Home Blog

এবার আর কোন কথা হবেনা, এবার শুধু কাজ হবেঃ মোদী

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হিউস্টনে ঐতিহাসিক হাউডি মোদী অনুষ্ঠানের পর, তিনি সংযুক্ত রাষ্ট্রের মহাসভা ৭৪ তম অধিবেশনকে সম্বোধিত করেন। সংযুক্ত রাষ্ট্রে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, এবার গোটা বিশ্বের সমস্ত দেশকে এই বিষয়ে আরও গম্ভীর হতে হবে।

উনি পরিস্কার জানিয়ে দেন যে, এবার কথা বলার সময় শেষ হয়ে গেছে, এবার গোটা বিশ্বের কাজ করা দরকার। উনি এও বলেন যে, এই কাজের জন্য যত প্রচেষ্টা হওয়া দরকার ততটা হচ্ছেনা। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, আমরা লক্ষ লক্ষ পরিবারকে স্বচ্ছ রান্নাঘর বানানোর জন্য বিনামূল্যে গ্যাস কানেকশন দিয়েছি। আমরা বৃষ্টির জল সংরক্ষিত করার জন্য ‘জল জীবন” অভিযান শুরু করেছি। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, এবছরের ভারতের স্বাধীনতা দিবসে আমরা সিঙ্গেল ইউজ প্ল্যাস্টিক থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য এক বিশাল আন্দোলন শুরু করেছি। আমি আশা করছি যে, গোটা বিশ্ব এভাবে প্ল্যাস্টিকের ব্যাবহার ত্যাগ করার জন্য সবাইকে জাগ্রত করবে।

প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন গোটা বিশ্বের জন্য চিন্তাজনক ব্যাপার। আমরা এখানে এই বিষয় নিয়ে শুধু কথা বলতেই না, বরঞ্চ এর সাথে মোকাবিলা করতে এসেছি। প্রধানমন্ত্রী মোদী নিজের ভাষণে বলেন, আমরা ভারতের ট্র্যান্সপোর্ট সেক্টরে ই-মোবিলিটি’র উপর জোর দিচ্ছি। উনি বলেন, ভারত বায়ো ফিউল মিশিয়ে পেট্রোল ডিজেলকে আরও উন্নত করার কাজ করছে। আমরা সাড়ে ১১ কোটি পরিবারকে বিনামূল্যে গ্যাস কানেকশন দিয়েছি। আন্তর্জাতিক স্তরে আমাদের সোলার অ্যালাইন্স গোটা বিশ্বে ৮০ টি দেশের সাথে যুক্ত আছে।

বাবুল সুপ্রিয় তো দূরের কথা! নিজের মা’কেই মিথ্যেবাদী বানিয়ে দিলো ক্যান্সার আক্রান্ত মায়ের গুণধর কমরেড পুত্র

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ বৃহস্পতিবার বিকেলে থেকে কলকাতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যাল লজ্জাজন ঘটনার সাক্ষী হয়েছিল। এমন কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছিল যা শিক্ষিত সমাজকে লজ্জিত করেছিল। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে গিয়ে SFI ছাত্র ছাত্রীদের দ্বারা হেনস্থা হন আসানসোলের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয়মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। বামপন্থীদের আড্ডাখানা হিসেবে পরিচিত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় সেদিন বিকেল থেকে চরম উত্তপ্ত হয়ে উঠে। যাদবপুরে আজাদী গ্যাং সক্রিয় হয়ে আসানসোলের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবলু সুপ্রিয়কে হেনস্তা করে। শুধু এই নয়, রাজ্যপাল বাবুল সুপ্রিয়কে উদ্ধার করতে পৌঁছালে উনার গাড়িকেও আটক করে বামপন্থী SFI এর কর্মীরা। বাবুল সুপ্রিয়র চুল ধরে টেনেছিল যাদবপুরের এক বামপন্থী ছাত্র।

যে বামপন্থী ছাত্র বাবুল সুপ্রিয়র ছবি ধরে টেনেছিল তার নাম ছেলেটির নাম দেবাঞ্জন চট্টোপাধ্যায়। দেবাঞ্জন চট্টোপাধ্যায় USDF করে বলে তার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে জানা গেছে।  ছেলেটির ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় নান গ্রুপে ভাইরাল হয়ে পড়েছিল। বাবুল সুপ্রিয় টুইট করেও ওই ছবি পোস্ট করেছিলেন। কিন্তু পরে দেবাঞ্জন এর মা বাবুল সুপ্রিয়র কাছে ছেলের হয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। বাবুল সুপ্রিয় আশ্বাস দেন যে উনি দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ নেবেন না। তবে এখন ওই ঘটনায় নয়া মোড় চলে এসেছে।

 

এখন দেবাঞ্জন বলেছেন যে তারা মাকে ভয় দেখিয়ে ক্ষমা চাওয়া করানো হয়েছে। আর সে বাবুলের চুল টানার জন্য অনুতপ্ত নয় বলেও জানিয়েছে। শুধু এই নয়, বাবুল সুপ্রিয়র থেকে আত্মরক্ষার জন্য সে এটা করেছে (চুল টানা) বলে জানিয়েছে। বিজেপি তার মায়ের অসুস্থতা নিয়ে রাজনীতি করছে বলেও অভিযোগ তুলেছে বামপন্থী ছাত্র দেবাঞ্জন। এখন প্রশ এটাই যে, ক্যান্সারে আক্রান্ত যেই মা সবার সামনে হাত জোড় করে ছেলের হয়ে ক্ষমা ভিক্ষা চাইল, সেই মাকেই মিথ্যেবাদী কেন বানাল এই গুণধর কমরেড? যদিও ভুলে যাবেন না, বামপন্থায় নিজের জন্মদাত্রী মা আর জন্মদাতা বাবার থেকে হাজার গুণ বড় হয় সিপিএম এর পার্টি অফিস!

দিদির থেকে ৪৫০ কোটি খেয়ে, মোদীর প্রশংসা করছে প্রশান্ত কিশোর! বেজায় চটে তৃণমূল, হতে পারে চুক্তি ভঙ্গ

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে সম্পর্কে ফাটল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের? সাম্প্রতিককালের বেশ কিছু ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন প্রশান্ত কিশোর তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলে । তা থেকেই নাকি মতানৈক্য ৷ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রধান রাজনৈতিক উপদেষ্টা প্রশান্ত কিশোরের সম্পর্কের তিক্ততার কারণে নাকি ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচিতে সমস্যা তৈরি হচ্ছে ৷

রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে প্রশান্ত কিশোর কি আদৌ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আসন্ন নির্বাচনি বৈতরণী পার করতে পারবেন? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সচিবালয়ে প্রশান্ত কিশোরকে নিয়ে চাপা উত্তেজনা রয়েছে । অন্য দেশের সীমান্তবর্তী একটি রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ । বহু ভাষাভাষী মানুষের বাস এ রাজ্যে । এই রাজ্য সম্পর্কে কতটা জানেন প্রশান্ত কিশোর, প্রশ্ন উঠেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যেও ।

সূত্রের খবর, প্রশান্ত কিশোরের টিম মধ্যরাতে, গভীর রাতে, এমন কী ভোররাতেও বিধায়কদের ফোন করে রীতিমত নির্দেশ দিচ্ছেন । জনসংযোগ বাড়ানো এবং এলাকায় আরও বেশি করে যাওয়ার জন্য বিধায়কদের নির্দেশ দিচ্ছেন প্রশান্ত কিশোরের টিমের ছেলেমেয়েরা । এই ঘটনায় যারপরনাই বেজায় ক্ষুব্ধ জনপ্রতিনিধিরা ।

সূত্রের খবর, নবান্নের 14 তলা থেকে মুখ্যমন্ত্রী নিয়মিত তার রাজনৈতিক উপদেষ্টা, প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন । শোনা যায়, 450 কোটি টাকা দিয়ে প্রশান্ত কিশোরকে মুখ্যমন্ত্রী তার রাজনৈতিক পরামর্শদাতা হিসেবে রেখেছেন । কিন্তু ইদানিংকালে মুখ্যমন্ত্রী প্রশান্ত কিশোরের কথা আর শুনছেন না । প্রশান্ত কিশোর যা যা বুদ্ধি দিচ্ছেন, মুখ্যমন্ত্রী সেগুলি গ্রহণ করছেন না । প্রশান্ত কিশোরের বুদ্ধি এ রাজ্যের সবকটি ক্ষেত্রে কৃতকার্য না হওয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে উপেক্ষা করছেন ।

এরাজ্যের মাটিতে প্রশান্ত কিশোরের বুদ্ধির বাস্তব প্রয়োগ যে হবে না সেটা মুখ্যমন্ত্রী বুঝতে পেরেছেন বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের । মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের অনেকেই বলছেন, পশ্চিমবঙ্গে এত কোটি টাকার দুর্নীতি আগে জানলে, তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক উপদেষ্টা হতেন না প্রশান্ত কিশোর ।

”দিদিকে বলো” কর্মসূচি সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক । কোনওভাবেই সরকারি কর্মসূচি নয় । আট জনের টিম এই কর্মসূচিতে প্রশান্ত কিশোরের হয়ে কাজ করছেন । অভিযোগ, রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিতে যে কাজ করার কথা বেসরকারি জায়গা থেকে, নবান্নে জন অভিযোগ কেন্দ্র থেকেই তা পালন করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী । খাদি ভবন থেকে এখন এই কর্মসূচি চলছে বলে জানা গিয়েছে । সমগ্র বিষয়টিতে দুজন IAS অফিসারকে বাধা দেওয়ায় তাদেরকে বদলি করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ । খাদি ভবনের এই জন অভিযোগ কেন্দ্রে প্রতিদিন সকাল থেকে ”দিদিকে বলো”-র টিম বসে থাকে।

সরকারি অফিসে ঢুকে পড়ছে রাজনৈতিক একটি কর্মসূচির দল । অন্যদিকে ”দিদিকে বলো” কর্মসূচিতে ওয়েবেলকে যুক্ত করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে । প্রযুক্তিগত এবং লোক বল সবটাই ওয়েবেলকে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী সচিবালয় থেকেই । ওয়েবেল সরকার পোষণ করা একটি সংস্থা । ”দিদিকে বলো” টিমকে পুরোপুরি সাপোর্ট দিচ্ছে তারা । বিরোধীরা জানাচ্ছেন, এই সরকার যখন ক্ষমতাচ্যুত হবে তখন এই জালিয়াতি নিয়ে CBI তদন্ত হবে । রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থা তখন হবে রাজীব কুমারের মতো ।

ইতিমধ্যেই প্রশান্ত কিশোর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইদানীংকালের কিছু ঘটনায় ক্ষুব্ধ। যেমন, সাম্প্রতিককালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিঁথি থেকে শ্যামবাজার পর্যন্ত হেঁটেছিলেন নাগরিকপঞ্জি বিরুদ্ধে । রাস্তায় হাঁটার জন্য পথের দু’পাশে ব্যারিকেড করার জন্য কলকাতা কর্পোরেশন একদিনে 15 লক্ষ টাকা খরচ করেছিল । এই খবর প্রশান্ত কিশোরের কানে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বেজায় ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন তিনি । শোনা যাচ্ছে, সেখানে থেকেই মমতার সঙ্গে সম্পর্কে চিড় ধরে তাঁর ।

রাজ্যের বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ গুলিতে 34 হাজার আসন রয়েছে । চলতি বছরে ভর্তির মেয়াদ ফুরিয়ে গেলে, দেখা যাচ্ছে, মাত্র 9 হাজার পড়ুয়া সেখানে ভর্তি হয়েছে । কেউ ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে আসছেন না । ওয়ার্ড মাস্টারের চাকরির জন্য ইলেকট্রিক্যাল এবং মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার আবেদন করছেন । কেন এই অবস্থা? এই প্রশ্ন সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নাকি করেছিলেন প্রশান্ত কিশোর । বিষয়টি নাকি ভালোভাবে নেননি তৃণমূল সুপ্রিমো । সূত্র বলছে, প্রশান্ত কিশোর অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের উপরেও সন্তুষ্ট নন । অমিত মিত্রের তথ্যের বিভ্রান্তি নিয়ে চটেছেন তিনি । গত সাড়ে আট বছরে সাড়ে ছ’লক্ষ সরকারি চাকরি হয়েছে এরাজ্যের মানুষের । অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের এই বক্তব্যের বাস্তবতা জানতে চেয়েছেন প্রশান্ত কিশোর । গোল বেঁধেছে তাতেই । আরেকদিকে গতকাল আমেরিকায় নরেন্দ্র মোদীর ‘হাউডি মোদী” অনুষ্ঠানের ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রশান্ত কিশোর। আর সেই নিয়ে আরও জল্পনা বেড়ে যায়।

ইসলামিক সন্ত্রাসী সংগঠন হিজবুল মুজাহিদ্দিনের তিন কুখ্যাত জঙ্গিকে গ্রেফতার করল সেনা

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ  জম্মু কাশ্মীরের কিশতওয়ারায় ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP) আর রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) দুই নেতার হত্যা সমেত চারটি জঙ্গি কার্যকলাপে যুক্ত হিজবুল মুজাহিদ্দিন (Hizbul Mujahideen) এর তিন জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার এই তথ্য দেয় জম্মু কাশ্মীর পুলিশ। জম্মু কাশ্মীর পুলিশের মহানির্দেশক মুকেশ সিং সোমবার বলেন, গত বছর নভেম্বর থেকে এই বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চারটি জঙ্গি কার্যকলাপের সাথে যুক্ত হিজবুল মুজাহিদ্দিন এর তিন জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উনি বলেন, ধৃত জঙ্গিদের পরিচয় বের করা হয়েছে, তাঁদের নাম যথাক্রমে আহমেদ শেখ, নিশাদ আহমেদ আর আজাদ হুসেইন। তিনজনই কিশতওয়ারার বাসিন্দা বলে জানায় পুলিশ।

আধিকারিকরা জানান, ২০১৭ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত চিনাও ঘাঁটিতে সন্ত্রাসবাদকে পুনঃজীবিত করার মামলায় নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের জঙ্গিদের গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে। উনি বলেন, বিগত এক বছরে কিশতওয়ারায় চারটি সন্ত্রাসী হামলা হয়েছিল, এই ঘটনা গুলো সিআরপিএফ, আর্মি, এনআইএ এর সাহায্য নিয়ে নিষ্পত্তি করার চেষ্টা করা হয়েছিল।

আপনাদের জানিয়ে রাখি, এই বছরের এপ্রিল মাসে জম্মু কাশ্মীরের কিশতওয়ারায় আরএসএস নেতা চন্দ্রকান্ত শর্মা আর ওনার সুরক্ষা কর্মীকে গুলি মেরে হত্যা করা হয়েছিল। পুলিশের অনুযায়ী, হাতিয়ার নিয়ে হামলাকারীরা জেলা হাসপাতালের বাইরে ওনাকে গুলি করেছিল। এই ঘটনায় আরএসএস নেতার সুরক্ষা কর্মীর ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়, আর আরএসএস নেতা চন্দ্রকান্ত শর্মাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল, যেখানে চিকিৎসার সময় ওনার মৃত্যু হয়।

আমরাই একমাত্র এরাজ্যে গণতন্ত্র বজায় রেখেছি, গোটা দেশে কোথাও গণতন্ত্র নেই! বড়সড় অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ  রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী আর তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জী বলেন, শুধুমাত্র এরাজ্যেই গণতন্ত্র আছে, দেশের অন্য কোথাও গণতন্ত্র নেই, সব যায়গায় গণতন্ত্র বিপন্ন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী বলেন, গণতন্ত্রে বিক্ষোভ প্রদর্শন গুরুত্বপূর্ণ। যেদিন বিক্ষোভ প্রদর্শন নিজের মূল্য খুইয়ে দেবে, সেদিন ভারত, ভারত হওয়া বন্ধ করে দেবে। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জী বলেন, এনআরসি পশিমবঙ্গ অথবা দেশের অন্য কোন রাজ্যে হবেনা। অসমে এটা ‘অমস সমঝোতা” এর কারণে হয়েছে। অসম সমঝোতা ১৯৮৫ সালে তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী আর অল অসম স্টুডেন্ট ইউনিয়িন এর মধ্যে হয়েছিল।

মমতা ব্যানার্জী বলেন, পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি নিয়ে ভয় সৃষ্টি করা বিজেপিকে আমি ধিক্কার জানাই, বিজেপির এই ভয় তৈরি করার কারণে এখনো পর্যন্ত রাজ্যে ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে। আপনারা আমার উপর ভরসা রাখুন, আমি বাংলায় এনআরসি লাগু হতে দেবনা। ভারতীয় জনতা পার্টির উপর দেশে অগণতান্ত্রিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করার অভিযোগ তুলে মমতা ব্যানার্জী বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনে একমাত্র পশিমবঙ্গে গণতন্ত্র আছে। দেশের আর কোথাও গণতন্ত্র নেই।

উনি বলেন, বিজেপি দেশের মানুষের থেকে রোজগার ছিনিয়ে নিয়েছে, ভারতের অর্থব্যাবস্থা নীচে নিয়ে গেছে বিজেপি সরকার। বিজেপি শুধু নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছে। উনি বলেন, আমরা সরকারি সম্পত্তি গুলোকে বেসরকারীকরণ এর বিরুদ্ধে আগামী ১৮ই অক্টোবর রাস্তায় নামছি। আমরা দেখেছি, বিজেপি, আরএসএস আর এবিভিপি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে কি করেছে। ওরা এরকম ভাবে অশান্তি করে ক্ষমতায় আসতে চাইছে। আমরা এটা হতে দেবনা। উনি আসানসোলের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, ওখানে মুনমুন সেনকে হারিয়ে বাবুলকে ক্ষমতায় এনেছে মানুষ। দেকেছেন তো? আমাদের ভোট না দেওয়ার ফল কি হয়।

 

কাশ্মীরে মুসলিমদের হাতে ধ্বংস হয়ে যাওয়া ৫০ হাজার মন্দির খোলার সিদ্ধান্ত মোদী সরকারের

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়ার পর কেন্দ্র সরকার আরও একটি বড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে। কেন্দ্র সরকার জম্মু কাশ্মীর বন্ধ হয়ে থাকা মন্দির আর স্কুল গুলো নিয়ে একটি সমিক্ষা করার আদেশ দিয়েছে। এই সমীক্ষার পর ওই মন্দির এবং স্কুল গুলোকে খলা হবে। গতকাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আমেরিকায় থাকা কাশ্মীর পণ্ডিতদের সাক্ষাৎ এর পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। গতকাল আমেরিকায় কাশ্মীর পণ্ডিতদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, আপনারা অনেক কষ্ট সহ্য করেছেন।

সোমবার ব্যাঙ্গালুরুতে কেন্দ্রীয় গৃহ রাজ্য মন্ত্রী জি. কিষাণ রেড্ডি বলেন, ‘আমরা জম্মু কাশ্মীরে বন্ধ থাকা স্কুল গুলোর সমিক্ষা করে সেগুলোকে আবার খোলার জন্য একটি কমিটি গঠন করেছি। বিগত কয়েক দশকে কাশ্মীরে ৫০ হাজার মন্দির বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। যেগুলোর মধ্যে কয়েকটিকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে আর মূর্তি গুলোকে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আমরা এই বন্ধ পড়ে থাকা মন্দির গুলোর সমীক্ষা করার জন্য কমিটি গঠন করেছি।” শোনা যাচ্ছে যে, জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়ার পর, এবার মোদী সরকার সেখানে বন্ধ হয়ে থাকা ৫০ হাজার মন্দির গুলোকে খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

হাউডি মোদী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রবিবার আমেরিকায় থাকা প্রবাসী ভারতীয়দের সাথে দেখা করেন। শিখ সম্প্রদায়ের মানুষেরা করতারপুর করিডরের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানায়। আরেকদিকে আমেরিকায় থাকা কাশ্মীরি পণ্ডিতেরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সামনে পেয়ে ভাবুক হয়ে পড়ে। এমনকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও কাশ্মীরি পণ্ডিতদের দেখে ভাবুক হয়ে পড়েন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাথে কথা বলার সময়, কাশ্মীরি পণ্ডিতদের প্রতিনিধিত্ব করা সুরিন্দর কৌল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতে চুমু খান। কৌল জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, গোটা দেশ আর সমস্ত কাশ্মীরি পণ্ডিতেরা আপনার সাথে আছে। কৌল মিডিয়ার সাথে কথা বলার সময় বলেন, আমরা সাত লক্ষ কাশ্মীরি পণ্ডিতদের তরফ হইতে জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানিয়েছি। আমরা ওনাকে জানিয়েছি যে, আমাদের সম্প্রদায় আপনার পাশে আছে, আমরা সবাই মিলে কাশ্মীরের স্বপ্ন পূরণ করব। যেখানে শান্তি থাকবে, সেখানে উন্নয়ন আর সুখ দুটোই বিরাজ করবে।

ভারতীয় নাগরিকদের চিহ্নিত করার জন্য অমিত শাহ এর নয়া প্ল্যান, এবার দেশে চালু হবে ‘এক দেশ এক পরিচয়পত্র”

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ ২০২১ এ হওয়া জনগণনার সময় ‘এক দেশ, এক পরিচয় পত্র” (One Nation One Id) এর প্রস্তাব দিলেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ সোমবার ২০২১ এ হওয়া দেশের ১৬ তম জন্মগণনা নিয়ে কথা বলার সময় এই প্রস্তাব দেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মাল্টি পেপার্স পরিচয় পত্রের প্রস্তাব দেন, যেটা পাসপোর্ট, আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এর পাসবুক আর ড্রাইভিং লাইসেন্স এর কাজ করবে।

অমিত শাহ বলেন, ১৮৬৫ সালে দেশের সর্ব প্রথম জন গণনা করা হয়েছিল। আর তখন থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র ১৬ বারই দেশে পুনরায় জন গণনা হয়েছে। এবার এত বছর পর, অনেক বদল আর অনেক উন্নত প্রযুক্তি ব্যাবহারের পর এবার জন গণনা ডিজিটাল হতে চলেছে। আপনাদের জানিয়ে রাখি, কেন্দ্র সরকার শুধু জন গণনার উপরেই জোর দিচ্ছেনা। কেন্দ্রের মোদী সরকার জন্ম নিয়ন্ত্রণ নিয়েও ভাবছে।

৭৩ তম স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লাল্ল কেল্লার প্রাচীর থেকে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়ার সময় দেশে জন্ম নিয়ন্ত্রণ এবং জন সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে কথা বলেন। তিনি ওই দিনের ভাষণ থেকে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, দেশে তিন তালাক, কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়ার পর, এবার জন্ম নিয়ন্ত্রণ বিল আনতে পারে মোদী সরকার।

দেশের মুসলিমদের ইসলাম সমন্ধ্যে কোন জ্ঞান নেইঃ সেনা প্রধান বিপিন রাওয়াত

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ সেনা প্রধান বিপিন রাওয়াত (Army Chief General Bipin Rawat) মানুষদের ইসলাম নিয়ে ভুল বোঝানো হচ্ছে। তাঁদের ইসলাম সমন্ধ্যে প্রকৃত সত্য জানানো হচ্ছে না। সাধারণ মুসলিমদের ইসলাম নিয়ে ভুল বুঝিয়ে কিছু মানুষ সমাজকে ভাগ করার চেষ্টা করছে। আর এরজন্য আমাদের এমন ধর্মগুরুর (Preachers) প্রয়োজন, যিনি মুসলিমদের সাথে সাথে গোটা সমাজকে ইসলামের প্রকৃত অর্থ বোঝাবেন।

জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার পর রাজ্যে পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক আছে বলে জানান সেনা প্রধান বিপিন রাওয়াত। উনি বলেন, কাশ্মীর উপত্যকায় থাকা জঙ্গিরা এখন পাকিস্তানের মাটিতে বসে থাকা তাঁদের জনকদের সাথে সম্পর্ক করতে পারছেনা। তাঁরা এঁকে অপরের সাথে কথা বলতে পারছে না। আরেকদিকে সাধারণ কাশ্মীরিদের মধ্যে কমিউনিকেশনের কোন সমস্যা নেই। সাধারণ কাশ্মীরিদের জন্য সমস্ত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে।

আপনাদের জানিয়ে রাখি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) স্বাধীনতা দিবসে লাল কেল্লার প্রাচীর থেকে চীফ অফ ডিফেন্স স্টাফ (CDS) এর নিযুক্তির ঘোষণা করেছিলেন। CDS তিন সেনার উপরে হনে। প্রতিরক্ষা সচিবের নেতৃত্বে একটি সমিতি CDS পদ এর ক্ষমতা আর অধিকার নিয়ে একটি ব্লু প্রিন্ট তৈরি করছে। সেনা প্রধান বিপিন রাওয়াত বরিষ্ঠতম জেনারেল হবেন, আর তিনি স্টাফ কমিটির চেয়ারম্যানও হয়ে যাবেন। আর CDS এ প্রথম পদধারি তিনিই হবেন।

কিসের আজাদী চান, মাওবাদী সংগঠন বাড়াতে চান ! – সৌমিত্র খাঁ

বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ আজ সরাসরি Bangla Hunt এ Face2Face এ ! যাদবপুর কান্ড তথা বাবুল সুপ্রিয় এর ওপর বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের হেনস্থ ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছে। কেন যাদবপুরে এক জন কেন্দ্র মন্ত্রীর নিরাপত্তা দিতে পারলেন না। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন। পুলিশ ও প্রশাষনের ব্যার্থাকে দাবী করেছেন। রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়েও জবাব দিয়েছে। বাংলাহান্টের একান্ত সাক্ষাৎকারে সৌমিত্র খাঁ বললেন দেখে নিন সরাসরি।

Pok দখলের ইঙ্গিত দিয়ে ইমরান খানকে নিজের দেশ সামলানর পরামর্শ দিলেন মোদী

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রবিবার এনআরজি স্টেডিয়াম থেকে পুরো জোশের সাথে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করা ৫০ হাজার মানুষ আর আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতিতে জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তের পর উন্মাদের মতো আচরণ করা পাকিস্তানের উপর কড়া আক্রমণ করেন।

আমেরিকার মাটিতে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে আক্রমণ করে বলেন, কিছু মানুষ এমনও আছে, যারা জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়া নিয়ে বরাবর আপত্তি জাহির করে আসছে। আবার তাঁরাই নিজের দেশ সামলাতে পারছেনা। এরা সেই মানুষ, যারা শান্তির বদলে অশান্তি আর যুদ্ধ চায়। এরা তাঁরা, যারা সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করে। এদের শুধু আপনারাই না, গোটা বিশ্ব ভালো মতো চিনে গেছে। এরা ভারতের প্রতি ঘৃণা তাঁদের রাজনৈতিক সাফল্যের চাবিকাঠি বানিয়ে নিয়েছে।

আরেকদিকে, পাকিস্তানের নাম না নিয়ে আর তাঁদের উপর আক্রমণ না করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, ‘আমেরিকায় ৯/১১ হামলা, আর ভারতে ২৬/১১ হামলার মূল ষড়যন্ত্রিদের কোথায় পাওয়া যায়?” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মঞ্চকে এগিয়ে আসার অনুরোধ করে বলেন, বন্ধুরা এবার সময় হয়ে এসেছে যে, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আর যারা সন্ত্রাসবাদকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে তাঁদের বিরুদ্ধে লড়াই করার।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আরও বলেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প আমাদের পাশে আছে। নরেন্দ্র মোদীর এই কথা শোনার পর, আমেরিকার রাষ্ট্রপতি সমেত স্টেডিয়ামে উপস্থিত প্রতিটি দর্শকই হাততালি দিতে শুরু করে দেন।

‘রাম লালা হাম আয়েঙ্গে, মন্দির ওহি বানায়েঙ্গে” স্লোগানে মুখর হল Howdy Modi অনুষ্ঠান

আমেরিকার হিউস্টন শহরে হাউডি মোদী (Howdy Modi) অনুষ্ঠানেও রাম মন্দির এর আওয়াজ উঠলো। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া মানুষেরা বারবার ‘রাম লালা হাম আয়েঙ্গে, মন্দির ওহি বানায়েঙ্গে” স্লোগান তুলল। অনুষ্ঠান শুরু হতেই, উপস্থিত মানুষেরা নিজেদের দুই হাত উপরে তুলে রাম মন্দিরের সমর্থনে স্লোগান দিতে থাকেন। আপনাদের জানিয়ে রাখি, অযোধ্যা মামলা এখনো সুপ্রিম কোর্টে চলছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আমেরিকার রাষ্ট্রপতির সাথে হিউস্টনে পৌঁছান। স্টেডিয়ামে প্রথমবার নরেন্দ্র মোদীকে দেখে খুশির জোয়ার বয়ে যায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মঞ্চে পৌঁছালেই উপস্থিত মানুষেরা দাঁড়িয়ে ওনাকে হাততালি এবং ‘মোদী … মোদী… মোদী” স্লোগান দিয়ে অভ্যর্থনা জানায়। মঞ্চে উঠে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী হাত জোড় করে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে নমস্কার জানান। সেই সময় মোদী নামে ভরে ওঠে গোটা স্টেডিয়াম।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে ৫০,০০০ ভারতীয় আমেরিকান সম্প্রদায়কে উদেশ্য করে ভাষণ দেন। হিউস্টন শহরটির দিকে তাকালে আজ মনে হচ্ছে যেন সেখানে বিশাল কোনো উৎসব উদযাপিত হচ্ছে। হিউস্টন শহরের সর্বত্র যে দিকে দেখবেন, লোকজন একই দিকে যেতে দেখা যায় এবং এই দিকটি শহরের এনআরজি (NRG) স্টেডিয়ামের দিকে যায়।

হিউস্টন শহরের রাস্তাগুলি এমন হয়ে উঠেছে যে যানবাহনের দীর্ঘ সারি সারি জ্যামে পরিণত হয়েছে। তা সত্ত্বেও, মানুষ হাউডি মোদী প্রোগ্রামে অংশ নিতে এতটাই মগ্ন হয়ে পড়ে যে তারা স্টেডিয়াম থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে তাদের গাড়ি দাঁড় করিয়ে স্টেডিয়ামের দিকে পায়ে হেঁটে যেতে হয়েছিল। আমেরিকার কোনও শহরে সম্ভবত এটিই প্রথম হবে, যখন এত বড় আমেরিকান জনগোষ্ঠী কোনও শহরে একত্রিত হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এই যে আজকের রাতেই হিউস্টনের  শুরু হতে চলেছে ভারতীয়দের সবচেয়ে বড় শো। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও আজকের এই অনুষ্ঠানের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন।

বাথরুমের ম্যাট তুলে এনে আমেরিকায় স্বাগত জানানো হল ইমরান খানকে! রেগে লাল গোটা পাকিস্তান

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ফের আন্তর্জাতিক মঞ্চে বেইজ্জত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। আজ দুই দেশের রাষ্ট্র প্রধান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হাজির হয়েছে। একদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টেক্সাসের হিউস্টনে ‘Howdy Mody” অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিচ্ছেন, আরেকদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান রাষ্ট্র সঙ্ঘের মহাসভায় পাকিস্তানের পক্ষে কথা বলার জন্য আমেরিকায় পা রেখেছেন। আর দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভ্যর্থনার ছবিই বলে দিচ্ছে ফারাকটা ঠিক কোথায়!

মাস খানেক আগেও আমেরিকা সফরে গেছিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। দেশে আর্থিক সমস্যা থাকার জন্য প্রাইভেট বিমান যোগার না করতে পেরে সার্বজনীন বিমানে আমেরিকায় গেছিলেন তিনি। এমনকি সেখানে গিয়ে কোন হোটেলে না থেকে, পাক রাজদূতের আবাসে ছিলেন তিনি। গতবার আমেরিকায় অবতরণের পর ওনাকে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য কোন আমেরিকার বিশিষ্ট নেতা হাজির ছিলেন না। শেষে তিনি মেট্রো করে পাক রাজদূতের আবাসে গেছিলেন। ওনার এই ঘটনা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক বিদ্রুপ করা হয়েছিল। অনেকেই বলেছিলেন যে, পাকিস্তানে তো কোনদিনও মেট্রো হবেনা! তাই বিদেশে গিয়েই মেট্রোর স্বাদ নিচ্ছেন পাক প্রধানমন্ত্রী।

এই ঘটনার একমাস কেটে যাওয়ার পর আবারও বেইজ্জত পাক প্রধানমন্ত্রী। আজও বিমান বন্দরে ওনাকে রিসিভ করার জন্য আমেরিকার কোন রাজনেতা উপস্থিত ছিলেন না। ওনাকে আমেরিকার স্বাগত জানান রাষ্ট্রসঙ্ঘে পাকিস্তানের প্রতিনিধি মালিহা লোধি। একদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে স্বাগত জানাতে বিমান বন্দরে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসা ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক ডিরেকটর ক্রিস্টোফার অলসন ও মার্কিন রাষ্ট্রদূত কিনিথ জাস্টার ও অন্যান্য আধিকারিকরা। তাঁর হাতে পুষ্পস্তবক দিয়ে স্বাগত জানান মার্কিন আধিকারিক।

বিমান বন্দরে নরেন্দ্র মোদীকে স্বাগত জানানোর জন্য বিছানো হয়েছিল সুবিশাল রেড কার্পেট। আরেকদিকে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে বিমান বন্দরে স্বাগত জানানোর জন্য ছিল শুধুমাত্র ডোর ম্যাট। আর সম্প্রতি ঘটে যাওয়া এই দুটি কাণ্ড নিয়ে আবারও সোশ্যাল মিডিয়ায় ইমরান খানকে নিয়ে ট্রল করা শুরু করেছে ইউজাররা। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ইমরান খানকে যেই ডোর ম্যাট দিয়ে স্বাগত জানানো হয়েছিল, সেটি বিমান বন্দরের বাথরুমে ব্যাবহার করা হয়। আর ইমরান খানের জন্য বিশেষ কোন ব্যাবস্থা না থাকার কারণে, তড়িঘড়ি ওই ম্যাটটিকেই তুলে আনা হয়। এই ঘটনা জানাজানি হতেই রেগে লাল পাকিস্তান। আর এর পিছনেও তাঁরা ভারতের হাত দেখছে।