Connect with us

দেশ

বড় খবর! আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির হয়ে এই লোকসভা কেন্দ্র থেকে লড়াই করতে চলেছেন ক্রিকেটার গৌতম গম্ভীর।

Published

on

লোকসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে তত ক্রমশই বিজেপির পাল্লা ভারী হচ্ছে। প্রথমত, একের পর এক তৃণমূলের ক্ষমতাবান নেতৃত্বদের বিজেপি শিবিরে যোগ দেওয়া। অন্যদিকে সেলিব্রিটিদের বিজেপিতে নাম লেখানো। লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির ভোট বাক্স যে দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে তা বোঝাই যাচ্ছে। আর এতেই কার্যত চাপে রয়েছে সমস্ত বিজেপি বিরোধী দলগুলি। এই নিয়ে লোকসভা ভোটের আগে কম তরজা হচ্ছে না। আসন্ন নির্বাচনে নিজের আসন পেতে প্রাণপণ চেষ্টা করছে সমস্ত দলই। ইতিমধ্যে কংগ্রেস ও সমাজবাদ পার্টির পক্ষ থেকে মোট ছাব্বিশ জন প্রার্থীর নাম প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু বিজেপির পক্ষ থেকে কে কোথায় প্রার্থী হচ্ছেন সেই বিষয়ে এখন মুখ খোলেনি। তবে একের পর এক যেভাবে তারকারা বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন তাতে এবারে কিছু চমক রয়েছে তা বোঝাই যাচ্ছে।

কয়েকদিন আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন বর্তমান সময়ে ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অলরাউন্ডার ক্রিকেটার রবীন্দ্র জাদেজার স্ত্রী। তাঁকে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী করা হবে কি না সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া না হলেও ভারতের আর এক সফল ক্রিকেট ওপেনার গৌতম গম্ভীর যে আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হতে চলেছে এবার প্রকাশ্যে এল সেই খবর। দেশের হয়ে বিশেষ করে শহীদ সেনা জাওয়ানদের পরিবারের জন্য গৌতম গম্ভীর যেভাবে কাজ করে চলেছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়। শোনা যাচ্ছে দিল্লীর একটি আসন থেকে লড়বেন গৌতম গম্ভীর। গতবার ওই আসনেরই লড়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি মহিলা প্রার্থী মীনাক্ষী লেখি। এবার সেই আসনে লড়বেন বাইশ গজের তারকা ওপেনার গৌতম। দেশের হয়ে কাজ করতে সদা প্রস্তুত গৌতম নিজের সেরাটা সব সময় দিয়ে থাকেন। এবার বিজেপির পক্ষ থেকে দাঁড়িয়ে নিজের সেরাটা দেবেন বলেই আশা করছে বিজেপি মহল।

প্রসঙ্গত, তিনি নিহত সেনা জেওয়ানদের বাচ্ছাদের পড়াশুনার দায়িত্ব থেকে শুরু করে দেশের একাধিক জনসেবামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তবে তাঁর ভোটে লড়াই করাটা এতদিন তেমন ভাবে নিশ্চিত ছিল না কিন্তু এবার একেবারেই নিশ্চিত। প্রসঙ্গত, একের পর এক বিজেপি দলের সদস্য সংখ্যা বাড়ছে ভোটের আগেই। পাশাপাশি, অন্য দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সংখ্যা ধীরে ধীরে বেড়ে চলেছে। তাই ক্রমশই আসন জেতার প্রতিদ্বন্দিতাও বেড়ে যাচ্ছে। তার ওপরে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে ভারতের জয় বিজেপির জয়লাভের আশা আরও বাড়িয়েছে। আবার অন্যদিকে লোকাল সমীক্ষার মতে দেশের অধিকাংশ জনগনই দেশের সরকারের কর্মকাণ্ডে খুশি। তাই সেই প্রভাব নির্বাচনেও পড়তে পারে বলে মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের। যদিও এনিয়ে বেশ চিন্তিত বিরোধী দলগুলি। মোদী মোটেও প্রসংশার যোগ্য নন বলেও মন্তব্য করছেন অনেকেই। তবে কে লড়াইয়ে এগিয়ে তা বলবে নির্বাচনী ফল।

অপরদিকে অনেক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ সহ ভারতবর্ষের সাধারন জনগন মনে করেন যে, বিজেপির জয়ের সবথেকে সফল নায়ক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উনি ওনার কাজ এবং দেশ প্রেম দিয়ে দেশের প্রতিটি মানুষের মন জয় করে নিয়েছেন আর সেই জন্যই আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পথ অত্যন্ত প্রশস্ত হয়ে গিয়েছে।

Continue Reading

দেশ

জম্মু কাশ্মীরে সেনার হাতে খতম পাকিস্তানি জঙ্গি

Published

on

By

উত্তরি কাশ্মীরের বারামুলা জেলায় শনিবার সেনার এনকাউন্টারে খতম হয় এক জঙ্গি। বারামুলা জেলার বোনিয়ার এলাকায় শনিবার সেনা আর জঙ্গিদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষ চলাকালীন সেনার গুলিতে খতম হয় এক জঙ্গি। মৃত জঙ্গির থেকে হাতিয়ার আর প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোটক উদ্ধার হয়েছে। জঙ্গির পরিচয় জইশ এর কম্যান্ডার লুকমান এর নামে হয়েছে। মিডিয়া রিপোর্টস অনুযায়ী, জইশ এর কম্যান্ডার দক্ষিণ কাশ্মীর থেকে উত্তর কাশ্মীর যাচ্ছিল। সেখানে গিয়ে সে পাকিস্তান এবং অনান্য জঙ্গিদের নিয়ে জঙ্গি কার্যকলাপ চালাত। সেনা গোপন সুত্রে খবর পায় যে জইশ এর কম্যান্ডার দক্ষিণ কাশ্মীরের বারামুলা জেলায় লুকিয়ে আছে। গোপন খবর পাওয়ার পরেই সেখানে অভিযান চালায় সেনা।

কিছুদিন আগের রিপোর্টে উঠে এসেছিল যে, পুলওয়ামা হামলার পর ভারতীয় সেনা আরও দ্রুত গতিতে অপারেশন অলআউট চালিয়ে উপত্যকা থেকে ১২৫ জঙ্গিকে খতম করেছে এ বছরেই। মে মাসের সেশে দিকের রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, ফেব্রুয়ারি মাসের পর সেনার অপারেশন অলআউটে ১০১ জন জঙ্গিকে খতম করা হয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, সেনা কাশ্মীরে প্রায় ১২৫ জন জঙ্গিকে খতম করেছে। শুধু জুন মাসেই প্রায় ২৪ জঙ্গিকে খতম করা হয়েছে। ওই জঙ্গিরা লস্কর, হিজবুল আর জইশ এর জঙ্গি সংগঠন গুলোর সাথে যুক্ত ছিল। বিগত কয়েকটি এনকাউন্টারে সেনা প্রচুর পরিমাণে হাতিয়ারও উদ্ধার করেছে।

 

Continue Reading

দেশ

উন্নয়ন হয়নি বলে, পঞ্চায়েত সেক্রেটারিকে ল্যাম্পোস্টে বেঁধে পেটাল জনতা

Published

on

By

উন্নয়ন করা হয়নি কেন? পঞ্চায়েতের সেক্রেটারিকে ল্যাম্পোস্টে বেঁধে পেটাল সাধারণ জনতা। মধ্যপ্রদেশের রতলাম জেলার ভীমা খেদি গ্রামে দীর্ঘ দিন ধরে নূন্যতম উন্নয়ন করা হয়নি বলে অভিযোগ পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় কোনও উন্নয়ন হয়নি। নূন্যতম পরিষেবাটুকুও তাঁরা পান না কিছুতে। নিত্যদিন প্রবল প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এমনকী চলার মতো রাস্তাঘাটও নেই। অথচ রাস্তা নির্মাণের সামগ্রী মজুত করা হলেও রাস্তা নির্মানের কাজ সম্পন্ন হয়নি।

শুক্রবার এই অবস্থায় শুক্রবার ভীমা খেদি গ্রামে পরিদর্শনে গিয়েছিলেন পঞ্চায়েত সেক্রেটারি। সেখানেই তাঁকে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। শুধু বিক্ষোভ দেখিয়েই শান্ত থাকেনি ওই গ্রামের ক্ষুব্ধ জনতা। ল্যাম্পোস্টে বেঁধে বেধড়ক মারধোর করা হয় পঞ্চায়েত সেক্রেটারিকে। পরে পুলিশ এসে তাঁকে উদ্ধার করে।

আক্রান্ত পঞ্চায়েত সেক্রেটারি বলেছেন, “ওই গ্রামের যাবতীয় নির্মাণ কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য ইঞ্জিনিয়ার নিয়ে কাজের মূল্যায়ন করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু কিছু মানুষ আমার উপরে হামলা করল। আমাকে ল্যাম্পোস্টে বেঁধে পেটানো হল।”

Continue Reading

দেশ

রাস্তায় অসুস্থ মহিলাকে দেখে যা করলেন স্মৃতি ইরানি, জানলে আপনি গর্ব করবেন

Published

on

By

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি শনিবার নিজের সংসদীয় এলাকা আমেঠির সফরে যান। সেখানে গিয়ে তিনি এক অসুস্থ মহিলার সাহায্য করে মানুষের মন জয় করে নেন। ওনার কনভয় যখন বরৈলিয়া গ্রাম থেকে বেড়িয়ে যাচ্ছিল, তখন রাস্তা দিয়ে একটি মহিলাকে স্ট্রেচারে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এটা দেখেই তিনি ফট করে নিজের গাড়ি থেকে নেমে পড়েন, এবং নিজের সুরক্ষা ব্যাবস্থায় থাকা সরকারি অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে ওই অসুস্থ মহিলাকে হাসপাতালে পাঠান।

পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই মহিলা প্যারেলাইসিসে আক্রান্ত, আর এর জন্য উনি নিজের পায়ে আর চলা ফেরা করতে পারেন না। আজ ওনার পরিবারের লোকেরা ওনাকে ওনার ট্রাই সাইকেল স্ট্রেচারে করে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানিও ভাগ্যক্রমে ওই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন, উনি ওই মহিলার এই অবস্থা দেখে গাড়ি থামিয়ে ওনার শারীরিক অবস্থার খবরা খবর নেন, এবং ওনাকে নিজের সুরক্ষায় থাকা অ্যাম্বুলেন্স করে হাসপাতালে পৌঁছে দেন।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত এর সাথে শনিবার ২২ জুন আমেঠির দুই দিবসিয় সফরে যান। স্মৃতি ইরানি আমেঠির বরৌলিয়া গ্রামে যান, কারণ গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মনোহর পরিকর সাংসদ থাকাকালীন এই গ্রামকে দত্তক নিয়েছিলেন। উনি এই গ্রামে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। গোয়ার বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যদি উত্তর প্রদেশ সরকার চায়, তাহলে আমরা শ্রী মনোহর পরিকরের এর স্মরণে এই গ্রামে শিক্ষা, স্বাস্থ, রাস্তা, বিদ্যুৎ, জল এবং অনান্য সমস্ত রকম অসুবিধা গুলো দূর করব।”

 

Continue Reading

Trending