Home Blog

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাথা কাটতে পারলে ৫ কোটি টাকা পুরস্কার! বিতর্কিত বয়ান মহন্ত পরমহংস দাস-এর

0

তপস্বী ছাউনির পরমহংস দাস মঙ্গলবার অয্যোধ্যায় একটি বিতর্কিত বয়ান দেন। উনি তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাথা কেটে আনা ব্যক্তিকে ৫ কোটি টাকা পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। উল্লেখ্য, তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিতর্কিত বয়ান সামনে এসেছিল। সেখানে ওনাকে দেবী সীতাকে নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য করতে শোনা গিয়েছিল।

তপস্বী ছাউনির মহন্ত পরমহংস দাস ভগবান রাম আর সীতা দেবীর অপমানের বদলা নেওয়ার জন্য তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাথা কেটে আনা ব্যক্তিকে ৫ কোটি টাকার পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা করেছেন।

মহন্ত পরমহংস দাস বলেন, তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সীতা মাতার অপমান করেছেন। এর সাথে সাথে উনি হিন্দু দেব-দেবীরও অপামান করেছেন। হিন্দুদের আস্থায় আঘাত করেছেন তিনি। পরমহংস প্রশাসনের কাছে দাবি করেছেন যে, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে যেন কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আর প্রশাসন পদক্ষেপ না নিলে, উনি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাথা কেটে আনা ব্যক্তিকে পাঁচ কোটি টাকা পুরস্কার দেবেন।

উনি বলেন, অনেকেই হিন্দু ধর্ম নিয়ে উল্টোপাল্টা মন্তব্য করে। দেবী-দেবতাদের নিয়ে অভদ্য কথা বলা হচ্ছে চারিদিকে। এটা আর সহ্যনিয় নয়।

শনিবার জোড়া কর্মসূচি, ফের রাজ্যে আসছেন BJP-র সর্বভারতীয় সভাপতি

একুশের নির্বাচনের আগে রাজ্যে সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপাচ্ছে বিজেপি। প্রতি মাসে নিয়ম করে অমিত শাহ ও নাড্ডার মতো নেতা বাংলায় আসবেন বলে বিজেপি সূত্রে খবর। এবার নতুন বছরের শুরুতেই রাজ্যে আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা।

রাজ্য বিজেপি সূত্রে খবর, আগামী ৯ জানুয়ারি রাজ্যে আসছেন নাড্ডা। একদিনের কর্মসূচিতে তাঁর লক্ষ্য এবার পূর্ব বর্ধমান। এদিন দুটি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন বিজেপি সভাপতি। বর্ধমানে শহরে করবেন রোড শো এবাং কাটোয়ায় একটি জনসভায় বক্তব্য রাখবেন তিনি।

নাড্ডার সফর নিয়ে আজ হেস্টিংসে বিজেপির কার্যালয়ে বৈঠকে বসেন বিজেপি নেতারা। উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় সম্পাদক অরবিন্দ মেনন, রাজ্য সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তী, রাঢ়বঙ্গ জোনের বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত রবীন্দ্র রাজু-সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

প্রসঙ্গত, ১০ ডিসেম্বর ডায়মন্ডহারবারে সভা করেন জেপি নাড্ডা। সেই সভায় যাওয়ার পথে হামলা হয় তাঁর কনভয়ে। এনিয়ে তোলপাড় হয় রাজ্য রাজনীতি। তাঁর সফরে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ৩ আইপিএস অফিসারকে তলব করা হয় কেন্দ্রের ডেপুটেশনে। এনিয়ে বহু জলঘোলার পর ফের রাজ্যে পা রাখছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি।

গত ২০ ডিসেম্বর বোলপুরে একটি রোড শো করেন অমিত শাহ। প্রচুর জনসমাগম হয় সেই সভায়। জেলা তৃণমূল(TMC) সভাপতির দাবি ছিল, অন্য জেলা, এমনকি ঝাড়খণ্ড থেকে লোক এনে রোড শো করেছে বিজেপি। ২৯ ডিসেম্বর পাল্টা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রোড শো করে ক্ষমতা প্রদর্শন করে তৃণমূলও। এবার বর্ধমানে নাড্ডার সভায় বিজেপি কতটা লোক আনতে পারে সেটাই এখন দেখার।

তৃণমূলের ১৭ জন সাংসদ যোগ দিচ্ছেন বিজেপিতে

শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে একসাথে তৃণমূল (All India Trinamool Congress) ছেড়ে অমিত শাহের (Amit Shah) হাত ধরে বিজেপিতে (Bharatiya Janata Party) যোগ দিয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের সাংসদ সুনীল মণ্ডল (Sunil Mondal)। আর দল ছেড়েই এবার বিস্ফোরক দাবি করলেন তিনি। বিজেপির সাংসদ সুনীল মণ্ডল দাবি করেছেন যে, ১৬ জন তৃণমূল সাংসদ এবার দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেবেন। ওনার এই দাবি ঘিরে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়।

কিছুদিন আগে হেস্টিংসে ওনার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখানোর অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এরপর ওনাকে ওয়াই প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে। এখন ওনার নিরাপত্তায় রয়েছেন ১১ জন সশস্ত্র CRPF জওয়ান। ওয়াই প্লাস নিরাপত্তা পেয়েই তৃণমূলের আতঙ্কের খবর দিলেন সাংসদ মহাশয়।

তিনি বলেছেন যে, অনেক তৃণমূল সাংসদই বিজেপিতে আসার জন্য মুখিয়ে আছেন। অন্তত ১৬ থেকে ১৭ জন সাংসদ খুব শীঘ্রই বিজেপিতে যোগ দেবেন। যদিও সুনীল মণ্ডলের সমস্ত দাবি উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, সুনীল মণ্ডল দিবাস্বপ্ন দেখছে।

বলে রাখি, রাজ্যের নির্বাচনে আগে দলবদলের পালা চলছে। আর এই দলবদলে সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত শাসক দল তৃণমূল সাংসদ। একের পর এক নেতা দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়ে তৃণমূলের হৃদ স্পন্দন বাড়িয়ে দিয়েছে। আর এরমধ্যে পূর্ব বর্ধমানের সাংসদ সুনীল মণ্ডলের দাবি ঘিরে তৃণমূলের মধ্যে নতুন করে শুরু হয়েছে আতঙ্ক।

বছরের প্রথম দুদিন নিজের গড় মেদিনীপুরে সভা করেছিলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। ওই দুই দিনই তৃণমূল ছেড়ে বহু নেতা, কর্মী বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। শুভেন্দু অধিকারী আগামী দিনে তৃণমূলের আরও নেতাদের বিজেপিতে নিয়ে আসার চ্যালেঞ্জও জানিয়েছেন।

বিজেপিতে যোগ দেওয়ার আগে হাউমাউ করে কাঁদলেন তৃণমূল নেতা, ভাইরাল হল ভিডিও

রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের আগে চারিদিকে চলছে দলবদলের পালা। তৃণমূলের (All India Trinamool Congress) মন্ত্রী, বিধায়ক, নেতা থেকে শুরু করে কর্মী-সমর্থকরাও যোগ দিচ্ছে বিজেপিতে। আর এই যোগদানের মাঝেই এমন এক আজব কাণ্ড ঘটে গেল ডানকুনিতে যার ফলে শোরগোল রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে। আসলে বিজেপিতে নাম লেখানোর আগে কেঁদে ভাসালেন ডানকুনির তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন কাউন্সিলর কৃষ্ণেন্দু মিত্র। এই ঘটনার ভিডিও (Video) সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল (Viral Video) হচ্ছে।

এর আগে ডানকুনি পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান এবং দুই প্রাক্তন কাউন্সিলর বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। তখন থেকেই কৃষ্ণেন্দু মিত্রকে নিয়ে জোর জল্পনা চলছিল। আর আজ ডানকুনিতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সভায় সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিজেপিতে যোগ দিতে যান কৃষ্ণেন্দু মিত্র। কিন্তু যোগ দেওয়ার আগের মুহূর্তেই তিনি আবার পাল্টি খেয়ে যোগ না দিয়েই সভা থেকে বেরিয়ে যান। বিজেপির দাবি, ব্যক্তিগত কারণে তিনি সেই মুহূর্তে সভা ছেড়ে চলে যান। তবে সুত্র অনুযায়ী, তিনি মাইকে নিজের মন্তব্য পেশ করতে চেয়েছিলেন, সেই সুযোগ না পাওয়ায় তিনি সভা ছেড়ে চলে যান।

বিজেপিতে যোগ দেওয়ার আগে কৃষ্ণেন্দু মিত্রকে ফোন করে চণ্ডীতলার তৃণমূল বিধায়ক স্বাতী খন্দকার। তিনি ফোনে অনেক বুঝিয়ে সুঝিয়ে কৃষ্ণেন্দু মিত্রর বিজেপিতে যোগদান আটকাতে চান। বিধায়ক যাকে মেজদি বলে ডাকেন কৃষ্ণেন্দু মিত্র, তাঁর ফোন পেয়ে কেঁদে ভাসান প্রাক্তন কাউন্সিলর। তিনি বিধায়ককে নিজের সাথে ঘটে যাওয়া সমস্ত ঘটনার বিবরণ দেন। এবং তিনি এও জানান যে কেন বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন।

কৃষ্ণেন্দু মিত্র বলেন, আমি তৃণমূলে কোনদিনও সন্মান পাইনি। আমি কোনদিনও একটি টাকাও খাইনি আর না তোলাবাজি করেছি। এমনকি তৃণমূল নেতাদের একাংশকে তিনি তোলাবাজ বলেও আখ্যা দেন। তিনি বলেন গতকাল সন্ধ্যে পর্যন্ত তৃণমূল ছেড়ে যাওয়ার আমার কোনও ইচ্ছে ছিল না। আমি ১৯৯৮ সাল থেকে এই দলটা করি। তৃণমূলের সাংসদ আমাকে বহিস্কার করেছিল, এরপরেও আমি মানুষের পাশে দাঁড়াই।

তিনি বলেন, শুধু আমার সাথে না আমাদের বিধায়কের সাথেও এরকম করেছে ওঁরা। আমাদের বিধায়কের মতো মানুষ হয় না। উনি মাটির মানুষ। সবসময় মানুষের পাশে দাঁড়ান। তিনি বলেন, বিধায়ক মিটিং ডাকলে কোনও তৃণমূল নেতা যেত না। এমনকি বিধায়ককে পুরসভায় পর্যন্ত ঢুকতে দেওয়া হত না। আমি নিজে ওনাকে পুরসভায় ঢুকিয়েছি। আমি অনেক যন্ত্রণা নিয়ে দল থেকে যাচ্ছি। যেই আদর্শের জন্য তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলাম। সেই আদর্শ আর নেই।

আচমকাই তৃণমূল সাংসদের বাড়িতে বিজেপির নেতারা, তুঙ্গে জল্পনা

কাঁথিঃ দশদিন হয়েছে শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারী পরিবারের সবাই এখনো তৃণমূলেই রয়েছেন। গতকাল খড়দহের সভা থেকে শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, রামনবমী আসুক আমার বাড়িতেও পদ্ম ফুটবে। ওনার এই মন্তব্যের ২৪ ঘণ্টা যেতে না যেতেই শুভেন্দু অধিকারীর বাড়িতে হাজির বিজেপির সাংসদ। শুভেন্দু অধিকারীর বাবা শিশির অধিকারীর সাথে বৈঠকও করেন তিনি। এরপরই নতুন করে জল্পনা সৃষ্টি হয়েছে।

শিশির অধিকারীর সাথে বাড়িতে গিয়ে দেখা করলেন বিজেপির সাংসদ জ্যোতির্ময় মাহাত সমেত কয়েকজন বিজেপি নেতা। যদিও এটিকে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলেছে দুই পক্ষই। তবে কোথাও একটা কিন্তু থেকেই যাচ্ছে। আগামী মাসের ২ তারিখ কাঁথিতে সভা হবে বিজেপির। সেখানে শুভেন্দু অধিকারী উপস্থিত থাকবেন। সেই সভাতে কাঁথি পুরসভার ১৬ জন কাউন্সিলর মেদিনীপুরের এক গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান সহ আরও কয়েকজন তৃণমূল নেতা বিজেপিতে যোগ দেবেন।

আর সেই সভার আগে চারিদিকে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখছে বিজেপির প্রতিনিধি দল। বিজেপির সাংসদ জ্যোতির্ময় মাহাতোকে পূর্ব মেদিনীপুরের পর্যবেক্ষক করা হয়েছে। সেই সুত্রেই তিনি সেখানে আছেন আর শিশির অধিকারীর সাথে দেখাও করেন।

তৃণমূল ছাড়লেন দাপুটে ছাত্র নেতা সুজিত শ্যাম, যোগ দিলেন বিজেপিতে

কলকাতাঃ তৃণমূল (All India Trinamool Congress) ছেড়ে বিজেপিতে (Bharatiya Janata Party) যোগ দিলেন ছাত্র নেতা সুজিত শ্যাম। আজ বিজেপির কার্যালয়ে মুকুল রায়, শান্তনু ঠাকুরদের উপস্থিতিতে গেরুয়া পতাকা হাতে তুলে নেয় সুজিত।

বিজেপিতে যোগ দিয়ে সুজিত বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখে ১৬ বছর আগে তৃণমূল করেছিলাম। এরপর দেখলাম যারা নন্দীগ্রামের গণহ’ত্যা’কে’ সমর্থন করেছিল, যারা রাজ্যে আবার বাম সরকার গড়ার সংকল্প নিয়েছিল, তারাই এখন মমতা দিদির কাছে লোক হয়ে উঠেছে। ওনার বিরুদ্ধে যারা প্রচার করেছিল, তারাই এখন ওনার মঞ্চে দাঁড়িয়ে বড়বড় ভাষণ দিচ্ছে। আমি এই তৃণমূলকে সমর্থন করেছিলাম না।”

বলে রাখি, মুকুল রায়ের সাথে অনেক দিনের সম্পর্ক সুজিত শ্যামের। বাঁকুড়া থেকে ছাত্র রাজনীতি করা শুরু। মুকুল রায় যখন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড ছিলেন, তখন সুজিত ছিল ওনার ঘনিষ্ঠ। ২০১৭ সালে মুকুল রায় বিজেপিতে যোগ দিতেই সুজিতেরও বিজেপিতে যোগ দেওয়ার গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। কিন্তু সুজিত তখন বিজেপিতে আসেনি।

সুজিত অভিযোগ করে জানায়, তাঁর বিরুদ্ধে দলের তরফ থেকেই মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা হয়েছিল। তাকে ছাত্র অথবা যুব সংগঠনের কার্যকারী ভূমিকা দেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তা কোনদিনও বাস্তবায়িত হয়ে ওঠেনি। সুজিত জানায়, বিগত চার বছর ধরে তাকে রাজনৈতিক ভাবে ব্যবহারই করা হয়নি।

আজ ফেসবুকে আক্ষেপের সুরে সুজিত একটি পোস্ট লিখে জানায়, ‘১৬ বছরের সম্পর্ক অত সহজেই ভেঙে দেওয়া যায় না। কিন্তু জীবনে এমন এমন কিছু সময় আসে, যখন সবকিছু ফেলে সামনের দিকে তাকাতে হয়।”

Breaking News- নির্বাচনের আগে বিজেপিতে যোগ দিলেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার

0

অনেকদিন ধরেই গুজব রটছিল যে তিনি ভারতীয় জনতা পার্টিতে (Bharatiya janata party) যোগ দেবেন, অবশেষে জল্পনা আর গুজবের অবসান ঘটিয়ে আজ বিজেপিতে যোগ দিলেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার লক্ষ্মণ শিবরামকৃষ্ণন (Laxman Sivaramakrishnan)। উনি ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পর ICC তে নতুন এক কীর্তিমান স্থাপন করেছিলেন। ২০১৭ সালে স্টার স্পোর্টস তামিলে তামিল ভাষায় প্রথমবার ধারাভাষ্য দিয়েছিলেন। এত বছরের ক্রিকেট ইতিহাসে এই প্রথম কেউ তামিল ভাষায় কমেন্ট্রি করে।

লক্ষ্মণ শিবরামকৃষ্ণন তামিলনাড়ু বিজেপির সভাপতি সিটি রভির হাত ধরে ভারতীয় জনতা পার্টির সদস্যতা গ্রহণ করেন। জানিয়ে রাখি, বছর পার করলেই তামিলনাড়ুতে বিধানসভার নির্বাচন। আর তাঁর আগে বিজেপি নিজেদের ঘাঁটি মজবুত করার কাজ শুরু করে দিয়েছে। হায়দ্রাবাদের পুর নির্বাচনে অভূতপূর্ব সাফল্যের পর দক্ষিণের রাজ্য গুলোতে নিজেদের দম দেখাতে প্রস্তুত বিজেপি।

সৌরভ গাঙ্গুলির নেতৃত্বে একুশের নির্বাচনে লড়াই করবে বিজেপি

আলিপুরদুয়ারঃ রবিবার রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের সাথে সাক্ষাৎ করে জল্পনা বাড়িয়েছিলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly)। যদিও সাক্ষাৎ শেষে তিনি বলেন, এতে জল্পনার কিছুই নেই উনি রাজ্যপাল হয়ে আসার পর থেকে ওনার সাথে সাক্ষাৎ করা হয়েছিল না, তাই আজ এলাম। এছাড়াও ওনাকে ইডেনে নিয়ে যাব ভেবেছিলাম, কারণ উনি এখনো পর্যন্ত ইডেনে যান নি। কিন্তু আজ ইডেনে প্র্যাকটিস চলছিল বলে যেতে পারলাম না। আগামী সপ্তাহে ওনাকে নিয়ে যাব।

ঠিক এরপরের দিন সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের সাথে একই মঞ্চে দেখা যায় সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে। এই নিয়ে ওনাকে প্রশ্ন করা হলে উনি বলেন, আমি কারোর সাথে দেখা করতেও পারব না? বলে রাখি সোমবার দিল্লীর ফিরোজ শাহ কোটলায় প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটোলির নামে একটি স্টেডিয়ামের উদ্বোধন করা হয়। সেখানেই একই মঞ্চে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় আর অমিত শাহ ছিলেন। এছাড়াও ছিলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন সদস্য বীরেন্দ্র সহবাগ এবং বিজেপির সাংসদ তথা ভারতীয় দলের প্রাক্তন খেলোয়াড় গৌতম গম্ভীর। এছাড়াও ওই অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রী কিরেন রিজিজু সমেত কয়েকজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন।

অমিত শাহ এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে বলেন, যখনই শুনলাম সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় এই অনুষ্ঠানে আসছেন, তখন আর নিজেকে আটকাতে পারিনি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর এই মন্তব্যযে অনেক ইঙ্গিতপূর্ণ সেটা বলাই বাহুল্য। আরেকদিকে, গতকাল জল্পনা জিইয়ে রেখে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে বিজেপিতে আহ্বান করেন। তিনি বলেন, কাজের মানুষদের রাজনীতিতে আসা দরকার।

এবার এর মধ্যেই বিজেপির সাংসদ জন বারলা মন্তব্য করে আরও জল্পনা বাড়িয়ে দিলেন। তিনি বলেন, ২০২১ এর ভোটে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এগিয়ে চলবে বিজেপি। উনি বলেন, কিছু একটা হতে চলেছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই পরিস্কার হয়ে যাবে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বিজেপিতে কি পদ পেতে চলেছেন। যেভাবে তিনি খেলার মাঠে ছয় মেরে মানুষের মন জয় করতেন। সেভাবেই তিনি রাজনীতির মাঠে ছয় মেরে মানুষের মন জয় করবেন।

মুখ্যমন্ত্রীর কয়েক হাজার কোটি টাকার পারিবারিক সম্পত্তির হদিশ দিলেন দিলীপ ঘোষ

রোজ সকালেই প্রাতঃভ্রমণে বের হন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। সেখান থেকে তিনি নানারকম মন্তব্য করে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন। বাদ গেলনা আজও। আজ সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে রাজ্য সরকারকে আবারও একহাতে নেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ‘হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট এখন মমতা ব্যানার্জী (Mamata Banerjee) স্ট্রিট হয়ে গেছে। মুখ্যমন্ত্রী এখন গোটা বাংলাকে নিজের জমিদারি বলে ভাবছেন।

জানিয়ে রাখি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির ঠিকানা হল 30 B Harish Chatterjee Street। বিরোধীরা বরাবরই অভিযোগ করে আসছে যে, সেখানে অন্তত ৩৫ টি প্লটের মালিক মুখ্যমন্ত্রী পরিবারের সদস্যরা। বিরোধীদের অভিযোগ অনুযায়ী, ওই ৩৫ টি প্লটের বাজার মূল্য কয়েক হাজার কোটি টাকা। আর সেই নিয়েই আজ দিলীপ ঘোষ মুখ্যমন্ত্রীর পরিবারকে নিশানা করেন।

এছাড়াও আজ আজ সকালে মর্নিং ওয়াকে গিয়ে অমর্ত্য সেনকে নিশানা করলেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, যিনি দেশের মানুষের দুঃখ কষ্টে পাশে দাঁড়ান নি, তাঁর কাছ থেকে কোনও নীতিকথা শুনব না।

দিলীপ ঘোষ অমর্ত্য সেনকে আক্রমণ করে বলেন, ‘উনি বলেছেন বিজেপি শাসিত রাজ্য গুলো যেই ধর্মান্তকরণ আইন পাশ করাচ্ছে, সেগুলো অসাংবিধানিক। উনি এও বলেছেন যে, লাভ জিহাদিদের মধ্যে জিহাদ থাকতে পারে না। যে নিজেই তিনবার তিন ধর্মে বিয়ে করেছে, সে লাভ জিহাদ নিয়ে এরকমই মন্তব্য করবে।” দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘যিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছেন, যিনি দেশের মানুষের কষ্টে তাঁদের পাশে দাঁড়ান না, তাঁর নীতিকথা শুনতে চাই না আমরা। ওনার কথা যারা শুনেছে, তারাই ডুবেছে। আমরা ডুবতে রাজি না।”

বলে রাখি বিশ্বভারতীর জমি বিতর্ক নিয়ে সরব হয়েছেন অমর্ত্য সেন। একদিকে বিশ্বভারতী যেমন জানিয়েছে যে, অমর্ত্য সেন তাঁদের কিছু জমিতে অবৈধ ভাবে রয়েছে। তেমনই অমর্ত্য সেন বলেছেন, এরকম অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন দরকার পড়লে আমি আইনি পদক্ষেপ নেব। বিশ্বভারতী জমি বিতর্কে নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেনের পাশে দাঁড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এই বিষয়েও বাঙালি-বহিরাগত ইস্যু তুলে ধরেছেন।

গতকাল বস্টনের একটি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নোবেলজয়ী বলেছেন, ‘মানুষের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে। স্বাধীন মানুষ নিজের ধর্ম বদলে যেকোনও ধর্ম গ্রহণ করতে পারে, এটা সাংবিধানিক। কিন্তু মানুষের সেই মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়াটা কোনওদিনও সাংবিধানিক হতে পারে না।” উল্লেখ্য, বিজেপি শাসিত কয়েকটি রাজ্যে লাভ জিহাদ আর ধর্মান্তকরণ বিরোধী বিল পাশ করা নিয়েই অমর্ত্য সেন এই মন্তব্য করেছেন।

২৭ কোটির ঋণ না মিটিয়েই পালাল তৃণমূল নেতা! ঋণের বোঝা নিয়ে বন্ধ হল ব্যাংক

মানুষের বিপদের স্থল ব্যাঙ্ক (bank)। অল্প অল্প করে সঞ্চিত অর্থ মানুষ ব্যাঙ্কে রাখেন ভবিষ্যতে কাজে লাগাবার জন্য। সেইসঙ্গে ব্যাঙ্কে রাখা অর্থ নির্দিষ্ট সময় পর কিছুটা পরিমাণ বৃদ্ধিও পায়। কিন্তু সেই ভরসার স্থল ব্যাঙ্কেই হঠাৎ করেই লাগিয়ে দেওয়া হল তালা। চম্পট দিল ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ।

নভেম্ভরের শেষ সপ্তাহ থেকেই বন্ধ হয়ে গেল মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) আয়েশবাগ সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি ব্যাঙ্ক। প্রায় ৫ হাজার জন গ্রাহক রয়েছেন এই ব্যাঙ্কের। গ্রাহকদের প্রাপ্য টাকা ফেরত না দিয়ে আচমকাই একদিন নোটিশ টানিয়ে ব্যাঙ্কে তালা লাগিয়ে চম্পট দেয় ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। মাথায় হাত পড়ে গ্রাহকদের। ভরসার জায়গাতেই নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। অভিযোগ উঠেছে এক তৃণমূল (All India Trinamool Congress) নেতার নামে। ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে ফেরত না দেওয়ার।

দুর্ভোগের শিকার হয়ে এক গ্রাহক জানিয়েছেন, ‘কষ্ট করে আমরা ওখানে টাকাটা জমিয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের ম্যাচিউরিটি টাকাও ফেরত দেয়নি, পরে নেওয়ার জন্য বলেছিল। সেখানে হঠাৎ করেই ম্যানেজার, কোর কমিটির লোক কারো পাত্তা নেই। আমরা দীর্ঘতর আন্দোলনে যাব, রাস্তা অবরোধ করব। আর আমাদের টাকা যারা মেরেছেন তাদের সম্পত্তি আমরা সবাই মিলে নিয়ে এই টাকা নেব’।

জেলা সূত্রে খবর, অসীম ভট্ট নামে এক স্থানীয় তৃণমূল নেতা কয়েক দফায় ওই ব্যাঙ্ক থেকে প্রায় ২৭ কোটি টাকা ধার নিয়ে একটা টাকাও শোধ করেননি। আবার অন্যদিকে জেলা সমবায় থেকে দফায় দফায় ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ ২৭.৫ কোটি টাকা  ঋণ নিয়ে শোধ দেয়নি। অবশেষে বিপুল পরিমাণ অনাদায়ী ঋণ মাথায় নিয়ে ব্যাঙ্ক বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।

এদিকে বিপাকে পড়া গ্রাহকরা মুখ্যমন্ত্রীর দারস্থ হয়েছেন প্রতিকারের আশায়। অন্যদিকে অভিযুক্ত স্থানীয় তৃণমূল নেতার কোন খোঁজ নেই। তাঁর বাড়িতে তালা লাগানো এবং তাঁর ফোনও বন্ধ রয়েছে। এই ঘটনায় তৃণমূল বিজেপির মধ্যে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তবে গ্রাহকরা নিজেদের জমানো অর্থ ফেরত পাওয়ার আশায় আবারও ব্যাঙ্ক খোলার এবং টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

কেন্দ্র BRPD-তে পোস্টিং দিতেই আইপিএস ভোলানাথ পাণ্ডেকে হোমগার্ডে বদলি করল নবান্ন

কিছুদিন আগে রাজ্যের তিন IPS অফিসারকে ডেপুটেশনে ডেকে পাঠানো হয়। তিনজনের পদও ঠিক করে দিয়েছিল কেন্দ্র। কিন্তু রাজ্য ওই তিন অফিসারকে ছাড়তে রাজি নয়। নবান্ন জানিয়েছিল যে, রাজ্যে আইএএস আর আইপিএস অফিসারের সংখ্যা কম, তাই এদের ছাড়া সম্ভব নয়। নবান্নের সমস্ত আপত্তি উড়িয়ে IPS প্রবীণ ত্রিপাঠীকে SSB-তে, রাজীব মিশ্রকে ITBP-তে আর ভোলানাথ পাণ্ডেকে BRPD-তে পোস্টিং দেয় অমিত শাহের মন্ত্রক।

আরেকদিকে, কেন্দ্রের তরফ থেকে আইপিএস অফিসারদের পোস্টিং দেওয়ার পর আজ নবান্ন থেকে নির্দেশিকা জারি করে ডায়মন্ড হারবারের পুলিশ সুপার ভোলানাথ পাণ্ডেকে বদলি করা হল। ওনাকে ডায়মন্ড হারবারের পুলিশ সুপার থেকে হোমগার্ডে বদল করল নবান্ন।

জল্পনার অবসান ঘটিয়ে শান্তনু ঠাকুর নিজেই বললেন তিনি তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন কি না?

বিগত কয়েকদিন ধরে বনগাঁর বিজেপির সাংসদ শান্তনু ঠাকুরকে (Shantanu Thakur) নিয়ে রাজ্যের রাজনীতি মহলে জোর জল্পনা চলছিল। তিনি বিজেপিতেই থাকছেন না তৃণমূলে যোগ দেবেন সেটা নিয়ে উঠেছিল অনেক প্রশ্ন। এবার সব জল্পনার অবসান ঘটালেন নিজেই। আজ হুগলির চুঁচুড়ার সুকান্ত নগরের মাঠে মতুয়া মহাসঙ্ঘের জনসভায় তিনি জানিয়ে দিলেন যে আগামী দিনে তিনি কি করতে চলেছেন।

শান্তনু ঠাকুর বলেন, ‘আমি নাগরিকতা সংশোধন আইনের পক্ষে। লোকসভায় CAA-র হয়ে ভোট দিয়ে বিল পাশ করিয়েছি। আর এতদিন ধরে যারা এই বিলের বিরোধিতা করে আসছে, তারা এখন আমাকে নিজের দলে টানতে চাইছে! তারা আমাকে কি করে তাঁদের দলে চায়?” তিনি বলেন, আমি একটা বিষয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দিচ্ছি যে, ১৯৭১ সালের পর যারা ভারতে এসেছেন, তাঁদের ভারতীয় নাগরিকতা পাইয়ে দেওয়ার জন্য আমি আন্দোলন করে এসেছি। যারা এই আইনের বিরোধিতা করছে, তাঁদের কাছে যাওয়ার প্রশ্ন আসে কি করে?

তিনি বলেন, যারা প্রথম থেকেই সিএএ-এর বিরোধিতা করছে, যারা এখনো বুক বাজিয়ে বলছে আমরা ক্ষমতায় থাকলে এই আইন লাগু হতে দেব না! তাঁদের দলে আমি থাকি কি করে? তিনি বলেন, আগে ওঁরা বলুক ওঁরা সিএএ সমর্থন করে, রাজ্যে সিএএ লাগু করবে, তখন আমি ভেবে দেখব কি করা যায়। এই বিষয়ে রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, ‘আমি মমতাবালা ঠাকুর আর শান্তনু ঠাকুরের মধ্যে মধ্যস্থতা করতে পারি।”

শান্তনু ঠাকুর এদিনের জনসভা থেকে বলেন, আমার কেন্দ্র সরকারের কাছে একটাই প্রশ্ন, সেটা হল সিএএ লাগু কবে হবে? কাদের জন্য এই আইন আটকে রয়েছে? তিনি বলেন, যদি কিছু সংখ্যক সংখ্যালঘু রাজ্যে হিংসে ছড়িয়ে ভাবে যে তারা সিএএ লাগু করতে দেবে না, তাহলে আমরা নমঃশূদ্রও কম নেই এখানে। তিনি বলেন, আমি কেন্দ্র সরকারকে আস্বস্ত করছি যে, অশান্তি হলে সেটা প্রতিরোধ করার মত ক্ষমতা আমাদের কাছে আছে।

TRending Now