Tuesday, December 10, 2019
Home Blog

বেহালা পার্কে কলেজ ছাত্রীদের দেখে হস্তমৈথুন করে গ্রেফতার বছর চল্লিশের এক মুসলিম ব্যাক্তি!

বেশ কিছুদিন ধরেই ওই ব্যক্তিকে দেখে সন্দেহ হয়েছিল কলেজ ছাত্রীদের। পার্কে ঢুকলেই ওই ব্যক্তি তাদের পিছনে পড়ে যাচ্ছেন। আচার আচরণও স্বাভাবিক নয়। তাই সোমবার আগে থেকে ফন্দি এঁটে ভিডিও করে পাড়ার দাদাদের দিয়ে হাতেনাতে পাকড়াও করা হল শেখ সেলিমউদ্দিন নামে ওই ব্যক্তিকে।

ঘটনাটা ঘটেছে বেহালা থানার অন্তর্গত হিন্দুস্তান পার্কে। স্থানীয় দুই কলেজ ছাত্রী ক্লাস শেষ হওয়ার পরে কলেজের ঠিক পিছন দিকে একটি পার্কে গিয়ে গল্প করতেন। তিন চারদিন ধরে তারা লক্ষ্য করছিলেন, এক ব্যক্তি তাদের পিছু পিছু আসছে এবং শরীর ঝাঁকাচ্ছে। তৃতীয় দিন অর্থাৎ সোমবার সেই ব্যক্তি ছাত্রীদের দেখে পার্কের গেটের সামনেই দাঁড়িয়ে হস্তমৈথুন শুরু করে, এমনভাবে করছিল যাতে পরিষ্কার দেখতে পায় ছাত্রীরা।

সেই দেখেই ছাত্রীরা মাথায় ফন্দি আঁটেন, যে করেই হোক ওই ব্যক্তির একটি ভিডিও করতে হবে। পরে সেটি তাদের প্রমাণ হবে। গোপনে তাঁরা সেই ভিডিও করে নেন। আগের থেকেই ওই দুই ছাত্রী তাদের পাড়ার দাদাদের পুরো ঘটনাটা বলে রেখেছিলেন। এরপর এলাকার বাসিন্দারা সেই ব্যক্তিকে ধরে ফেলে। তারপর বেহালা থানায় খবর দিলে পুলিশ ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে।

পশ্চিমবঙ্গে আড়াই কোটি হিন্দু ভারতীয় নাগরিকতা পাবেন জানালেন বিজেপি সাংসদ

0

নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাশ হয়েছে সংসদে আর যা নিয়ে শুধুমাত্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে দেশ জুড়ে। যদিও নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের সমর্থনে ভোট বেশি পড়েছে কিন্তু তা সত্ত্বেও চরম বিরোধিতা করতে ক্ষান্ত থাকেনি কংগ্রেস তৃণমূল সহ অন্যান্য বিরোধী দলগুলি। যদিও বার বার কেন্দ্রের তরফে বলা হয়েছে দেশে বসবাসকারী মুসলিমদের ওপর কোনও প্রভাব পড়বে না নাগরিক কত সংশোধন বিলের মাধ্যমে কিন্তু তা সত্ত্বেও মহারাষ্ট্রে শিবসেনার তরফে হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে অদৃশ্য বিভাজনের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ তোলা হয়।

পাশাপাশি, নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল অসাংবিধানিক বলেও কটাক্ষ করে কেউ কেউ। কিন্তু কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সংশোধনী বিলে মুসলিমদের স্থান না দেওয়ার পিছনেও ব্যাখ্যা দিয়েছেন কারণ বাংলাদেশ আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মতো দেশে হিন্দুরা সংখ্যালঘু তাই সেই সমস্ত দেশ থেকে আসা পার্সি হিন্দু বৌদ্ধ শিখ ও জৈনদের মধ্যে যাঁরা কমপক্ষে পাঁচ বছর ভারতে বসবাস করছে তাদেরকে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। নাগরিকত্ব বিলের সমর্থনে কথা বলেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা।

আর এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ মহাভারতের প্রসঙ্গ তুলে এনে বাংলার আড়াই কোটি মানুষ এই বিলের জন্য অপেক্ষা করছিল বলে জানান একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে আসা সমস্ত হিন্দু নাগরিকরা ই বিলের মাধ্যমে নাগরিকত্ব পেল তাই এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আঙুল দূরে ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলেন একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দেগে তিনিই এনআরসির বিরোধিতা করছেন এমন কারণ কী? তাও প্রশ্ন তোলেন পাশাপাশি হিন্দুদের প্রত্যেক জায়গায় অত্যাচার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলেন।

অন্যদিকে লোকসভায় নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাস হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মঙ্গলবার গোটা অসম জুড়ে নর্থ ইস্ট স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশনের তরফে দু দিন জুড়ে বন্ধের ডাক দেওয়া হয়েছে, কারণ তাঁদের মতে এই বিলটি অসম চুক্তির অবমাননা।

পাঁচ বছর ভারতে থাকলেই নাগরিকত্ব হিন্দুদের, NRC নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করলো মোদী সরকার

0

আগামী সোমবার লোকসভায় পেশ হতে চলেছে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল। সূত্রের খবর, ওই বিল অনুযায়ী পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আসা অ-মুসলিমরা মাত্র পাঁচ বছর শরণার্থী হিসেবে থাকলেই ভারতীয় নাগরিকত্ব পাবেন। তবে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে তাঁদের এ দেশে এসে থাকতে হবে। অর্থাৎ, বিল পাশ হলে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪-য় যিনি ভারতে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নিয়েছেন, তিনি এ মাসটা কাটিয়ে দিলেই নাগরিকত্ব পাওয়ার দাবিদার হবেন।

১৯৫৫ সালের মূল আইনে বলা ছিল নাগরিকত্ব পেতে হলে এ দেশে থাকতে হবে ১১ বছর। কিন্তু প্রথম মোদী সরকারের আমলে আনা বিলটিতে তা কমিয়ে ছ’বছর করা হয়। এ বার কমানো হল আরও এক বছর।

এনআরসি-তে যেখানে প্রমাণ দাখিল করতে গিয়ে কালঘাম ছুটেছে সাধারণ মানুষের, সেখানে নতুন বিলে নিঃশর্ত নাগরিকত্বের কথা বলা হয়েছে। নাগরিকত্ব প্রমাণে কাগজজনিত ঝামেলা যাতে না থেকে সে জন্য শুরু থেকেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে দরবার করছিলেন রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। সংশোধিত আইনে কোনও শরণার্থী অ-মুসলিম হলফনামা দিলেই তাঁকে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে বলে দাবি বিজেপি নেতাদের। কিন্তু কোনও মুসলিম যদি নিজেকে হিন্দু বা পার্সি বা বৌদ্ধ হিসেবে দাবি করেন, তা হলে তা আটকানোর কোনও উপায় রয়েছে কি না, তা নিয়ে নীরব বিজেপি শিবির। তবে বিজেপির থিঙ্ক ট্যাঙ্ক শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় রিসার্চ ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘‘বিলটি আগে আসুক। তা হলেই সব স্পষ্ট হবে। যে প্রশ্নগুলি উঠছে বিলটির বিস্তারিত আলোচনায় নিশ্চয়ই উঠে আসবে।’’

রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত অনেকেই মনে করেন নাগরিকত্ব বিল পাশ হলে পশ্চিমবঙ্গে সব থেকে বেশি ফায়দা হবে মতুয়া সম্প্রদায়ের, যারা দীর্ঘ সময় ধরে নাগরিকত্বের দাবিতে সরব। বিজেপি শিবিরের বক্তব্য, সেই দাবি পূরণ করতেই বিলটি আনছে মোদী সরকার। মতুয়া সম্প্রদায়ের নেতা তথা বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর বলেন, ‘‘বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছেন এমন প্রায় ৭০ লক্ষ মতুয়ার নাগরিকত্ব সংক্রান্ত কাগজপত্র নেই। এঁরা মূলত রয়েছেন নদিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, মালদহ, কোচবিহার-সহ সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলিতে। বিলটি পাশ হলে তাঁরা সুফল পাবেন।’’ কিন্তু ২০১৫ সাল থেকে বিল পাশ হওয়া পর্যন্ত যে অ-মুসলিমরা শরণার্থী হিসেবে প্রবেশ করেছেন তাঁদের ভবিষ্যৎ কী হবে? বিলে এ ব্যাপারে কোনও স্পষ্ট উল্লেখ না-থাকায় সংশয় ছড়িয়েছে।

শান্তনুবাবুর অবশ্য দাবি, সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরে বিলটি আইনে পরিণত হওয়ার দিন পর্যন্ত আসা শরণার্থীরা নাগরিকত্ব বিলের সুফল পাবেন।

কিন্তু সে ক্ষেত্রে ন্যূনতম পাঁচ বছর এ দেশে থাকার যে মেয়াদের কথা বলা হয়েছে শুধু সেই শর্তই যে অস্বীকার করা হবে তা নয়, ভিত্তিবর্ষ হিসেবে যে দিনটিকে চিহ্নিত করা হয়েছে তারও কোনও গুরুত্ব থাকে না। এই বিতর্ক নিয়ে আপাতত নীরব বিজেপি নেতৃত্ব। কিন্তু দলের নেতারা মনে করছেন, বিলটি পাশ
হলে ২০২১-এ পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে বিজেপির ভোট বাক্সে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্কে ধস নামাতে নাগরিকত্ব দেওয়ার বিষয়টিকেই প্রচারের প্রধান অস্ত্র করার লক্ষ্য নিয়েছেন রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। খাদ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের পাল্টা দাবি, ‘‘এনআরসি প্রশ্নে বাংলার মানুষ আতঙ্কিত। তিনটি উপনির্বাচনেই তা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে। বিজেপি যদি ভাবে যে নাগরিকত্ব বিল আনলেই নমঃশূদ্র বা মতুয়াদের ভোট পাবে, তা হলে ভুল ভাবছে।’’

নতুন বিলে বলা হয়েছে ইনার লাইন পারমিট ও ষষ্ঠ তফশিলভুক্ত এলাকায় ওই আইন প্রযোজ্য হবে না। একই দেশে নাগরিকত্বের প্রশ্নে কেন দু’ধরনের নিয়ম আনা হচ্ছে তা নিয়ে আজ প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন। তাঁর যুক্তি, ‘‘আগের অধিবেশনে এক দেশ এক সংবিধানের যুক্তি দেখিয়ে কাশ্মীরের বিশেষ ক্ষমতা প্রত্যাহার করা হল। আর পরের অধিবেশনে নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রশ্নে দ্বৈত নীতি নিচ্ছে সরকার। গোটাটাই হচ্ছে রাজনৈতিক ফায়দার স্বার্থে।’’

মাত্র তিন টাকার বীমায় সুরক্ষিত করুন আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, জালিয়াতি হলে পাবেন টাকা এবং আইনি সহযোগিতা

লাগাতার ভারতীয় টেকনোলজি তে বদল আসছে। আর এই কারণে সাইবার ক্রাইমের (Cyber Crime) রিক্স লাগাতার বেড়েই চলেছে। আর এই কারণেই এখন সবার সাইবার সিকিউরিটির (Cyber Security) খুব প্রয়োজন হয়ে গেছে। যদি আপনিও আপনার টাকা সিকিওর (Secure your Money) করতে চান তাহলে আপনিও নিতে পারেন এই বিশেষ ইনস্যুরেন্স পলিসি। HDFC ERGO একটি নতুন সাইবার ইনস্যুরেন্স পলিসি লঞ্চ করেছে। এই পলিসিতে ৫০ হাজার টাকার বিমা যোজনা মাত্র তিন টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

এই পলিসি বিভিন্ন ধরণের সাইবার রিক্স থেকে আপনাকে সুরক্ষা দেবে। এরমধ্যে ভুয়ো অনলাইন ট্রানজাকশন, ফিশিং অ্যাটাক আর ইমেল স্পুফিং। ই-এক্সটর্শন, আইডি থেফট আর সাইবার বুলিং যুক্ত আছে। HDFC ERGO এর এই সাইবার ইনস্যুরেন্স পলিসি সাধারণ মানুষ আর তাঁর পরিবারকে সাইবার ফ্রড, ডিজিটাল হুমকি অথবা সাইবার অ্যাটাক থেকে হওয়ার আর্থিক ক্ষতির ভরপাই করবে।

HDFC ERGO এর এমডি’র মতে ভারত অনলাইন ব্যাবসায় বিশ্বের দ্বিতীয় প্রধান বাজার। এখানে সাইবার ইনস্যুরেন্স ব্যাবসার বিস্তারে বিপুল সম্ভাবনা আছে। সাইবার অ্যাটাক আর ফ্রডের ঘটনায় লাগাতার বৃদ্ধি হচ্ছে আর সেই হিসেবে সাইবার ইনস্যুরেন্স মানুষকে অনেকটা চাপ মুক্ত করবে।

HDFC ERGO এর সাইবার ইনস্যুরেন্সে অনলাইন ফ্রডের প্রায় সবকয়েকটি মামলাকেই কভার করা হবে। গোটা পরিবারের সাইবার সুরক্ষার জন্য এই পলিসি নেওয়া যেতেই পারে। বাস্তবে এই পলিসি আপনি নিজে, আপনার স্বামী/স্ত্রী আর দুই সন্তানের সুরক্ষার জন্য নিতে পারেন। পলিসিতে সমস্ত ডিভাইস আর লোকেশন আছে। HDFC ERGO এর সাইবার ইনস্যুরেন্স পলিসিতে যেকোন সাইবার ফ্রডের মামলায় আইনি খরচ আর আইনি পরামর্শ দেওয়ার ব্যাবস্থা আছে।

ন্যাশানাল ক্রাইম ব্যুরো এর একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১৬ সালে দেশে সাইবার ক্রাইমের ঘটনায় ৬.৩ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছিল। ২০১৫ সালে দেশে সাইবার ফ্রডের ১১ হাজার ৫৯২ টি মামলা দায়ের করা হয়েছিল, আর ২০১৬ সালে ৬.৩ শতাংশ বৃদ্ধি হয়ে ১২ হাজার ৩১৭ টি মামলা দায়ের করা হয়েছিল।

সকালে ঘুম থেকে উঠিয়ে ঘটনাস্থলে নিয়ে গেছিল পুলিস, তারপরই এনকাউন্টারে খতম চার ধর্ষক

0

তেলেঙ্গানার হায়দ্রাবাদে (Hyderabad) মহিলা পশু চিকিৎসকের সাথে ধর্ষণ (Rape) আর হত্যার পর চার দোষীকে পুলিশ শুক্রবার সকালে এনকাউন্টারে (Encounter) খতম করে দেয়। হায়দ্রাবাদের পুলিশ অনুযায়ী, দোষীরা সেই সময় পালানোর চেষ্টা করছিল, তাঁদের ঘটনাস্থলে ক্রাইম সিন রিক্রিয়েট করার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

পশু চিকিৎসকের সাথে নৃশংসতা করা চার দোষীকে পুলিশ ঠিক সেই জায়গাতেই খতম করে, যেখানে পশু চিকিৎসকের সাথে নৃশংসতা করেছিল তাঁরা। পুলিশ দুত্র অনুযায়ী, ক্রাইম সিন রিক্রিয়েটের সময় দোষীরা সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করছিল। এরপর পুলিশ তাঁদের পিছু নেয়, আর তাঁদের থামানোর জন্য গুলি চালায়। পুলিশের গুলির আঘাতে সেখানেই মৃত্যু হয় চার দোষীর। পুলিশ আপাতত দোষীদের মৃতদেহ সেখান থেকে সরিয়ে ফেলেছে। কোনরকম হাঙ্গামা থামানোর জন্য পুলিশ দোষীদের মৃতদেহ সেখান থেকে তড়িঘড়ি সরিয়ে ফেলে।

হায়দ্রাবাদ পুলিশ সুপার বিসি সজ্জনার বলে, ‘দোষী মোহম্মদ আরিফ আর তাঁর তিন সাথি চটনপল্লীতে সকালে পুলিশের এনকাউন্টারে খতম হয়েছে। সবার মৃত্যু সকাল তিনটে থেকে ছয়টার মধ্যে হয়েছিল। আমি ঘটনাস্থলে পৌঁছে গেছি, আর বাকি তথ্য খুব তাড়াতাড়ি দেওয়া হবে।”

তেলেঙ্গানার আইন মন্ত্রী ইন্দ্রকরণ রেড্ডি বলেন, আইনি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই ভগবান দোষীদের সাজা দিয়েছে। দোষীরা পালানোর চেষ্টা করছিল, কিন্তু পুলিশ এনকাউন্টারে তাঁদের খতম করেছে। এই কারণে হায়দ্রাবাদ সমেত গোটা দেশে খুশির মহল। উনি দাবি করে বলেন, দোষীরা পুলিশের থেকে হাতিয়ার কেড়ে পালানোর চেষ্টা করছিল।

পুলিশ হায়দ্রাবাদের সমস্ত দোষীদের ক্রাইম সিন রিক্রিয়েট করার জন্য নিয়ে গেছিল। সমস্ত ঘটনাকে একসুত্রে গাঁথার জন্যই পুলিশ ক্রাইম সিন রিক্রিয়েট করে। মহিলা পশু চিকিৎসকের পিতা সমস্ত দোষীদের মৃত্যুর পর বলেন, ‘আমার মেয়ের মৃত্যুর দশদিন হয়ে গেছে। আমি এর জন্য পুলিশ আর সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। এবার আমার মেয়ের আত্মা শান্তি পাবে।”

 

সংসদের ক্যান্টিন থেকে ভর্তুকি তুলে প্রতি বছর ১৭ কোটি টাকা করে বাঁচালো মোদী সরকার

0

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ সংসদের ক্যান্টিনে সাংসদদের খাবারে আর ভরতুকি নয়। বৃহস্পতিবার লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার পরামর্শে সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সূত্রের খবর, সংসদের ক্যান্টিনে সাংসদদের জন্য ভরতুকি তুলে দেওয়া হলে কমপক্ষে বার্ষিক ১৭ কোটি টাকা সাশ্রয় হতে পারে সরকারের। এ দিন অধ্যক্ষের পরামর্শের সায় দেন সাংসদরাও।

এমনিতে সংসদ চত্ত্বরের ক্যান্টিনে সাংসদ, আধিকারিক এবং দর্শনার্থীদের জন্য খাবারের উপর ভরতুকি দেওয়া হয়। গত বছরখানেক সময় ধরে এই সরকারি ভরতুকি নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। সাংসদদের আবশ্যক ব্যয়ের জন্য সরকারি বেতন দেওয়া সত্ত্বেও কেন তাঁদের খাবারে সরকারি ভরতুকি দেওয়া হবে, সে বিষয়েই সমালোচনার সৃষ্টি হয়। একই কথা প্রযোজ্য সরকারি আধিকারিকদের ক্ষেত্রেও।

শেষ বছরে উত্তর রেলওয়ে সরকারের কাছে ১৬.৪৩ কোটি টাকা দাবি করার পর বিতর্কে ঘৃতাহুতি হয়। উত্তর রেল সংসদের সচিবালয়ে চারটি ক্যান্টিন চালায়। তথ্য জানার অধিকারের আওতায় একটি প্রশ্নের জবাবে জানানো হয়, গত ২০১৭-১৮ সালের জন্য ওই টাকা দাবি করে উত্তর রেল। সংস্থা ভরতুকি এবং অন্যান্য খাতেই ওই টাকা দাবি করেছিল বলে জানানো হয়।

এর আগে ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে সংসদের সচিবালয় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানায়, সংসদের ক্যান্টিনগুলি নো প্রফিট, নো লস ভিত্তিতে চালাতে হবে। গত ২০১৮ সালে তথ্যের অধিকারে একটি আবেদনের উত্তরে জানানো হয়, সংসদদের ক্যান্টিনে ২ টাকায় রুটি, ৭ টাকায় ভাত, ১৮ টাকায় মশলা ধোসা এবং ৫০ টাকায় চিকেন কারি পাওয়া যায়।

হায়দ্রাবাদের পর বিহার! খামার থেকে উদ্ধার হল ধর্ষিতার অর্ধ দগ্ধ দেহ

0

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ হায়দ্রাবাদের পশু চিকিৎসকের সঙ্গে হওয়া ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখা গেলো বিহারে । বিহারেও ধর্ষণের পরে মৃতদেহ জ্বালানোর একটি ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে। বক্সারের কুকুধা গ্রামে উদ একটি মেয়ের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় যাকে ধর্ষণ করার পরে গুলি করে হত্যা ক রাতেই থেমে থাকেনি অপরাধীরা। পরে তার দেহ পুড়িয়ে দেওয়া হয় বলে পুলিশ সূত্রের খবর।

মঙ্গলবার বক্সারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সতীশ কুমার জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সকালে ছটা নাগাদ ইটাড়ি থানার অন্তর্গত এক নির্জন খামার থেকে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। বক্সার জেলা বিহারের রাজধানী পাটনা থেকে প্রায় একশ কিলোমিটার দূরে।

উদ্ধারের পর লক্ষ্য করা যায় মৃতদেহটি কোমরের উপর থেকে ভয়ঙ্কর রকম পোড়া। যা দেখে অনুমান করা হয় যে তাকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছিল। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটে। ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নির্যাতিতার পরিচয় এবং বয়স এখনও নির্ধারণ করা যায়নি। মেয়েটি নাবালিকা ছিল কি না তা ময়না তদন্তের রিপোর্টের পরে জানা যাবে।

ইটারি থানার আধিকারিকরা জানিয়েছেন, প্রমাণ নষ্ট করার অভিপ্রায়ে মেয়েটির দেহ পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। অপরাধীরা তাকে ধর্ষণ করেছিল এবং দেহ পুড়িয়ে দেওয়ার আগে গুলি করে হত্যা করেছিল। নিহত ব্যক্তির মাথায় গুলি লেগেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি খালি কার্তুজ উদ্ধার করেছে। পুলিশ সূত্র জানায়, সকালে শতাধিক গ্রামবাসী ঘটনাস্থলে জড়ো হয়েছিল কিন্তু কোমরের উপর থেকে খারাপভাবে পুড়ে যাওয়ায় তারা কেউই মৃতদেহটি সনাক্ত করতে পারেনি।

পাচ সতীর্থকে খুন করে আত্মঘাতী হলেন নদীয়ার জওয়ান মাসুদুল রহমান

0

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ ছত্তিশগড়ের নারায়ণপুর জেলার বস্তারে নিজের ৫ সহকর্মীকে গুলি করে হত্যা করার পর নিজেকে গুলি করে আত্মঘাতী আইটিবিটি’র ৪৫ নম্বর ব্যাটালিয়নের জওয়ান মাসুদুল রহমান।বুধবার দুপুরে নদিয়ার নাকাশিপাড়া থানার বিলকুমারী গ্রামে এই খবর পৌঁছাতেই শোকের ছায়া মাসুদুলের পরিবার ও গ্রামে।

সূত্রের খবর, নদিয়ার নাকাশিপাড়া থানার বিল কুমারী গ্রামের বাসিন্দা মাসুদুল রহমান(৩৩)। ২০০৮ সালে আইটিবিটিতে যোগদান করে। বর্তমানে ছত্তিশগড়ের নারায়ণপুর জেলার বস্তারে কর্মরত ছিল। অভিযোগ, দীর্ঘ এক বছর যাবৎ কোনো ছুটি না মেলায় মানসিক অবসাদে ভুগছিল মাসুদুল। বুধবার এই নিয়ে তার কিছু সহকর্মীর সাথে তার বচসা হয়। তার পরই সে তার ৫ সহকর্মীকে গুলি করে নিজেও আত্মঘাতী হয়।

পরিবার সূত্রে খবর, গত ১০ দিন আগে ফোনে মায়ের সাথে কথা হয়েছিল মাসুদুলের। তখন পরিবারের তরফে বিয়ের জন্য তাকে বাড়ি আসার কথা জানিয়েছিল মা। কিন্তু আবেদন জানিয়েও ছুটি পাচ্ছে না বলে বাড়িতে জানিয়েছিল মাসুদুল। আর তার পরই বুধবার বাড়িতে তার মৃত্যু সংবাদ পৌঁছায়।তবে সে কেন আরও ৫ জনকে হত্যা করলো সেই বিষয়ে কিছু বলতে পারেনি পরিবার। ঘটনায় গোটা গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

চিত্র পরিচালকের আপত্তিজনক বয়ান! বললেন মহিলাদের উচিৎ ধর্ষকদের সহযোগিতা করা

0

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ বাধা না দিয়ে যিনি ধর্ষণ করতে চাইছেন, তাঁর হাতে মহিলাদের কনডোম তুলে দেওয়ার পরামর্শ দিলেন চলচ্চিত্র পরিচালক ড্যানিয়েল শ্রাবণ (daniel shravan)। বললেন ধর্ষকের সঙ্গে মহিলাদের সহযোগিতা করতে। ধর্ষকদের কোনও বাধা না দিয়ে যৌন ইচ্ছা মেটাতে দিতে বলেছেন তিনি। শ্রাবণের মতে, এর ফলে ধর্ষিতা শারীরিক ভাবে নিরাপদে থাকবেন। খুনের চেয়ে ভাল ধর্ষণ। খুন অপরাধ। কিন্তু ধর্ষণ একটা ভুল, যা শুধরে নেওয়া যায়।

তেলঙ্গানায় ধর্ষিতাকে পুড়িয়ে মারার ঘটনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক পোস্ট করেছেন শ্রাবণ। তারই একটিতে লিখেছেন, ‘‘ধর্ষণ এমন কিছু গুরুতর ব্যাপার নয়। কিন্তু খুন অমার্জনীয় অপরাধ। ধর্ষিতা খুন হচ্ছেন আইন কঠোর হওয়ায়। তা না হলে ধর্ষণের পর মহিলাদের ছেড়েই দিত ধর্ষকরা।’’

ধর্ষিতাদের খুন হওয়া থেকে বাঁচানোরও উপায় বাতলেছেন শ্রাবণ! সওয়াল করেছেন ‘হিংসাবিহীন ধর্ষণ’-এর পক্ষে। শ্রাবণের মতে, ‘‘ধর্ষকদের কোনও বাধা না দিয়ে যৌন ইচ্ছা মেটাতে দেওয়া উচিত। সেটাই ধর্ষিতাদের খুন হওয়ার হাত থেকে বাঁচানোর একমাত্র পথ।’’

ধর্ষণের ঘটনার বাড়বৃদ্ধির জন্য শ্রাবণ সমাজব্যবস্থা ও দেশের মহিলা সংগঠনগুলিকেও দায়ী করেছেন। তাঁর পোস্টে লিখেছেন, ‘‘ধর্ষণের ঘটনা উত্তরোত্তর বেড়ে যাওয়ার জন্য দায়ী সমাজব্যবস্থা ও দেশের মহিলা সংগঠনগুলি।’’

আসতে হবে না, আমি একাই ওদের দেখে নেব! ২৬/১১ এর নায়ক মেজর সন্দিপের শেষ কথা

0

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ ‘আসতে হবে না, আমি একাই ওদের দেখে নেব!’ কানে যেন আজও ইকো হতে থাকে এই শব্দগুলো। ১১ বছর হয়ে গেল ভংয়কর মুম্বই হামলার। ভয়ানক সেই স্মৃতির দগদগে ঘা এখনও ভারতীয়দের মধ্যে তাজা, টাটকা। ‘…আর ওদের এখাই দেখে নেব’ বলে ১৪ জনের প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন ভারতমাতার বীর সন্তান মেজর সন্দীপ উন্নিকৃষ্ণণ (Sandeep Unnikrishnan)। সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে কঠিন লড়াইয়ে নিজের প্রাণবলি দিয়েছিলেন মেজর। আর বাঁচিয়েছিলেন ১৪ জনের প্রাণ।

মুম্বইয়ের হোটেলে সে দিন যে ১৪ জন মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন মেজর, তাই নয়। সঙ্গে নিজের এনএসজি কম্যান্ডোদের প্রাণও বাঁচিয়েছিলেন তিনি। সতীর্থদের একরকম পাকা করেই বলে দিয়েছিলেন যে, ‘তোমাদের ভাবতে হবে না। আমি একা ওদের দেখে নেব।’

১১ বছর পার হয়ে গেল সেই ঘটনার। আর যতবারই ২৬/১১ এর কথা আসবে, ততবারই মনের মণিকোঠায় জ্বজ্বল করে উঠবে মেজর সন্দীপের নাম। এই মেজর সন্দীপের প্রশংসায় সদা গর্বিত বোধ করেন তাঁর অন্যান্য সতীর্থরা। বরাবরই তাঁরা বলে এসেছেন, ‘সন্দীপ নিজের জীবনের পরোয়া করেন না। দেশের জন্য নিবেদিত প্রাণ মেজর সন্দীপ।’

কানাডার মন্ত্রী সভায় জায়গা পেলেন প্রথম হিন্দু অনিতা আনন্দ

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বুধবার নতুন মন্ত্রিসভা সম্পর্কে জানিয়েছেন। এই মন্ত্রিসভায় প্রথমবারের মতো জায়গা করে নিলেন কোনও হিন্দু মন্ত্রী। তার নাম অনিতা ইন্দিরা আনন্দ। তিনি কানাডার প্রথম হিন্দু ফেডারেল মন্ত্রী। এই মন্ত্রিসভায় রয়েছেন আরও তিন জন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মন্ত্রী। তবে তাঁরা প্রত্যেকেই শিখ সম্প্রদায়ের এবং এর আগেও সরকারে ছিলেন।


কানাডায় গত অক্টোবরে অনুষ্ঠিত ফেডারেল নির্বাচনে প্রথমবার হাউস অফ কমনস-এ নির্বাচিত হন অনিতা আনন্দ। তাঁকে পাবলিক সার্ভিসেস অ্যান্ড প্রকিওরমেন্ট মন্ত্রী করা হয়েছে। নির্বাচনে ওন্টারিও-র ওকভিল থেকে জয়লাভ করেছিলেন তিনি। জানা গেছে, অনিতা টোরোন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের অধ্যাপক। তিনি নোভা স্কোটিয়ার কেন্টভিল-এ জন্মগ্রহণ করেছেন।

তাঁর মা-বাবা দুজনেই ডাক্তার এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূত। অনিতার মা, প্রয়াত সরোজ রাম অমৃতসরের বাসিন্দা ছিলেন; আর বাবা এস ভি আনন্দ তামিলনাড়ুর বাসিন্দা। অনিতা চার সন্তানের মা। দীর্ঘদিন কানাডিয়ান মিউজিয়াম অফ হিন্দু সিভিলাইজেশনের চেয়ারপার্সন ছিলেন তিনি।

দরিদ্র আর ভিখারিদের জন্য বানানো আবাসন দখল নিলো তৃণমূল নেতারা, হতবাক এলাকাবাসী!

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ কোচবিহারের দরিদ্র ভিখারিদের জন্য তৈরি হয়েছিল ঠিকানা,মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম ড্রিম প্রজেক্ট এর মধ্যে একটি ছিল অন্যতম। আর সেই ঠিকানায় এখন ঠিকানা হয়ে উঠেছে কোচবিহার রামপুরহাটের 10 জন পঞ্চায়েত সদস্য। শুধু তারাই নয় আছে তাদের পরিবার বর্গ। মহিলা পুরুষ মিলিয়ে প্রায় 30 জন রয়েছে সেখানে।

ঠিকানায় আশ্রয় নিয়ে আছেন মহিশকুচি 1 ও বড়কোদলি 2 নং গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যরা। ঠিকানায় বসবাসরত দেবাশীষ দাস জানান, প্রায় দু মাসের বেশি সময় থেকে তারা সেখানে রয়েছেন। তারা সকলেই তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত। এলাকায় লাগাতার বিজেপি সন্ত্রাস তাদেরকে এখানে থাকতে বাধ্য করেছে। তাদের অভিযোগ বিজেপি কর্মী সমর্থকরা তাদের ঘরবাড়ি ভেঙে দিয়েছে। তাই তারা বাধ্য হয়েই আজ ঠিকানায় আশ্রয় নিয়ে রয়েছেন। তাদের এই ব্যবস্থা করে দিয়েছে তৃণমূলের জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বের একাংশ।

যদিও বা স্থানীয় বাসিন্দা পরেশ দেবনাথ, কমল নাথ প্রধান দের কথায়, এই ঠিকানা আশ্রয় টি ভাড়ার বিনিময়ে দিয়ে থাকেন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীরা। যারা রয়েছেন তারা সকলেই ভাড়া দিয়ে রয়েছেন।পুরো ঘটনার উপরে আলোকপাত করে কোচবিহার পৌরসভার পৌর প্রধান ভূষণ সিং বলেন, ঠিকানা ভবনটি কোটি টাকা খরচা করে তৈরি করা হয়েছিল কোচবিহার ও তৎসংলগ্ন এলাকার ভিখারিদের থাকার জন্য। পুলিশ প্রশাসন পৌরসভার সকল চেষ্টা করেও তাদেরকে এখানে রাখা সম্ভব হয়নি।

অপরদিকে বিজেপির সন্ত্রাসের ফলে এই পঞ্চায়েত সদস্য ও তাদের পরিবারের আজ নিরাশ্রয় তাই মানবিকতার স্বার্থে তাদের এখানে থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। এতে কোন দোষের বিষয় নেই। একইসাথে তিনি বলেন, যারা এখানে রয়েছে তাদের কাছ থেকে কোনরকম ভাড়া নেওয়া হচ্ছে না। ভাড়ার বিষয়ে কেউ কিছু বলে থাকলে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।