মোদীর মাষ্টারস্টোক! পাকিস্তানের সঙ্গ ত্যাগ করে ভারতের পাশে দাঁড়ালো চীন। বন্ধুর ধোঁকায় মাথায় হাত ইমরানের।

পকিস্থানের পাশ থেকে সরে দাঁড়াল চিন, একেই হয়তো বলে বুদ্ধিতে বাজিমাত্। পুলওয়ামায় জঙ্গী হানার বদলা নিতে গিয়ে পাকিস্থানের ওপর হাজার কেজি বিস্ফোরক পদার্থ ফেলে সাফল্যের নজির গড়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা। এয়ার স্ট্রাইক করে রাডার ব্লকের মাধ্যমে জইশ ই মহম্মদের আস্তানা গুড়িয়ে হেড কোয়ার্টার সহ কন্ট্রোল রুম ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সহ একাধিক জিনিস ধ্বংস হয়েছে। আর এতেই পাকিস্থানকে সাহায্য করা চিনের জেএফ-১৭ গুঁড়িয়ে দেয় ভারতীয় বিমান মিরাজ ২০০০। আর এর মাঝেই বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের চিন সফর পাকিস্থানের কাছে আগুনে ঘি ঢালার মতো পরিস্থিতি তৈরি করল। চিন সফরে গিয়ে সুষমা স্বরাজ পুলওয়ামা জঙ্গী হামলার প্রসঙ্গ টেনে আনেন পাশাপাশি পুলওযামার পাল্টা জবাব বালাকোট হামলার কথাও বলেন তিনি।  আর তাতেই কার্যত ফেঁসে গেল পাকিস্থান। কারণ, যে চিন পাকিস্থানের পাশে দাঁড়িয়েছিল এবার সেই চিনই পাকিস্থানের সঙ্গ ত্যাগ করল।

চিন সফরে রাশিয়া-ভারত ও চিনের যৌথ বৈঠকে পাকিস্থানের ভারত হামলার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বিদেশমন্ত্রী। আর এতেই বৈঠকের মাঝেই চিন সুর বদলে ফেলে। সন্ত্রাস দমনে ভারতের পাশে থাকার আশ্বাসও দেয় চিন। পাশাপাশি, পাকিস্থানকে সামরিক দিক থেকে আর সাহায্য না করার কথাও সোজাসাপটা ঘেষনা করে দেয়। অন্যদিকে চলতি বছরে ভারতের বেল্ট ও রেড ফোরামে ভারতের সহযোগিতারও আশ্বাস দিয়েছে চিন। তবে চিনের এই হঠকারী সুর বদলের পিছনেও যে স্বার্থ আছে তা বলাই বাহুল্য।
কাশ্মীর নিয়ে চিনের সঙ্গে ভারতের দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। আর সেই দূরত্বকে কাজে লাগিয়ে ভারতের সন্ত্রাসবাদ দমনে অন্যান্য শক্তিশালী দেশগুলি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেও চিন কিন্তু ভারতের পাশে দাঁড়াতে সায় দেয়নি। কিন্তু ভারতের সামনরিক শক্তি যে কোনো অংশেই কম নয় তাঁর প্রমান মিলেছে গত মঙ্গলবার বালাকোট হামলায়। পাকিস্থানের সঙ্গে হাত মিলিয়ে প্রথমে ভারতের সঙ্গে শত্রুতা বাড়ালেও নিজের ভুল বুঝতে পেরেছে চিন। তাই এবার ভোল বদল করে ভারতের পাশে থাকার আশ্বাস দিল চিন। পাশাপাশি পাকিস্থানকে আর্থিক দিক থেকে বেশি পরিমান সাহায্যের হাত গুটিয়ে নিল জিংপিং-এর দেশ।

তাহলে, ইমরান খানের জবাবি হুমকির কি হবে, একমাত্র দেশ চিন পাশ থেকে সড়ে দাঁড়াল। আদৌ ভারতের জঙ্গী নিকেশ হামলার বদলা নিতে কতটা কার্যরী হবে ইমরানের সরকার তা নিয়ে এখন জোর জল্পনা বিশ্ব রাজনৈতিক মহলে। তবে চিনের এই সিদ্ধান্ত কিছুটা হলেও ভারতের উপকার হবে।

Related Articles