Friday, November 22, 2019
Home Blog

কাশ্মীর থেকে বাজেয়াপ্ত করা হল হিজবুল সুপ্রিমো সালাউদ্দিনের কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি

0

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ বৃহস্পতিবার ED জম্মু কাশ্মীরে জঙ্গিদের কোমর ভাঙার মতো পদক্ষেপ নিলো। ED হিজবুল মুজাহিদ্দিন (Hizbul Mujahideen) এর ৭ জঙ্গির ১.২২ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে। এই পদক্ষেপ টেরর ফান্ডিং মামলার অন্তর্গত হয়েছে। জঙ্গিদের এই সম্পত্তি জম্মু কাশ্মীরের অনন্তনাগ, বারামুলা আর বান্দিপোরা থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA) এই জঙ্গিদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছিল, এরপর ED আর্থিক তছরুপ আইনে জঙ্গিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার জন্য পদক্ষেপ নেয়।

কেন্দ্র সরকার দ্বারা জম্মু এবং কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়ার তিন মাসের বেশি সময় পর ED টেরর ফান্ডিং মামলায় হিজবুল মুজাহিদ্দিন এর প্রধান সৈয়দ সালাউদ্দিন এবং অন্য জঙ্গিদের সম্পত্তি গুলোকে নিজের কবজায় করে নেয়। ED এর এক বরিষ্ঠ আধিকারিক জানান, এর আগে এই সম্পত্তি গুলোকে কুর্ক করা হয়েছিল। আর এবার এই সম্পত্তি গুলোকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে নেওয়া হয়।

উনি বলেন, ‘এটাই প্রথমবার যে, আমরা উপত্যকায় এই সম্পত্তি গুলোকে নিজেদের কবজায় নিয়েছি। এর আগে এই সম্পত্তি গুলোকে নিজেদের অধীনে করতে, অন্যান্য এজেন্সি গুলোর উপর ভরসা করতে হত।” উনি বলেন, এই সম্পত্তি অনন্তনাগ, সাপোর আর বান্দিপোরাতে ছিল। উনি জানান, এই সাতটি সম্পত্তি গুলোকে এর আগে কুর্ক করা হয়েছিল।

ED এর আধিকারিকেরা প্রথমে এই স্থান গুলোকে পরিদর্শন করেন আর সেখানে নোটিশ লাগিয়ে দেওয়া হয়। উনি বলেন, এই পদক্ষেপ রাষ্ট্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগের ভিত্তিতে করা হয়েছে। আধিকারিক জানান, ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়ার পরেই এই সম্পত্তি গুলোকে কবজায় নেওয়া সম্ভব হয়। কেন্দ্র সরকার জম্মু কাশ্মীর থেকে ৫ই আগস্ট ২০১৯ এ ৩৭০ ধারা তুলে দেয়।

গডসের ছবিতে মালা দিয়ে পুজো করলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর নাতনি!

0

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ মঙ্গলবার রাতে গোয়ালিয়রের দৌলতগঞ্জে হিন্দু সভার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত রানী লক্ষ্মীভাইয়ের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নাথুরাম গডসে পূজা করা হয়। এই পূজা করেন নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর নাতি এবং হিন্দু মহাসভার জাতীয় সভাপতি রাজশ্রী চৌধুরীকে। শুধু তাই নয়, তিনি জওহরলাল নেহেরুর সরকারকে গান্ধী হত্যার জন্য দায়ী বলে মন্তব্য করেন। রাজশ্রী গোয়ালিয়রে প্রথম মহারাণী লক্ষ্মীবাই সমাধিতে পৌঁছে শ্রদ্ধা জানান এবং বিকেলে রাজ্যশ্রী দৌলতগঞ্জের হিন্দু মহাসভা অফিসে পৌঁছেছিলেন,। যেখানে তিনি হিন্দু মহাসভা কর্মীদের সাথে নাথুরাম গডসে আরতি করেছিলেন।

এই সময়ে, রাজশ্রী গান্ধীজির মৃত্যুর জন্য তত্কালীন নেহেরু সরকারকে দোষ দেন। নেতাজির নাতনী বলেন 1948 সালে গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর মহাত্মা গান্ধী 40 মিনিট বেঁচেছিলেন। কিন্তু কংগ্রেসের লোকেরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়নি। তবে এখন নাথুরাম গডসে পুজো নিয়ে ক্রমবর্ধমান বিতর্ক চলছে। রাজশ্রী চৌধুরী বলেন গডসে আমাদের হৃদয়ে আছে। উনাকে কংগ্রেস পার্টি বদনাম করার চেষ্টা করেছে।

গডসের পুজোর খবর কংগ্রেস পার্টির মধ্যে বিদ্যুৎ এর মতো ছড়িয়ে পড়েছে এবং তাদের মধ্যে আক্রোশ সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনার খবর পাওয়ার পরে, রাজ্য সরকারের মন্ত্রী গোবিন্দ সিং বলেছিলেন যে তাঁর সরকার কোনও পরিস্থিতিতে নাথুরাম গডসে আদর্শকে বাড়তে দেবে না। এই ঘটনা সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার পরে, মধ্য প্রদেশের কংগ্রেস সরকার সজাগ হয়ে উঠেছে।

মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথ পুলিশ প্রশাসনকে হিন্দু মহাসভার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার সময় বলেছিলেন যে রাজ্যে তিনি গডসের গৌরবকে সহ্য করবেন না। প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, গডসে ও গান্ধীর ইস্যু নিয়ে অনেক মতবিরোধ রয়েছে। গান্ধীর মৃত্যুর জন্য গডসেকে দায়ী করা হলেও এ নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। অনেকে মনে করেন গডসে গান্ধীকে হত্যা করেননি। মোহনদাস গান্ধীর হত্যাকান্ড নিয়ে পুনরায় তদন্তের দাবি তোলা হলেও কংগ্রেস তা করেনি।

এবার থেকে উত্তর প্রদেশে লাভ জিহাদ/ধর্মান্তকরণ করলেই কঠোর শাস্তির আইন আনছে যোগী

0

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ উত্তর প্রদেশ রাজ্য আইন কমিশন রাজ্যে ধরমান্তকরণ বন্ধ করার সুপারিশ করেছে। রাজ্য আইন কমিশন উত্তর প্রদেশে ধর্মান্তকরণ নিয়ে একটি রিপোর্ট তৈরি করেছে। স্টেট ল কমিশন তৎকালীন ধর্মান্তকরণ বন্ধ করার জন্য আইন আনার জন্য সুপারিশ করেছে। উত্তর প্রদেশ আইন কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারক আদিত্যনাথ মিত্তল এবং সচিব স্বপ্না ত্রিপাঠি এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী যোগ আদিত্যনাথকে (Yogi Adityanath) রিপোর্ট পাঠিয়েছে। সুত্র অনুযায়ী, রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, উত্তর প্রদেশে প্রচুর পরিমাণে জোর করে ধর্মান্তকরণ করা হচ্ছে। শোনা যাচ্ছে যে, রিপোর্ট অনুযায়ী, ধর্মান্তকরণের জন্য লাভ জিহাদকেও কারণ মানা হচ্ছে।

শোনা যাচ্ছে যে, পরিচয় গোপন করে আর প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ম পরিবর্তন করার কথা বলা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, উত্তর প্রদেশে হিন্দু আর বিশেষ করে এসসি/এসটি দের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ম পরিবর্তন করা হয়। আপনাদের জানিয়ে রাখি, উত্তরপ্রদেশ বিধানসভায় ১৯৫৪ সালে ধর্ম পরিবর্তনের ইস্যু ওঠানো হয়েছিল। আরেকদিকে, কিছুদিন আগেই জৈনপুরে একসাথে ৩০০ জনের ধর্ম পরিবর্তন করার মামলা সামনে এসেছিল।

রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, উত্তর প্রদেশের আলাদা আলাদা জেলায় এখনো ধর্ম পরিবর্তন করানো হয়। প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগে ধর্ম পরিবর্তন বিরোধী আইনের দাবি করেছিলেন। দেশের ১০ রাজ্যে ধর্ম পরিবর্তন আইন আগে থেকেই লাগু আছে। এবার যোগীর রাজ্যে উত্তর প্রদেশেও এই আইন লাগু করার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

পাকিস্তান থেকে ভিন্ন হয়ে আলাদা দেশ গড়ার দাবিতে করাচির রাস্তায় নামল লক্ষ লক্ষ সিন্ধরা

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ পাকিস্তান থেকে আলাদা হয়ে নিজেদের দেশ গঠনের জন্য পথে নামল পাকিস্তান স্থিত অসংখ্য সিন্ধুপ্রদেশের মানুষ। পাকিস্তানের গুলশন-এ-হায়দাদ থেকে করাচি প্রেস ক্লাবের দিকে হেঁটে,বাইকে এই বিক্ষোভ প্রত্যক্ষ করল বাকী পাকিস্তান। পাকিস্তানি প্রশাসনের উপর সিন্ধ ও বালোচদের উপর নির্মম অত্যাচারের দৃশ্য দেখে এমনিতেই অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে বিশ্ব। অসংখ্য মানুষের নিরুদ্দেশ হয়ে যাওয়া থেকে মহিলাদের নিগ্রহ সব রকম অভিযোগেই সরব মানুষ সেখানে পাকিস্তানী প্রশাসনের বিরুদ্ধে।

সেই অবস্থায় আলাদা সিন্ধুদেশ গড়ার ডাক অত্যন্ত তাতপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে পর্যবেক্ষকেরা। মঙ্গলবারের বিক্ষোভ সংগঠিত করে জায়ে সিন্ধ মাহাজ বলে একটি রাজনৈতিক সংগঠন,যা ১৯৯৫ সালে তৈরি হওয়ার পর থেকেই সিন্ধুপ্রদেশকে পৃথক রাষ্ট্রের দাবিতে অনড়। এই আন্দোলনের পথপ্রদর্শক জিএম সৈয়দ কর্বপ্রথম ১৯৭২সালে এই সিন্ধুদেশের ভাবনা নিয়ে আসেন। তারপর থেকেই জারি এই আন্দেোলন।

জিএম সৈয়দের নেতৃত্বেই এই আন্দোলন এগিয়ে চলে। তাদের মূল বক্তব্য জোর করে পাঞ্জাব প্রশাসন নিজেদের প্রদেশের মধ্যে সিন্ধকে ঢুকিয়ে রেখেছে। যেখানে পাঞ্জাবের সংস্কৃতি ও সমাজের সঙ্গে সিন্ধের বিস্তর ফারাক রয়েছে বলে দাবি নেতৃত্বের। প্রতিনিয়ত যেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয় তাদের, সেখানে তারা থাকতে চাননা বলেও মত প্রকাশ আন্দোলনকারীদের।

দেশে প্রথমবার শুরু হতে চলেছে র‍্যাপিড রেল, হাওয়ার বেগে ছুটবে ট্রেন! শুরু হল লাইন নির্মাণের কাজ

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ দেশের সবথেকে বড়ো রাজ্য উত্তরপ্রদেশকে নিয়ে রাজ্য ও কেন্দ্র সরকার বড় পরিকল্পনা করে রেখেছে তা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ উত্তরপ্রদেশে রাম রাজত্ব গড়ার কথা বলেছিলেন। এখন সেই দিকেই এগিয়ে চলছে উত্তরপ্রদেশ। প্রথমত জানিয়ে দিই, রাম রাজত্ব কথার অর্থ হলো যেখানে সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি তিনটি উপস্থিত থাকবে। ২০২৪ সালের মধ্যে যোগী আদিত্যনাথের সরকার উত্তরপ্রদেশকে ১ ট্রিলিয়ন ডলার ইকোনমি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যার কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।

মাত্র কিছুদিন আগেই অযোধ্যা ইস্যুতে আদালতের রায় সামনে চলে এসেছে। ফলস্বরূপ অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ এর প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গেছে। অযোধ্যাকে উত্তর ভারতের ধর্ম নগরী করার উপর কাজ শুরু করেছে রাজ্য ও কেন্দ্র সরকার। রাজ্যে নতুন করে ৬ টি শহরে মেট্রো রেল চালানোর ঘোষণাও করেছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। এখন আর একটা খবর উত্তরপ্রদেশ থেকে সামনে আসছে। খবর অনুযায়ী, দিল্লি-গাজিয়াবাদ এবং মীরাটের মধ্যে ৮২ কিলোমিটার দীর্ঘ করিডোরে (Delhi–Meerut Regional Rapid Transit System) রেল চলাচল শুরু হওয়ার কথা ২০২৩ থেকে নির্ধারিত হয়েছে।

এই করিডোরের সাহিদাবাদ ও দুহাইয়ের মধ্যে 17 কিলোমিটার দীর্ঘ রুটেরও নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ইউপি দেশের প্রথম রাজ্য হবে যেখানে র‌্যাপিড রেল ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম (আরআরটিএস) পরিষেবা শুরু হবে। প্রায় 30 হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই করিডোরটিতে 24 টি স্টেশন থাকবে, যা উভয়ই ভূগর্ভস্থ এবং উন্নত হবে। করিডোরটি দিল্লির সরাই কালে খান স্টেশন থেকে শুরু হয়ে মেরঠ এর মোদীপুরমে যাবে।

এই করিডোরটি যমুনা এবং হিনডন নদী পথে পাড়ি দেবে। দিল্লি থেকে মেরুতের দূরত্ব এক ঘণ্টার মধ্যে সম্পূর্ণ করা যাবে। ৮ লক্ষাধিক যাত্রী এই রুটটি প্রতিদিন ব্যবহার করার কথা বলে জানা গেছে। করিডোরটি এমনভাবে তৈরি করা হবে যাতে ট্রেনগুলি প্রতি ঘন্টায় 180 কিলোমিটার গতিতে চলতে পারে, তবে পরীক্ষামূলক ট্রেনগুলি প্রতি ঘন্টা 160 কিলোমিটার অনুযায়ী পরিচালিত হবে। করিডরে চলাচলকারী ট্রেনগুলিতে মহিলাদের জন্য পৃথক কোচের ব্যবস্থা করা হবে, পাশাপাশি ট্রেনটিতে একটি বিজনেস ক্লাসের কোচও স্থাপন করা হবে, যেখানে যাত্রীরা বেশি অর্থ ব্যয় করে আরামদায়ক ভ্রমণ উপভোগ করতে পারবেন।

আজকের রাশিফল

মেষ রাশি (২১ মার্চ – ২০ এপ্রিল): মেষ রাশির জাতক জাতিকার আজ দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়। বকেয়া টাকা আদায়ের চেষ্টা জোরদার করুন। খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায় ভালো আয় হবে। বাড়িতে আত্মীয়ের আগমন হতে পারে। হোটেল ও রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীদের আয় রোজগার বৃদ্ধি পাবে। জাতিকাদের সঞ্চয়ের প্রচেষ্টায় অগ্রগতি আশা করা যায়।

বৃষ রাশি (২১ এপ্রিল – ২০ মে): বৃষ রাশির জাতক জাতিকার দিনটি মিশ্র যাবে। আজ শুভ চন্দ্রের প্রভাবে আপনার ক্ষমতা ও দক্ষতার বৃদ্ধি হবে। বেসরকারী শিক্ষকদের সম্মানিত হওয়ার দিন। অসুস্থদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি আশা করা যায়। ব্যবসা বাণিজ্যে ভালো কোন সংবাদ পেতে পারেন। প্রেমের বিয়ের ক্ষেত্রে অবিভাবকদের চাপ বৃদ্ধি পাবে।

মিথুন রাশি (২১ মে – ২০ জুন): মিথুন রাশির জাতক জাতিকার দিনটি ভালো যাবে না। সাংসারিক ক্ষেত্রে ব্যয় তুলনামূলক বাড়তে পারে। হঠাৎ করে দূরে কোথাও বেড়াতে যেতে পারেন। প্রবাসীদের শরীরস্বাস্থ্য সম্পর্কে সতর্ক হতে হবে। কোনও দুর্ঘটনা বা রক্তপাতের সম্মূখীন হতে পারেন। ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসায় আশানুরুপ আয়ের যোগ।

কর্কট রাশি (২১ জুন – ২০ জুলাই): কর্কট রাশির জাতক জাতিকার দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়। ব্যবসায়ীক ক্ষেত্রে বন্ধু বা বড় ভাই বোনের সাহায্য পেতে পারেন। শ্রমজীবীদের আজ আয় রোজগার বৃদ্ধির যোগ। ঠিকাদারি কাজে ব্যস্ততা বৃদ্ধি পাবে। আজ কোন সামাজিক বা রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা। সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে।

সিংহ রাশি (২১জুলাই- ২১ আগষ্ট): সিংহ রাশির জাতক জাতিকার কর্মস্থলে সাফল্য লাভের যোগ প্রবল। বেকারদের কর্মলাভের স্বপ্ন পূরণ হতে পারে। চাকরি সংক্রান্ত তদবিরে আশাতীত সাফল্য পেতে পারেন। প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তির সাহায্য লাভের যোগ রয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক কাজে দায়িত্ব ও ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। সরকারি প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ব্যস্ততা বৃদ্ধি পাবে।

কন্যা রাশি (২২ আগষ্ট – ২২ সেপ্টেম্বর): কন্যা রাশির জাতক জাতিকার দিনটি ভালো যাবে। কোন শিক্ষকের দ্বারা ভাগ্য উন্নতির সুযোগ পেতে পারেন। উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশ যাত্রার সুযোগ আসবে। কর্মস্থলে পিতার সাহায্য পেতে পারেন। ক্ষুদেবিজ্ঞানীরা কোনো প্রতিযোগীতামূলক পরীক্ষায় সফল হবেন। ধর্মীয় ও আধ্যাত্মীক কাজে বিদেশ যাত্রার যোগ।

তুলা রাশি (২৩ সেপ্টেম্বর – ২১ অক্টোবর): তুলা রাশির জাতক জাতিকার দিনটি মিশ্র সম্ভাবনাময়। কাজ কর্মে কিছু জটিলতা দেখা দেবে। ব্যক্তি ঋণ বা মাল্টিপারপাসের কিস্তির টাকা পরিশোধের চাপ বৃদ্ধি পাবে। রাস্তাঘাটে সাবধানে চলাফেরা করুন। ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগে আশানুরুপ আয়ের যোগ রয়েছে। চিকিৎসক ও শেয়ার ব্যবসায় লাভের সম্ভাবনা।

বৃশ্চিক রাশি (২২ অক্টোবর – ২০ নভেম্বর): বৃশ্চিক রাশির জাতক জাতিকার দিনটি মিশ্র সম্ভাবনাময়। অবিবাহিতদের বিয়ে বা এনগেজমেন্ট এর সুযোগ আসতে পারে। খাদ্য ও পানিয়ের ব্যবসায় কোন প্রকার প্রশাসনিক জটিলতার আশঙ্কা। কোন সংকটের গভীর মুহূর্তে জীবন সাথী বা অংশীদারদের সাহায্য পেতে পারেন। বৈদেশিক কাজে আশানুরুপ অগ্রগতি হতে পারে।

ধনু রাশি (২১ নভেম্বর – ২০ ডিসেম্বর): ধনু রাশির জাতক জাতিকার শরীর স্বাস্থ্য ভালো যাবে না। কাজের লোকের উপর কিছুটা বিরক্ত হওয়ার আশঙ্কা। অনৈতিক সম্পর্কের অবশান হতে পারে। পারিবারিক ক্ষেত্রে আত্মীয়র দ্বারা গোপন শত্রুতার শিকার হতে পারেন। আপনার কোনও মূল্যবান দ্রব্য হারিয়ে ফেলার আশঙ্কা রয়েছে। অসুস্থদের আরোগ্য লাভের যোগ।

মকর রাশি (২১ ডিসেম্বর – ২০ জানুয়ারি): মকর রাশির জাতক জাতিকার দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়। সন্তানের সঙ্গে বেড়াতে যেতে পারেন। সৃজনশীল কাজে আপনার সুনাম ও সম্মান বৃদ্ধি পাবে। কোন বন্ধুর সাহায্য পেতে পারেন। রোমান্টিক সম্পর্কে নতুন ঘটনা ঘটতে পারে। প্রতিযোগীতামূলক কোন কাজে বিজয়ী হবার সম্ভাবনা।

কুম্ভ রাশি (২১ জানুয়ারি -১৮ ফেব্রুয়ারি): কুম্ভের জাতক জাতিকার দিনটি প্রত্যাশা পূরণের। সাংসারিক কোন বিষয়ে মায়ের পরামর্শে উপকৃত হতে পারেন। আত্মীয়দের সাহায্য লাভের যোগ প্রবল। যানবাহন লাভের সুযোগ আসতে পারে। চিকিৎসক ও ঔষধ বিক্রয় প্রতিনিধিদের আর্থিক উন্নতি হতে পারে। জমি ও ভূমি ক্রয় বিক্রয়ে সফল হতে পারেন।

মীন রাশি (১৯ ফেব্রুয়ারি – ২০ মার্চ): মীনের জাতক জাতিকার দিনটি মিশ্র সম্ভাবনাময়। গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিতে কর্মরতদের কাজের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাবে। ছোট ভাই বোনের কর্ম লাভের যোগ বলবান। বিদেশ থেকে কোন ভালো সংবাদ পেতে পারেন। প্রবাসীদের কোন মনবাঞ্ছা পূরণের সম্ভাবনা। মানিএক্সেঞ্জ ও বিকাশ এজেন্সী ব্যবসায়ীরা ভালো আয় করতে পারবেন।

পাকিস্তানে মাটি খুঁড়ে মিলল তিন হাজার বছরের পুরানো শহর, পাওয়া গেলো হিন্দু মন্দির ও দুর্গ

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ ভারতের সভ্যতা সবথেকে প্রাচীন সভ্যতা, রাম সেতু তার সবথেকে বড় উদাহরণ। তবে এখনও নানা উদাহরণ একের পর এক সামনে উঠে আসে যা পুরো বিশ্বকে চমকে দেয়। যার মধ্যে দক্ষিণ ভারতে পুরানো নগরীর খোঁজ পাওয়া, গুজরাটের সমুদ্রে ভগবান শ্রী কৃষ্ণের তৈরি শহরের খোঁজ পাওয়া ইত্যাদি। পাকিস্তান এবং ইতালি থেকে প্রত্নতাত্ত্বিকরা 3000 বছরের পুরানো শহরটি আবিষ্কার করেছেন।

উভয় দেশের টিম যৌথভাবে উত্তর-পশ্চিম পাকিস্তানে খনন করেছিল। বিশেষজ্ঞরা খননকালে আলেকজান্ডারের অবশেষ খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা প্রকাশ করেছেন। খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের সোয়াত জেলায় ‘বেজিরা’ নামে একটি শহর আবিষ্কৃত হয়েছে, এটি পাঁচ হাজার বছরের পুরনো সভ্যতা ও নিদর্শনগুলির জন্য বিখ্যাত। খনন এর পর প্রাচীন মন্দির, মুদ্রা, স্তূপ, বাসন এবং অস্ত্র ইত্যাদি পাওয়া গেছে।

বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন যে আলেকজান্ডার খ্রিস্টপূর্ব ৩২6 সালে তাঁর সেনাবাহিনী নিয়ে পাকিস্তানের সোয়াত এসেছিলেন। আলেকজান্ডার ওডিগ্রামের যুদ্ধে বিরোধীদের পরাজিত করেছিলেন এবং বেজেড়ার শহর ও দুর্গটি তৈরি করেছিলেন। আলেকজান্ডার ভারতীয় রাজা পুরুর সামনে টিকতে পারেনি। খুব খারাপ ভাবে পরাজিত হয়ে পলায়ন করেছিল আলেকজান্ডার। ভারতীয় রাজা পুরুর কাছে হাতির বিশাল সেনাবাহিনী ছিল যার সামনে আলেকজান্ডারের সেনা খুবই তুচ্ছ ছিল।

বিশেষজ্ঞরা আলেকজান্ডারের যুগের আগেও শহরে জীবনের প্রমাণ পেয়েছিলেন। আলেকজান্ডার, ইন্দো-গ্রীক, বৌদ্ধ, হিন্দুদের আগে এই শহরে বাস করত। তথ্য মতে, ইতালিয়ান প্রত্নতাত্ত্বিক মিশন (আইএসএমইও) ১৯৮৪ সাল থেকে সোয়াত জেলার বারিকোটে প্রাচীন শহর বেজিরার ধ্বংসাবশেষ খনন করে আসছে। খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দীর কিং মেনান্দার প্রথম (মিলিণ্ড প্রথম) এর সময়কালীন একটি ইন্দো-গ্রীক শহর 1980 সালে – 90 এর দশকে আবিষ্কার হয়েছিল।

 

 

দেশের জওয়ানদের সুরক্ষার জন্য এক ছাত্র বানালো আইরন ম্যান এর রক্ষা কবজ, তাজ্জব গোটা দেশ

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ হলিউড সিনেমা আইরন ম্যান (Iron Man) এর চরিত্র থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে বারাণসীর এক ছাত্র আইরন ম্যান স্যুট তৈরি করেছে। ছাত্র জানায়, এই স্যুট দেশের জওয়ানদের শত্রুদের সাথে যুদ্ধ করার সময় রক্ষা করবে, আর আমাদের জওয়ান সুরক্ষিত থাকবে। বারাণসী এর পহড়িয়া এর অশোকা ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট এর আর এন্ড টি ডিপার্টমেন্টের ছাত্র শ্যাম চৌরাসিয়া নিজের হাতে এই কবজ বানিয়েছে।

শ্যাম জানায়, আমার মনে ছোট থেকেই দেশের জন্য কিছু করার ইচ্ছে ছিল। আর সেই চিন্তা ভাবনা নিয়ে দেশের জওয়ানদের সুরক্ষার জন্য এইরকম মেটাল স্যুট তৈরি করেছি। এই মেটাল স্যুটের সাহায্যে আমাদের দেশের জওয়ান সুরক্ষিত থেকে জঙ্গি আর শত্রুপক্ষের সাথে যুদ্ধ করতে পারবে। এই মেটাল স্যুটের ওজন প্রায় সাত কেজি। স্যুটে আলাদা আলাদা ভাবে ১০ টি ব্যারেল সেট করা হয়েছে। স্যুটে লাগানো বন্দুককে ইন্টারনেট আর সোশ্যাল মিডিয়া যেরকম হোয়াটসঅ্যাপ আর ফেসবুকের মাধ্যমে সঞ্চালিত করা সম্ভব।

এই স্যুট বানানোর প্রধান উদ্দেশ্য হল আমাদের দেশের জওয়ানদের রক্ষা করা। এই প্রোটোটাইপ মডেল স্বয়ং শ্যাম চৌরাসিয়া তৈরি করেছে। শ্যাম জানায়, এই স্যুট পড়ে আমাদের দেশের জওয়ানেরা জঙ্গিদের সাথে যুদ্ধ করতে সক্ষম হবে, আর তাঁদের কোন ক্ষয়ক্ষতি হবেনা। শ্যাম বলে, এই মেটাল স্যুটের প্রোটোটাইপ বানানোর জন্য এক থেকে দুই মাস সময় লেগেছে। আর সাথে সাথে ইন্সটিটিউট এর ভায়েস চেয়ারম্যান অমিত মৌর্য এই প্রচেষ্টাকে সন্মান জানিয়েছেন।

দেশের মধ্যে সবথেকে খারাপ অবস্থায় আছ পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানরা!

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ সোমবার কোচবিহারের কর্মীসভায় নাম না করে আসাদউদ্দিন ওয়েসির দল মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল-মুসলিমিন তথা মিম নিয়ে আক্রমণ শানিয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২৪ ঘণ্টা কাটার আগেই মিম সুপ্রিমো তথা হায়দরাবাদের সাংসদ ওয়েসি পাল্টা আক্রমণ শানালেন মমতার বিরুদ্ধে। দলের কোর গ্রুপের বর্ধিত বৈঠকে নেতাদের পইপই করে বুঝিয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার কোচবিহারের কর্মীসভায় নাম না করেও প্রকাশ্যে মিম নিয়ে মন্তব্য করেন নেত্রী। বললেন, “ওরা বিজেপির কাছে টাকা নেয়। সংখ্যালঘুরা ভুল করবেন না। ওদের বাড়ি হায়দরবাদে। এখানে নয়।”

এদিন টুইট করে ওয়েসি লিখেছেন, “মানবসম্পদ উন্নয়নের মাপকাঠি অনুযায়ী বাংলার মুসলমানদের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ, এটা বলা কোনও ধর্মীয় উগ্রতা নয়।” এখানেই থামেননি হায়দরাবাদের নিজামের প্রতিষ্ঠা করা দলের নেতা। তাঁর কথায়, “হায়দরাবাদ থেকে আসা লোকজন নিয়ে দিদি যদি এতই উদ্বিগ্ন হন, তাহলে বাংলায় ৪২টির মধ্যে ১৮টি লোকসভা আসন বিজেপি জিতল কী করে?” বাংলা লাগোয়া বিহারের কিষাণগঞ্জের বিধানসভা উপনির্বাচনে হইহই করে জিতেছে মিম। তখনই দ্য ওয়াল-এ লেখা হয়েছিল  তৃণমূলের চিন্তা বাড়িয়ে বিহারে খাতা খুলে ফেলল মিম।’ এর দু’সপ্তাহের মধ্যেই মিমের পোস্টারে ছয়লাপ হয়ে গিয়েছিল কোচবিহার শহর। সেই পোস্টারে ছিল ওয়েসির বিরাটাকার ছবি। আর নীচে লেখা ‘ইনতেজার অব খতম, মিশন ওয়েস্ট বেঙ্গল!’

বাংলায় তৃণমূলের অন্যতম মজবুত ভোট ব্যাঙ্কও তো সংখ্যালঘুরাই। পর্যবেক্ষকদের মতে, এখন মিম যদি বলে, এরপর ‘মিশন বাংলা’, দিদির চিন্তা হবে না! হাওড়া, হুগলি, মুর্শিদাবাদ, দুই চব্বিশ পরগনায় ইতিমধ্যেই তলে তলে সংগঠন গোছানোর কাজ শুরু করে দিয়েছে দক্ষিণ ভারতের এই দল। কিন্তু কোচবিহারে একেবারে ঢাকঢোল বাজিয়ে নিজেদের সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু করে দিয়েছে ওয়েসি বাহিনী। মমতা এ ব্যাপারে দলের কোর গ্রুপের বৈঠকেও নেতাদের সতর্ক করেছিলেন। বলেছিলেন, মিম হইতে সাবধান। ওরা কিন্তু বিজেপির বি টিম। সোমবার কোচবিহারে আক্রমণ শানিয়েছিলেন প্রকাশ্যে।

পর্যবেক্ষকদের মতে, তৃণমূল হয়তো সত্যিই বড় বিপদের গন্ধ পাচ্ছে। আর তার বাস্তবতাও রয়েছে। লোকসভা ভোটে বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলার শাসকদল। অনেকের মতে, বাংলায় যে সিপিএমকে হারানো যায় এটা যেমন তৃণমূল প্রমাণ করে দিয়েছিল, ঠিক তেমনই উনিশের ভোটে বিজেপি বাংলায় প্রমাণ করেছে তৃণমূলকেও হারানো যায়। তৃণমূলের জয়রথ থেমেছে। লোকসভায় ৩৪ থেকে নেমে এসেছে ২২টি আসনে।

কিন্তু এর মধ্যেও এমন আসন আছে, যেখানে সুতোর ব্যবধানে জিতেছে শাসকদল। যেমন আরামবাগ আসন। দু’হাজারের কম ভোটে জিতেছেন তৃণমূলের অপরূপা পোদ্দার। কিন্তু সেই আসনের বুথ স্তরের ফলাফল দেখলে দেখা যাচ্ছে, হিন্দু এলাকায় যেমন বিজেপির রমরমা, তেমন সংখ্যালঘু এলাকায় তৃণমূলের দাপট। এরকম আসনে যদি মিম উড়ে এসে জুড়ে বসে তা হলে কী হবে সহজেই অনুমান করা যাচ্ছে।

বাংলায় যে এ বার মেরুকরণের ভোট হয়েছে তা মেনে নিয়েছেন অনেকেই। ভোটের ফল ঘোষণার দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট বলেছিলেন, “টোটালটা হিন্দু-মুসলমান হয়েছে।” একই সঙ্গে বলেছিলেন, “যে গরু দুধ দেয়, আমি তার লাথিও সহ্য করতে পারি!” বিশদ ব্যাখ্যা না করলেও দিদি কী বলতে চেয়েছিলেন তা বাংলার মানুষের বুঝতে অসুবিধে হয়নি। তৃণমূল মনে করে, মিম কট্টর মুসলিম দল হলেও ওদের সঙ্গে বিজেপির একটা অদৃশ্য বোঝাপড়া আছে। যার উদ্দেশ্য, মুসলমান প্রার্থী দিয়ে ধর্মনিরপেক্ষ ভোট কেটে বিজেপির সুবিধে করে দেওয়া।

একে কংগ্রেস-সিপিএম কৌশলগত জোট করে তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোট কাটতে চাইছে। তার উপর মিমও থাবা বসালে তৃণমূলের জন্য তা উদ্বেগের বইকি! সেটাকেই স্পষ্ট করতে চেয়েছিলেন মমতা। কিন্তু মিম প্রধান এদিন বুঝিয়ে দিলেন, তাঁরাও জমি ছাড়ছেন না।

এবার এমন এক উপগ্রহ লঞ্চ করছে ISRO, যেটা দিয়ে মাটির ১০ ইঞ্চি উপর পর্যন্ত তোলা যাবে স্পষ্ট ছবি

নয়া দিল্লীঃ ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র (ISRO) তিনটি আর্থ অবজার্ভেশন অথবা সার্ভিলেন্স স্যাটেলাইট লঞ্চ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রথম স্যাটেলাইট ২৫ নভেম্বর আর বাকি দুটি ২ ডিসেম্বর লঞ্চ করা হবে। এই স্যাটেলাইট গুলোর মাধ্যমে দেশের সীমান্ত গুলোতে নজরদারি রাখা সম্ভব হবে। এই তিনটি প্রাথমিক উপগ্রহ বাদে, তিনটি পিএসএলভি রকেট দুই ডজনের থেকে বেশি বিদেশী আর ন্যানো মাইক্রো স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠাবে ইসরো।

পিএসএলএভি সি-৪৭ রকেটকে ২৫ নভেম্বর শ্রীহরিকোটা থেকে সকাল ৯ঃ২৮ মিনিটে লঞ্চ করা হবে। এটি নিজের সাথে থার্ড কজনরেশন আর্থ ইমেজিং স্যাটেলাইট কার্টোস্যাট আর আমেরিকার ১৩ টি কমার্শিয়াল ন্যানোস্যাটেলাইট মহাকাশে নিয়ে যাবে। ইসরোর অনুসারে, ১৩ আমেরিকার ন্যানোস্যাটেলাইট লঞ্চ করার চুক্তি সম্প্রতি গঠিত ব্যাবসায়িক শাখা নিউ স্পেস ইন্ডিয়া লিমিটেড করেছিল।

কার্টোস্যাট-৩ কে ৫০৯ কিমি অর্বিটরে স্থাপিত করা হবে। স্পেসফ্লাইট অনুযায়ী, ইসরো আরও দুটি সার্ভিল্যেন্স স্যাটেলাইট- রিস্যাট- ২বিআর১ আর রিস্যাট- ২বিআর২ কে পিএসএলভি ৪৮ আর সি ৪৯ রকেটের মাধ্যমে শ্রীহরিকোটা থেকে ডিসেম্বরে লঞ্চ করা হবে।

ISRO : Indian Space Research Organisation

এর আগে এজেন্সি ২২ মেতে সার্ভিলেন্স স্যাটেলাট রিস্যাট-২বি আর ১লা এপ্রিলে এমিস্যাট লঞ্চ করেছিল। এমিস্যাট ডিআরডিও শত্রুদের র‍্যাডারের উপর নজর রাখার জন্য সাহায্য করবে। চন্দ্রযান-২ এর কারণে এই অপারেশনাল স্যাটেলাইট লঞ্চ করতে ছয় মাস দেরি হয়। এটা ইসরোর ইতিহাসে প্রথম যে, শ্রীহরিকোটা থেকে ইসরো সেনার উদ্দেশ্যে স্যাটেলাইট লঞ্চ করল।

শোনা যাচ্ছে যে, পাকিস্তানে করা সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের জন্য কার্টোস্যাট-১ আর উপগ্রহ থেকে গোপন তথ্য জোটানো হয়েছিল। যদিও এটা অফিসিয়ালি কোন ঘোষণা হয়নি। কার্টোস্যাট স্যাটেলাইট যেকোন আবওহাওয়ায় পৃথিবীর ছবি নেওয়া যেতে পারে। এর মাধ্যমে আকাশ থেকে দিন আর রাতের সময় মাটি থেকে এক ফুট উঁচু পর্যন্ত পরিস্কার ছবি তোলা যেতে পারে।

কার্টোস্যাট-৩ এর ক্যামেরা এতটাই শক্তিশালী যে, ওই ক্যামেরা মহাকাশ থেকে পৃথিবীর পৃষ্ঠের ৯.৮৪ ইঞ্চি দূরত্ব পর্যন্ত স্পষ্ট ছবি তোলা যেতে পারে।  আরেকদিকে আমেরিকার স্পেস কোম্পানি জিওআই-১ স্যাটেলাইট ১৬.১৪ ইঞ্চি দূরত্ব পর্যন্ত ছবি তুলতে পারে। কার্টোস্যাট সিরিজের স্যাটেলাইটের প্রয়োজন ২৬/১১ জঙ্গি ঘটনা হওয়ার পর দরকার পড়েছিল। কার্টোস্যাট -১ কে পাঁচই মে ২০০৫ সালে ইসরো লঞ্চ করেছিল।

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে বাঙালি নৌ-বিদ্রোহী বলাই চাঁদ দত্তের সংগ্রামের কাহিনী

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ নৌবিদ্রোহের অন্যতম নায়ক জন্ম ১৯২৩ সালে বর্ধমানের রায়না অঞ্চলের মেড়াল নামে এক প্রত্যন্ত গ্রামে ১৯৪০ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করে পটনায় চলে যান। তার পর টাইপিং শেখেন। ১৯৪১ সালে ওয়ারলেস টেলিগ্রাফিস্ট পদে যোগ দেন নৌবাহিনীতে। নৌ বিদ্রোহ (১১ই ফেব্রুয়ারি ১৯৪৬) ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের শেষ সশস্ত্র অভ্যুত্থান। এই বিদ্রোহের সাথে প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত ছিল তিনজন বাঙালি নৌসেনা।

স্বাধীনতার পর প্যাটেল ঘোষনা করেছিল নৌবিদ্রোহের যোগ দেওয়ার জন্য যে নাবিকরা কর্মচ্যুত হয়েছেন ইচ্ছা করলে তাঁরা তাঁদের পুরনো পদে যোগ দিতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী নেহেরু কে চিঠি লিখেও এই বিদ্রোহী বঙ্গ সন্তানকে আর বহাল করেনি নেহরু সরকার অথচ পাকিস্তানে আলাদা ব্যাপার ছিল নাবিকরা যারা ফিরতে চেয়েছিলেন তাঁরা পূর্বপদে নিযুক্ত হয়েছেন মোহাম্মদ আলি জিন্নাহ কথা রেখেছিল নৌ সেনা বিদ্রোহের কেন্দ্রীয় সমিতির সভাপতি এম এস খানকে পাকিস্তান নৌ বাহিনীতে অফিসার পদ দেওয়া হয়েছিল।

 

কিন্তু এই বঙ্গ সন্তান স্বাধীনতার পর ফ্রি প্রেস জার্নালে যোগ দেন, পরে কাজ করেন একটি বিজ্ঞাপন সংস্থায়। ২০০৯ সালে ৮৬ বছর বয়সে প্রয়াত হয় ১৯৪৬ সালে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের নৌ বিদ্রোহের অন্যতম নায়ক। নৌ বিদ্রোহের উপরে লেখা Mutiny of the innocents বইয়ের লেখক বি.সি.দত্ত যার পুরো নাম ছিল বলাই চাঁদ দত্ত ।

আজ বীর বীরাঙ্গনা ঝাঁসির রানী লক্ষী বাইয়ের জন্মদিন, যার নাম শুনে কাঁপত ব্রিটিশরা

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ ১৮২৭ সালের ১৯ নভেম্বর তিনি মহারাষ্ট্রের মারাঠার ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ১৮৪২ সালে ঝাঁসির মহারাজা গঙ্গাধর রাও নিওয়াকরের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। এভাবেই তিনি ঝাঁসির রানি (Rani of Jhansi) হিসেবে পরিচিতি পান। বিয়ের পর তাঁর নতুন নাম হয় লক্ষ্মী বাঈ।

১০ মে ১৮৫৭ সালে মিরাটে বিদ্রোহের সূচনা হয়। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে, লি এনফিল্ড রাইফেলের আচ্ছাদনে শূকরের মাংস আর গরুর চর্বি ব্যবহার করা হয়। এরপরও ব্রিটিশ শাসকগোষ্ঠী রাইফেলে শূকরের মাংস ও গরুর চর্বির ব্যবহার অব্যাহত রাখে। তারা বিবৃতি দেয়, যারা এই রাইফেল ব্যবহারে অসম্মতি জানাবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে শুরু করে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ। এই বিদ্রোহে সিপাহিরা অনেক ব্রিটিশ সেনাসহ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিতে নিযুক্ত কর্মকর্তাদের হত্যা করেন।

সমগ্র ভারতবর্ষে গণ-আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। লক্ষ্মী বাঈ ঝাঁসির নেতৃত্বে ঝাঁসিতে শান্ত ও শান্তিপূর্ণ অবস্থা বজায় ছিল। ব্রিটিশ সৈন্যরা স্যার হিউজ রোজের নেতৃত্বে ঘাঁটি গেড়ে বসে এবং ২৩ মার্চ ১৮৫৮ তারিখে ঝাঁসি অবরোধ করে। লক্ষ্মী বাঈ তাঁর বাহিনীর সামনে দাঁড়িয়ে নেতৃত্ব দেন। ঝাঁসি আর লক্ষ্মী বাঈকে মুক্ত করতে ২০ হাজার সৈন্যের একটি দলের নেতৃত্ব দেন অন্যতম বিদ্রোহী নেতা তাতিয়া টোপি। ব্রিটিশ সৈন্য দলে সৈনিকের সংখ্যা ছিল মাত্র ১ হাজার ৫৪০ জন। এরপরও তাতিয়া টোপি ব্রিটিশ সৈন্যদের অবরোধ ভাঙতে পারেননি।

কারণ ব্রিটিশ সৈনিকেরা ছিল প্রশিক্ষিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ। রানি লক্ষ্মী বাঈয়ের বাহিনী এ আক্রমণ সহ্য করতে পারেনি। আক্রমণের তিন দিন পর ব্রিটিশ সৈন্যরা দুর্গের দেয়ালে ফাটল ধরায় এবং ঝাঁসি শহরে নিজেদের শাসন প্রতিষ্ঠা করে। এর আগেই এক রাতে দুর্গের দেয়াল থেকে সন্তানসহ লাফ দিয়ে লক্ষ্মী বাঈ প্রাণ রক্ষা করেন ও পালিয়ে যান।

রানি কাল্পিতে যান। সেখানে তিনি অন্য বিদ্রোহী বাহিনীর সঙ্গে যোগ দেন। এরপর রানি লক্ষ্মী বাঈ এবং তাতিয়া টোপি গোয়ালিয়রের দিকে রওনা দেন। সেখানে তাদের যৌথ বাহিনী গোয়ালিয়রের মহারাজার দলকে পরাজিত করে। পরাজিত বাহিনীর সদস্যরা পরে যৌথ বাহিনীর সঙ্গে যোগ দেয়। কৌশলগত অবস্থানে থাকা গোয়ালিয়রের কেল্লা দখল করে লক্ষ্মী বাঈ আর টোপির সম্মিলিত বাহিনী। ১৭ জুন ১৮৫৮ সালে ফুল বাগ এলাকার কাছাকাছি কোটাহ-কি সেরাইয়ে রাজকীয় বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে নিহত হন রানি লক্ষ্মী বাঈ।