হিন্দু ঐক্যের নতুন অধ্যায় গড়ল VHP, পাঁচ হাজার দলিত পেলেন পুরোহিতের মর্যাদা

বড় সাফল্য পেল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (Vishva Hindu Parishad)। সমাজের অনগ্রসর শ্রেণীর মানুষকে এগিয়ে আনতে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তরফ থেকে এক বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সমাজের দলিত, পিছিয়ে পরা পরিবারের সন্তানদের পুরোহিতের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি মন্দিরে পূজো করার ছাড়পত্রও দেওয়া হবে।

কথা রাখল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ
এই পন্থা অবলম্বন করে তারা দাবি জানিয়েছেন, ভারতের (india) বিভিন্ন প্রান্তের প্রায় পাঁচ হাজার জনকে পুরোহিতের প্রশিক্ষণ দিয়ে সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে তামিলনাড়ুতেই রয়েছেন প্রায় আড়াই হাজার জন। সমস্ত নিয়ম কানুন মেনে, তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানমের তরফেই এই সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে।

দেওয়া হয়েছে তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানমের সার্টিফিকেট
বিশ্ব হিন্দু পরিষদ জানিয়েছে, সংগঠনের দুটি শাখা সমস্ত বেশ ব্যাপী ধর্মীয় পূজানুষ্ঠানে পৌরহিত্যের কাজে আগ্রহীদের সন্ধান চালিয়ে তাঁদের বৈদিক পুজো পদ্ধতি এবং ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হলে, কোন ব্যক্তি ধর্মীয় বিধি মেনে সব নিয়ম পালন করেছে কিনা তা দেখেই, তাঁকে তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানমের এই সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে।

সব হিন্দু একই সমান, কেউ অচ্ছুৎ না
এক সংবাদ সংস্থাকে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মুখপাত্র বিনোদ বনশল জানিয়েছেন, ১৯৬৪ সালে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ গঠিত হয়। তার ঠিক পাঁচ বছর পরেই দেশ থেকে জাতপাতের বৈষম্য এবং ছুৎ-অচ্ছুৎ প্রথা দূর করার কাজে লিপ্ত হয় আমাদের এই সংগঠন। ১৯৬৯ সালে কর্নাটকের উদুপিতে পরিষদের সম্মেলনে সমাজের পিছিয়ে পড়া দলিত শ্রেণীর মানুষদের উদ্দ্যেশ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সব হিন্দু একই সমান, কেউ অচ্ছুৎ না, একথা সন্তরাই ঘোষণা করেছিলেন।

সম্মান পেলেন বহু মানুষ
তিনি আরও জানিয়েছেন, ‘আমরা আমাদের এই কর্মপ্রচেষ্টায় দক্ষিণ ভারতে দারুণ সাফল্য লাভ করতে পেরেছি। বর্তমানে দক্ষিণের রাজ্যগুলির মধ্যে শুধুমাত্র তামিলনাড়ুতেই বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতৃত্বে আড়াই হাজার দলিত মানুষকে পুরোহিতের কাজে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত করা হয়েছে। আরও বভিভিন্ন জায়গা মিলিয়ে দেশে প্রায় পাঁচ হাজার দলিতকে পুরোহিত প্রশিক্ষণ দিয়ে মন্দিরের কাজে নিয়োগও সম্ভব হয়েছে’।