাস্কটি যেভাবে ব্যবহার করবেন

অল্প অল্প করে মাস্কটি স্ক্যাল্পে লাগিয়ে নিন। এরপর চুলেও লাগিয়ে নিন। কমপক্ষে এক ঘন্টা লাগিয়ে রাখুন মাস্কটি। এক ঘন্টা পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চুল ভালো করে ধুয়ে নিন। মনে রাখবেন, কখনই এই মাস্ক লাগানোর পর চুল গরম পানি দিয়ে ধুবেন না। যাই হোক, চুল ধুয়ে নেয়ার পর আপনি শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার ব্যবহার করতে পারেন। ভালো ফলাফল পেতে মাস্কটি সপ্তাহে ২-৩ বার ব্যবহার করুন। এক মাসের মধ্যে আপনি তাহলে আপনার চুলের পরিবর্তন লক্ষ্য করতে পারবেন।

এই মাস্কে যে যে উপাদানগুলো ব্যবহার করা হয়েছে প্রতিটি উপাদানের রয়েছে অনেক বেশি গুনাগুন। আসুন তাহলে মাস্কে ব্যবহৃত উপাদানগুলোর গুণাগুণ সম্পর্কে জেনে নিই-

মাস্কে ব্যবহৃত উপাদানগুলোর গুণাগুণ

১. ডিম

চুলের অনেক ধরনের সমস্যার সমাধান হয় এই ডিম ব্যবহার করার ফলে। ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ভিটামিন, ফ্যাটি এসিড যা চুলকে নারিশ করে। এছাড়াও ডিম আপনার চুলকে করবে স্ট্রং। মাঝে মাঝে দেখা যায় চুল ফেটে যায় কিংবা ভেঙে যায়। ডিম ব্যবহার করলে এই ধরনের সমস্যাগুলো থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

২. নারিকেল তেল

নারিকেল তেল চুলের জন্যে সবসময়ই অনেক বেশি উপকারী। নারিকেল তেল ব্যবহারের ফলে চুল পড়া কমে চুলকে ময়েশ্চারাইজ করে এবং চুলকে বেড়ে উঠতে সাহায্য করে।

৩. অলিভ অয়েল

অলিভ অয়েল চুলের শুষ্কতা দূর করে। চুলকে ড্যামেজ হওয়া থেকে রক্ষা করে। স্ক্যাল্প থেকে বিভিন্ন ময়লা দূর করতে সাহায্য করে। চুলকে হেলদি হতে সাহায্য করে এবং চুল বেড়ে উঠতে অলিভ অয়েল ও অনেক বেশি উপকারী।

৪. মধু

মধু এমন একটি উপাদান যা চুলের কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে এবং চুলকে অনেক বেশি মসৃণ করে। মধু একটি প্রাকৃতিক উপাদান যা চুলের অনেক ধরনের সমস্যার সমাধান দিয়ে থাকে।

১ মাসেই লম্বা চুল পেতে মাস্কটি ব্যবহার করে আমার চুলের অনেক পরিবর্তন হয়েছে। আর এক মাসের মধ্যেই সেই পরিবর্তনটা পেয়েছি আমি। আপনিও যদি কম সময়ে বাড়ন্ত চুল চান তবে এই মাস্কটি ব্যবহার করুন। আর হয়ে উঠুন লম্বা চুলের অধিকারী। মনে রাখবেন আপনি চাইলেই কিন্তু আপনার চুলকে করে তুলতে পারবেন পারফেক্ট।

জানুন অল্প বয়সে পাকা চুল রোধের ১০ টি প্রমাণিত পদ্ধতি

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ বয়স বাড়ার সাথে সাথে চুল পাকবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যদি ১৫/২০ বছর বয়সেই পাকা ধরে তাহলে মনের অবস্থা কেমন হবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আড় চোখে তাকালেই দেখা যায় আশেপাশের মানুষের মুচকি হাসি নতুবা হাজারও প্রশ্নে ভরা চোখের দৃষ্টি। মেলানিন নামক এক উপাদান চুলের রঙ নির্ধারণ করে, এর উৎপন্নের পরিমাণ কমে গেলেই চুল সাদা হওয়া শুরু করে মানে চুল তার পিগমেনটেশন হারায়।

ফলে অল্প বয়সে চুল পাকা শুরু হয়। আর একবার পাকা চুল সমস্যা আপনার জীবনে প্রবেশ করে ফেল্লে এর পরিমাণ দিন দিন বাড়তেই থাকবে। কিন্তু হয়ে গেলে কিছু করার থাকে না তাই আগে থেকেই এই ব্যাপারে সচেতন হতে হবে।

অল্প বয়সে চুল পাকা রোধের ১০টি উপায়

১.স্ট্রেস থেকে দূরে থাকুন

স্ট্রেস চুলের অকাল-পক্কতার প্রধান কারণ। হাসি খুশিতে জীবনটা ভরিয়ে তুলুন। দিনে কয়েকবার লম্বা শ্বাস নিন আর ব্যায়াম করার অভ্যাস গড়ে তুলুন। হাজার ব্যস্ততার মাঝেও নিজের জন্য কিছুটা সময় বের করে নিন। টেনশন কাটানোর জন্য অনেক সময় নিয়ে গোসল করুন।

২.ধূমপান পরিহার করুন

বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমানিত হয়েছে যে, ধূমপান শরীরের প্রিম্যাচিউর এইজিং(premature ageing)-এর জন্য দায়ী। ধূমপান বন্ধ করলে সার্কুলেশন(circulation) পর্যাপ্ত গতিতে চলে আর চুলের অকাল-পক্কতাও রোধ হয়। তাহলে দেখলেন তো সিগারেট শরীরের ক্ষতি করে, পকেটের-ও ক্ষতি করে।

৩.শরীরের আদ্রতা বজায় রাখুন

ক্যাফেইন এবং অ্যালকোহলের পরিমাণ কমিয়ে পানি পান করুন বেশি বেশি। মশলাদার আর ভাজাভুজি জাতীয় খাবার-ও এড়িয়ে চলুন, যেহেতু এই খাবারগুলো শরীরকে ডিহাইড্রেট (dehydrate) করে শুষ্ক করে তোলে। আদ্রতার অভাবে পুষ্টিকর উপাদান চুলের ফলিকলে পৌঁছাতে পারে না, ফলশ্রুতিতে পাকা চুলের আনাগোনা দেখা যায়।

৪.কপার সমৃদ্ধ খাবার খান

অনেক সময় শরীরে কপার-এর অভাব হলে চুল পেকে যেতে পারে, যেহেতু এটা মেলানিন উৎপন্নে সাহায্য করে। তাই আপনার খাদ্য তালিকায় পালংশাক, মাংস, আনারস, ডালিম, বাদাম, গরুর কলিজা, মাশরুম-এগুলো পর্যাপ্ত পরিমাণে রাখুন। প্রতিদিন মাল্টি-ভিটামিন-ও খেতে পারেন, যেহেতু এর বেশির ভাগই কপার ধারণ করে।

৫.আয়োডিন যুক্ত খাবার খান

আয়োডিন হলো আরেকটি মিনারেল যেটি চুলের রঙ বজায় রাখে। কলা, গাজর, সামুদ্রিক মাছ এবং পালং শাকের মত আয়োডিন সমৃদ্ধ খাবার প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় রাখা উচিত।

৬.অত্যাবশ্যকীয় উপাদান প্রোটিন

মেলানিন উৎপন্নের জন্য প্রোটিন-এর অবদান অনস্বীকার্য। তাই শুধু কার্বোহাইড্রেট নয় প্রোটিন-এর সাথেও সখ্যতা গড়ে তুলুন। যদি আপনি রুটি খান তবে তার সাথে একটি ডিম খেয়ে কার্বোহাইড্রেড আর প্রোটিনের মধ্যে সমন্বয় ঘটিয়ে নিন।

৭.পর্যাপ্ত ঘুম

পর্যাপ্ত ঘুম চনমনে, ফুরফুরে শরীরের জন্য ওষুধের মত কাজ করে। আমার কথাটা মেনেই দেখুন আপনার সব স্ট্রেস গায়েব হয়ে যাবে। আর আগেই বলেছি স্ট্রেস ফ্রি লাইফ মানেই পাকা চুলের উঁকি ঝুকিও গায়েব।

৮.বি গ্রুপের ভিটামিনের উপর গুরুত্ব দিন

ভিটামিন বি২, বি৬ এবং বি১২-এর অভাব চুলের অকাল-পক্বতার আরেকটি কারণ। বায়োটিন আর ফলিক এসিডের অভাবে চুল পাকা ধরে। ভিটামিন বি৬, বি১২ লাল রক্ত কনিকা তৈরির জন্য দরকার। আর এই রক্ত কণিকার মাধ্যমেই স্কাল্প-এ পুষ্টি আর অক্সিজেন পৌঁছায়। কলা, ডিম, মাংস, দুগ্ধজাত খাবার, শাকসবজি, পাস্তা বি গ্রুপের ভিটামিন-এ ভরপুর।

৯.ইম্প্রুভ সার্কুলেশন

ব্লাড সার্কুলেশন (blood circulation) পাকা চুল রোধের জন্য খুবই জরুরী। যদি ভিটামিন এবং মিনারেল মাথার তালুতে না পৌঁছায় তবে হাজার হাজার টাকা খরচ করে ভিটামিন খাওয়ার কোন উপকারিতা পাওয়া যাবে না। ঠিক মত সার্কুলেশন (circulation)-এর জন্য প্রত্যেকদিন ব্যায়াম করার চেয়ে ভালো কোন উপায় নেই। সেই সঙ্গে বাড়তি মেদ-ও ঝরে যাবে। আঙ্গুল দিয়ে প্রতিদিন মাথার তালুতেও ভালো ভাবে ম্যাসাজ করতে হবে ব্লাড সার্কুলেশন (blood circulation)-এর জন্য। এতে করে চুলের গোড়া শক্তও হবে।

১০.সেলেনিয়াম সমৃদ্ধ খাবার নির্বাচন করুন

সেলেনিয়াম এক ধরণের মিনারেল যা মানুষের শরীরের জন্য খুব উপকারী, বিশেষ করে চুলের বৃদ্ধি ও চুলের অকাল-পক্কতা ঠেকানোর জন্য। ফ্রি রেডিক্যাল যা বুড়িয়ে যাওয়া (aging process) তরান্বিত করে। সেলেনিয়াম এই ফ্রি রেডিক্যাল-এর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে আমাদের রক্ষা করে। স্যামন ফিশ, টুনা ফিশ, আখরোট, কিশমিশ সেলেনিয়ামের খুব ভালো উৎস।

অল্প বয়সে চুল পাকা রোধে কিছু ঘরোয়া উপায়

এত দিনতো জানতেন ঝিঙা তরকারি রেঁধে খেতে হয় আজ জেনে নিন ঝিঙা নারকেল তেলের সাথে ফুটিয়ে চুলে লাগালে আপনার পাকা চুল রোধ হবে। প্রতিদিন রাতে আমলকীর রস, বাদামের তেল আর কয়েক ফোটা লেবুর রস চুলে মাস্যাজ করুন, অল্প বয়সে চুল পাকা থেকে রেহাই পাবেন। আদা গ্রেট করে মধুর সাথে মিশিয়ে প্রত্যেক দিন ১ চা চামচ করে খান। চায়ের ঘন লিকার চুলে লাগালে চুল তার রঙ হারায় না। কারি পাতা নারকেল তেলের সাথে মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন তারপর ঠাণ্ডা করে চুলে লাগান।

অল্প বয়সে চুল পাকা অনেক কারণ আছে। জেনেটিক্যাল প্রবলেম তার মধ্যে অন্যতম। বংশগত কারণে তাড়াতাড়ি চুল পাকলে সেক্ষেত্রে আসলে করার তেমন কিছু থাকে না। তাই আগে থেকেই চেষ্টা করুন উপরোক্ত পদ্ধতি গুলো মেনে চলতে। আর যদি পেকে গিয়েই থাকে তাহলে হেয়ার কালার অথবা মেহেদি পাতা ছাড়া উপায় নেই। তবে আপনি যদি কালো ছাড়া অন্য কোন কালার করতে চান তবে আমি পরামর্শ দিব অবশ্যই নিজের গায়ের রঙের সাথে মানানসই করে করবেন। তাহলে আগের সাদা চুলের দুঃখ ভুলে আপনার মুখে হাসি ফুটবেই আর আপনি হয়ে উঠবেন আরও আত্মবিশ্বাসী।

৫২ বছর পূর্ণ করেছেন অক্ষয় কুমার, ওষুধ থেকে থাকেন দূরে! তবুও চরম ফিট তিনি

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ ৫২ বছর পূর্ণ করেছেন বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমার (akshay kumar)। কিন্তু তিনি এই বয়সেও পুরোপুরি ফিট। বয়সের ছাপ তার চোখে-মুখে বা স্বাস্থ্যে কোথাও এতটুকু পড়েনি। পেশীযুক্ত শরীর বানাতে অধিকাংশ অভিনেতা যখন স্টেরয়েডের দিকে ঝুঁকে থাকেন, সেখানে কোনোরকম স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ না খেয়েও মেদমুক্ত স্বাস্থ্য ধরে রেখেছেন এই অভিনেতা। জানা গেছে, এর সবটাই লুকিয়ে রয়েছে অক্ষয়ের ফিটনেস পরিকল্পনায়। অক্ষয়ের ডায়েট চার্টে। সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার দিক থেকে অক্ষয়ের দৈনন্দিন রুটিন অন্যান্য অভিনেতা-অভিনেত্রীর থেকে অনেকটাই আলাদা। এ ব্যাপারে অক্ষয় পুরোপুরি নিজের নিয়মে চলেন।

অক্ষয় খুব সরল জীবনযাপন করেন। রাত ৯টায় তিনি ঘুমিয়ে পড়েন এবং রোজ ভোর সাড়ে চারটেয় উঠে পড়েন। ভোরে ঘুম থেকে উঠেই তিনি শরীরচর্চা শুরু করেন। ঘুম থেকে উঠে তার প্রথম কাজ হাঁটা। সব তারকাদেরই নির্দিষ্ট জিম ট্রেনার থাকে। অক্ষয়ের কিন্তু কোনো ট্রেনার নেই। জিমে অক্ষয় যান এবং নিজের ইচ্ছামতো শরীরচর্চা করেন। যেদিন যেটা করতে ইচ্ছা করে, সেদিন সেটাই করেন তিনি। তবে জিমে ওয়েট লিফ্টিং করেন না তিনি। অক্ষয় মার্শাল আর্ট এবং কিক বক্সিংয়ে প্রশিক্ষিত। নিয়মিত তা অনুশীলন করেন। এর বাইরে সারাদিন ধরেই তিনি অবসর সময়কে কাজে লাগান। কখনও হাঁটেন, কখনও দৌড়ন, সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করেন।

অনেকটা সময় শরীরচর্চা করার পর নিয়মিত যোগব্যায়াম এবং মেডিটেশন করেন। এনার্জি এবং গতি বাড়ানোর জন্য সপ্তাহে তিন দিন নিয়ম করে বাস্কেট বল খেলেন। স্বাস্থ্য বজায় রাখতে কোনোরকম দোকানজাত সাপ্লিমেন্টের ওপর নির্ভর করেন না খিলাড়ি। দোকানজাত প্রোটিন পাউডার, স্টেরয়েড একেবারেই খান না। এমনকি ওষুধের ওপরও নির্ভর করেন না তিনি। জ্বর-সর্দি-কাশির জন্য দোকান থেকে ওষুধ না কিনে ঔষধি গুণসমৃদ্ধ বিভিন্ন ভেষজ গাছ-পাতা খেয়ে ফেলেন।

এত গেল মূলত অক্ষয়ের শরীরচর্চার কথা। সারাদিন কী ধরনের খাবার তিনি খেয়ে থাকেন? চা, কফি, মদ, সিগারেট- এসবে একেবারে ছুঁয়েই দেখেন না অক্ষয়। প্রতি রোববার তার পছন্দের খাবার মিষ্টি আর সপ্তাহের বাকি দিনগুলো খুব পরিমিত খান। সন্ধ্যা ৭টায় ডিনার সেরে ফেলেন। আর রোজ ৯টায় ঘুমাতে যান। মাঝের এই দুঘণ্টা খাবার হজমের জন্য হালকা কিছু কাজ করেন। ব্রেকফাস্টে থাকে পরোটা, এক গ্লাস দুধ বা ফলের রস বা মিল্কশেকস্ আর ডিম। এর দুঘণ্টা পর তিনি তাজা ফল খান। নানারকম সবজি তার খুব পছন্দের, ড্রাই ফল খান।

লাঞ্চে তিনি পছন্দ করেন ডাল, রুটি, সিদ্ধ চিকেন এবং দই। রাতে সবচেয়ে হালকা খাবার খান তিনি। নানারকম সবজি দিয়ে স্যুপ এবং স্যালাড। ব্যস এটুকু খেয়েই শুয়ে পড়েন। ইচ্ছা করলেও ঘুরেও রাতে মিষ্টির দিকে তাকান না। ভাত খেলে শুধুমাত্র ব্রাউন রাইস খান তিনি। সারাদিনে আমলার রস, আখরোট এগুলোও খেয়ে থাকেন। প্রসেসড্ ফুড একেবারেই পছন্দ নয় তার। আর সব রকমের সবজি খান।

 

দোকানে চুরির পর চিঠি লিখে দুঃখ প্রকাশ করে গেলো চোরেরা!

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় একটি কাপড়ের দোকানে চুরির ঘটনায় চিরকুট লিখে দুঃখ প্রকাশ করেছে চোর। এ ঘটনায় নগদ টাকাসহ বিপুল পরিমাণ কাপড় চুরি হয়েছে। শনিবার সকালে উপজেলার মুশুলী কলেজ গেইটের পাশেই ‘রফিক বস্ত্র বিতান’ নামে দোকানে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এর আগে শুক্রবার রাতে যেকোনো সময়ে এ চুরির ঘটনা ঘটে। নান্দাইল মডেল থানার এসআই সুব্রত সাহা এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। ‘রফিক বস্ত্র বিতান’ এর মালিক রফিকুল ইসলাম শুক্রবার রাত দোকান বন্ধ করে বাড়ি যাওয়ার পর রাতেই এ ঘটনা ঘটে। ছয় লাইনের ওই চিরকুটে চোর লিখেছে, রফিক ভাই, আপনার দোকান লুট করার জন্য দুঃখিত, মাফ করে দিবেন। ধন্যবাদ। আমি আপনার পরিচিতদের মধ্যে একজন। অটো দিয়ে মালগুলো নিতে অনেক কষ্ট হইছে। জানা গেছে, এদিন সকালে ‘রফিক বস্ত্র বিতান’ এর কর্মচারী মারুফ মিয়া দোকান খুলতে এসে দেখেন তালা ভাঙা। পরে মালিক রফিকুল ইসলামকে ফোন করে ঘটনাটি জানান। এরপর মালিক দোকানে এসে চিরকুটটি দেখতে পান।

এ প্রসঙ্গে দোকান মালিক রফিকুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি সততার সঙ্গে ব্যবসা করে আসছেন। প্রথমে ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করলেও ধীরে ধীরে বেচা-বিক্রি বৃদ্ধি পাওয়ায় ধারে (কর্জ) টাকা এনে দোকানে অনেক মালামাল নিয়েছেন। তিনি আরো বলেন, দোকানের ক্যাশ কাউন্টার ভেঙে নগদ ৩০ হাজার টাকা নিয়ে গেছে চোর। এছাড়া প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকার কাপড় চুরি হয়েছে।

প্রতিদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে মহাদেবের নন্দীর আকার! বিজ্ঞানও হার মেনেছে ভগবানের রহস্যের সামনে

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ অন্ধ্র প্রদেশের কুরনুল জেলায় অবস্থিত ইয়াগন্তী উমা মহেশ্বর মন্দিরটি আমাদের দেশের অন্যতম ঐতিহাসিক ঐতিহ্য। এই মন্দিরটি আশ্চর্যজনক হওয়ার সাথে সাথে এটি নিজের মধ্যে অনেকগুলি রহস্য ধারণ করে। এই মন্দিরে উপস্থিত নন্দী মহারাজের প্রতিমা নিরন্তর রহস্যজনক উপায়ে বিশাল আকার ধারণ করেই চলেছে, যার কারণে এই যজ্ঞন্তী উমা মহেশ্বর মন্দির যথেষ্ট শিরোনামে রয়েছে। নন্দী কি সত্যিই জীবিত হয়ে উঠবে? নন্দীর সম্পর্কে একটি বিশ্বাস আছে যে এমন একদিন আসবে যখন নন্দী মহারাজ জীবিত হয়ে উঠবেন, তিনি বেঁচে উঠলেই এই পৃথিবীতে এক মহা ঝড় বইবে এবং এই কলিযুগের অবসান হবে।

প্রতিবছর বছরে ১ ইঞ্চি বৃদ্ধি পায় এই মূর্তি : এই যজ্ঞন্তী উমা মহেশ্বর মন্দিরে স্থাপন করা নন্দীর প্রতিমার আকার প্রতি 20 বছরে প্রায় এক ইঞ্চি বৃদ্ধি পায়। এই রহস্য উদঘাটনের জন্য প্রত্নতত্ত্ব বিভাগও গবেষণা করেছিল। এই গবেষণা অনুসারে বলা হচ্ছে যে এই মূর্তি তৈরিতে যে পাথর ব্যবহার করা হয়েছিল তা বাড়ন্তকারী প্রকৃতির পাথর এবং এই কারণেই প্রতিমার আকার বাড়ছে।

ভক্তরা প্রদক্ষিণ করতে সক্ষম হয় না: বলা হয় যে এই যজ্ঞন্তী উমা মহেশ্বর মন্দিরে আসা ভক্তরা আগে খুব সহজেই নন্দীর পরিক্রমা করতে পারতেন কিন্তু যেহুত মূর্তিটি ক্রমশ আকারে বেড়েই চলেছে সেই কারণে এখন মূর্তির পরিক্রমা করা সম্ভব হয়ে উঠছে না। নন্দীর মূর্তির আকার ক্রমশ বিশাল হতে দেখে মন্দির প্রশাসন সেখান থেকে একটি স্তম্ভও সরিয়ে নিয়েছে।

মন্দিরের ইতিহাস: এই মন্দিরটি 15 তম শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছিল। এই মন্দিরটি সাংমা রাজবংশের রাজা হরিহর বুক্কা তৈরি করেছিলেন। কথিত আছে যে ঋষিষ অগস্ত্য এই স্থানে ভগবান ভেঙ্কটেশ্বরের মন্দির তৈরি করতে চেয়েছিলেন কিন্তু মন্দিরে প্রতিমা স্থাপনের সময় প্রতিমার পায়ের আঙ্গুল ভেঙে যায়। অগস্ত্য এই ঘটনার কারণ খুঁজতে ভগবান শিবের ধ্যান করেছিলেন। এর পরে ভগবান শিবের আশীর্বাদে আগস্থ ঋষি উমা মহেশ্বর এবং নন্দীর প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।

পুষ্করিনীর রহস্য কী? এই ইয়াগন্তী উমা মহেশ্বর মন্দির কমপ্লেসে একটি ছোট পুকুর রয়েছে যা পুস্করিনী নামে পরিচিত। এই পুষ্করিনীতে নন্দীর মুখ থেকে ধারাবাহিকভাবে জল পড়তে থাকে। লক্ষ লক্ষ চেষ্টার পরেও, পুষ্করিনীর মধ্যে কীভাবে জল আসে তা কেউ জানতে পারেনি। বিশ্বাস করা হয় যে ঋষি অগস্ত্য পুষ্করিনীতে স্নান করে শিবের উপাসনা করেছিলেন।

কাক মন্দির থেকে পালিয়ে যায়: মন্দির চত্বরে কাক কখনও আসে না। ধারণা করা হয় তপস্যা করার সময় অস্থিরতার কারণে ঋষি আগস্থ কাককে অভিশাপ দিয়েছিলেন যে কোনো কাক কখনও মন্দির চত্বরে আসতে পারবে না। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, পাথরগুলির প্রকৃতির কারণে নন্দীর মূর্তিটি আসলেই বৃদ্ধি পাচ্ছে বা এর পিছনে কোনও রহস্য রয়েছে তা বলা মুশকিল। কিন্তু দৈত্য নন্দীকে দেখে বলা ভুল হবে না যে সেদিন খুব দূর নয় যখন নন্দী মহারাজ জেগে উঠবেন এবং কলিযুগের লীলা শেষ হবে।

 

মাত্রা ছাড়াবেন না, সংযত থাকুন! মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীকে কড়া হুঁশিয়ারি বাবুলের

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ সম্প্রতি রাজ্যপালের কাজের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলে, তাঁকে মাত্রা না ছাড়ানোর জন্য সতর্ক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee)। এবার যেন খানিকটা সেই সুরেই তাঁকে পাল্টা সতর্ক হতে বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় (Babul Supriyo)। রবিবার কালিয়াগঞ্জের নির্বাচনী প্রচারে এসেছিলেন বাবুল। সেখানেই একটি সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীকে সতর্ক হতে বলেন বাবুল। জানান, তিনি যেন তাঁর ভাষায় এবং কাজে মাত্রা না ছাড়ান।

নির্বাচনী প্রচারে এসে সন্ত্রাসের আশঙ্কা করার কথা জানান বাবুল সুপ্রিয়। তিনি দাবি করেন, বামেরা যেভাবে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ভোট লুঠ করত, তৃণমূল একই কৌশলের পথ ধরেছে। বাম আমলে যে সব হার্মাদ গুন্ডারা ছিল, তারাই এখন তৃণমূলে। গত লোকসভা ভোটে কালিয়াগঞ্জে যেহেতু বিজেপি অনেক ভোটে এগিয়েছিল, সেই কারণে তৃণমূল আতঙ্কে আছে। ফলে তারা উপনির্বাচনেও সন্ত্রাস করবে বলে আশঙ্কার কথা জানান বাবুল। সেই সঙ্গে অভিযোগ করেন, পুলিশ তৃণমূলের বশংবদ। ফলে সন্ত্রাস রোখার লড়াই অনেক বেশি কঠিন।

এর পরেই মুখ্য়মন্ত্রী মমতাকে সতর্ক করে বাবুল সুপ্রিয় জানান, রাজ্যপাল একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ করছেন পশ্চিমবঙ্গে। তাই সরকার নানা ভাবে তাঁর বিরোধিতা করছে। রাজ্যের মানুষ সে সবই দেখছেন।রাজ্যের মানুষই মমতাকে ক্ষমতায় নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে রাজ্যের মানুষই তাঁকে সরিয়ে দেবে।