ভারতের এয়ার স্ট্রাইকের পর ভয় পেয়ে আমেরিকার হাতে পায়ে ধরল পাকিস্তান, উল্টে আমেরিকা দিল বড় ঝটকা।

পাকিস্তানের জঙ্গি ঠিকানা গুলি ভারতীয় বায়ুসেনা গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর এবার এল আমেরিকার বয়ান। মাইক পোম্পিয় যিনি হলেন আমেরিকার বিদেশমন্ত্রী উনি বলেন যে, ” আমি পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি এর সাথে কথা বলেছি। পাকিস্তানের উচিৎ তাদের দেশে যেসমস্ত জঙ্গি সংগঠন গুলি রয়েছে সেগুলির উপর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া। এছাড়াও বর্তমান উত্তেজিত পরিস্থিতিকে হ্রাস করার কথা বলেন উনি।”
এছাড়াও এইদিন পোম্পিয় বলেন যে, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ২৬ শে ফেব্রুয়ারি ভারত যে কর্মকাণ্ড করেছে তারপর সেই এলাকার শান্তি এবং নিরাপত্তা বজায় রাখতে উনি ভারতের বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সাথে কথা বলেছেন।

পুলওয়ামায় পাকিস্তান যে কাপুরুষোচিত জঙ্গি হামলা করেছিল তারই ১২ দিন পর ভারত সম্পূর্ণ নিজেদের ভঙ্গিতে পাকিস্তান কে মোক্ষম জবাব দিয়েছে। মঙ্গলবার ভোর রাতে ভারতীয় এয়ারফোর্স এয়ার স্ট্রাইক চালিয়ে পাকিস্তানের জঙ্গি ঘাঁটি গুলি লক্ষ্য করে ১০০০ কেজি বোমা ফেলে পুরোপুরিভাবে ধ্বংস করে দেয় পাকিস্তানের জঙ্গি ঘাঁটি গুলি। ভারতীয় বায়ু সেনা এয়ার স্ট্রাইক চালিয়েছিল মিরাজ জেট এর সাহায্যে। বায়ুসেনার প্রকোপে পরে পাকিস্তানের দুধনিয়াল, কোতরালি, জুরা, লিপা প্রভৃতি স্থান ধ্বংস হয়ে যায়।

বায়ুসেনার সূত্রে খবর, এইদিন মিরাজ জেট পাকিস্তানের ভিতর ঢুকে পড়ে জঙ্গি ঘাঁটি গুলি ধ্বংস করার জন্য। পাকিস্তানে ঢুকে জাইশ-ই-মহম্মদ এর জঙ্গি সংগঠন গুলি লক্ষ্য করে ১০০০ কেজি বোমা ফেলা হয়। এরফলে একেবারে ধ্বংস হয়ে যায় জাইশ-ই-মহম্মদ এর কন্ট্রোল রুম গুলি। এর ফলে ৩০০ এর বেশি জঙ্গির মৃত্যু ঘটেছে বলে সূত্রে খবর। আর ভারতের এই ভাবে ঘরের ভিতর ঢুকে মেরে আসায় রীতিমতো ভয় পেয়ে গিয়ে পাকিস্তান আমেরিকার কাছে অভিযোগ জানায়। আমেরিকা এর জবাবে পাকিস্তানকে সরাসরি জানিয়ে দেয় এই ব্যাপারে তাদের কিছু করার নেই কারণ ভারত তো তাদের সেনাবাহিনীর উপর হওয়া মর্মান্তিক ঘটনার বদলা নিয়েছে। তাছাড়াও ভারত সরকার পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের কোনো ক্ষতি করে নি। তাই এই ব্যাপারে আমেরিকা পাকিস্তান কে কিছু সাহায্য করতে পারবে না।
#অগ্নিপুত্র

Related Articles