তৃণমূলে বড় ভাঙন, শয়ে শয়ে কর্মী-সমর্থক যোগ দিলেন বিজেপিতে!

বিজেপিতে ফাটল ধরানোর পর; এবার ভাঙন তৃণমূলেও। শিক্ষামন্ত্রীর খাসতালুক থেকে ২০০ তৃণমূল কর্মীর; পদ্মে যোগদানে খুশির ছোঁয়া গেরুয়া শিবিরে। বিজেপিতে গিয়ে মোহভঙ্গ হওয়াপ পরই; বিপ্লব মিত্র ফের দলে ফিরেছেন। আর এরপরেই বড়সড় ভাঙন ধরল শাসকদলে। তৃণমূলে বড় ভাঙন ধরিয়ে দিল বিজেপিও। তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের খাসতালুক থেকে; তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন দুশোর বেশি নেতা-কর্মী। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে; দক্ষিণ কলকাতায় বিজেপির হাত আরও শক্ত হল। শুক্রবার তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরেই; ‘ঘরওয়াপসি’ হয় বিপ্লব মিত্রের। তারই পাল্টা পার্থকে ফিরিয়ে দিলো বিজেপি।

দক্ষিণ দিনাজপুর তৃণমূলের প্রাক্তন জেলা সভাপতি; বিপ্লব মিত্র বিজেপিকে জোর ধাক্কা দিয়ে; ফিরে আসেন তৃণমূলে। আর এরপরেই; পাল্টা পাটকেল খেতে হয়েছে তৃণমূলকে। খোদ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের খাসতালুকে; তৃণমূল নেতা-কর্মীকে ভাঙিয়ে নিল গেরুয়া শিবির। বেহালা পশ্চিমের তৃণমূল নেতা অভি ভট্টাচার্য; বিজেপিতে যোগ দেন। তাঁর সঙ্গে ২০০ কর্মীও বিজেপিতে যোগ দেয়।

বেহালা পশ্চিমে তৃণমূলের বিজেপি যোগদানে; পুরভোট ও বিধানসভা ভোটের আগে, শক্তিবৃদ্ধি ঘটল বিজেপির। বিজেপিতে যোগ দিয়ে অভি ভট্টাচার্য বলেন; “করোনায় রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার পরেও; মুখ্যমন্ত্রী মিথ্যের আশ্রয় নিচ্ছেন। রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা হচ্ছে বলা হলেও; আদতে তা ঘটছে না, মুখ্যমন্ত্রী মিথ্যে কথা বলছেন”। এইসব কারণেই তিনি, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পার্থ চট্টোপাধ্যায় শিবির থেকে বলা হয়েছে; “এরকম কত নেতা যাবে-আসবে; তাতে তৃণমূলের কিছুই যায় আসে না।”