fbpx
দেশনতুন খবরপশ্চিমবঙ্গরাজনৈতিক

অমিত শাহের একের পর এক কথার জোরে ধ্বংস হয়ে গেল তৃণমূল কংগ্রেস। অনেক চেষ্টা করেও সভা আটকাতে পারল না তৃণমূল।

রাজ্য সরকার অনেক রকম ভাবে চেষ্টা করেছিল যাতে রাজ্য অমিত শাহ কে প্রবেশ করতে না দেওয়া যায়। অমিত শাহের মালদা সভাটি পুরোপুরিভাবে আটকানোর জন্য রাজ্য সরকার উঠেপড়ে লেগেছিল। সে জন্য রাজ্য সরকার অমিত জিকে আটকানোর জন্য সমস্ত রকম ভাবে চেষ্টা করেছিল কিন্তু সেদিকে তাঁরা সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছে এই দিন। এইদিন অমিত শাহের হেলিকপ্টারটি মালদাতে নামার অনুমতি দেয়নি রাজ্য প্রশাসন। কিন্তু আইনের পথে গিয়ে রাজ্য বিজেপি সেই অনুমতি নিয়ে এসেছে। অবশেষে রাজ্য প্রশাসন বাধ্য হয়ে অমিত শাহের হেলিকপ্টারটি সঠিক জায়গায় নামার অনুমতি দিয়েছে।

এই দিন অমিত শাহ নির্দিষ্ট সময়ে মালদা তে পৌঁছায় এবং সেখানে তিনি সঠিক সময়ে সঠিক স্থানে সভা করেন। এই দিন অমিত শাহ আসার আগে থেকেই সেই স্থানে দলে দলে রাজ্যবাসী গিয়ে সভাস্থলটি পুরোপুরিভাবে ভরিয়ে তোলেন এবং সেটি জনসমুদ্রে পরিণত হয়। তারপর সেখানে উপস্থিত হয় অমিত শাহ এবং তিনি মঞ্চে ওঠেন। তিনি মঞ্চে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে আশেপাশের সমস্ত মানুষজন ভারত মাতা কি জয় এই প্রতিধ্বনিতে ভরে উঠেন সভাস্থল।

তারপর যখন অমিত শাহ মঞ্চে বক্তৃতা দেওয়া শুরু করেন তখন আশেপাশের মানুষ পুরোপুরিভাবে সমর্থন জানিয়েছেন অমিত শাহ সহ পুরো বিজেপি দল কে। তারপর অমিত শাহ চেনাজানা ভঙ্গিতে রাজ্য সরকারকে একের পর এক কথার জালে পুরোপুরিভাবে বিধ্বস্ত করে দেন। আমিত শাহ এই দিন রাজ্য সরকারের সমস্ত রকম অসামাজিক কাজকর্ম গুলি রাজ্যবাসীর সামনে তুলে ধরেন। আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের কার্ড আটকে দেওয়ার দিকটি অমিত শাহ তুলে ধরতে ভোলেন নি। আর অমিত শাহের এইসব কথা গুলি শুনে সেখানে উপস্থিত সকল সাধারণ জনগণই অমিত শাহ কে হাততালি দিয়ে সহযোগিতা জানান।

সেই সাথে তিনি এই দিন ১৯ শে জানুয়ারির ব্রিগেড সমাবেশ কে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি। এই দিন অমিত শাহ বলেন যে রাজ্যের তৃণমূল কংগ্রেস এটা ভালভাবেই বুঝে গিয়েছে যে এবার তাদের হার নিশ্চিত সেজন্যই তারা আশেপাশের অন্যান্য রাজ্যের মন্ত্রীদের ভাড়া করে এনে সভা করেছেন যাতে বিজেপিকে হারানো যায়, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষ আমাদের সাথে আছে।

সেই সাথে অমিত শাহ এইদিন বলেন যে ১৯ শে জানুয়ারি ব্রিগেডে একসাথে এতগুলি পলিটিক্যাল লিডার ছিল কিন্তু তারা কেউ একবারের জন্যেও “ভারতমাতা কি জয়” বলেন নি। এর থেকে এটা স্পষ্ট যে তাদের মধ্যে কোন দেশ প্রেম নেই তারা শুধু নিজেদের গদির লোভে এসব করে মানুষকে ঠকানো চেষ্টা করছে। তিনি বলেন যে দেশের একমাত্র দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক দল হচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি তাই সকল ভারতবাসীর আমাদের পাশে থাকা উচিত।

আর এই দিন অমিত শাহের সভায় মানুষের আগমন দেখে রাজ্য সরকার পুরোপুরিভাবে ভীত হয়ে পড়েছেন। কারণ এত বেশি মানুষ তাদের সভাতেও হয়নি বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর ফলে বোঝা যাচ্ছে রাজ্যে বিজেপি ঝড় আসতে চলেছে ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে।
#অগ্নিপুত্র

Close