ভুলভাল পোস্ট করায় ট্যুইটার সাসপেন্ড করল মোহম্মদ সেলিমকে! প্রতিবাদে ডাকা হতে পারে ‘ভারত বন্ধ”

0
150

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ সম্প্রতি মহম্মদ সেলিমের ক্রিয়া-কলাপ-এ চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে, জানা গেছে সিপিআইএম নেতা তার টুইটার একাউন্টে বিজেপি বিরোধী মন্তব্য করায় সাময়িক সময়ের জন্য সাসপেন্ড করে দেয়া হয়েছে তার টুইটার হ্যান্ডেল। সেলিম দাবি জানিয়েছেন, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুকে উদ্ধৃত করে তিনি টুইট করেছিলেন। কিন্তু বিজেপির আইটি সেল তার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে তাঁর টুইটার অ্যাকাউন্টটি সাময়িকভাবে বন্ধ করিয়ে দিয়েছে।

মহম্মদ সেলিমের ৫ অক্টোবর পোস্ট করা একটি টুইট কে নিয়ে শুরু হয়েছে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি, সিপিআইএম নেতা সেই টুইটে লিখেছিলেন, ”কমরেড জ্যোতি বসু বিজেপিকে অসভ্য ও বর্বরদের দল বলেছিলেন। সাধারণ মানুষকেই রাজ্যে বিজেপির বর্বরতাকে আটকানোর দায়িত্ব নিতে হবে। আমরা স্বামীজি ও রামকৃষ্ণকে পড়েছি। উনারা নিজের জীবন কালে কোনদিনই বলেননি যে নিজের ধর্মকে ভালোবাসো আর অন্য ধর্মকে ধ্বংস করে দাও।”

সম্প্রতি মহম্মদ সেলিমের দাবি জানিয়ে অভিযোগ করেছেন, এই টুইট করার পর তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে বিজেপির আইটি সেল। বিজেপির এই অভিযোগে কে ভিত্তি করেই টুইটার তার অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়। টুইটারের বিধি ভঙ্গ করার অভিযোগে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয় সেলিমের টুইটার হ্যান্ডেল। যদিও বর্তমানে আবার নিজের অ্যাকাউন্ট ফিরে পেয়েছেন সিপিআইএম নেতা।

সম্প্রতি সংবাদমাধ্যম কে মহম্মদ সেলিম বলেন, উৎসবের মরসুমে নোংরাভাবে হিংসাত্মক মনস্কতা ছড়াচ্ছে বিজেপি। এই বিষ ছড়ানো যাতে বন্ধ হয় সেই কারণেই আমি জ্যোতি বসুকে উদ্ধৃত করে সেই টুইট পোস্ট করি। আমরা স্বামীজি ও রামকৃষ্ণকে পড়েছি। উনারা নিজের জীবন কালে কোনদিনই বলেননি যে নিজের ধর্মকে ভালোবাসো আর অন্য ধর্মকে ধ্বংস করে দাও। বিজেপি বর্বর ও কাপুরুষ। যারাই সম্প্রীতির কথা বলতে আসছেন, তাদের জোর করে আওয়াজ বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। কিন্তু এসব করেও আমাদের থামানো যাবে না। ধর্মীয় বিভাজনের রাজনীতি থেকে মানুষকে দূরে থাকতে হবে।”

সুত্রের খবর অনুযায়ী, ট্যুইটারের এরকম অগণতান্ত্রিক কাজে চরম ক্ষুব্ধ সিপিএম নেতৃত্ব। তাঁদের মুখে এখন প্রশ্ন একটাই, ‘তাঁদের নেতার কথা যদি তাঁরা না শেয়ার করতে পারে। তাহলে করবে কে? এইভাবেই কি দেশে গণতন্ত্র রক্ষা হবে?” এমনকি বিজেপির এই অগণতান্ত্রিক পদক্ষেপে ক্ষোভে ফুঁসছে সিপিএম নেতৃত্ব। প্রয়োজনে বড়সড় আন্দোলনেও নামা হতে পারে।