পাকিস্তানকে সাহায্য, জঙ্গিতে মদত। চীনকে শায়েস্তা করতে চীনা জিনিসের উপর বড় পদক্ষেপ নিল ভারত সরকার।

চাইনিজ প্রোডাক্ট এই প্রোডাক্ট গুলি এই মুহূর্তে পুরোপুরিভাবে ভারতবর্ষের বাজারে ছেয়ে গিয়েছে। দেশের বিভিন্ন সংগঠন সংস্থা এই প্রোডাক্ট গুলি ব্যবহার না করার জন্য ভারতবাসীকে আহ্বান জানিয়েছে। কিন্তু তাতে কাজের কাজ কিছু হয়নি, ভারতবর্ষে মানুষ থেকে চাইনিজ প্রোডাক্ট গুলি বিরত রাখা সম্ভব হচ্ছে না কোন প্রকারে। অপরদিকে আন্তর্জাতিক কিছু নিষেধাজ্ঞা থাকার কারণে ভারত সরকার কোনভাবেই সরাসরি চায়না থেকে জিনিস আমদানি বন্ধ করতে পারছে না।

ভারতের চিরশত্রু পাকিস্তানের সবচেয়ে কাছের বন্ধু হল এই চীন। চীন বিভিন্নভাবে তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ করে ভারতবর্ষকে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বিভিন্নভাবে সমস্যায় ফেলেছে। এই চীনের কারণেই ভারতবর্ষ আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা কমিটিতে অন্তর্গত হতে পারেনি, আবার এই চীনের জন্য ভারতবর্ষ নানা রকম ভাবে সমস্যায় পড়েছে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে। বেশ কিছুদিন আগে ভারত সরকার আন্তর্জাতিক মহলে আবেদন রেখেছিল যে জাইস মহাম্মদ এর প্রধান মাসুদ আজাহারকে যাতে আন্তর্জাতিক আতঙ্কবাদী হিসেবে ঘোষণা করা হয়, কিন্তু সেই সময় ভারতবর্ষে এর আবেদনের বিরুদ্ধে গিয়েছিল চীন সরকার। এবং চীনের জন্য তাকে আন্তর্জাতিক আতঙ্কবাদী হিসেবে ঘোষণা করতে পারেনি ভারত। এর ফলে মাসুদ আজহার এখনো পর্যন্ত পাকিস্তানে খোলাখুলি ভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং ভারতের ক্ষতি করছে যেটা চীন চায়।

আর আমরা ভারতবাসীরা চীনের বিভিন্ন প্রোডাক্ট কিনে ভারতবর্ষে চীনের ব্যবসা কে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে তুলছি। এর ফলে চীন ভারতবর্ষ থেকে প্রচুর পরিমাণে মুনাফা লাভ করছে এবং অর্থ সাহায্য করছে পাকিস্তান কে আর পাকিস্তান সেই সমস্ত অর্থ তুলে দিচ্ছে জঙ্গি সংগঠনগুলোকে এবং তারা তা দিয়ে বিভিন্ন রকমের বিস্ফোরক অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি কিনে ভারতের উপর হামলা করছে। এক কথায় বলা যায় যে পরোক্ষভাবে ভারতবর্ষের সেনাবাহিনীর মৃত্যু এবং ভারতে জঙ্গি হামলার পেছনে ভারতবর্ষের মানুষের হাত রয়েছে।

তাই এবার ভারত সরকারের নতুন পদক্ষেপ, ভারত সরকারের নতুন পদক্ষেপের ফলে বিপাকে পড়তে চলেছে চিন এবং পাকিস্তান একসাথে। কারণ এবার যে সমস্ত চীনা প্রোডাক্ট এবং পাকিস্তানি প্রোডাক্ট ভারতে আমদানি হবে সেগুলোর ওপর ভারত সরকার কাস্টম ডিউটি বাড়িয়ে দিল ২০০ শতাংশ। এর ফলে যে সকল জিনিস গুলি কম দামে পাওয়া যেত সেগুলোর দাম এবারে একলাফে বৃদ্ধি পাবে দুই গুন। এর ফলে সেগুলি ক্রয় করার ক্ষেত্রে মানুষের মনভাব পাল্টে যাবে, এর ফলে দেশের সাধারন মানুষ দেশীয় প্রোডাক্ট কেনার দিকে বেশি ঝুঁকে পড়বে। আর এতেই বিপাকে পড়বে চীনের বিজনেস কম্পানি গুলি।
#অগ্নিপুত্র

Related Articles