Wednesday, January 29, 2020
Home Blog

সরকারি বাসে আট ঘণ্টা ডিউটি করার পরেও পাস করলেন UPSC! ভারত জুড়ে চলছে প্রশংসা

সরকারি বাসে যাত্রীদের টিকিট কাটেন। তার ফাঁকেই চলছিল UPSC সিবিল সার্ভিসের প্রস্তুতি। ৫ ঘণ্টার প্রস্তুতিতেই মেইনস পরীক্ষায় পাস করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন বেঙ্গালুরুর সরকারি পরিবহনের কনডাকটর মধু এনসি। এখন অপেক্ষা ২৫ মার্চের ইন্টারভিউয়ের।

জানুয়ারি ফল বেরিয়েছে UPSC মেইনসের। রোল নম্বর মেলাতে গিয়ে চমকে উঠেছিলেন মধু এনসি। নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারেননি। ঠিক দেখছেন তো! ইউপিএসসি-র কৃতকার্যের তালিকায় নাম থাকা মানে বিরাট সাফল্য। তার উপরে পরিবারে প্রথম স্কুলে গিয়েছিলেন মধুই। তখন আনন্দের মাত্রাটা আরও বেশি হওয়াটাই স্বাভাবিক। ছেলের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত মা-ও।

গতবছর জুনে ইউপিএসসি প্রিলিমিনারিতে পরীক্ষা দিয়েছিলেন BMTC-র বাস কনডাকটর ২৯ বছরের মধু এনসি। অক্টোবরে পাস করেন। এরপর প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন মেইনসের। রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, ভাষা, সাধারণজ্ঞান, অঙ্ক ও রচনা লেখা ইত্যাদি নিয়ে শুরু হয় তাঁর প্রস্তুতি।  রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বেছে নিয়েছিলেন মধু। প্রিলিমসে কানাড়া ভাষায় পরীক্ষা দিয়েছিলেন। তবে মেইনসে ইংরেজিতেই দেন মধু এনসি।

দিনে ৮ ঘণ্টা কাটে খাকি পোশাকে। সারাক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা। এমন কষ্টসাধ্য কাজ করে কীভাবে UPSC-র মতো কঠিন পরীক্ষায় পাস করলেন? বাড়িতে ৫ ঘণ্টা চলত পড়াশুনো। প্রতি সপ্তাহে ২ ঘণ্টা সহযোগিতা করতেন বেঙ্গালোর মেট্রোপলিটান ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের ম্যানেজিং ডিরেকটর আইএএস অফিসার সি সিক্ষা। মধুর কথায়,”উনি আমায় সবসময় সাহায্য করেছেন। কীভাবে লিখতে হবে সেটাও বলে দিয়েছিলেন। এখন ইন্টারভিউয়ের জন্য উনি আমাকে তৈরি করছেন।”

অথচ ২০১৪ সালে কর্ণাটকের প্রশাসনিক পরিষেবা (Karnataka Administrative Services) পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছিলেন মধু এনসি। কিন্তু হতাশ হননি। বরং তাঁর জেদ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ২০১৮ সালে ইউপিএসসি-তেও  আসে হতাশা। অধ্যবসায় থাকলে জীবনে কঠিন পরিস্থিতিতেও যে সাফল্য আসতে বাধ্য তা দেখিয়ে দিয়েছেন মধু। তাঁর কথায়,”জীবনে বড় কিছু করতে চেয়েছিলাম। পরিবারকে চালাতে কম বয়সে কাজ শুরু করেছিলাম। কিন্তু প্রতিদিন ৫ ঘণ্টা নিয়ম করে পড়াশুনো করেছি। ভোর ৪টেয় উঠে পড়তে বসেছি।”

ছোট শহরের বাসিন্দা মধু মাত্র ১৯ বছর বয়স থেকে কনডাকটরের কাজ শুরু করেন। কাজ করতে করতেই দূরশিক্ষায় রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর পাস করেন। মধু এনসি বলেন,”ইউপিএসসি পরীক্ষার ব্যাপারে কিছুই বোঝেন না আমার মা-বাবা। তবে তাঁরা খুশি। পরিবারের আমিই প্রথম স্কুলের গণ্ডি পেরিয়েছি।”

যেই নার্স আমাকে ইঞ্জেকশন দিয়ছিল, তাঁকে দেখতে হুরের মতো ছিলঃ ইমরান খান

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছেন, মঞ্চ থেকে পড়ে যাওয়ার পর শওকত খানম হাসপাতালের যে নার্স তাকে ব্যথানাশক ইনজেকশন দিয়েছেন, তাকে দেখতে হুরের মতো লেগেছে। ২০১৩ সালে নির্বাচনী প্রচারের সময় মঞ্চ থেকে পড়ে যাওয়ার সময় তিনি মারাত্মক আহত হয়েছিলেন।

সাবেক এই ক্রিকেট তারকা বলেন, তখন তিনি খুব যন্ত্রণার মধ্যে ছিলেন। কিন্তু ওই হাসপাতালের নার্স তাকে যে ইনজেকশন দিয়েছেন, তা কেবল তার ব্যথাই দূর করেনি, তিনি বক্তৃতা দেয়ার সক্ষমতাও অর্জন করেছিলেন।-খবর দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনালের

যে নার্স তার যন্ত্রণা দূর করেছিলেন, তখন তাকে দেখতে হুরের মতো মনে হয়েছে বলে জানান পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী।

রেকর্ড গড়লেন নরেন্দ্র মোদী, এক ক্লিকেই ৬ হাজার কৃষকের অ্যাকাউন্টে দিলেন ১২ হাজার কোটি টাকা

কৃষক সম্মান নিধি। দেশজুড়ে কৃষকের দুরবস্থা কাটাতে এই প্রকল্পই চালু করেছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই প্রকল্পকে কেন্দ্র করে ইতিহাস গড়ল মোদী সরকার। মঙ্গলবার নিজ মুখেই এই সুখবর দিলেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর দাবি, এই মাসে ইতিহাস গড়েছে সরকার। এক ক্লিকেই দেশের ৬ কোটি কৃষকের অ্যাকাউন্টে ১২ হাজার কোটি টাকা ট্রান্সফার করেছে সরকার।

মঙ্গলবার গুজরাতে আলু বিষয়ক তৃতীয় বিশ্ব কনক্লেভে ভিডিও কনফারেন্সে বক্তব্য রাখছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানেই তিনি বলেন, কৃষকদের কঠোর পরিশ্রম ও সরকারের নানাবিধ প্রকল্পের জেরে খাদ্য শস্য উৎপাদনে ভারত বিশ্বের সেরা তিন দেশের সমগোত্রে চলে এসেছে। আর এই সবটাই সম্ভব হয়েছে কৃষকদের একনিষ্ঠতার জন্য।’

পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, ‘সরকার কৃষকদের সুবিধার জন্য একের পর এক কাজ করে চলেছে যার জেরে কৃষকের আয় বেড়েছে। ২০২০ সালে সেই আয়টা দ্বিগুণ হবে।’ এরপরই তিনি জানান, ‘এই মাসের শুরুতেই এক ইতিহাস গড়েছে সরকার। একযোগে দেশের ৬ কোটি কৃষকের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছে ১২ হাজার কোটি টাকা।

এর পাশাপাশি মঙ্গলবার সিএএ নিয়েও কিছুটা সময় ব্যয় করেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। বলেন, দেশভাগের পর নেহেরু গান্ধীজিরা যেটা করার চেষ্টা করছিলেন সেটাই এবার করতে চলেছি আমরা। সিএএ আইনের জেরে পাকিস্তান আফগানিস্তান, বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা নাগরিকত্ব পাবে। তাঁদের দুর্দশা কাটবে।

 

রক্ত দিলো ছাত্ররা! তাও মিলল না হাওড়ার স্কুলে সরস্বতী পুজোর অনুমতি

রক্তের বিনিময়ে সরস্বতী পুজো । রক্তদান শিবিরে অংশ নিলেই স্কুলে মিলবে পুজোর অনুমতি ৷ এমনই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল স্কুল কর্তৃপক্ষ । 38 বছরে ধরে যে স্কুলে পুজো হয়নি কোনওদিন, সেখানে পুজো হবে ভেবে রক্তদান শিবিরে অংশ নেয় ছাত্ররা । কিন্তু প্রতিশ্রুতিই সার । সরস্বতী পুজোর দু’দিন আগে তারা জানতে পারে পুজোর অনুমতি দেয়নি কর্তৃপক্ষ । যার জেরে গতকাল থেকে স্কুলের গেট আটকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে ছাত্ররা ।

হাওড়া ময়দানের কাছে এই বেসরকারি স্কুল । ছাত্ররা স্কুলে সরস্বতী পুজোর দাবি জানাচ্ছে বছরের শুরু থেকেই । যার নামে একাধিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ । কিন্তু প্রতিশ্রুতি রাখা হয়নি বলে অভিযোগ তুলছে ছাত্ররা । তাদের দাবি, স্কুল কর্তৃপক্ষের পয়সায় নয়, নিজেদের তোলা চাঁদাতেই পুজো করতে চায় তারা । কিন্তু কেন স্কুল অনুমতি দিচ্ছে না সেটা তারাও জানে না ।

এবিষয়ে স্কুলেরই এক ছাত্র জানায়, সরস্বতী পুজো হয় না এখানে । আমরা অনেক চেষ্টা করেছি পুজো করার । আমাদের ভয় দেখাচ্ছেন প্রিন্সিপাল । রক্তদান শিবিরে আমাদের থেকে রক্ত নেওয়ার সময় বলেছিল সরস্বতী পুজো করতে দেবে । কিন্তু এখন বলছে অনুমতি দেওয়া যাবে না । আমরা তাই বিক্ষোভ শুরু করেছি ।

এবিষয়ে স্কুলের প্রিন্সিপাল অমিতাভ দত্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন । বলেন, ”স্কুলে চার হাজার ছেলে আছে, শিক্ষকরা আছেন । আমাদের সকলের সঙ্গে বসে তবে তো সিদ্ধান্ত নিতে হবে । কয়েকদিন আমাদের স্কুলে খুবই গুরুত্বপূর্ণ কাজ রয়েছে । 38 বছর কোনওদিন স্কুলে এমন ঘটনা ঘটেনি । এখন যখন আপনারা এসেছেন, এটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় । আমি দেখব বিষয়টি ।”

ফল বিক্রি করে ১৫০ টাকা রোজগার করে স্কুল বানিয়েছিলেন হরেকালা হাজাব্বা, এবার পেলেন পদ্মশ্রী

0

নিরক্ষর। জীবনের স্বপ্ন ছিল ভালো বিড়ি বাঁধিয়ে হবেন। ভাগ্য করে দিল কমলা ফিরিওয়ালা। পথে পথে ঘুরে ঘুরে কমলা ফিরির জীবন। একদিন কিছু বিদেশি পর্যটক এলো কমলা কিনতে। দাম জানতে চাইলো। হাজাব্বা কিছুই বুঝলেন না। দাম বোঝাতে পারলেন না। ওরা বিরক্ত হয়ে চলে গেল।

অশিক্ষিত হাজাব্বা খুব অপমানিত বোধ করলেন। চারদিকে চেয়ে দেখলেন তার মতই অনেক অশিক্ষিত শ্রমজীবী। তিনি ভাবতে লাগলেন, তার সঙ্গে যা হয়েছে হয়েছে, ভবিষ্যত প্রজন্মের সঙ্গে যেন তা না হয়।
ঠিক করলেন স্কুল খুলবেন। স্থানীয় মাদ্রাসা সংলগ্ন একটি ঘরে শুরু করে দিলেন স্কুল। শুরুতে ২৮ ছাত্র হল। নিজে সারাদিন কমলা ফেরী করে যা রোজগার করেন তার বেশীর ভাগ ব্যয় করেন স্কুলে। নিজের তিন সন্তান। স্ত্রী মাইমুনা নিজের সন্তানদের কথা ভেবে হাজাব্বার এই অর্থ ব্যয়ের বিরোধিতা করেন। অনেক কষ্টে তাকে বুঝিয়ে সুজিয়ে নিজের উদ্দেশ্যের সঙ্গে যুক্ত করে নেন হাজাব্বা।

কিছুদিন পর ৫০ শতক জায়গা কিনে বড় আকারে স্কুল গড়ার উদ্যোগ নেন। তার জন্যে তাঁকে দুয়ারে দুয়ারে ভিক্ষে করতে হয়। এক বিশাল বড় মানুষের কাছে অর্থ চাইতে গেলে তিনি তার বিলিতি কুকুর লেলিয়ে দেন হাজাব্বার উপর।

শত প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে হাজাব্বার স্কুল মাথা তুলে দাঁড়ায়। এই সময় মিডিয়া এবং প্রশাসনের নজর তাঁর উপর পড়ে। অনেকে যেচে অর্থ সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন। অনেক পুরস্কার তিনি পান। যার বেশীর ভাগ স্কুলের স্বার্থেই ব্যয় করেন। হাজাব্বার মাথায় সর্বশেষ পালক তাঁকে পদ্ম সম্মানে সম্মানিত করা। তাঁর হাতে পদ্ম তুলে দিয়ে ভালো কাজের স্বীকৃতি দানের মাধ্যমে সরকার পদ্ম সম্মানের গরিমা বৃদ্ধি করলেন।

ব্রেকিং নিউজঃ অসমকে ভারত থেকে আলাদা করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া ছাত্র শারজিল ইমাম গ্রেফতার

দেশবিরোধী মন্তব্য করার জন্য জেএনিউয়ের ছাত্র তথা শাহিনবাগ আন্দোলনের অন্যতম নেতা সারজিল ইমামকে গ্রেফতার করল পুলিশ। বিহারের জেহানাবাদ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। সেখানেই বাড়ি সারজিলের। উত্তর-পূর্ব ভারতের জনগণের বিরুদ্ধে মন্তব্যের জন্য অসম সরকার মামলা করেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। এফআইআর দায়ের করেছিল দিল্লি পুলিশও।

কয়েক দিন আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় সারজিলের একটা ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এই ভিডিওতে দেখা যায় সাম্প্রদায়িক ও বিচ্ছিন্নতাবাদী মন্তব্য করেছেন জেএনইউয়ের এই ছাত্র। ভিডিওতে সারজিলকে বলতে শোনা যায়, “অসমে মুসলিম ও বাঙালিদের মারা হচ্ছে। ধীরে ধীরে সব বাংলাভাষীকে মারা হবে। ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠানো হবে। তাই অসমকে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করতে হবে। রেললাইন বিচ্ছিন্ন করে অন্তত কয়েক দিনের জন্য এই রাজ্যকে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করতে হবে। বিচ্ছিন্ন করতে হবে মণিপুর, অরুণাচল প্রদেশ ও উত্তরপ্রদেশকেও।”

এই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরেই সারজিল ইমামের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহের মামলা করে অসম সরকার। তারপরে এফআইআর করে দিল্লি পুলিশও। পাঁচটি দল গঠন করে দিল্লি পুলিশ। তল্লাশি শুরু হয় মুম্বই, পাটনা ও দিল্লিতে। মামলা হওয়ার পর থেকেই পলাতক ছিলেন সারজিল। অবশেষে পুলিশের হাতে ধরা পড়লেন তিনি।

নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই সোচ্চার হয়েছেন সারজিল। হিন্দি ও ইংরেজি সংবাদমাধ্যমে লিখেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও ছড়িয়ে বিক্ষোভের প্রচার করেছেন। শাহিনবাগে যে ধর্না হচ্ছে তারও অন্যতম প্রধান মুখ বলা হয় এই সারজিল ইমামকে। তবে সারজিলের ওই বিতর্কিত ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর শাহিনবাগের আন্দোলনকারীদের তরফে একটা বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, “নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে শাহিনবাগে আন্দোলন চলছে। এই আন্দোলন ৪৩ দিনে পড়ল। দিনে দিনে আন্দোলনের পরিসর বেড়েছে। আরও বেশি সংখ্যক মানুষ এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন। তাই এই আন্দোলনকে কোনও একজন সারজিল ইমাম বা কারও একার আন্দোলন বলা যাবে না। এটা জনগণের আন্দোলন। এই আন্দোলনের কোনও নেতা বা মুখ নেই।”

অবশ্য এই প্রথম নয়, এর আগেও অনেকবার বিতর্কে জড়িয়েছেন জেএনইউয়ের এই ছাত্র। অযোধ্য মামলার রায় ঘোষণার পর তিনি বলেছিলেন, সংবিধান পুড়িয়ে ফেলবেন। তখনও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। এবারে সারজিলের বিরুদ্ধে জোড়া অভিযোগ ওঠায় বোঝা গিয়েছিল, এবার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া থেকে বেশিদিন পালিয়ে বেড়াতে পারবেন না তিনি। সেটাই হল। গ্রেফতার হলেন তিনি।

আর আমেরিকার উপর নির্ভর করতে হবেনা, এবার আপনার ফোনে জুড়ে গেল ISRO-র প্রযুক্তি!

0

স্মার্টফোনে নিজেদের প্রযুক্তি এনে এবার নতুন চমক দিল ISRO। এবারে নিজস্ব নেভিগেশন সিস্টেম চালু করে বিশ্বের দরবারে ভারতকে পৌঁছে দিয়েছে সফলতার শীর্ষে। এবারে ISRO তৈরি করল নিজস্ব GPS সিস্টেম যার নাম দেওয়া হয়েছে NAVIC। আর এটি খুব শীঘ্রই ইনস্টল হতে চলেছে হাতের মুঠোর অ্যান্ডরয়েড ফোনে। নতুন GPS এর অ্যান্ডরয়েড ফোন আর কিছুদিনের মধ্যেই আসতে চলেছে বাজারে।

এটি একদম ইসরো তথা ভারতের নিজস্ব GPS সিস্টেম। এতদিন আসল GPS সিস্টেম আমেরিকার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হত। ২০১২ সালে GPS সিস্টেমের অপব্যবহারের ফলেই যে, ভারতের ব্রমহোস মিসাইল টেস্ট ব্যার্থ হয় তা সকলেরই জানা। এবারে নিজস্ব নেভিগেশন সিস্টেম আবিস্কারের ফলে শুধু যে দেশের সাধারণ মানুষের উপকার হবে তাই নয়। এই GPS এর মাধ্যমে ভারতীয় সেনাবাহিনীর গোপন তথ্য সুরক্ষিত ভাবে ব্যাবহার করার ও সুবিধা মিলবে।

২০১২ সালে GPS সিস্টেমের অপব্যবহারের ফলেই যে, ভারতের ব্রহ্মস মিসাইল টেস্ট ব্যার্থ হয় তা সকলেরই জানা। এবারে নিজস্ব নেভিগেশন সিস্টেম আবিস্কারের ফলে শুধু যে দেশের সাধারণ মানুষের উপকার হবে তাই নয়। এই GPS এর মাধ্যমে ভারতীয় সেনাবাহিনীর গোপন তথ্য ও সুরক্ষিত ভাবে ব্যাবহার করতে পারবে।

ISRO-র GPS সিস্টেমের সুবিধা জেনে নিন:

১) ইসরোর এই GPS সিস্টেম NAVIC ৫ মিটার অবধি সঠিকতা দেবে, যেখানে আমেরিকান GPS ভারতে ৩০ মিটার অবধি সঠিকতা দেয়।

২) এছাড়াও আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল যেখানে GPS L ব্যান্ডের ওপর শুধু কাজ করতে পারে, সেখানে NAVIC S এবং L দুটো ব্যান্ডের ওপরই কাজ করতে পারবে।

ইসরোর এই যুগান্তকারী আবিষ্কার যে ভারতকে একটি নতুন উচ্চতর পর্যায় পৌঁছে দেবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

মমতার রাজ্যে প্রাণ নাশের আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন পদ্মশ্রী প্রাপ্ত শিক্ষক মাসুম আখতার

সম্প্রতি নরেন্দ্র মোদী সরকার তাঁকে দিয়েছেন পদ্মশ্রী পুরস্কার।এই রাজ্যের পাঁচজন পদ্মশ্রী প্রাপকদের মধ্যে তিনি একজন। অথচ কাজী মাসুম আখতার নামে এই মুসলিম শিক্ষকই এ রাজ্যে রয়েছেন রীতিমত প্রাণভয়ে। বছর পাঁচেক আগে দক্ষিণ কলকাতার যে মাদ্রাসায় তিনি প্রধাণ শিক্ষক ছিলেন সেখানে ছাত্রদের জাতীয় সঙ্গীত গাইতে বলেছিলেন তিনি।

অভিযোগ তারপরই তাঁকে লাঠি এবং লোহার রড দিয়ে প্রচণ্ড মারধর করা হয়। মস্তিষ্কে গুরুতর আঘাত নিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে ফের মারধর করা হয় তাঁকে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশে অভিযোগ জানানো হয়। কিন্তু আফতারের অভিযোগ অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থাই নেয়নি পুলিশ। তাঁর অভিযোগ আদালত বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দিয়েছিল পুলিশকে। তাতেও কাজের কাজ কিছু হয়নি।


এই ইস্যুতে সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের দিকে আঙুল তুলেছেন তিনি। বর্তমানে যাদবপুরের এক স্কুলের এই শিক্ষকের অভিযোগ বাংলায় সরকার যে নীতিতে চলে তাঁর অপরাধীদের ধরতে গেলে সে নীতি চলবে না। তাই এখনও অভিযুক্তরা অধরা। তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ ইদ্রিস আলি এই প্রসঙ্গে বলেছেন আফতার এক সম্প্রদায়ের মানুষের ভাবাবেগে আঘাত করেছেন।ওঁর উচিত নিজের ভুল শুধরে নেওয়া।

 

মাত্র একটাকায় এক জিবি ডেটা! Jio কে তাঁদের খেলাতেই হারিয়ে দিলো আরেকটি স্বদেশী কোম্পানি

বাজারে আসার পর টেলিকম ইন্ডাস্ট্রি প্রায় বেশীর ভাগটাই নিজের দখলে নিয়ে নিয়েছে জিও। নিত্যনতুন প্লান এনে জিও সবসময়ই গ্রাহকদের খুব পছন্দের টেলিকম পরিষেবা হয়ে উঠেছে। অপরদিকে ভারতী এয়ারটেল সহ অন্যান্য টেলিকম সংস্থা যথেষ্ট প্রতিযোগিতার সামনে ফেলেছে জিও কে।

এবার জিও কে যথেষ্ট প্রতিযোগিতার মুখে ফেলেছেনতুন টেলিকম সংস্থা- ‘ওয়াইফাই ডাব্বা’। এবার তারা চালু করল অভিনব এক অফার যাতে পাওয়া যাবে মাত্র এক টাকায় এক জিবি ডেটা। তাদের কানেকশন নিয়ে প্রাথমিক ভাবে সমস্যা থাকলেও এখন তারা এই সমস্যা কাটিয়ে উঠেছে বলে দাবি করা হচ্ছে ওয়াইফাই ডাব্বা’ সংস্থার পক্ষ থেকে। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে “আমরা তিন বছর আগে যখন প্রকল্প শুরু করি, তখন বুঝতেই পারি মূল সমস্যাটি সংযোগ এবং দামের। এখন, আমরা ফাইবার প্রযুক্তি ব্যবহার করে কানেকশন কিনে আইএসপি হিসাবে কাজ করেছি।”

তারা আরো জানাচ্ছে থার্ড পার্টি হার্ডওয়্যার, সফ্টওয়্যার বা পরিকাঠামোর উপরে নির্ভর না করে মালিকানাধীন হার্ডওয়্যার, সফ্টওয়্যার এবং নেটওয়ার্কিং নির্মান করেছে সংস্থাটি। যার ফলে সস্তার ইন্টারনেট দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।  নতুন ডেটা ট্রান্সমিটিং-এ সুপারনোড প্রযুক্তি ব্যবহার করে ‘ওয়াইফাই ডাব্বা’ রাউটারের মাধ্যমে সুপারনোডের ট্রান্সমিট সম্পূর্ণ হবে। এর পরেই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারবেন গ্রাহকরা। এর ফলে ফলে ২ কিমি দূর পর্যন্ত নেটওয়ার্ক পাবেন গ্রাহক।

যদিও আপাতত এই পরিষেবা শুধু বেঙ্গালুরু শহরেই সীমাবদ্ধ। তবে নেটওয়ার্ক যদি ভাল থাকে তবে অচিরেই দেশব্যাপী গ্রহন যোগ্যতা তৈরী হবে ওয়াইফাই ডাব্বার।

 

নাগরিকত্ব আইনের সমর্থনে ব্যাঙ্গালুরুতে বিশাল মিছিল বাঙালিদের, ভিড় দেখে স্তব্ধ বিরোধীরা!

“নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন” (CAA)-এর সমর্থনে বেঙ্গালুরুর ঐতিহাসিক টাউন-হলের সামনে শান্তিপূর্ণ বিশাল সমাবেশে অংশগ্রহণ করলেন বেঙ্গালুরুর বাঙ্গালীরা।

আজ ২২ শে ডিশেম্বর, রবিবার সকালে “Nationalist Citizen Forum” ও “Bengalis in Bangalore”-এর যৌথ উদ্যোগে CAA-এর সমর্থনে আয়োজিত এই সমাবেশে বাঙ্গালীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। শহরের বহু বাঙ্গালী প্রযুক্তিবিদ, প্রতিষ্ঠিত ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার, গবেষক, রিসার্চ স্কলার ও বেঙ্গালুরুতে পড়তে আসা বাঙ্গালী ছাত্রছাত্রীরাও আজ পথে নেমেছিলেন সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের সমর্থনে।

তাদের সকলের মুখে ছিল একই বক্তব্য: “ভারতীয় নাগরিকত্ব দেশভাগে বিপর্যস্ত ভিটেহারা বাঙ্গালীর জন্মগত অধিকার। ধর্মীয় হিংসা ও গণহত্যার কারণে বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত কয়েক কোটি বাঙ্গালী হিন্দু, বৌদ্ধদের জন্য ভারতীয় নাগরিকত্ব হল এক সামাজিক রক্ষাকবচ। পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, আন্দামান ও দন্ডকারণ্য সহ দেশের বহু রাজ্যে বসবাসকারী প্রায় দুই কোটি বাঙ্গালী এর দ্বারা সরাসরি উপকৃত হবেন। এর মধ্যে প্রায় দেড় কোটি বাঙ্গালীই হলেন মতুয়া, নমঃশূদ্র ও রাজবংশীসহ বিভিন্ন তপশীলি ও পিছিয়ে পড়া সমাজের, যাদের কাছে দীর্ঘ আকাঙ্খিত এই নাগরিকত্ব মানবতা ও মানবাধিকারের এক বিশাল বড় আশীর্বাদ”।

সমাবেশে উপস্থিত বেঙ্গালুরুতে চাকুরীরত প্রযুক্তিবিদ ঋষিরাজ পাল ও সুমিত রায়রা বললেন, “যারা আজ ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্য CAA-এর অন্ধবিরোধিতা করছেন, তারা আর যাই হোক, কোনোভাবেই বাঙ্গলা ও বাঙ্গালীর মঙ্গল চাইছেন না”। বিরোধীরা প্রকৃতপক্ষে দুই কোটি উদ্বাস্তু বাঙ্গালীর সাথে শত্রুতা করছেন বলেই তারা মনে করেন।

CAA এর প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে নয়া প্ল্যান বিজেপির, চাপে মমতা ব্যানার্জী

সিএএ বোঝাতে এবার হোলটাইমার নিচ্ছে রাজ্য বিজেপি। দলীয় সূত্রের খবর সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে মানুষের মধ্যে দলের অবস্থান স্পষ্ট করার কর্মী খুব কম। তাই সিএএ বোঝাতে এবার হোলটাইমার নিয়োগ করছে বিজেপি।

সিএএ নিয়ে বিরোধীদের প্রচারের মোকাবিলা করতে জেলায় জেলায় সাধারন মানুষকে এই আইন সম্পর্কে বোঝাবে, এমন কর্মী রাজ্য বিজেপিতে খুব কম আছে। তারপর যারা নিজেরা সিএএ আইনের উপকারিতা সঠিক ভাবে বর্ননা করতে পারেন, তাদের বেশিরভাগই দলের হোলটাইমার নয়। সেইকারনে সিএএ আইন সম্পর্কে যারা ভালো বোঝাতে পারেন সেইসব কর্মীদের হোলটামার করতে চাইছে রাজ্য বিজেপি। এই হোলটাইমাররা আগামী তিন মাস রাজ্য জুড়ে ঘুরেঘুরে সিএএ আইনের উপকারিতা বোঝাবে মানুষকে। তারজন্য হোলটাইমারদের সাতহাজার টাকা মাসিক ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

উত্তরবঙ্গে সবথেকে বেশি হোলটাইমার নিয়োগ করতে পারে বিজেপি। কারন উত্তরবঙ্গের একটি লোকসভা আসন ছাড়া সবকটি বিজেপির দখলে। উত্তরবঙ্গ থেকে আগামী বিধানসভায় বিজেপি ৫০টি আসন টার্গেট করেছে। আর তারজন্য বিজেপি বুঝতে পারছে সিএএ নিয়ে মানুষকে বোঝাতে পারলে বিজেপি তার টার্গেট পূরন করতে পারবে। সেইজন্য সিএএর প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে বিজেপি প্রথম উত্তরবঙ্গে হোলটাইমার নিয়োগ করছে।

দলীয় সূত্রের খবর জলপাইগুড়ি জেলায় ১৫০ জন হোলটাইমার নিযোগ করছে বিজেপি নেতৃত্ব। যদিও এমন খবর নিয়ে বিজেপির কোনও রাজ্য নেতাই মুখ খুলতে নারাজ। অনেক বিজেপি নেতাই বলছেন, সিএএ নিয়ে ধারাবাহিক প্রচার জরুরী। আইনের উপকারিতা বোঝাতে দল যদি হোলটামার নিয়োগ করে তাহলে লাভ হবে দলের। আর এই সিদ্ধান্ত সঠিক বলেও মানছেন দলের একাংশ।

সমীক্ষাঃ ২০২১’এ মমতার পতন প্রায় নিশ্চিত! তৃণমূলকে জবরদস্ত ধাক্কা দিতে চলেছে বিজেপি

পরিসংখ্যানে বিস্তর ফারাক। বর্তমান সমীক্ষা রিপোর্টে একেবারেই সঙ্গতিপূর্ণ নয় লোকসভা নির্বাচনের ফলের সঙ্গে, সঙ্গতিপূর্ণ নয় উপনির্বাচনের সঙ্গেও। দুই পরিসংখ্যানই পরস্পরবিরোধী। একদিকে এই সমীক্ষা রিপোর্ট বলছে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েই সমর্থন রয়েছে বাংলার, অন্যদিকে এই সমীক্ষাতেই প্রকাশ পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির উত্থান ঘটছে।

২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রাপ্ত ভোট ছিল ৪০.২৫ শতাংশ। আর তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছিল ৪৩.২৮ শতাংশ ভোট। অর্থাৎ তৃণমূল বিজেপির তুলনায় ৩.০৩ শতাংশ বেশি ভোট পেয়েছিল। কিন্তু সমীক্ষা জানাচ্ছে বিজেপি তৃণমূলের তুলনায় ৪.২ শতাংশ বেশি ভোট পেতে পারে। কিন্তু উপনির্বাচনে ভিন্ন ফল দেখিয়েছে।

সম্প্রতি আইএএনএস-সি ভোটারের সমীক্ষা অনুযায়ী মুখ্যমন্ত্রীদের যে রিপোর্ট কার্ড সামনে এসেছে, তাতে মমতার স্থান সবার উপরে। এই রিপোর্ট অবিজেপি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা বিজেপির মুখ্যমন্ত্রীদের চেয়ে অনেক ভাল পারফরম্যান্স করেছেন। প্রথম চারেই রয়েছেন অবিজেপি রাজ্যের চার মুখ্যমন্ত্রী। তার মধ্যে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর স্থান সবার উপরে।

এই সমীক্ষার ফল বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুসংবাদ বয়ে এনেছে ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের আগে। আএএনএস-সি ভোটারের সমীক্ষা অনুযায়ী ৬৭.২ শতাংশ মানুষ চাইছে মমতাকেই তাঁরা বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাজে তাঁরা ‘খুব সন্তুষ্ট’।