তারা মায়ের ভক্তদের জন্য তারাপীঠ নিয়ে দারুন সুখবর

অগস্ট মাসের শেষের দিকে খুলে গিয়েছে তারাপীঠ মন্দির। পূর্ণ্যার্থীদের এবার গর্ভগৃহে ঢোকার অনুমতিও মিলল। মঙ্গলবার গর্ভগৃহে প্রবেশ করে পুজোও দিলেন অনেকে।

তারাপীঠ মন্দির কমিটির সেবাইত পুলক চট্টোপাধ্যায় বলেন, “ট্রেন এখনও চালু হয়নি। বাড়তি টাকা খরচ করে তারাপীঠ পুজো দিতে আসছেন ভক্তেরা। কিন্তু গর্ভগৃহে ঢুকে মা স্পর্শ করতে না পারায় ভারাক্রান্ত মনে ফিরতে যাচ্ছেন অনেকেই। তাই সামাজিক দূরত্ব মেনে গর্ভগৃহে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।”

লকডাউনের জেরে ৯৩ দিন বন্ধ ছিল মন্দির। আনলক পর্বে যখন প্রথমবার তারাপীঠের দরজা খোলে, তখন কিন্তু পূর্ণ্যার্থীদের গর্ভগৃহে ঢোকার অনুমতি ছিল না। বিগ্রহ দর্শন করতে হচ্ছিল বাইরে থেকে। এরপর কৌশিকী অমাবস্যায় ভিড় এড়াতে ১২ অগাস্ট থেকে ২০ অগাস্ট, এই আটদিন তারাপীঠ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যদিও সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা যায়নি পুরোপুরি। কৌশিকী অমাবস্যার দিন সকালে যথারীতি মন্দিরের নিচে দাঁড়িয়ে পুজো দেন বহু মানুষ। এমনকী, সন্ধ্যায় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে গর্ভগৃহে ঢুকে পড়েন খোদ বীরভূমের পুলিশ সুপার শ্যাম সিং। শেষপর্যন্ত ২৩ অগাস্ট থেকে আগের নিয়ম বলবৎ রেখে ফের তারাপীঠ খুলে দেওয়া সিদ্ধান্ত নেয় মন্দির কমিটি। অবশেষে গর্ভগৃহে ঢোকারও ছাড়পত্র মিলল।

তবে আগে থেকেই একগুচ্ছ স্বাস্থ্যবিধি মেনেই তারাপীঠ মন্দিরের দরজা খোলা হয়েছে । এদিনও দেখা গেল মন্দিরে ঢোকার আগে মেটাল গানে শরীরে উত্তাপ মাপার পাশাপাশি স্যানিটাইজার টানেলে প্রবেশ করে শরীর জীবানমুক্ত হলে তবেই পুজোর লাইনে দাঁড়াতে পারছেন ভক্তরা। মানতে হচ্ছে দূরত্ব বিধি।

এদিকে, মন্দির লাগোয়া হোটেল মালিক ও অন্যান্য ব্যবসায়ীদের করোনা সতর্কবিধি মেনে তবেই সামগ্রী বিক্রি কিংবা ঘরভাড়া দিতে বলা হয়েছে।