বিপ্লবের নামে বন্ধুর মেয়ের সাথে যৌন সম্পর্ক সিপিএম নেতার! অবশেষে হতে হল খুন

0
109

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ নিঁখোজ হওয়ার তিন দিন পর বীরভূমের সূচপুর হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত সিপিএম নেতা সুভাষচন্দ্র দে-র দেহ উদ্ধার হল মাটির তলা থেকে। দুবরাজপুরে একটি পুকুর পাড়ের বাঁশবাগানে তাঁর মুণ্ডহীন দেহ বস্তাবন্দি করে পুঁতে রাখা হয়েছিল। তবে এখনও তাঁর দু’পা এবং মাথা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পুলিশের জালে ধরা পড়া খুনি এবং তার সহযোগীর দেখিয়ে দেওয়া জায়গা থেকেই ওই খণ্ডিত দেহ উদ্ধার হয়েছে। আর গোটা ঘটনায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর এক তথ্য! পুলিশের দাবি, বন্ধুর মেয়ের সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েই খুন হতে হয়েছে বীরভূমের সিপিএম নেতা সুভাষচন্দ্র দে-কে।

গত ১৮ অক্টোবর থেকে সুভাষবাবু নিখোঁজ ছিলেন। ১৯ অক্টোবর অর্থাৎ নিখোঁজ হওয়ার পরের দিন তাঁর বাইক পাওয়া যায় নানুরে এক তৃণমূল নেতার মালিকানাধীন বেসরকারি কলেজের সামনে। সুভাষবাবুর পরিবার-সহ অনেকেই যখন নিখোঁজ হওয়ার পিছনে রাজনীতি রয়েছে বলে অভিযোগ তোলা শুরু করছিলেন, সেই সময়েই অর্থাৎ সোমবার সকালে উদ্ধার হল সুভাষবাবুর দেহাংশ।

বীরভূম পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারে, সুভাষবাবুর সঙ্গে তাঁর এক বন্ধুর মেয়ের সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। নিখোঁজ হওয়ার দিন অর্থাৎ শুক্রবারও তিনি ওই তরুণীর বাড়িতে গিয়েছিলেন। তিনি যখন ওই তরুণীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ভাবে ছিলেন, তখন হঠাৎই তাঁর স্বামী মতিউর রহমান বাড়ি ফিরে আসেন। নিজের স্ত্রীকে সুভাষবাবুর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখে রাগের মাথায় তিনি সঙ্গে সঙ্গে শাবলের আঘাত করেন তাঁর ঘাড়ে।

এর পর মৃত্যু নিশ্চিত করতে উপুর্যপরি আরও কয়েক বার আঘাত করেন। স্ত্রী-র সাহায্যে দেহটি তিন টুকরো করেন। এর পর মাথা আর দু’পা ভাসিয়ে দেওয়া হয় অজয়ের জলে। দেহের বাকি অংশ একটা চটের ব্যাগে ভরে তাঁদের বাড়ির কাছে একটি পুকুরপাড়ে বাঁশবাগানে পুঁতে দেন স্বামী-স্ত্রীতে। নানুর থানার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, গোটা ঘটনার কথা মতিউর এবং তাঁর স্ত্রী পুলিশের জেরার মুখে স্বীকার করে নিয়েছেন। তাঁদের দেখিয়ে দেওয়া জায়গা থেকেই উদ্ধার হয়েছে সুভাষবাবুর দেহের অংশ।