কথা দিলেন মুকুল রায়। বললেন লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কে ২০ টির বেশি আসন জিততে দেব না।

মুকুল রায় যিনি একসময় তৃণমূলের সেকেন্ড ম্যান হিসেবে পরিচিত ছিল এই মুকুল রায় তৃণমূল দল ছেড়েছে প্রায় এক বছর হতে চলল। এবং দল ছাড়ার পর থেকেই তিনি বারে বারে তৃণমূলের সমালোচনায় মুখর হয়েছেন। আর এই দিন বিজেপির রাষ্ট্রীয় মঞ্চে দাঁড়িয়ে তার মুখে শোনা গেল এই একই কথা। তিনি জানালেন যে বাংলা রাজনীতিতে যথেষ্ট গুন্ডামী চলছে। তৃণমূল কংগ্রেস সেখানকার কোন বিরোধীদের সভা পর্যন্ত করতে দেন না। কারোর কথা বলার অধিকার নেই। যে তৃণমূলের বিরুদ্ধে কথা বলে তাকে খুন করে দেওয়া হয়। কিন্তু আমি কথা দিচ্ছি এইসব এর মাঝেও লোকসভা ভোটে তৃণমূল কে করবে ২০ টির বেশি আসন পেতে দেব না।

এমনকি এদিন প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী পর্যন্ত মুকুলের বক্তৃতার পর হাততালি দেন। এবং মুকুল রায়কে সমর্থন করে বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ বলেন যে বাংলায় এই মুহূর্তে কি ভয়াবহ পরিস্থিতি চলছে সেটা এখানে বলে বোঝানো সম্ভব নয়। সেখানে একের পর এক বিজেপি কর্মীকে খুন করে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এতকিছু করেও আমাদের আটকানো যাবে না। লোকসভা নির্বাচনেই তৃণমূল কে বিতাড়িত করব বাংলা থেকে।

বিজেপির এই রাষ্ট্রীয় মঞ্চে বেশিরভাগ সময় ভাষণ দেন দলের শীর্ষ নেতৃত্বরা। কিছু কিছু রাজ্যের কয়েকজন নেতা মন্ত্রীর ডাক পেলেও ডাক পাননি বাংলার রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা। কিন্তু তারা ডাক না পেলেও এই দিন মাইক হাতে তুলে দেওয়া হয় মুকুল রায়ের। এর থেকে বোঝা যায় যে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মুকুল রায় কে যথেষ্ট ভরসা করেন।

এই দিন মুকুল রায় বলেন যে বাংলায় তৃণমূল গঠন করার পেছনে কারিগর ছিলাম আমি। তাই তৃণমূলকে যে কোন মুহূর্তে ধ্বংস করে দেওয়ার মত ক্ষমতা আমার রয়েছে। কিছুদিন আগে দুজন বড় তৃণমূল সাংসদ কে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে প্রবেশ করিয়েছি এছাড়াও লোকসভা ভোট যতই এগিয়ে আসবে তত একে একে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করবেন। তার একটা বড় তালিকা আমার হাতে রয়েছে।

আর এইদিন এই সকল তথ্য তুলে ধরে উনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহ কে কথা দেন যে, তৃণমূল কংগ্রেস এই বাংলা থেকে ২০ টির বেশি আসন দখল করতে পারবে না লোকসভা নির্বাচনে।
#অগ্নিপুত্র