বড় সাফল্য পেল ভারতীয় সেনাবাহিনী, সেনার ভয়ে আত্মসমর্পণ করল সাত জন কুখ্যাত জঙ্গি।

0
130

দেশকে রক্ষা করতে শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সদা তৎপর ভারতীয় সেনারা। দেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে জঙ্গীদের নিধনে অভিযান চালাচ্ছে ভারতীয় সেনারা। কারণ, বরাবরই সন্ত্রাসবাদের বিরেধিতা করে দেশকে সুস্থ রাখার চেষ্টা করে চলেছে ভারতীয় সেনারা। এবার ভারতীয় সেনা ও মায়ানমারের সেনাদের যৌথ উদ্যোগে উত্তর-পূর্ব সীমান্তে জঙ্গী নিধন অভিযান চালানো হচ্ছে। আসলে ভারতের সঙ্গে পাশ্বর্বতী যেকোনো দেশই সন্ত্রাসবাদ দূর করতে সচেষ্ট হয়েছে। আর সেই অভিযানেতেই মিলল বড়সড় সাফল্য।

ভারতীয় সেনা ও মায়ানমারের সেনাদের অভিযানেই মঙ্গলবার অন্যতম কুখ্যাত জঙ্গী সংগঠন আলফা-র সাতজন জঙ্গী সেনাদের কাছে আত্মসমর্পন করতে বাধ্য হয়। অনেকদিন ধরেই ভারতের সেনাদের ওই জঙ্গী গোষ্ঠীর ওপর নজর ছিল। সেই মতো আলফা গোষ্ঠীর আশেপাশে ভারতীয় সেনারা টহলও দিতেন। জঙ্গী খতম করার উদ্দেশ্য থাকলেও জঙ্গীরা আত্মসমর্পন করায় তা আর হয়ে ওঠেনি। ওই সাতজন জঙ্গীর কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে আস্যাল্ট রাইফেল, ম্যাগাজিন, চাইনিজ হ্যান্ড গ্রেনেড, কার্তুজ, একে-81 অ্যাসল্ট রাইফেল, একে-56, ছয়টি এইচ কে ম্যাগাজিন সহ একাধিক জিনিসপত্র।

প্রসঙ্গত, কাশ্মীরের পুলওয়ামায় জঙ্গীহানার পর ভারতীয় সেনাদের ক্ষোভ আরও বেড়ে গিয়েছে। বিভিন্ন জায়গা থেকে জঙ্গী নিধন করাই মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। বালাকোট এয়ারস্ট্রাইকের পর মায়ানমারেও সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালিয়েছে ভারতীয় সেনারা। এরপর ভারতীয় সেনা ও মায়ানমারের যেনাদের যৌথ অভিযানে সীমান্তে বেশ কয়েকটি জঙ্গী ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয় জঙ্গীদের বিভিন্ন ধ্বংমূলক কাজকর্মের খতিয়ানও উদ্ধার করে ফেলেছে ভারতীয় সেনারা। যে সমস্ত জায়গায় জঙ্গীদের আস্তানা বলে খবর ছিল সেই সমস্ত জায়গাতেই তল্লাশি চালাচ্ছে ভারতীয় সেনারা। যদিও মায়ানমারের সঙ্গে ভারতীয় সেনাদের যৌথ ইপারেশনের সময়সীমা শেষ। কিন্তু সেই সময়সীমার মধ্যেই বেশ কয়েকটি জঙ্গী গোষ্ঠীর ডেরাকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় সেনারা।

ইতিমধ্যেই, জঙ্গী নিধনের জন্য একাধিক গোপন পরিকল্পনা নিয়েছে ভারতীয় সেনারা। প্রশাসন ও সেনাদের বৈঠকের পর শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য দেশের হাতে আসছে নানা ধরনের শক্তিশালী অস্ত্র। শুধু পাকিস্তানের জঙ্গীদের নিকেশই নয় ভারতের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে যেকোনো জঙ্গীদের ধ্বংস করার লক্ষ্য ভারতীয় সেনাদের। সেই মতো জলপথে, আকাশপথে বা স্থলপথে অভিযান চালানো হচ্ছে।