Home Blog

সিপিএম শাসিত কেরলে পাকিস্তানের হাত ধরে চলছে ‘চাইল্ড পর্ন” বিপ্লব! মুখে কুলুপ বামেদের

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ সুপ্রিম কোর্টের নিষেধাজ্ঞা, পর্নসাইটে তালা, কোনও কিছুতেই শিশু পর্নোগ্রাফির উপর লাগাম টানা যাচ্ছে না। দেশেরই নানা প্রান্তে রমরমিয়ে চলছে শিশুদের নিয়ে নীল ছবির ব্যবসা। কেরলে শিশু পর্নোগ্রাফির বড় চক্র ফাঁস করল রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টিম। গ্রেফতার করা হল ৫৮ জনকে। কেরল পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্রের যোগ রয়েছে আন্তর্জাতিক স্তরে। পাকিস্তান ও ইউরোপের নানা দেশে ছড়িয়ে রয়েছে এই পর্নসাইটের অ্যাডমিনরা। অন্তত পাঁচ লক্ষ মেম্বার রয়েছে এই গ্রুপের।

কেরল পুলিশের অ্যাডিশনাল ডেপুটি জেনারেল মনোজ আব্রাহামের নেতৃত্বে ‘পি-হান্ট অপারেশন’ চালায় কেরল পুলিশের বিশেষ দল। এই দলের তত্ত্বাবধানে ছিলেন ডিজিপি লোকনাথ বেরা। তিনি জানিয়েছেন, যে সমস্ত ওয়েবসাইটের সঙ্গে  শিশু পর্নোগ্রাফির যোগ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে সেগুলি খতিয়ে দেখা শুরু করেন সাইবার বিশেষজ্ঞরা। খোঁজ মেলে এমন একটা গ্রুপের যার সদস্য সংখ্যা অন্তত পাঁচ লক্ষ। এই গ্রুপের শাখা ছড়িয়ে রয়েছে বিশ্বের নানা প্রান্তে। গ্রুপের অ্যাডমিনরা মূলত পাকিস্তান ও ইউরোপের নানা দেশের বাসিন্দা। কেরল থেকে এই পর্নোগ্রাফি সাইট চালাত ১২৬ জনের একটি টিম। তাদের মধ্যে ৫৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকিদের খোঁজ চলছে।

এডিজিপি মনোজ আব্রাহাম বলেছেন, এই অ্যাডমিনদের কয়েকজন ভুয়ো নাম ও পরিচয় দিয়ে লুকিয়ে রয়েছে দেশেরই কোথাও। যাদের মধ্যে অধিকাংশই পাকিস্তানি। গত শনিবার থেকে কেরলের ২১টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে কেরল পুলিশের ‘কাউন্টার চাইল্ড সেক্সুয়াল এক্সপ্লয়টেশন ইউনিট’ ও ইন্টারপোল। অসংখ্য ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, মডেম, হার্ড ডিস্ক এবং মেমোরি কার্ড উদ্ধার হয়েছে যার মধ্যে শিশুদের আপত্তিকর ছবি, ভিডিও ঠাসা। শুধু পর্নোগ্রাফি ভিডিও নয়, শিশুদের হেনস্থা, ধর্ষণ-গণধর্ষণের মতো ভিডিও রয়েছে এই ল্যাপটপ, মোবাইল ও হার্ড ডিস্কে।

পুলিশ জানিয়েছে, এই গ্রুপের অধীনে অসংখ্য হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, টেলিগ্রাম ও ফেসবুক প্রোফাইল রয়েছে যেগুলি পর্নোগ্রাফি ভিডিও ছড়িয়ে দিচ্ছে দেশ-বিদেশের নানা প্রান্তে। চলতি মাসেই আন্তর্জাতিক শিশু পর্নোগ্রাফির সঙ্গে জড়িত সাতজনকে দিল্লি থেকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। সিবিআইয়ের ইন্টারন্যাশনাল পুলিশ কোঅপারেশন সেলের (IPCC) সঙ্গে এই চক্রের মাথাদের খুঁজতে হাত মিলিয়েছিল জার্মান পুলিশ। সিবিআই জানিয়েছিল বেশ কিছু হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে অদ্ভুত ধরনের কথাবার্তা চলছে, যা যথেষ্ট সন্দেহজনক। তদন্তে নেমে সিবিআই জানতে পারে ওই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে শিশু পর্নোগ্রাফি সংক্রান্ত আলোচনা চলে। আদানপ্রদান হয় শিশুদের আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও। এই চক্রের চাঁই এক জার্মান ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতন, ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে।

শিশুদের নিয়ে তৈরি পর্নোগ্রাফির চাহিদা হু হু করে বাড়ছে এ দেশে। পরিসংখ্যান বলছে, ভারতে ওই ধরনের পর্নোগ্রাফির অনলাইন সার্চ ক্রমবর্ধমান। চাহিদা বাড়লে জোগান বাড়ানোরও চেষ্টা চলে। সুতরাং শিশু পাচার বাড়ে, শিশুদের বিরুদ্ধে যৌন অপরাধ বাড়ে।

মসজিদ তৈরিতে বাধা দিয়েছিল জিয়াগঞ্জের পরিবার, তাই হয়েছে হত্যা! দাবি সাইবার এক্সপার্টের

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ মুর্শিদাবাদ হত্যাকান্ড নিয়ে দেশজুড়ে প্রতিবাদ তীব্র হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গে তেমন কোনো বড়ো প্রতিবাদ দেখা না গেলেও দেশের অন্যান্য প্রান্তে এই ইস্যুতে তীব্র প্রতিবাদ দেখা গেছে। বিহার, ঝাড়খন্ড, উত্তরপ্রদেশের মানুষ পথে নেমে ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। মুর্শিদাবাদ হত্যাকাণ্ড নিয়ে পুলিশ কার্যবাহী শুরু করলেও ঘটনার রহস্য লাগাতার ঘনীভূত হচ্ছে। কারণ প্রথম দিকে কিছু দালাল মিডিয়া প্রমান ছাড়াই বন্ধুপ্রকাশ পালের স্ত্রীর চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। কিছু মিডিয়া দাবি করেছিল এই ঘটনার পেছনে পরকীয়া সম্পর্কিত ইস্যু রয়েছে। যদিও সেই সমস্ত মিডিয়াগুলো এনিয়ে কোনো প্রমাণ দিতে পারেনি।

এরপর পুলিশ ও CID তদন্ত করে যে দাবি করেছে তাও অনেকে মানতে পারেননি। পুলিশ ও CID এটাকে টাকা পয়সা সংক্রান্ত বিষয়ে সাথে জড়িত বলে দাবি করেছে। কিন্তু টাকা পয়সায় কারণে গর্ভবতী মহিলা ও শিশুর নৃশংস হত্যা কিভাবে কেউ করতে পারে সেটা নিয়ে অনেকেই প্রশ্নঃ তুলেছেন। এখন মুর্শিদাবাদ হত্যাকান্ড নিয়ে যে দাবি সামনে আসছে তা খুবই গম্ভীর ও চাঞ্চল্যকর। আর এই দাবি সোশ্যাল মিডিয়া সূত্রেই সামনে এসেছে। সাইবার এক্সপার্ট ও ডেটা সায়েন্টিস্ট গৌরব প্রধান এই ঘটনাকে মসজিদ নির্মাণের সাথে জুড়েছেন। টুইট করে মুর্শিদাবাদ হত্যাকাণ্ড নিয়ে গম্ভীর অভিযোগ তুলেছেন গৌরব প্রধান।

গৌরব প্রধান অভিযোগ করেছেন যে মসজিদ নির্মাণের বিরুদ্ধে চিঠি ফাঁসের কারণে আরএসএস সদস্য ও পরিবারকে হত্যা করা হয়েছে। দেশজুড়ে যখন হিন্দুদের পবিত্র দুর্গাপুজা উৎসব চলছিল তখন বন্ধুপ্রকাশ পাল, তার গর্ভবতী স্ত্রী বিউটি ও তাদের ৮ বছরের ছেলেকে নির্মম হত্যা করা হয়েছিল। গৌরব প্রধান মুর্শিদাবাদ হত্যা মামলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলে ঘটনার CBI তদন্তের দাবি তুলেছেন।

 

গৌরব প্রধান এর দাবি অনুযায়ী, মুর্শিদাবাদের মুসলিম বহুল এলক জিয়াগঞ্জের লেবুতলায় ১৭ কাঠা জমির উপর মসজিদ বানাতে চেয়েছিল মুসলিমদের এক কমিটি। সেই মসজিদ নির্মাণ আটকাতে চেয়ে বন্ধুপ্রকাশ পাল একটা চিঠি লিখেছিলেন যা লিক হয়ে যায়। যারপর কমিটির লোকজন বন্ধুপ্রকাশ পাল ও তার পরিবারকে জেহাদী কায়দায় হত্যা করে। গৌরব প্রধান মমতার সরকারের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে CBI বা NIA তদন্ত করার কথা বলেছেন। গৌরব প্রধান বলেছেন, আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি যদি মমতা ব্যানার্জীর সাহস থাকে তাহলে তদন্ত CBI বা NIA কে দিক।

বেচে দেওয়া হোক রুগ্ন ব্যাঙ্ক গুলোকে, নোবেল সন্মান পাওয়ার পর মন্তব্য অভিজিৎ এর

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির বর্তমান অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিত্ বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধুই উদ্বেগ নয় আশু সমাধানও দিলেন তিনি। তাঁর কথায়, অলাভজনক, রুগ্ন ব্যাঙ্কগুলি বেচে দেওয়া জরুরি। ব্যাঙ্ক ব্যবস্থাকে চাঙ্গা করতে ওই অর্থ কাজে লাগানো যেতে পারে।

সম্প্রতিই রাষ্ট্রয়াত্ত ব্যাঙ্কগুলির অবস্থা খারাপ হয়েছে এ কথা মানতে রাজি নন অর্থনীতিবিদ অভিজিত্ বন্দ্যোপাধ্যায়। অনেক আগে থেকেই এই সমস্যা তৈরি হয়। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ‘নজরদারি’ ঠিক মতো না হওয়ায় এই সমস্যা আরও গভীর হয়েছে। সম্প্রতি পঞ্জাব মহারাষ্ট্র সমবায় ব্যাঙ্ক কেলেঙ্কারি ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, এমন অনেক ব্যাঙ্কের অবস্থা আরও সঙ্কটজনক। বর্তমান পরিস্থিতি হিমশৈল্যের মতো। এর সমস্যা আরও গভীর বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন অভিজিত্ বন্দ্যোপাধ্যায়।

Abhijit Banerjee speaks during a news conference at Massachusetts Institute of Technology in Cambridge, Mass., Monday, Oct. 14, 2019. Banerjee along with Esther Duflo and Harvard’s Michael Kremer, were awarded the 2019 Nobel Prize in economics for pioneering new ways to alleviate global poverty. (AP Photo/Michael Dwyer)

সম্প্রতি তথ্যের অধিকার আইন জানা গিয়েছে দেশের বৃহত্তম রাষ্টায়ত্ত ব্যাঙ্ক এসবিআই ৭৬,৬০০ কোটি টাকার অনাদায়ী ঋণ হিসাবের খাতা থেকে মুছে ফেলেছে। ওই তালিকায় মোট ২২০ জন ঋণখেলাপি রয়েছেন, যাঁদের মধ্যে অনেকেই ১০০ কোটি টাকা বা তার বেশি ঋণ নিয়েছিলেন।

অভিজিত্ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, গ্রাহকদের দোষ দিয়ে লাভ নেই। এটা জাস্ট হিমশৈল্যের মতো। রিজার্ভ ব্যাঙ্কও সতর্ক করেনি ওই সব ব্যাঙ্কগুলিকে। তাঁর যুক্তি, রুগ্ন ব্যাঙ্কগুলিকে বেসরকারিকরণ করে সেই অর্থে অন্যান্য ব্যাঙ্কগুলিকে বাঁচানো প্রয়োজন।

নোবেলজয়ী অভিজিৎ ব্যানার্জির সাথে মুখ্যমন্ত্রীর তুলনা করে বসলেন শিক্ষা মন্ত্রী!

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ  নোবেল (Nobel) জয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) তুলনা করলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এদিন বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় সংক্রান্ত এক প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “নিঃসন্দেহে এটা বাংলা ও বাঙালির সংস্কৃতি। তাঁর যে বইয়ের লেখা, তাঁর যে বিষয়বস্তু তা সম্পূর্ণ মানুষকে নিয়ে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনীতিও একেবারেই মানুষকে নিয়ে। মানুষকে বাদ দিয়ে না। বিষয়টি অত্যন্ত গর্বের। আনন্দের। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে প্রেসিডেন্সি কলেজের মেন্টর করেছিলেন।”

প্রসঙ্গত, একজন নোবেল জয়ী ব্যক্তিত্বের সঙ্গে কিভাবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর তুলনা করা যায়? তা নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কিন্তু তৃণমূল নেতৃত্ব কিংবা পার্থ চট্টোপাধ্যায় (partha chatterjee) এ বিষয়ে আমল দিতে নারাজ। নোবেল জয়ের পরেই অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় (Avijit Binayak Banerjee) কলকাতায় আসছেন। সরকারের তরফ থেকে কি কোনও সংবর্ধনা দেওয়া হবে? এমন প্রশ্নের উত্তরে পার্থ বলেন, “আমরা আজকে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছি। এরপর মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব।”

প্রধানমন্ত্রী মোদীর স্বচ্ছ ভারত অভিযানের বিরোধিতায়, মলত্যাগ করে সমুদ্র সৈকত নোংরা করল বিরোধীরা!

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ চীনের রাষ্ট্রপতি শি-জিনপিং এসেছিলেন ভারতে, ওনাকে স্বাগত জানাতে এবং ভারতের ঐতিহ্য দেখাতে মহাবলিপুরম এর মতো ঐতিহ্যবাহী যায়গা নির্ধারণ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানে ওনাকে জোরদার স্বাগত জানানো হয়। চারিদিক ঘুরে ধুরে শহরের নানা রকম ঐতিহ্য দেখানো হয়। এরপর দুজনে মিলে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করেন।

এগুলো সবই ঠিক ছিল। কিন্তু বাঁধ সাধল যখন ভারতের বাম নেতারা চীনের প্রেসিডেন্টের সাথে দেখা করতে গিয়ে খালি হাতে ফিরে এলেন। যদিও এর পিছনে ভারতের হাত নেই। চীনের প্রেসিডেন্টই ভারতের বাম নেতাদের সাথে দেখা করতে চাননি।

এরপর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেড়িয়ে মহাবলিপুরমের সমুদ্র সৈকতে যান। সেখানে গিয়ে তিনি চারিদিকে প্ল্যাস্টিক পড়ে থাকতে দেখে, নিজের হাতেই পরিস্কার করা শুরু করেন। প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে চলে ওনার এই স্বচ্ছতা অভিযান।

এরপরেই ক্ষেপে লাল হয় ভারতে থাকা মোদী বিরোধীরা। নরেন্দ্র মোদীর এই স্বচ্ছতা অভিযান নিয়ে তাঁরা নানারকম বিদ্রুপ করতে থাকে। শুধু তাই নয়, ভুয়ো ছবি দিয়ে নরেন্দ্র মোদীর এই প্রয়াসকে ছোট করার চেষ্টা করে তাঁরা। কিন্তু তাঁতেও কোনরকম বিরক্তি প্রকাশ করেন নি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ওনার বক্তব্য অনুযায়ী, আমার এই প্রয়াসকে দেখে দেশের কয়েকটি মানুষ যদি স্বচ্ছতা অভিযান শুরু করে দেয়, তাহলে তো সেটা দেশরই ভালো।

ভুয়ো ছবি দিয়েও যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে প্রতিহত করা গেলনা। তখন মোদী বিরোধীরা নতুন পন্থা অবলম্বন করল। সেখানকার স্থানীয় মিডিয়া ‘মহাবলিপুরম টুডে” এর অনুসারে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী স্বচ্ছতা অভিযানকে বিফল করার জন্য কয়েকজন উপদ্রবি পরের দিন ভোর রাতে গিয়ে ঠিক সেই যায়গাতেই মল ত্যাগ করে আসেন। এর সাথে সেখানে বালিতে লিখে আসেন। গো ব্যাক নরেন্দ্র মোদী। এই কাজের ফলে গোটা শহরে ছিঃ ছিঃ রব পড়ে গেছে।

ভারতীয় সেনার জওয়ানরা যাতে নিঃশ্বাস নিতে পারে, সেই জন্য সিয়াচেনে অক্সিজেন প্ল্যান্ট গড়ল দম্পতি

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ ভারতীয় সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ যুদ্ধক্ষেত্র সিয়াচেনের পয়েন্ট সোনম। ২১,০০০ ফিট উচ্চতায় অবস্থিত এই অঞ্চলে বাতাসে অক্সিজেনের মাত্রা খুবই কম। অনেকসময়েই সেখানে অক্সিজেনের অভাবে ভোগেন ভারতীয় সেনানীরা। সেই সমস্যার সমাধান করতেই ১১,০০০ ফিট উচ্চতায় অক্সিজেন উৎপাদনকারী কারখানা স্থাপন করলেন পুনের দম্পতি সুমেধা এবং যোগেশ চিতাদে।

যোগেশ নিজে ভারতীয় বায়ুসেনার এক প্রাক্তন সেনানী। দম্পতির একমাত্র ছেলেও ভারতীয় সেনাবাহিনীর একজন মেজর। নিজেদের পরিচিত পরমবীর চক্র প্রাপ্ত ক্যাপ্টেন বানা সিং পিভিসি-র থেকে তাঁরা জানতে পারেন, সিয়াচেন একটি অক্সিজেন উৎপাদনকারী কারখানার প্রয়োজন রয়েছে। তাঁরা স্থির করেন, এই কাজে সাহায্য করবেন সেনাবাহিনীকে। সেই পরিকল্পনা মতো, ২৪ এপ্রিল ২০১৮ থেকে তাঁরা এই কারখানার জন্য অর্থ সংগ্রহ করা শুরু করেন।

প্রাথমিক ভাবে নিজেদের সম্পত্তি বিক্রি করেই অর্থ জোগাড় করা শুরু করেন তাঁরা। তারপর গত ১৮ মাস ধরে গোটা মহারাষ্ট্র জুড়ে বিভিন্ন মানুষ এবং সংস্থার থেকে জোগাড় করেন অনুদান। এই কাজের জন্য তাঁরা পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন বানিয়ে দেখিয়েছেন ১০০র বেশি মানুষকে। শুধু অর্থ সংস্থানই নয়, সেনাবাহিনীতে যোগদান করার জন্যও তাঁরা অনুপ্রাণিত করার চেষ্টা করেন যুবসমাজকে।

সেনাবাহিনীকে এই প্রকল্পে সাহায্য করার জন্য প্রয়োজনে ব্যাঙ্ক থেকে নিজেদের নামে ঋণ নিতেও রাজি ছিলেন যোগেশ এবং সুমেধা। অক্সিজেন উৎপাদনকারী যন্ত্রটি আমদানি করা হয়েছে জার্মানি থেকে। সেটার দাম ১.৫ কোটি টাকার বেশি। চিতাদে দম্পতি ঠিক করেছিলেন, ১৫ অক্টোবরের আগে তাঁরা এই যন্ত্রটিকে স্থাপন করবেন কারখানায়।

কারণ অক্টোবরের মাঝামাঝির পর থেকে আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায় সিয়াচেনের। তখন সেখানে পৌঁছনো সম্ভব নয়। গত ৪ অক্টোবর তাঁদের পরিকল্পনা মাফিকই শুরু হয় অক্সিজেন উৎপাদনকারী কারখানা। এর উদ্বোধন হয় লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াই কে জোশীর হাতে। তথ্যঃ- নিউজপোল ও ANI

মোদীর হাত ছেড়ে ভুল করেছি, হঠকারী সিদ্ধান্তের জন্য আজ আমার করুন অবস্থাঃ চন্দ্রবাবু নাইডু

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ লোকসভা তথা অন্ধ্রপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয় হয়েছে চন্দ্রবাবু নাইডুর দল তেলুগু দেশম পার্টির (টিডিপি)। ভোটের আগে অন্ধ্রপ্রদেশের বিশেষ মর্যাদার দাবি তুলে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট ছাড়েন চন্দ্রবাবু। শোচনীয় হারের পর অবশেষে তিনি স্বীকার করে নিলেন যে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ) ছাড়া তাঁর ‘মস্তবড় ভুল’ ছিল।

বিশাখাপত্তনমে দলীয় এক বৈঠকে টিডিপি সুপ্রিমো চন্দ্রবাবু নাইডু বলেন, বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট ছাড়া তাঁর ভুল হয়েছিল। তিনি বলেন, অন্ধ্রপ্রদেশের বিশেষ মর্যাদার দাবিতে বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ করে টিডিপি। সেই সিদ্ধান্ত আমাদের বিরাট ক্ষতি করেছে। আমরা যে শুধু অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি তাই নয়, রাজনৈতিকভাবেও রাজ্য এবং লোকসভায় ক্ষমতা হারিয়েছে টিডিপি।

চন্দ্রবাবু আরও বলেন, নরেন্দ্র মোদী তাঁকে সাবধানও করেছিলেন। হঠকারী সিদ্ধান্ত নিয়ে এনডিএ না ছাড়ার পরমার্শও দেন মোদী। কিন্তু, সেসবে কর্ণপাত করিনি আমি। আজ সেই হঠকারী সিদ্ধান্তের ফল তাঁকে ভুগতে হচ্ছে। লোকসভা নির্বাচনের সময় তেলেঙ্গানাতে কংগ্রেসের সাথে হাত মিলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েও এদিন দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।

নাইডু বলেন, আমি তেলঙ্গানায় কংগ্রেসের সাথে আসন ভাগাভাগির সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। যার ফলে আমাদের শোচনীয় পরাজয় হয়েছে। নির্বাচনের পরে আমি বুঝতে পেরেছি যে এটি একটি গুরুতর ভুল ছিল, তবে অনেক দেরি হয়ে গেছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ লোকসভা ভোটে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফিরেছে বিজেপি। বিজেপি একাই পেয়েছে ৩০০-রও বেশি আসন। অন্যদিকে, লোকসভা এবং রাজ্য বিধানসভা দুই নির্বাচনে কার্যত ধুয়েমুছে সাফ চন্দ্রবাবুর টিডিপি। লোকসভায় টিডিপি পেয়েছে মাত্র ৩টি আসন এবং অন্ধ্রপ্রদেশ বিধানসভায় টিডিপি পেয়েছে মাত্র ২৩টি আসন।

ভুলভাল পোস্ট করায় ট্যুইটার সাসপেন্ড করল মোহম্মদ সেলিমকে! প্রতিবাদে ডাকা হতে পারে ‘ভারত বন্ধ”

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ সম্প্রতি মহম্মদ সেলিমের ক্রিয়া-কলাপ-এ চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে, জানা গেছে সিপিআইএম নেতা তার টুইটার একাউন্টে বিজেপি বিরোধী মন্তব্য করায় সাময়িক সময়ের জন্য সাসপেন্ড করে দেয়া হয়েছে তার টুইটার হ্যান্ডেল। সেলিম দাবি জানিয়েছেন, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুকে উদ্ধৃত করে তিনি টুইট করেছিলেন। কিন্তু বিজেপির আইটি সেল তার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে তাঁর টুইটার অ্যাকাউন্টটি সাময়িকভাবে বন্ধ করিয়ে দিয়েছে।

মহম্মদ সেলিমের ৫ অক্টোবর পোস্ট করা একটি টুইট কে নিয়ে শুরু হয়েছে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি, সিপিআইএম নেতা সেই টুইটে লিখেছিলেন, ”কমরেড জ্যোতি বসু বিজেপিকে অসভ্য ও বর্বরদের দল বলেছিলেন। সাধারণ মানুষকেই রাজ্যে বিজেপির বর্বরতাকে আটকানোর দায়িত্ব নিতে হবে। আমরা স্বামীজি ও রামকৃষ্ণকে পড়েছি। উনারা নিজের জীবন কালে কোনদিনই বলেননি যে নিজের ধর্মকে ভালোবাসো আর অন্য ধর্মকে ধ্বংস করে দাও।”

সম্প্রতি মহম্মদ সেলিমের দাবি জানিয়ে অভিযোগ করেছেন, এই টুইট করার পর তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে বিজেপির আইটি সেল। বিজেপির এই অভিযোগে কে ভিত্তি করেই টুইটার তার অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়। টুইটারের বিধি ভঙ্গ করার অভিযোগে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয় সেলিমের টুইটার হ্যান্ডেল। যদিও বর্তমানে আবার নিজের অ্যাকাউন্ট ফিরে পেয়েছেন সিপিআইএম নেতা।

সম্প্রতি সংবাদমাধ্যম কে মহম্মদ সেলিম বলেন, উৎসবের মরসুমে নোংরাভাবে হিংসাত্মক মনস্কতা ছড়াচ্ছে বিজেপি। এই বিষ ছড়ানো যাতে বন্ধ হয় সেই কারণেই আমি জ্যোতি বসুকে উদ্ধৃত করে সেই টুইট পোস্ট করি। আমরা স্বামীজি ও রামকৃষ্ণকে পড়েছি। উনারা নিজের জীবন কালে কোনদিনই বলেননি যে নিজের ধর্মকে ভালোবাসো আর অন্য ধর্মকে ধ্বংস করে দাও। বিজেপি বর্বর ও কাপুরুষ। যারাই সম্প্রীতির কথা বলতে আসছেন, তাদের জোর করে আওয়াজ বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। কিন্তু এসব করেও আমাদের থামানো যাবে না। ধর্মীয় বিভাজনের রাজনীতি থেকে মানুষকে দূরে থাকতে হবে।”

সুত্রের খবর অনুযায়ী, ট্যুইটারের এরকম অগণতান্ত্রিক কাজে চরম ক্ষুব্ধ সিপিএম নেতৃত্ব। তাঁদের মুখে এখন প্রশ্ন একটাই, ‘তাঁদের নেতার কথা যদি তাঁরা না শেয়ার করতে পারে। তাহলে করবে কে? এইভাবেই কি দেশে গণতন্ত্র রক্ষা হবে?” এমনকি বিজেপির এই অগণতান্ত্রিক পদক্ষেপে ক্ষোভে ফুঁসছে সিপিএম নেতৃত্ব। প্রয়োজনে বড়সড় আন্দোলনেও নামা হতে পারে।

বিদ্যুতের দাম নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত মোদী সরকারের, খুব শীঘ্রই লাগু হবে ‘এক দেশ-এক দাম”

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ দেশে ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া কেন্দ্র সরকার এবার খুব শীঘ্রই বিদ্যুৎ গ্রাহকদের আরও একটি উপহার দিতে চলেছে। মিডিয়া রিপোর্টস অনুযায়ী, মোদী সরকার এবার প্রতিটি রাজ্যে চার থেকে পাঁচ কোম্পানিকে বিদ্যুৎ বিতরণ লাইসেন্স দেওয়ার পরিকল্পনা নিচ্ছে।

এর সাথে সাথে গ্রাহকদের সুযোগ দেওয়া হবে যে, তাঁরা ইচ্ছেমতো যেকোন কোম্পানির বিদ্যুৎ নিতে পারবে। গ্রাহকেরা যেকোন সময় বিদ্যুৎ কোম্পানি বদলাতে পারবে। কেন্দ্র সরকার এর জন্য রাজ্য গুলোকে নির্দেশ দিয়ে জানিয়েছে যে, তাঁরা এক বছরের মধ্যে যেন কৃষি ফিডার গুলোকে আলদা করে দেয়।

হিন্দুস্তান টাইমসে ছাপা খবর অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রী আরকে সিং শুক্রবার গুজরাটের কেবডীয়া শহরে রাজ্যের বিদ্যুৎ এবং অক্ষয় উর্জা মন্ত্রীদের সন্মেলনে জানান যে, রিটেল বিজনেস সরকারের কাজ না। উনি বলেন, সমস্ত রাজ্যে কেন্দ্র সরকার তিন থেকে চারটি ছোট ব্যাক্তিগত কোম্পানি নির্ধারিত করবে। সেই কোম্পানি গুলো ওই রাজ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে। এরফলে একদিকে সরকারের লোকসানের ভরপাই হয়ে যাবে, আরেকদিকে গ্রাহকেরা নিজের ইচ্ছেমত যখন তখন বিদ্যুৎ কোম্পানি বদলাতে পারবে।

কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রী বিদ্যুতের বর্ধিত দাম নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। উনি বলেন, কিছু রাজ্যে বিদ্যুতের দাম আট টাকা প্রতি ইউনিট, কিন্তু বিদ্যুৎ কোম্পানি গুলো এর থেকে অনেক কমদামে গ্রাহকদের বিদ্যুৎ দিতে পারে। বৈঠকে বিদ্যুতের দাম গোটা দেশে এক করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ মন্ত্রী জানান, উনি এই বিষয় নিয়ে দেখেছেন। খুব শীঘ্রই এই নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, রাজ্যের সরকারি বিভাগ গুলোর কাছে ৪৭ হাজার কোটি টাকা বকেয়া আছে। সরকারি বিভাগ গুলো নিজেদের বিল চুকিয়ে দিলে বিদ্যুৎ কোম্পানি গুলো লাভের মুখ দেখবে। উনি বলেন, অনেক সরকারি দফতর খুব শীঘ্রই প্রিপেড মিটার লাগাতে চলেছে। যেই বিভাগ যত টাকার ট্যারিফ নেবে, ততটাই বিদ্যুৎ পাবে।

দুর্গা ঠাকুর বিসর্জনে বাধা তৃণমূলের, জারি হল ফতোয়া!

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ বাংলা, বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। আর এই দুর্গাপুজোর শেষ লগ্নেই কিনা ভাসান নিয়ে অদ্ভূত এক ফতোয়া জারি করে বসলেন খড়গপুরের এক অবাঙালি কাউন্সিলর। খড়গপুরের ১২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সরিতা ঝা পুরসভার পুকুরে দুর্গাপুজোর বিসর্জন করা যাবে না বলে ফতোয়া দিলেন।

সরিতা ঝা

স্থানীয় সূত্রে খবর, কাঞ্জিলালের পুকুর বলে পরিচিত ওই জলাশয়টি সম্প্রতি ২০ লক্ষ টাকা ব্যয় করে সংস্কার করেছে পুরসভা। অথচ ওই পুকুরটি তিনি নিজের টাকায় সংস্কার করেছেন। তাই সেখানে তিনি ভাসান করতে দেবেন না।

যদিও পুজো কমিটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, কেন ওই পুকুরে ভাসান দেওয়া যাবে না, এই প্রশ্নের জবাবে অবাঙালি ওই কাউন্সিলর জানিয়েছেন, ‘এখানে শুধু মাত্র ছটপুজো হবে। এখানে কোন দুর্গাঠাকুর বিসর্জন হবেনা।’ বিষয়টি নিয়ে ‘বাংলা পক্ষ’ নামে একটি সংগঠন সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করতেই সমালোচনা শুরু হয় নানা স্তরে। সকলেই কাউন্সিলরের এই মানসিকতার তীব্র বিরোধিতা করেছেন। উল্লেখ্য, ওই পুকুরে কিছুদিন আগেই যদিও গণেশ বিসর্জন হয়েছে। অনেকেই বাংলার একজন কাউন্সিলরের এই ধরণের বাঙালি সংস্কৃতির বিরোধিতার তীব্র নিন্দা করেছেন।

বিদ্যাসাগরের পর এবার ভাঙা হল বীর বিপ্লবী বাঘা যতীনের মূর্তি, মুখ বন্ধ মমতা সরকারের!

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ বিপ্লবী বাঘা যতীনের মুর্তি কে বা কারা ভেঙে দিলো। এই ঘটনায় শুক্রবার সকালে উত্তেজনা ছড়াল বরানগরে। বরানগর পুরসভার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাঘা যতীন রোডের মুখার্জী পাড়ায় একটি বাঘা যতীনের মুর্তি বসানো ছিল। শুক্রবার সকালে স্থানীয়রা দেখতে পান মূর্তিটি বেদি থেকে উপরে মাটিতে পড়ে রয়েছে। তারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন স্থানীয় কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ বর্ধন। তিনি বলেন,রাতের অন্ধকারে এই ধরনের নক্কারজনক ঘটনাটি ঘটিয়েছে একদল দুষ্কৃতী। যেহেতু কেউ চোখে দেখিনি।

তাই নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়, কারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। তিনি জানান,বরানগর পুরসভার উদ্যোগে ২০১৮ সালের ১৪ ই আগস্ট মুর্তিটি ওই এলাকায় উন্মোচন করা হয়েছিল। সেই মুর্তিটি একদল দুষ্কৃতী উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে বেদি থেকে উপরে মাটিতে আছড়ে ফেলে দিয়ে গেছে। এই ধরনের ঘটনার নিন্দা করার ভাষা নেই।

 

কাউন্সিলর বলেন, যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকুক না কেন তাদের বিরুদ্ধে পুলিশকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এমনকি বিষটি স্থানীয় বিধায়ক তাপস রায়কেও জানানো হয়েছে। এদিকে শুক্রবার সন্ধেতে স্থানীয় কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ বর্ধনের নেতৃত্বে স্থানীয় মানুষজনকে নিয়ে বাঘা যতীনের মুর্তির সামনে থেকে ওই এলাকায় একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করা হয়। ঘটনার তদন্তে বরানগর থানার পুলিশ।

BSF এর হাতে ১০ ঘন্টা আটক থাকার পর অবশেষে মুক্তি পেলো বাংলাদেশের তিন RAB জওয়ান

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ কুমিল্লা সীমান্তে মাদক ব্যবসায়ীদের ধাওয়া করে ভারতে প্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দাদের হাতে আটক র‌্যাবের ৩ সদস্য ও তাদের দুই নারী সোর্স-সহ পাঁচজনকে মুক্তি দিল বিএসএফ। প্রায় ১০ ঘণ্টা পর, বৃহস্পতিবার বিকেলে আশাবাড়ি সীমান্ত দিয়ে তাঁদের হস্তান্তর করেছে বিএসএফ।

 

 

র‌্যাব-১১ সিপিসি-২ এর ভারপ্রাপ্ত কম্যান্ডার মুহিতুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, বৃহস্পতিবার সকালে র‌্যাব সদস্যরা কুমিল্লা থেকে আশাবাড়ি এলাকায় মাদক উদ্ধার অভিযানে যায়। সেই সময় মাদক চোরাকারবারীদের ধাওয়া করতে গিয়ে এক সময় র‌্যাবের কয়েকজন সদস্য অসাবধানতাবশত ভারতীয় সীমান্তের ভেতরে ঢুকে পড়েন। এরপরই ভারতীয় নাগরিকরা তাঁদেরকে আটক করে একটি পিস্তল, ৭টি বুলেট ও অন্যান্য সামগ্রী-সহ বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করে।

 

বিজিবি-বিএসএফ এর মধ্যে পতাকা বৈঠক শেষে তাঁদের ফেরৎ দেওয়া হয়। র‌্যাবের কনস্টেবল আবদুল মতিন, কনস্টেবল রিগেন বড়ুয়া, সৈনিক ওয়াহেদুল ইসলাম এবং দুই নারী সোর্স লিজা ও তার খালা ছিলেন সেই দলে।