পাকিস্তানকে বড় ধাক্কা দিল চীন। যুদ্ধের ইঙ্গিত পেয়ে পাকিস্তানে আর কোনো বিমান চালাবে না চীন। চরম ক্ষতির মুখে পাকিস্তান।

ভারতের সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে এবার পাক আকাশে বিমান পরিষেবা বন্ধ করে দিল বন্ধু দেশ চিন৷ যদিও মাত্র দুদিন আগেই পাকিস্থানের সঙ্গ ত্যাগ করেছিল চিন কিন্তু এবার বিমান পরিষেবা  বন্ধ করে দিল৷ এতে শুধু চাপের মুখে নয় বিপদেও পড়তে হল পাকিস্থানকে৷ পাকাপাকি ভাবে না হলেও বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর দেশ পাক আকাশে আপাতত বিমান ওড়াবে না বলেই জানিয়ে দিয়েছে৷ গত ফেব্রুয়ারী মাসে পুলওয়ামায় জঙ্গী হামলার ফলে চল্লিশ জন জওয়ানের মৃত্যুর পরই বদলা নিতে সোচ্চা হয় ভারত৷ ফলত, কোটি কোটি টাকা খরচ করে ভারতীয় মিরাজ বিমান পাকিস্থানে ঢুকে এয়ারস্ট্রাইকের মাধ্যমে জইশ জঙ্গী সংগঠন গুঁড়িয়ে দেয়৷ আর এরপর থেকেই ক্রমশ অশান্ত হতে শুরু করে ভারত পাক সম্পর্ক৷

গত সপ্তাহে বুধবার থেকে শুরু হয় লাগাতার বোমাবাজি৷ আর এসব কারণেই ক্রমশ পাকিস্থানের পাশে দাঁড়ানোর বদলে সড়ে আসতে শুরু করে চিন৷ চিনের সর্বাধিক প্রচারিত সংবাদমাধ্যম সূত্রে এমনটাই খবর মিলেছে৷ অন্যদিকে চিনের বিমান পরিষেবা বন্ধের ফলে একদিকে যেমন যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষতি হচ্ছে তেমনি পাক বিমান সংস্থারও ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে৷ তবে চিনের বিমান পরিষেবা বন্ধের ফলে চিনের সঙ্গেও পাকিস্থানের সম্পর্কের অবনতি ঘটছে তা বোঝাই যাচ্ছে৷ এমনিতেই চিন আর্থিক ভাবে লিমিটেড অর্থ সাহায্য করবে বলেই ঘোষনা করেছে৷ তাই একদিকে আর্থিক ক্ষতি অন্যদিকে যোগাযোগ ব্যবস্থার অনুন্নতির ফলে পাকিস্তানের অবস্থা ক্রমশই শোচনীয়তর হয়ে উঠেছে৷ পাশাপাশি ভারত-পাকিস্থানের এই সাময়িক যুদ্ধের বাতাবরনের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি বিমান সংস্থা আপাতত বিমান চালানো বন্ধ করে রেখেছে৷

অন্যদিকে চিনেরও কম ক্ষতি হলনা৷ কারণ, বরাবরই চীনের সঙ্গে পাকিস্থানের সম্পর্কটা মধুর, ভারত পাকিস্থান হানার সময় চিন দুটি জেট ফাইটার দিয়েও পাকিস্থানকে সাহায্য করে৷ যদিও তা ব্যর্থ তাহলেও বিমান পরিষেবা ছিন্ন নিয়ে বেজিংয়ের কূটনীতিতেও ব্যাপক আলোড়ন শুরু হয়েছে৷
তিনদিক থেকে এতটাই চাপের মুখে পাকিস্থান যে যুদ্ধ শুরু হলেও লড়াই করার শক্তি ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে৷ একে একে বন্ধু দেশ পাকিস্থানের সঙ্গ ত্যাগ করছে, শুধু তাই নয় পাল্টা হামলার কথাও ভাবছে৷ বিশেষত বালোচরা, এতদিন যাদের দমিয়ে রাখত পাকিস্থান, আজ ভারত হামলার পর তারাও এগিয়ে আসছে৷ ফলে যে যুদ্ধের বাতাবরন তৈরি হচ্ছে তাতে পাকিস্থানের ভবিষ্যত নিয়ে বেশ ভাবাচ্ছে সেদেশের প্রশাসনকে৷

আর এরফলে ভারতের কূটনৈতিক চাপে ক্রমশ মাথায় হাত পড়ে যাচ্ছে পাকিস্তানের। এর জন্যই মোদির কূটনৈতিক চাপে একেবারে নাভিশ্বাস হয়ে উঠছে পাকিস্তান।

Related Articles