Connect with us

দেশ

মোদী সরকারের হিন্দুত্ববাদী প্রভাব এসে পড়ল কলকাতা বইমেলায়, এবার বইমেলায় ব্যাপক হারে বিক্রি হচ্ছে হিন্দুত্ববাদী এই সমস্ত বই গুলি।

Published

on

২০১৪ সালে কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদি সরকার আসার পর থেকে দেশজুড়ে হিন্দুত্ববাদের ঝড় বয়ে যাচ্ছে, এবার সেই ঝড়ের আঁচ এসে পড়ল পশ্চিমবঙ্গে। আর তারই প্রভাব দেখা গেল এই বছর কলকাতা বইমেলায়। এবার কলকাতা বই মেলায় হিন্দুত্ববাদী বই এর স্টল গুলিতে চোখে পড়ার মতো ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে, এছাড়াও জানা গিয়েছে হিন্দুত্ববাদী বই কেনার চাহিদা প্রচুর যেটা গত পাঁচ-ছয় বছরের তুলনায় সর্বাধিক। সৌরিশ মুখোপাধ্যায় যিনি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর তিনি নিজের মুখে একথা স্বীকার করেছেন।

সৌরিশ বাবু জানিয়েছেন যে প্রত্যেক বছরই মানুষ এসে ভিড় করে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের বইয়ের স্টল গুলিতে। কিন্তু এবার যেন এক আলাদা পরিবেশ। এবার ভীড় যথেষ্ট বেশি অন্য বছর গুলির তুলনায়। উনি এ ব্যাপারে আরও জানিয়েছেন উনি জানিয়েছেন যে মানুষের বরাবরই একটা আলাদা টান থাকে হিন্দু ধর্মীয় বিষয়ক বইগুলির উপর কারণ এগুলিতে মানুষের আত্মার সাথে সম্পর্কিত এবং প্রাচীন ইতিহাস সম্বন্ধে অনেক কিছু জানা যায়, কিন্তু সেইসব এর মধ্যেও এ বছরের ধর্মীয় বইয়ের চাহিদা বেড়ে গিয়েছে অনেক বেশি, এর কারণ হিসেবে উনি তুলে ধরেছেন মোদি সরকার দেশে আসার পর হিন্দুত্ববাদী চর্চা আগের তুলনায় বেড়ে গিয়েছে আর সেজন্যই হিন্দু বইয়ের প্রতি মানুষের আকর্ষণ বেড়েছে। এবার মানুষ কোন কোন বই গুলি বেশি পরিমাণে ক্রয় করছেন এই ব্যাপারে উনি জানিয়েছেন যে, ভগবান শ্রী রাম চন্দ্রের জন্মভূমির উপর যেসমস্ত বই গুলি রয়েছে সেগুলির চাহিদা সবচেয়ে বেশি। তবে এই সবের পাশাপাশি স্বামী বিবেকানন্দের আত্মজীবনী মূলক বই এর চাহিদা রয়েছে প্রবল।

এছাড়া উনি জানিয়েছেন যে ভারতের শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য ”মহাভারত” ও ”রামায়ণের” চাহিদা আজও পর্যন্ত মানুষের মধ্যে একই রকম রয়ে গিয়েছে। অনেক দিন আগে থেকে এই বইগুলি পাওয়া গেলেও এখনও পর্যন্ত এই বইগুলি প্রতি আকর্ষণ এতটুকু কমেনি তাই এই বই গুলির বিক্রি প্রচুর পরিমাণে হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও গান্ধীজির হত্যাকারী গডসে এর লেখা বই “আমি গডসে বলছি” এই বইটি চাহিদা রয়েছে প্রবল।
#অগ্নিপুত্র

দেশ

জম্মু কাশ্মীরে সেনার হাতে খতম পাকিস্তানি জঙ্গি

Published

on

By

উত্তরি কাশ্মীরের বারামুলা জেলায় শনিবার সেনার এনকাউন্টারে খতম হয় এক জঙ্গি। বারামুলা জেলার বোনিয়ার এলাকায় শনিবার সেনা আর জঙ্গিদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষ চলাকালীন সেনার গুলিতে খতম হয় এক জঙ্গি। মৃত জঙ্গির থেকে হাতিয়ার আর প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোটক উদ্ধার হয়েছে। জঙ্গির পরিচয় জইশ এর কম্যান্ডার লুকমান এর নামে হয়েছে। মিডিয়া রিপোর্টস অনুযায়ী, জইশ এর কম্যান্ডার দক্ষিণ কাশ্মীর থেকে উত্তর কাশ্মীর যাচ্ছিল। সেখানে গিয়ে সে পাকিস্তান এবং অনান্য জঙ্গিদের নিয়ে জঙ্গি কার্যকলাপ চালাত। সেনা গোপন সুত্রে খবর পায় যে জইশ এর কম্যান্ডার দক্ষিণ কাশ্মীরের বারামুলা জেলায় লুকিয়ে আছে। গোপন খবর পাওয়ার পরেই সেখানে অভিযান চালায় সেনা।

কিছুদিন আগের রিপোর্টে উঠে এসেছিল যে, পুলওয়ামা হামলার পর ভারতীয় সেনা আরও দ্রুত গতিতে অপারেশন অলআউট চালিয়ে উপত্যকা থেকে ১২৫ জঙ্গিকে খতম করেছে এ বছরেই। মে মাসের সেশে দিকের রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, ফেব্রুয়ারি মাসের পর সেনার অপারেশন অলআউটে ১০১ জন জঙ্গিকে খতম করা হয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, সেনা কাশ্মীরে প্রায় ১২৫ জন জঙ্গিকে খতম করেছে। শুধু জুন মাসেই প্রায় ২৪ জঙ্গিকে খতম করা হয়েছে। ওই জঙ্গিরা লস্কর, হিজবুল আর জইশ এর জঙ্গি সংগঠন গুলোর সাথে যুক্ত ছিল। বিগত কয়েকটি এনকাউন্টারে সেনা প্রচুর পরিমাণে হাতিয়ারও উদ্ধার করেছে।

 

Continue Reading

দেশ

উন্নয়ন হয়নি বলে, পঞ্চায়েত সেক্রেটারিকে ল্যাম্পোস্টে বেঁধে পেটাল জনতা

Published

on

By

উন্নয়ন করা হয়নি কেন? পঞ্চায়েতের সেক্রেটারিকে ল্যাম্পোস্টে বেঁধে পেটাল সাধারণ জনতা। মধ্যপ্রদেশের রতলাম জেলার ভীমা খেদি গ্রামে দীর্ঘ দিন ধরে নূন্যতম উন্নয়ন করা হয়নি বলে অভিযোগ পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় কোনও উন্নয়ন হয়নি। নূন্যতম পরিষেবাটুকুও তাঁরা পান না কিছুতে। নিত্যদিন প্রবল প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এমনকী চলার মতো রাস্তাঘাটও নেই। অথচ রাস্তা নির্মাণের সামগ্রী মজুত করা হলেও রাস্তা নির্মানের কাজ সম্পন্ন হয়নি।

শুক্রবার এই অবস্থায় শুক্রবার ভীমা খেদি গ্রামে পরিদর্শনে গিয়েছিলেন পঞ্চায়েত সেক্রেটারি। সেখানেই তাঁকে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। শুধু বিক্ষোভ দেখিয়েই শান্ত থাকেনি ওই গ্রামের ক্ষুব্ধ জনতা। ল্যাম্পোস্টে বেঁধে বেধড়ক মারধোর করা হয় পঞ্চায়েত সেক্রেটারিকে। পরে পুলিশ এসে তাঁকে উদ্ধার করে।

আক্রান্ত পঞ্চায়েত সেক্রেটারি বলেছেন, “ওই গ্রামের যাবতীয় নির্মাণ কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য ইঞ্জিনিয়ার নিয়ে কাজের মূল্যায়ন করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু কিছু মানুষ আমার উপরে হামলা করল। আমাকে ল্যাম্পোস্টে বেঁধে পেটানো হল।”

Continue Reading

দেশ

রাস্তায় অসুস্থ মহিলাকে দেখে যা করলেন স্মৃতি ইরানি, জানলে আপনি গর্ব করবেন

Published

on

By

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি শনিবার নিজের সংসদীয় এলাকা আমেঠির সফরে যান। সেখানে গিয়ে তিনি এক অসুস্থ মহিলার সাহায্য করে মানুষের মন জয় করে নেন। ওনার কনভয় যখন বরৈলিয়া গ্রাম থেকে বেড়িয়ে যাচ্ছিল, তখন রাস্তা দিয়ে একটি মহিলাকে স্ট্রেচারে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এটা দেখেই তিনি ফট করে নিজের গাড়ি থেকে নেমে পড়েন, এবং নিজের সুরক্ষা ব্যাবস্থায় থাকা সরকারি অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে ওই অসুস্থ মহিলাকে হাসপাতালে পাঠান।

পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই মহিলা প্যারেলাইসিসে আক্রান্ত, আর এর জন্য উনি নিজের পায়ে আর চলা ফেরা করতে পারেন না। আজ ওনার পরিবারের লোকেরা ওনাকে ওনার ট্রাই সাইকেল স্ট্রেচারে করে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানিও ভাগ্যক্রমে ওই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন, উনি ওই মহিলার এই অবস্থা দেখে গাড়ি থামিয়ে ওনার শারীরিক অবস্থার খবরা খবর নেন, এবং ওনাকে নিজের সুরক্ষায় থাকা অ্যাম্বুলেন্স করে হাসপাতালে পৌঁছে দেন।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত এর সাথে শনিবার ২২ জুন আমেঠির দুই দিবসিয় সফরে যান। স্মৃতি ইরানি আমেঠির বরৌলিয়া গ্রামে যান, কারণ গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মনোহর পরিকর সাংসদ থাকাকালীন এই গ্রামকে দত্তক নিয়েছিলেন। উনি এই গ্রামে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। গোয়ার বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যদি উত্তর প্রদেশ সরকার চায়, তাহলে আমরা শ্রী মনোহর পরিকরের এর স্মরণে এই গ্রামে শিক্ষা, স্বাস্থ, রাস্তা, বিদ্যুৎ, জল এবং অনান্য সমস্ত রকম অসুবিধা গুলো দূর করব।”

 

Continue Reading

Trending