সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে আবারও বিজেপি রাজ্য সভাপতির পদে বসছেন দিলীপ ঘোষ। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতাতে জিতে সভাপতির আসনে বসছেন তিনি। বিজেপির অন্দরে দিলীপ ঘোষকে নিয়ে আলোচনা বা চর্চা হলেও পশ্চিমবঙ্গে পার্টির প্রয়োজনে তিনি দ্বিতীয়বার সভাপতি হতে চলেছেন।

মোদীর কলকাতা সফরকালে অমিত শাহের দূত কলকাতার বিজেপির অফিস থেকে সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করে দিল্লিতে জমা দিয়েছেন। সেই তথ্য অনুসারেই বিজেপি রাজ্য সভাপতি হচ্ছেন দিলীপ ঘোষ। একথা সকলেই স্বীকার করেন যে বঙ্গে বিজেপি জোয়ার আনতে দিলীপ ঘোষের সমতুল্য অন্য কেউ নেই। ঠিক সেই কারণেই কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্ত।

 

উল্লেখ্য, গোটা কলকাতা যখন মোদীর সফরকে নিয়ে চরম ব্যস্ত। ঠিক তখনই লোকচক্ষুর আড়ালে ৬ নম্বর মুরলীধর সেন লেনে রবিবার সকালে রাজ্য বিজেপির কার্যলয়ে হাজির হন অমিত শাহের দূত। উদ্দেশ্য ছিল বঙ্গে নতুন বিজেপি সভাপতি নির্বাচন। কলকাতাতে এত কিছুর মধ্যে কোর কমিটির ১৫ জনের সঙ্গে আলাদা আলাদাভাবে বৈঠক সেরেছিলেন ভূপেন্দ্র যাদব। অন্যান্য বিজেপি কর্মীরা নতুন নাকি পুরানো, কাকে সভাপতির পদে দেখতে চান সে বিষয়ে সকলের থেকেই মতামত নিয়েছিলেন তিনি। এরপর রবিবার রাতেই অমিত শাহের কাছে রিপোর্ট পেশ করেন।

সামনে ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনে জয়লাভ করে বিজেপি বঙ্গে আসার রণতরী সাজাচ্ছে। নির্বাচনী যুদ্ধে রাজ্যের শাসকদলের প্রতিপক্ষ ময়দানে নামতে বিজেপির নতুন সভাপতি হিসাবে আরও একবার অমিত শাহ নির্বাচন করলেন দিলীপ ঘোষকে। যদিও তাঁর প্রতিপক্ষ হিসাবে কেউ ছিলেন না। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতাতে জিতেছেন তিনি।