Connect with us

ভারতীয় সেনা

ভারত না আবার Airstrike করে দেয়, সেই ভয়ে এখনো বায়ু সীমা বন্ধ রেখেছে পাকিস্তান

Published

on

স্টাফ রিপোর্টঃ পাকিস্তানের ইমরান খান সরকার বালাকোট হামলার পর নিজেদের পুরো আকাশ সীমা বন্ধ করে দেয়। এই কারণে, ভারত থেকে বিমান ওদের আকাশ সীমা ব্যাবহার করে যাতায়াত করতে পারছে না। পাকিস্তানের আকাশ সীমা বন্ধ থাকার দরুন ভারতের বিমান গুলো অনেক ঘুরে ঘুরে গন্তব্য স্থলে যাচ্ছে। এবার এই আকাশ সীমা খোলার জন্য শর্ত রাখলো পাকিস্তান। পাকিস্তানের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, ভারত যদি কোথা দেয় যে তাঁরা আবার বালাকোটের মতো এয়ার স্ট্রাইক করবে না, তাহলে তাঁরা তাঁদের আকাশ সীমা খুলে দেবে।

এবছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি ভারতীয় বায়ুসেনা দ্বারা পাকিস্তানের সীমান্তে ঢুকে জইশ এর ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর পাকিস্তান তাঁদের আকাশ সীমা বন্ধ করে দেয়। পুলওয়ামায় পাক আশ্রিত জঙ্গি সংগঠন জইশ-এ-মোহম্মদ এর দ্বারা করা জঙ্গি হামলার বদলা নিতে, ভারতীয় বায়ুসেনা ২৬ ফেব্রুয়ারি বালাকোটে এয়ার স্ট্রাইক করেছিল।

সুত্রের খবর অনুযায়ী, এই নিষেধাজ্ঞা ২৮ জুন পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। শোনা যাচ্ছে যে, যতদিন না ভারত আবার বালাকোটের মতো এয়ার স্ট্রাইক না করার আশ্বাস দেয়, ততদিন পাকিস্তান তাঁদের আকাশ সীমা আর খুলবে না। গত ২৭ মার্চ পাকিস্তান তাঁদের আকাশ সীমা ভারত ছাড়া সমস্ত দেশের জন্য খুলে দিয়েছিল। আর ১৫ মে এর পর আকাশ সীমায় লাগানো নিষেধাজ্ঞা তিনবার বাড়ানো হয়েছে।

এই সপ্তাহের শুরুতে পাকিস্তানের বেসামরিক বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল যে, সরকার আগামী ২৮ জুন এই ইস্যু নিয়ে সমিক্ষা করবে আর তাঁদের বেশি তথ্য দেওয়ার পিছনে নিষেধাজ্ঞা জারি আছে। সুত্রের খবর অনুযায়ী, ইসলামাবাদ ভারতের থেকে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের মতো ঘটনা আর যেন না ঘটে, সেই আশ্বাসের অপেক্ষা করছে। এই নিষেধাজ্ঞা ততদিন জারি থাকবে, যতদিন না দুই দেশের মধ্যে উচ্চ স্তরীয় কথাবার্তা চলবে, আর যতদিন না ভারত আর এয়ার স্ট্রাইক না করার আশ্বাস দেবে।

ভারতীয় সেনা

পাথরবাজ আর জঙ্গিদের রাতের ঘুম কাড়তে, বর্ডারে মোতায়েন হচ্ছে উন্নত প্রযুক্তির রোবট

Published

on

By

ভারতীয় সেনা খুব শীঘ্রই কাশ্মীরে পাথরবাজ আর জঙ্গিদের সাথে মোকাবিলা করার জন্য রোবট মোতায়েন করতে চলেছে। এই রোবট জঙ্গিদের যেমন কোমর ভাঙবে, তেমনই পাথরবাজদের সাথেও মোকাবিলা করবে। একটা দুটো না, একসাথে ৫০০ এর বেশি রোবট উপতক্যায় মোতায়েন হতে চলেছে। এই রোবট গুলো আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence) এর মাধ্যমে নিজেদের কাজ সুক্ষ ভাবে করবে।

গ্রেটার কাশ্মীরে প্রকাশিত একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, ডিফেন্স মিনিস্ট্রি কাউন্টার টেরর অপারেশন আর অন্যান্য অপারেশন এর জন্য রোবিটিক হাতিয়ার ব্যাবহার করার ব্যাপারে উদ্যোগী হয়েছে। উপতক্যায় সেনাদের আহত হওয়ার ঘটনা আর শহীদ হওয়ার ঘটনা কমাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। রিপোর্টে এটাও বলা হয়েছে যে, সেনা কাশ্মীরে ৫৪৪ টি রোবর্টের জন্য আবেদন করেছিল, আর ডিফেন্স মিনিস্ট্রি সেটির জন্য সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে।

ইংরেজি সংবাদ মাধ্যম ‘ন্যাশানাল ডেইলি” এর অনুযায়ী, সেই দিন দূরে নেই যখন আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর জন্য সীমান্তে সক্ষম রোবট মোতায়েন করা হবে। সেনাও খুব গুরুত্বপূর্ণ ভাবে এই প্রকল্পে কাজ করছে। ভবিষ্যতে ওয়ারফেয়ার কে মাথায় রেখে ভারতীয় সেনা তিন বিভাগেই যথাসম্ভব আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স ম্যাশিন আর রোবট দিয়ে সুসজ্জিত করা হবে।

এই রোবট শুধুমাত্র প্রতিটি গতিবিধিতে পূর্ণ অন্তর্দৃষ্টি নিতে সক্ষম হবে না, তাঁরা অবিলম্বে শত্রুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেবে। এরকম হওয়ার পর ভারতীয় সীমার ছবি বদলে যাবে। উল্লেখ্য, গোটা বিশ্বে উন্নত টেকনোলজি দিয়ে অনেক দেশই এই প্রকল্পে কাজ করছে। ভবিষ্যতে আপনি দেখবেন যে, রোবট সেনার ট্যাংক আর বিমান চালিয়ে শত্রুদের ধ্বংস করবে।

এটা কোন কল্পনা না, এটা সম্পূর্ণ সত্য। আনুমানিক দুই বছর ধরে ডিআরডিও এর সাথে যুক্ত ল্যাব সিএআইআর (সেন্টার ফর আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স এন্ড রোবটিক্স) এই প্রকল্পে কাজ করছে। এই ল্যাব সেনার জন্য অনেক প্রকারের রোবট তৈরি করছে, এটিকে মাল্টি এজেন্ট রোবটিক্স ফ্রেমওয়ার্ক বলা হয়।

মদ্দা কথা হল, যদি ভবিষ্যতে পাঠানকোটের মোট হামলা হয়, তাহলে সেখানে সেনা জবাব দেবেনা, আলাদা আলাদা উন্নত প্রজুক্তির রোবট শত্রুদের খতম করবে। আমেরিকার মতো দেশ উন্নত প্রযুক্তিতে তৈরি বিশেষ প্রকারের রোবট সীমান্তে মোতায়েন করে দিয়েছে। এই রোবট গুলোর ব্যাবহার তাঁরা আফগানিস্তানে করেছিল।

Continue Reading

দেশ

‘মিশন শক্তি’র অনুমোদন দেননি মনমোহন সিং, ভয়ঙ্কর তথ্য ফাঁস করলেন ইউপিএ জামানার DRDO প্রধান।

Published

on

By

মিশন শক্তি ব্যাপক ভাবে সাফল্য পাওয়ার পর থেকেই কংগ্রেস সেটার কৃতিত্ব নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে পড়েছে। কংগ্রেসের তরফে কখনও দাবি করা হচ্ছে এই কৃতিত্ব প্রাপ্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এর আবার কখনও বলা হচ্ছে এর পুরো কৃতিত্বই নেহেরুর। আর এবার কংগ্রেসের সমস্ত দাবি কে গুরুত্বহীন করে দিয়ে প্রাপ্তন ডিআরডিও প্রধান জানিয়ে দিলেন কংগ্রেস আমলে এই প্রস্তাব আনা হলেও কোনো ইতিবাচক উত্তর দেয় নি কংগ্রেস সরকার।

ডিকে সারস্বত যিনি প্রাপ্তন ডিআরডিও প্রধান তিনি এইদিন বলেন যে, আমরা ইউপিএ সরকারের কাছে এই ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করেছিলেন কিন্তু দুর্ভাগ্যবসত উনারা এর কোনো ইতিবাচক উত্তর দেয় নি। এর ফলে ইচ্ছা থাকলেও সেই সময় এটা প্রয়োগ করা সম্ভব হয়নি।

উনি আরও বলেন উনি বলেন যে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের কাছে এই প্রস্তাব নিয়ে গেলে উনি সরাসরি নাকচ করে দেন কিন্তু বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে প্রস্তাব নিয়ে গেলে উনি সাহসী পদক্ষেপ নেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেন।

উল্লেখ্য এই মিশন শক্তি সাফল্য পাওয়ার পর থেকেই কংগ্রেস দাবি করতে শুরু করে যে, এই প্রস্তাব মনমোহন সিংয়ের আমলে পাশ হয়েছিল। কিন্তু কংগ্রেসের এই দাবি যে পুরোটাই মিথ্যা সেটা প্রমাণ করে দিলেন প্রাপ্তণ ডিআরডিও প্রধান ডিকে সারস্বত।
#অগ্নিপুত্র

Continue Reading

দেশ

চীন, পাকিস্তানের ঘুম উড়িয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠল ভারত; এবার বায়ুসেনার সাথে যুক্ত হল ৪ টি চিনুক হেলিকপ্টার।

Published

on

By

 

আরো অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠল ভারতীয় বায়ুসেনা এবার ভারতীয় বায়ুসেনার সাথে যুক্ত হল শক্তিশালী চিনুক হেলিকপ্টার। সোমবার ভারতীয় বায়ুসেনা সাথে যুক্ত করা হয় মোট চারটি চিনুক হেলিকপ্টার। সেই সময় সেই স্থানে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় বায়ুসেনা প্রধান বি এস ধানোয়ার। বায়ুসেনা সূত্রে জানানো হয়েছে যে এই চারটি বিশেষ চিনুক হেলিকপ্টার বিভিন্ন ভাবে ভারতীয় বায়ুসেনাকে সাহায্য করবে, বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় যুদ্ধের সরঞ্জাম এবং সেনাবাহিনীদের নিয়ে যাওয়ার জন্য বিশেষ ভাবে কাজে লাগবে এই চিনুক হেলিকপ্টার গুলি।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে মোট 15 টি চিনুক হেলিকপ্টার কেনার জন্য চুক্তি করা হয় 2015 সালে। এই জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে 150 কোটি ডলার বিনিয়োগ করা হয় এই বিমান কেনার কাজে। এই 15 টি বিমানের মধ্যে ভারতবর্ষে গত মাসেই চলে এসেছে চারটি বিমান এবং এই মুহূর্তে সেগুলিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে চণ্ডীগড়ে।

ভারতীয় বায়ুসেনা যখন বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নেয় অথবা যুদ্ধ করে সেই সময় তাদেরকে এক বিরাট সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় আর সেই সমস্যাটি হল পাহাড়ি এলাকায় সেনা মোতায়েন করা এবং যুদ্ধের বিভিন্ন সরঞ্জাম পৌঁছে নিয়ে যাওয়া আর এবার এই চিনুক বিমান গুলি ভারতীয় সেনার হাতে চলে আসার ফলে সেই কাজ অত্যন্ত দ্রুত হবে বলে মনে করছেন বায়ুসেনার বিভিন্ন আধিকারিক। একসাথে 23000 কিলো ওজন নিয়ে এই বিমান গুলি আকাশে উড়তে পারে।

আর ভারতীয় বায়ুসেনা হাতে এই বিমান গুলি চলে আসার ফলে বায়ুসেনা যে আগের তুলনায় আরও অনেক বেশি শক্তিশালী এবং মজবুত হল সেটা বলাই বাহুল্য আর এর ফলে ক্রমশ রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে চীন এবং পাকিস্তানের। বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছেন যে এর জন্য সম্পূর্ণরূপে প্রশংসা প্রাপ্য ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কারণ উনার স্বচেষ্টায় এই বিমানগুলি ভারতবর্ষে আনা সম্ভব হয়েছে।
#অগ্নিপুত্র

Continue Reading

Trending