একদিকে যখন ভারত তাদের শক্তি বৃদ্ধি করছে। সেখানে দাঁড়িয়ে ২৮ বছরের ইতিহাসে সবথেকে বড় ধাক্কা খেল চীন।

দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে আমেরিকা এবং চীনের পরস্পরের মধ্যে কিছুটা বাকযুদ্ধ লেগে আছে। আর এই পরস্পরের দ্বন্ধের প্রভাব পড়ল চীনের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে। এই প্রথম ২৮ বছরের ইতিহাসে চীনের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার সব থেকে কম হল। এর কারন হিসেবে ধরা হচ্ছে আমেরিকা এবং চীনের সম্পর্কের অবনতিকে।

চীনের বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্থা এ বছরের শুরু থেকেই এই আন্দাজটা করে ফেলেছিল যে এবার চীনের অর্থনৈতিক উন্নতি হারটা পড়ে যেতে চলেছে আন্তর্জাতিক বাজারে। আর অবশেষে সেটাই হলো ২০১৮ সালের শেষে যেখানে চীনের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার ৬.৮ শতাংশ ছিল, সেটা এই বছরের শুরুতে ৬.৪ এ নেমে এসেছে। আর এর ফলে এই মুহুর্তে বেশ চাপে পড়ে গিয়েছে চীন সরকার।

একদিকে যখন চীনের জন্য চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার কমে যাওয়া টি। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে ভারতবর্ষের জন্য এক সুখবর দিল আই.এম.এফ। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল তাদের রিপোর্টে এটাই জানিয়েছেন যে ২০১৮ সালের তুলনায় দুই শতাংশ বেড়ে গিয়েছে ২০২৯ এ ভারতবর্ষের অর্থনৈতিক উন্নতির হার। অর্থাৎ ২০১৮ তে যেটা ছিল ৭.৩ সেটা এবার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭.৫ শতাংশে।

আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা দাবি করছেন যে ২৮ বছর অর্থাৎ ২০৯০ সালের পর থেকে এটাই চীনের আর্থিক বৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম। অপরদিকে ভারতের এটা একটা চরম আর্থিক উন্নতির নিদর্শন। এর জন্য আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মোদি সরকারের জিএসটি এবং নোটবন্দি কে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হিসেবে তুলে ধরেছেন।
#অগ্নিপুত্র