fbpx
আন্তর্জাতিকদেশনতুন খবর

ভারতের ক্ষতি করতে এসেছিল চীন, কিন্তু মোদীর কূটনৈতিক বুদ্ধির তৎপরতায় নিজেদের সর্বনাশ করে ফেলল চীন ও পাকিস্তান।

পুরানো শত্রুতা কি সহজে আর ভোলা যায়। যতই বিদেশ মন্ত্রীর চাপের মুখে ভারতকে সমস্ত রকম ভাবে সাহায্য করার প্রস্তাব দিক না কেন চিন যে আদতে ভারতের ক্ষতি চায় তা সকলেরই জানা। বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের সময় যে চিন ভারতের সঙ্গে লড়াই করার জন্য পাকিস্থানকে যুদ্ধবিমান দিয়েছিল সেই চিন কিভাবে বিদেশমন্ত্রীর কথায় গলে গেলেন তা নিয়ে যদিও সকলের মধ্যে একটা সন্দেহ ছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও চিনের সাহায্যের প্রস্তাব কেউ অগ্রাহ্য করেনি। এবার ফের ভারতের ক্ষতি করার চেষ্টা করল চিন ও পাকিস্থান। যদিও সেই চেষ্টা কার্যত ধোপে টেকেনি। ভারতের সামরিক শক্তি ও অন্যান্য দিক থেকে উন্নয়নকে রুখতে চাইছে চিন ও পাকিস্থান। এমনকি ভারতকে দুর্বল করতেও মরিয়া চিন ও পাকিস্থান। যদিও ভারতের তাতে কিছু আসে যায় না। চিনের প্রতিশ্রুতিতে ভারত কখনই মন ভোলেনি।

এমনিতেই ভারত তাঁর সমস্ত শত্রু দেশগুলিকে প্রতিরোধ করার জন্য আগে থেকেই ব্যবস্থা করে রেখেছে। কিন্তু ভারতকে বিপদে ফেলার জন্য চিন ও পাকিস্থান সর্বদাই এক হয়ে কূটনৈতিক চাল প্রয়োগ করছে। পাকিস্থানে চিন সিপিপির গোয়াদার বন্দরের বিকাশের মাধ্যমে ভারতকে চাপে ফেলতে চাইছিল চিন। আসলে চিনের লক্ষ্য ছিল গোয়াদার বন্দরে ব্যবসা বাড়ানো। কিন্তু ভারত-ইরান- আফগানিস্থান চিনের এই পরিকল্পনায় জল ঢেলে দিয়েছে। কারণ, এই তিন দেশের মধ্যে চুক্তির ফলে ইরানের চা-বাহার বন্দরে ভারতের ব্যবসা রমরমিয়ে চলছে। আর চিনের গোয়াদার বন্দরে ব্যবসা মুখ থুবড়ে পড়েছে। এর ফলে গোয়াদার বন্দরের জন্য চিনের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে ব্যাপক। আর পাকিস্থান চিনের সঙ্গে মিলে চিনের হয়ে কথা বলতে শুরু করেছে।

পাকিস্থান চিনের গোয়াদার বন্দরের ব্যবসার অবনতির মূল কারণ হিসেবে ইরানের চা-বাহার বন্দরকেই দায়ী করছে। তবে যাই হোক না কেন। এতে সত্যিই যে চিনের কাছে ভারতের পক্ষ থেকে মোক্ষম দাওয়াই তা বোঝাই যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক সমীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে ইরানের চা-বন্দর চালু হওয়ার পর পাকিস্থানের গোয়াদার বন্দর থেকে ব্যবসার লাভ প্রায় পাঁচ আরব ডলার কমে গিয়েছিল। কিন্তু সেই পরিমান এখন আরও কমে গিয়েছে। এরফলে আন্তার্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতকে চাপে ফেলতে গিয়ে চিন ও পাকিস্থান ব্যবসায় মুখ থুবড়ে পড়েছে। পাকিস্থান সর্বদাই ভারতের ক্ষতি চাইত। প্রথম থেকেই পাকিস্থানের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক সেভাবে মজবুত নয়। যদিও ভারত থেকে পাঠানো একাধিক জিনিস পত্রের ওপর নির্ভর করতে হত পাকিস্থানকে। কিন্তু সেগুলো আপাতত বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

তাই বেশ বিপদের মুখ পাকিস্থান। তবে চিন যতই বলুক চিনের ওপরে যে ভারত ভরসা হারিয়েছে তা বোঝাই যাচ্ছে। আর এবার চীন ও পাকিস্তান নিজেদের বিপদ ঠিক বুঝতে পেরেছে। বিশেজ্ঞরা মনে করছেন যে, আজ চীন এবং পাকিস্তানের এই অবস্থার জন্য দায়ী একমাত্র মোদীর কূটনৈতিক বুদ্ধি।

Open

Close