Connect with us

দেশ

অমিত শাহের একের পর এক কথার জোরে ধ্বংস হয়ে গেল তৃণমূল কংগ্রেস। অনেক চেষ্টা করেও সভা আটকাতে পারল না তৃণমূল।

Published

on

রাজ্য সরকার অনেক রকম ভাবে চেষ্টা করেছিল যাতে রাজ্য অমিত শাহ কে প্রবেশ করতে না দেওয়া যায়। অমিত শাহের মালদা সভাটি পুরোপুরিভাবে আটকানোর জন্য রাজ্য সরকার উঠেপড়ে লেগেছিল। সে জন্য রাজ্য সরকার অমিত জিকে আটকানোর জন্য সমস্ত রকম ভাবে চেষ্টা করেছিল কিন্তু সেদিকে তাঁরা সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছে এই দিন। এইদিন অমিত শাহের হেলিকপ্টারটি মালদাতে নামার অনুমতি দেয়নি রাজ্য প্রশাসন। কিন্তু আইনের পথে গিয়ে রাজ্য বিজেপি সেই অনুমতি নিয়ে এসেছে। অবশেষে রাজ্য প্রশাসন বাধ্য হয়ে অমিত শাহের হেলিকপ্টারটি সঠিক জায়গায় নামার অনুমতি দিয়েছে।

এই দিন অমিত শাহ নির্দিষ্ট সময়ে মালদা তে পৌঁছায় এবং সেখানে তিনি সঠিক সময়ে সঠিক স্থানে সভা করেন। এই দিন অমিত শাহ আসার আগে থেকেই সেই স্থানে দলে দলে রাজ্যবাসী গিয়ে সভাস্থলটি পুরোপুরিভাবে ভরিয়ে তোলেন এবং সেটি জনসমুদ্রে পরিণত হয়। তারপর সেখানে উপস্থিত হয় অমিত শাহ এবং তিনি মঞ্চে ওঠেন। তিনি মঞ্চে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে আশেপাশের সমস্ত মানুষজন ভারত মাতা কি জয় এই প্রতিধ্বনিতে ভরে উঠেন সভাস্থল।

তারপর যখন অমিত শাহ মঞ্চে বক্তৃতা দেওয়া শুরু করেন তখন আশেপাশের মানুষ পুরোপুরিভাবে সমর্থন জানিয়েছেন অমিত শাহ সহ পুরো বিজেপি দল কে। তারপর অমিত শাহ চেনাজানা ভঙ্গিতে রাজ্য সরকারকে একের পর এক কথার জালে পুরোপুরিভাবে বিধ্বস্ত করে দেন। আমিত শাহ এই দিন রাজ্য সরকারের সমস্ত রকম অসামাজিক কাজকর্ম গুলি রাজ্যবাসীর সামনে তুলে ধরেন। আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের কার্ড আটকে দেওয়ার দিকটি অমিত শাহ তুলে ধরতে ভোলেন নি। আর অমিত শাহের এইসব কথা গুলি শুনে সেখানে উপস্থিত সকল সাধারণ জনগণই অমিত শাহ কে হাততালি দিয়ে সহযোগিতা জানান।

সেই সাথে তিনি এই দিন ১৯ শে জানুয়ারির ব্রিগেড সমাবেশ কে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি। এই দিন অমিত শাহ বলেন যে রাজ্যের তৃণমূল কংগ্রেস এটা ভালভাবেই বুঝে গিয়েছে যে এবার তাদের হার নিশ্চিত সেজন্যই তারা আশেপাশের অন্যান্য রাজ্যের মন্ত্রীদের ভাড়া করে এনে সভা করেছেন যাতে বিজেপিকে হারানো যায়, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষ আমাদের সাথে আছে।

সেই সাথে অমিত শাহ এইদিন বলেন যে ১৯ শে জানুয়ারি ব্রিগেডে একসাথে এতগুলি পলিটিক্যাল লিডার ছিল কিন্তু তারা কেউ একবারের জন্যেও “ভারতমাতা কি জয়” বলেন নি। এর থেকে এটা স্পষ্ট যে তাদের মধ্যে কোন দেশ প্রেম নেই তারা শুধু নিজেদের গদির লোভে এসব করে মানুষকে ঠকানো চেষ্টা করছে। তিনি বলেন যে দেশের একমাত্র দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক দল হচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি তাই সকল ভারতবাসীর আমাদের পাশে থাকা উচিত।

আর এই দিন অমিত শাহের সভায় মানুষের আগমন দেখে রাজ্য সরকার পুরোপুরিভাবে ভীত হয়ে পড়েছেন। কারণ এত বেশি মানুষ তাদের সভাতেও হয়নি বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর ফলে বোঝা যাচ্ছে রাজ্যে বিজেপি ঝড় আসতে চলেছে ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে।
#অগ্নিপুত্র

দেশ

জম্মু কাশ্মীরে সেনার হাতে খতম পাকিস্তানি জঙ্গি

Published

on

By

উত্তরি কাশ্মীরের বারামুলা জেলায় শনিবার সেনার এনকাউন্টারে খতম হয় এক জঙ্গি। বারামুলা জেলার বোনিয়ার এলাকায় শনিবার সেনা আর জঙ্গিদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষ চলাকালীন সেনার গুলিতে খতম হয় এক জঙ্গি। মৃত জঙ্গির থেকে হাতিয়ার আর প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোটক উদ্ধার হয়েছে। জঙ্গির পরিচয় জইশ এর কম্যান্ডার লুকমান এর নামে হয়েছে। মিডিয়া রিপোর্টস অনুযায়ী, জইশ এর কম্যান্ডার দক্ষিণ কাশ্মীর থেকে উত্তর কাশ্মীর যাচ্ছিল। সেখানে গিয়ে সে পাকিস্তান এবং অনান্য জঙ্গিদের নিয়ে জঙ্গি কার্যকলাপ চালাত। সেনা গোপন সুত্রে খবর পায় যে জইশ এর কম্যান্ডার দক্ষিণ কাশ্মীরের বারামুলা জেলায় লুকিয়ে আছে। গোপন খবর পাওয়ার পরেই সেখানে অভিযান চালায় সেনা।

কিছুদিন আগের রিপোর্টে উঠে এসেছিল যে, পুলওয়ামা হামলার পর ভারতীয় সেনা আরও দ্রুত গতিতে অপারেশন অলআউট চালিয়ে উপত্যকা থেকে ১২৫ জঙ্গিকে খতম করেছে এ বছরেই। মে মাসের সেশে দিকের রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, ফেব্রুয়ারি মাসের পর সেনার অপারেশন অলআউটে ১০১ জন জঙ্গিকে খতম করা হয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, সেনা কাশ্মীরে প্রায় ১২৫ জন জঙ্গিকে খতম করেছে। শুধু জুন মাসেই প্রায় ২৪ জঙ্গিকে খতম করা হয়েছে। ওই জঙ্গিরা লস্কর, হিজবুল আর জইশ এর জঙ্গি সংগঠন গুলোর সাথে যুক্ত ছিল। বিগত কয়েকটি এনকাউন্টারে সেনা প্রচুর পরিমাণে হাতিয়ারও উদ্ধার করেছে।

 

Continue Reading

দেশ

উন্নয়ন হয়নি বলে, পঞ্চায়েত সেক্রেটারিকে ল্যাম্পোস্টে বেঁধে পেটাল জনতা

Published

on

By

উন্নয়ন করা হয়নি কেন? পঞ্চায়েতের সেক্রেটারিকে ল্যাম্পোস্টে বেঁধে পেটাল সাধারণ জনতা। মধ্যপ্রদেশের রতলাম জেলার ভীমা খেদি গ্রামে দীর্ঘ দিন ধরে নূন্যতম উন্নয়ন করা হয়নি বলে অভিযোগ পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় কোনও উন্নয়ন হয়নি। নূন্যতম পরিষেবাটুকুও তাঁরা পান না কিছুতে। নিত্যদিন প্রবল প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এমনকী চলার মতো রাস্তাঘাটও নেই। অথচ রাস্তা নির্মাণের সামগ্রী মজুত করা হলেও রাস্তা নির্মানের কাজ সম্পন্ন হয়নি।

শুক্রবার এই অবস্থায় শুক্রবার ভীমা খেদি গ্রামে পরিদর্শনে গিয়েছিলেন পঞ্চায়েত সেক্রেটারি। সেখানেই তাঁকে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। শুধু বিক্ষোভ দেখিয়েই শান্ত থাকেনি ওই গ্রামের ক্ষুব্ধ জনতা। ল্যাম্পোস্টে বেঁধে বেধড়ক মারধোর করা হয় পঞ্চায়েত সেক্রেটারিকে। পরে পুলিশ এসে তাঁকে উদ্ধার করে।

আক্রান্ত পঞ্চায়েত সেক্রেটারি বলেছেন, “ওই গ্রামের যাবতীয় নির্মাণ কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য ইঞ্জিনিয়ার নিয়ে কাজের মূল্যায়ন করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু কিছু মানুষ আমার উপরে হামলা করল। আমাকে ল্যাম্পোস্টে বেঁধে পেটানো হল।”

Continue Reading

দেশ

রাস্তায় অসুস্থ মহিলাকে দেখে যা করলেন স্মৃতি ইরানি, জানলে আপনি গর্ব করবেন

Published

on

By

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি শনিবার নিজের সংসদীয় এলাকা আমেঠির সফরে যান। সেখানে গিয়ে তিনি এক অসুস্থ মহিলার সাহায্য করে মানুষের মন জয় করে নেন। ওনার কনভয় যখন বরৈলিয়া গ্রাম থেকে বেড়িয়ে যাচ্ছিল, তখন রাস্তা দিয়ে একটি মহিলাকে স্ট্রেচারে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এটা দেখেই তিনি ফট করে নিজের গাড়ি থেকে নেমে পড়েন, এবং নিজের সুরক্ষা ব্যাবস্থায় থাকা সরকারি অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে ওই অসুস্থ মহিলাকে হাসপাতালে পাঠান।

পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই মহিলা প্যারেলাইসিসে আক্রান্ত, আর এর জন্য উনি নিজের পায়ে আর চলা ফেরা করতে পারেন না। আজ ওনার পরিবারের লোকেরা ওনাকে ওনার ট্রাই সাইকেল স্ট্রেচারে করে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানিও ভাগ্যক্রমে ওই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন, উনি ওই মহিলার এই অবস্থা দেখে গাড়ি থামিয়ে ওনার শারীরিক অবস্থার খবরা খবর নেন, এবং ওনাকে নিজের সুরক্ষায় থাকা অ্যাম্বুলেন্স করে হাসপাতালে পৌঁছে দেন।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত এর সাথে শনিবার ২২ জুন আমেঠির দুই দিবসিয় সফরে যান। স্মৃতি ইরানি আমেঠির বরৌলিয়া গ্রামে যান, কারণ গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মনোহর পরিকর সাংসদ থাকাকালীন এই গ্রামকে দত্তক নিয়েছিলেন। উনি এই গ্রামে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। গোয়ার বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যদি উত্তর প্রদেশ সরকার চায়, তাহলে আমরা শ্রী মনোহর পরিকরের এর স্মরণে এই গ্রামে শিক্ষা, স্বাস্থ, রাস্তা, বিদ্যুৎ, জল এবং অনান্য সমস্ত রকম অসুবিধা গুলো দূর করব।”

 

Continue Reading

Trending