নিষিদ্ধপল্লীর দখল নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে উত্তপ্ত নৈহাটি

0
217
FIle pic

নিষিদ্ধপল্লীর দখলকে ঘিরে শাসকদলের গোষ্ঠী কাজিয়া প্রকাশ্যে এল নৈহাটিতে। সোমবার বেলার দিকে শাসকদলের দুই গোষ্ঠীর গন্ডগোলে তপ্ত হয়ে ওঠে নৈহাটি পু্রসভার ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের সঞ্জীব চ্যাটার্জি স্ট্রিটের ঠাকুরপাড়া সোনাপট্টি এলাকা। গন্ডগোলে ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েন পতিতাপল্লীর বাসিন্দা থেকে শুরু করে সোনাপট্টির দোকানদারেরা। অভিযোগ উঠেছে, এদিন বেলার দিকে নেপাল রায় গোষ্ঠী পাল্টা শিবিরের ‘এলাকা’ নামের যুবককে মারধোর করে।

এই মারধরের ঘটনা ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায় সোনাপট্টিতে। অবশেষে ঘটনাস্থলে পুলিস এসে পরিস্তিতির সামাল দেয়। সূত্রে খবর, স্থানীয় ওয়ার্ড সভাপতি শম্ভুনাথ সাঁতরা শিবিরের আস্হাভাজন নেপাল। ওয়ার্ড সভাপতি নৈহাটির পুরপ্রধান অশোক চট্টোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। অপরদিকে আক্রান্ত এলাকা পুরসভার সি আই সি সনৎ দে অনুগামী। নির্ভরযোগ্য সূত্রে খবর, একসময় নিষিদ্ধপল্লীর দাদা ছিলেন এলাকা।কিন্তু লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের পরাজয়ে ছন্দপতন ঘটে। নিষিদ্ধপল্লী ছেড়ে ‘এলাকা’ অন্যত্র আস্তানা গেড়েছিল।

এই সুযোগে নিষিদ্ধপল্লীর নয়া দাদা হিসেবে আবির্ভাব ঘটে নেপালের। পরিস্তিতি বদলাতেই ‘সোনার ডিম’অর্থাৎ ‘তোলা’ ফিরে পাবার চেষ্টা চালাতে থাকে এলাকা। অপরদিকে একইঞ্চি জমি ছাড়তে নারাজ নেপালও। ফলত, এলাকা দখলকে ঘিরে দুই গোষ্ঠীর কাজিয়া ক্রমশ চরমে ওঠে। এই ঘটনা প্রসঙ্গে স্থানীয় ওয়ার্ড সভাপতি শম্ভুনাথ সাঁতরা বলেন, এলাকা নিত্যদিন রাতে মদ্যপান করে একে-ওকে মারধোর করে।

তবে নেপাল বিবাহ করার পর অনেকটাই দমে গিয়েছে। এদিন নিজেদের মধ্যে গন্ডগোল হয়েছিল। বড়কিছু ঘটনা নয়। নেপাল চড়-থাপ্পড় মেরেছিল এলাকা-কে। স্থানীয় তৃণমূল সভাপতির দাবি, দলীয় কোন্দলের ঘটনা নয়। বন্ধুদের মধ্যে সামান্য ঝামেলা হয়েছিল মাত্র। পরক্ষনে তা মিটেও গিয়েছে।