প্রধানমন্ত্রীর বড় ঘোষণা! আজ ২৫ লক্ষ চৌকিদারের সাথে সরাসরি কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

লোকসভা ভোটের ঢাকে কাঠি পড়েছে। দেশজুড়ে লোকসভা নির্বাচনকে ঘিরে চলছে তুমুল উত্তেজনা। কেন্দ্রে কংগ্রেস বনাম বিজেপি আর রাজ্যে তৃণমূল বনাম বিজেপি- যেন এক মহা যুদ্ধ চলছে। সরাসরি বিরোধীদের তোপ দাগাও হচ্ছে। আবার রাজ্যে তো দল ভাঙার কাজও শুরু হয়েছে। এই মুহূর্তে রাজ্য বনাম কেন্দ্র যেন উত্তাল হয়ে উঠেছে ভোটযুদ্ধকে কেন্দ্র করে। কেন্দ্রে বিজেপি সরকারকে কুপোকাত করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে কংগ্রেস সহ অন্যান্য মোদী বিরোধী দল গুলি। আগের লোকসভা ভোটে যেভাবে কেন্দ্রে বিজেপি হটাৎ করে ঢুকে পড়েছে তাতে তো চিন্তা হওয়ারই কথা কংগ্রেসের। তাই তো আগেভাগেই প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে দলে নামানোর পরিকল্পনা করে নিয়েছিল কংগ্রেস। অমেঠির মঞ্চ থেকে রাহুল গান্ধী সরাসরি চোর বলেও সম্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। চৌকিদার চোর হ্যায়- এই ভাষাতেই কটাক্ষ করেছিলেন রাহুল গান্ধী।

আর ছাড়বার পাত্র নয় বিজেপিও তাই রাহুলের সম্বোধনকে খানিকটা সম্মান জানিয়েই এবারের নির্বাচনে বিজেপির তরফ থেকে ম্যায় ভি চৌকিদার প্রচারের জোর বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাত দিয়েই সেই প্রচারের উদ্বোধন হয়। বুধবার, দেশের পঁচিশ লক্ষ চৌকিদারের সঙ্গে কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গোটা দেশ থেকে বাছাই করে পঁচিশ লক্ষ চৌকিদারকে বেছে নেবেন তিনি। তাই সকলের সঙ্গেই ভিডিও কনফারেন্সে কথা সারবেন। প্রসঙ্গত, লোকসভা ভোটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়াতে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে রাজ্যে দশ কোম্পানির কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনীকে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সেই মতো প্রচারে যাতে কোনো খামতি না থাকে তাই জোরকদমে বিজেপির গোপন প্রচার কাজের প্রস্তুতি চলছে। শনিবারই প্রধানমন্ত্রী এই নতুন প্রচারের যাত্রা শুরু করেন। এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তা প্রকাশও করেন।

আর দেশের বিভিন্ন শ্রেনীর মানুষ এই প্রচারের অঙ্গ হিসেবে যোগদান করেন। আসলে এখানে চৌকিদার মানে নিরাপত্তারক্ষী নন। বিজেপির সর্বস্তরের নেতা। যাঁরা তাঁদের নামের আগে চৌকিদার শব্দটি জুড়ে দিয়েছেন। এখনও অবধি কুড়ি লক্ষ ট্যুইট হয়েছে বলে শোনা গিয়েছে। এর পরবর্তী প্রচার হবে 31 শে মার্চ। সেখানেও উপস্থি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে দেশের পাঁচশোটি জায়গায় নিরাপত্তারক্ষী বা চৌকিদাররা থাকবেন। সর্বদাই তাঁদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে যোগাযোগ রাখবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে প্রধানমন্ত্রীর এই নয়া উদ্যোগে কিছুটা হলেও কোনঠাসা হয়েছে বিরোধীরা। কারণ, এধরনের প্রচার এর আগে কখনই হয় নি। দেশের সমস্ত নেতা বা নেত্রীর হয়ে কাজ করেন সাধারণ মানুষ। তাঁদের প্রচারের আলোতে থাকেন নেতা নেত্রীরা। তাই এবার সেই সমস্ত মানুষের পরিশ্রমকে সম্মান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শুরু করেছেন তাঁর নবতম প্রচারের কাজ।

অন্যদিকে এখনও অবধি প্রার্থীদের নাম ঘোষনা করেনি বিজেপি। প্রার্থীর নামে চমক রয়েছে এই ছুঁতোয় কেন্দ্র থেকে রাজ্য সর্বত্রই চলছে বিজেপি প্রার্থী নিয়ে গুঞ্জন। তবে প্রার্থী প্রকাশ সময়ের অপেক্ষা। সময়ই বলে দেবে বিজেপি কি বড় চমক দিতে চলেছে।

Related Articles