Connect with us

আন্তর্জাতিক

ভারতের এই  মহান বিল্পবী ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়ে ফাঁসির দড়ি কে চুম্বন করেছিলেন। জেনে নিন কে এই মহান বিল্পবি ভারতমাতার বীর সন্তান।

Published

on

আসফাফ উল্লাহ খান নামটি বীর শব্দের সমার্থক শব্দ বলতে পারেন। এই বিপ্লবীর কাহিনী শুনলে বুকে এক অদম্য সাহস আসে। আসফাফ বীরদর্পে এগিয়ে গেলেন ফাঁসি কাঠের দিকে। তিনি জানতেন কিছুক্ষনের মধ্যেই ওই ফাঁসির দড়িই তার জীবন স্তব্ধ করে দেবে। কিন্তু ভয় না করে সে দড়ি টিকে চুম্বন করেছিলেন। ১৯২৭ সালে ১৯ শে ডিসেম্বর তারিখে কাঁকোরি ষরযন্ত্র মামলার অন্যতম অভিযুক্ত আসফাফ উল্লাহ কে ফাঁসিদেওয়া হয়।

তারিখ-৯ আগষ্ট,সন-১৯২৫, স্থান-কাকোরি। বিপুল পরিমান ইংরেজ সরকারের অর্থ ট্রেনে করে যাচ্ছে।ট্রেনের ওপর হামলা চালালেন হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মি।উদ্দ্যশ্য সসস্ত্র বিপ্লবের জন্য অস্ত্র কেনা। হামলা সফল হওয়ার পরেও ধরা পরে যায় মূলচক্রী সহ বাকীরা। মূলচক্রীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন আসফাফ উল্লাহ।

১৯২৫ , ৮ ই আগষ্ট বিপ্লবীরা ভারতের শাহজানপুরের সরনপুর-লখনউ চদাচলকারী ৮ ডাউন ট্রেনের ওপর লুঠ করবেন বলে পরিকল্পনা করেন ও ঠিক পরের দিনই আসফাফ উল্লাহ ও রামপ্রসাদ বিসমিলের নেতৃত্বে ট্রেন লুঠ হয়। সঙ্গ দিয়েছিলেন মুরারিলাল,কেশবচন্দ্র চক্রবর্তী,বনওয়ারী লাল,মুকুন্দী লাল,চন্দশেখর আজাদ।ধরা পড়ে যাওয়ার পর প্রত্যেকের উপর মামলা করে ইংরেজ সরকার। কাকোরি সরযন্ত্র মামলা। বাকিদের ১৩ বছর জেল হলেও,ফাঁসি হয় আসফাফ উল্লাহ খান ও রামপ্রসাদ বিসমিলের। বিপ্লবী আসফাফের ফাঁসির চারদিন আগে দুই ব্রিটিশ কর্তা আসফাফের সেলে এসে দেখতে পেয়েছিলেন আসফাফ নামাজ পড়ছে। এক ব্রিটিশ পুলিশ কর্তা বলেন আমি দেখতে চায় ফাঁসিকাঠে ঝোলানোর সময় এই ইদঁরের মধ্যে কতটা ধর্মবিশ্বাশ থাকে। আসফাফ কোনো উওর না দিয়ে নামাজ পড়তে থাকলেন। ১৯ শে ডিসেম্বর আসফাফ উল্লাহ খানকে দুই স্তর উপরে বেদিতে উঠিয়ে দিয়ে শিকল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। ফাঁসির দড়ির কাছে গিয়ে দড়িটিকে চুম্বন করে বলেন আমার হাতে কেউ মারা যায়নি,আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা। আল্লাহ আমাকে ন্যায়বিচার দেবেন। এরপরেই তিনি শহিদ হয়ে যান।

Continue Reading

আন্তর্জাতিক

জিনপিং এর কাছে আবারও হারল মোদী, এবারও এনএসজি গোষ্ঠীর সদস্য হচ্ছে না ভারত

Published

on

By

প্রতিবেশী দেশ চীন নিউক্লিয়ার সাপ্লায়ার্স গ্রুপ ( NSG ) তে ভারতের সদস্যতা নিয়ে আবারও নাক গলাল। চীন শুক্রবার জানায়, নন NPT সদস্য দেশগুলির জড়িত থাকার বিষয়ে একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা পৌঁছানোর আগে, এই গোষ্ঠীতে ভারতের প্রবেশের বিষয়ে কোন আলোচনা হবে না। ২০১৬ সালে মে মাসে ভারত NSG এর সদস্যপদের জন্য আবেদন করেছিল।

আর তখন থেকেই চীন বলে আসছে যে, এই গোষ্ঠীতে সেই দেশ গুলোকেই যুক্ত করা হোক, যারা Treaty on the Non-Proliferation of Nuclear Weapons (NPT) চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। NSG ৪৮ টি দেশের একটি সংগঠন, যারা গোটা বিশ্বে পরমাণু হাতিয়ারের ব্যাবসা করে। ভারত আর পাকিস্তান NPT তে স্বাক্ষর করেনি। আর এই গ্রুপের সদস্য হওয়া জন্য ভারতের আবেদনের পরেই, পাকিস্তানও আবেদন করে।

NSG তে ভারতের সদস্যতা নিয়ে চীনের বিদেশ মন্ত্রালয় এর মুখপাত্র লু কাং বলেছেন, যারা NPT তে স্বাক্ষর করেনি, তাঁদের কোন বিশেষ পরিকল্পনা ছাড়া এনএসজি গ্রুপের সদস্য বানানো নিয়ে কোন চর্চা হবেনা। আর এই জন্য এই গোষ্ঠীতে ভারতের সদস্যতা নিয়েও কোন চর্চা হবেনা।

লু আরও বলেন, এনএসজি এর সদস্যতা নিয়ে চীন ভারতের পথের কাঁটা কোনদিনও ছিলনা। লু বলেন, বেজিং চায় এনএসজি-তে সব নিয়ম আর অনুশাসনের পালন হোক। কাজাকিস্তানে আগামী ২০-২১ জুন এনএসজি এর বৈঠক হচ্ছে। লু বলেন, ‘আমি যতদূর জানি, এটা পূর্ণ বৈঠক হচ্ছে, আর এই বৈঠকে এনপিটি-তে স্বাক্ষর না করা দেশ গুলোর সদস্যতা আর তাঁদের সাথে জড়িত রাজনৈতিক এবং আইনি ইস্যু গুলো নিয়ে চর্চা হবে।”

Continue Reading

আন্তর্জাতিক

ট্রাম্প, পুতিন আর জিনপিং কে হারিয়ে বিশ্বের সর্ব শক্তিশালী নেতার খেতাব পেলেন নরেন্দ্র মোদী

Published

on

By

গোটা বিশ্বে আরও একবার সর্ব শক্তিশালী ব্যাক্তি হিসেবে উঠে এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। ব্রিটিশ হেরাল্ডের একটি সমীক্ষায়, পাঠকেরা ২০১৯ এ বিশ্বের সবথেকে শক্তিশালী মানুষ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বেছে নিলেন। এই সমীক্ষায় বিশ্বের আরও তাবড় তাবড় নেতাদের নামও ছিল। যেমন, ভ্লাদিমির পুতিন, ডোনাল্ড ট্রাম্প, জিনপিং ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সবাইকে পিছনে ফেলে এক নম্বর স্থান দখল করে নিলেন। ব্রিটিশ হেরাল্ডের এই সমীক্ষায়, বিশ্বের ২৫ টির ও বেশি শক্তিশালী নেতা তথা মানুষদের নাম ছিল।

পৃথিবীর সবথেকে শক্তিশালী মানুষের নির্বাচনের জন্য ব্রিটিশ হেরাল্ড শুধুমাত্র প্রতিটি নির্বাচনী বিঁধি পালনই করেনি, তাঁরা তাঁদের পাঠকদের ভোট দেওয়ার জন্য তাঁদের মোবাইলে ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ডও পাঠিয়েছিল। আর এর প্রধান কারণ এটাই ছিল যে, কোন ব্যাক্তি যেন একটার বেশি ভোট না দিতে পারে। ভোটিং এর সময় সাইট ক্রাশ হয়ে গেছিল, কারণ একসাথে অনেক মানুষ ভোট দেওয়ার জন্য সাইট ভিসিট করেছিলেন।

ব্রিটিশ হেরাল্ডের পাঠকেরা সবথেকে বেশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ৩০.০৯ শতাংস ভোট দিয়েছেন। এই নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ওনার প্রতিদ্বন্দ্বী নেতা পুতিন, ডোনাল্ড ট্রাম্প আর জিনপিং কে অনেক পিছনে ফেলে দিয়েছিলেন। এই ভোটে পুতিন ২৯.৯ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প ২১.৯ শতাংস, আর চীনের রাষ্ট্রপতি জিনপিং ১৮.১ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ছবি ব্রিটিশ হেরাল্ড ম্যাগাজিনের কভার ছবিতে জুলাইয়ের এডিশনে ছাপা হবে। এই এডিশন আগামী ১৫ই জুলাই মুক্তি পাবে।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অভূতপূর্ব সাফলতার পর গোটা বিশ্বে ওনার সন্মান অনেক বেড়ে গেছে। পুলওয়ামা হামলার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যেভাবে বালাকোটে এয়ার স্ট্রাইক করিয়েছিলেন। সেটার প্রশংসা গোটা দুনিয়ায় হয়েছে, আর এর জন্য ওনাকে বিশ্বের সবথেকে শক্তিশালী ব্যাক্তি রুপে তুলে এনেছে।

Continue Reading

আন্তর্জাতিক

মোদীর ৫৬ ইঞ্চির দমে ধ্বংস হল পাকিস্তানের অর্থনীতি, এক ঝটকায় পাকিস্তানের ৭০০ কোটি টাকায় চুনা লাগালো মোদী সরকার।

Published

on

পুলওয়ামা কাণ্ডের পরই মোদী শত্রু দেশ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে 56 ইঞ্চির বদলা নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। পাকিস্তান হয়তো তা ঘুণাক্ষরেও বুঝতে পারেনি। কিভাবে 56 ইঞ্চির বদলা মোদী নেবেন তা দেখাই দেশবাসীর কাছে প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু এবার যে মোদীর হুমকি সত্যি হল তার প্রমান মিলল। চলতি আর্থিক বছরে আশি হাজার কোটি টাকার বিনেবেশ পূরণ করেছে ভারত। শুধু তাই নয় লক্ষ্য পূরণের থেকেও বেশি রান করে ফেলেছে দেশের সরকার। শত্রু পাকিস্তানের সহায়তা নিয়েই ভারতের এই সাফল্য কিছুটা হলেও সম্ভব হয়েছে।

ভারতের এই সাফল্যের কথা প্রকাশ্যে এনেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুন জেটলি। চলতি আর্থিক বছরে ভারত সরকার পঁচাশি হাজার কোটি টাকা বিনেবেশ-এর লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করেছে। যা শত্রুদেশ পাকিস্তানের তিন হাজার কোটি টাকা শেয়ারের মাধ্যমেই এই বিনেবেশ সম্ভব হয়েছে। ভারত সাতশো কোটি টাকা আয় করতে পেরেছে শুধুমাত্র পাকিস্তানের জন্যই। আর সেই শেয়ার এখন ভারতীয় নিবন্ধিত বাজারেই স্থগিত আছে।

2018 সালেই কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেটে শত্রুদেশের সাতশো কোটি টাকা শেয়ার বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ডিপার্টমেন্ট অফ ইনভেস্টমেন্ট এন্ড পাবলিক অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট-এর তরফ থেকে শেয়ার বিক্রি করে পাঁচাশি হাজার কোটি টাকার বিনেবেশ পূরণ করে ফেলে ভারত। যার মাধ্যমে মোট দশ হাজার ছশো কোটি টাকা ভারতের ভান্ডারে যুক্ত হয়। এর পরবর্তী আর্থিক বছরে ভারতের বিনেবেশ-এর লক্ষ্য রয়েছে 90 হাজার কোটি টাকা।

শত্রু সম্পত্তি কি-
দেশভাগের পর থেকে চিন ও পাকিস্তানে বসবাসকারী ভারতীয়দের সম্পত্তিকে শত্রুদের সম্পত্তি বলে ধরা হয়। 1968 সালে সংসদ আইন অনুযায়ী সেই সম্পত্তির ওপর ভারতের অধিকার জন্মায়। আর তারপর থেকে সেগুলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে রয়েছে। এরপর 2017 সালের নতুন নিয়ম অনুযায়ী ভারতের হাতে সেই সম্পত্তি থাকলেও চিন ও পাকিস্তানে বসবাসকারী মানুষদের সম্পত্তিকে শত্রু সম্পত্তি বলে ধরে নেওয়া হয়। আর এভাবেই শত্রু সম্পত্তি তিন হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

Continue Reading

Trending