Home Blog

রাম ভক্তদের ভয় পাচ্ছেন মমতা, বিদায় ঘন্টা বেজে গেছে! বিস্ফোরক অর্জুন সিং

আর বেশি সময় নেই মমতা সরকারের বিদায় ঘণ্টা বেজে গিয়েছে। সেকারণেই তিনি রাম ভক্তদের ভয় পাচ্ছেন। বুধবার রাম মন্দিরের শিলান্যাসের সূচনায় ফের হুঙ্কার বারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের। এদিন সকালে তিনি মন্দিরে গিয়ে রামের পুজো করেন। যজ্ঞানুষ্ঠানও করেন অর্জুন সিং।

রাজ্যে মমতা সরকারের বিদায় ঘণ্টা বেজে গিয়েছে। একদিন সিপিএমের মৃত্যু ঘণ্টা বাজিয়েছিলেন মমতা। এবার তাঁর সরকারের মৃত্যু ঘণ্টা বেজে গিয়েছে। রাম মন্দিরের শিলান্যাসের সূচনাতেই তার ইঙ্গিত রয়েছে। বুধবার এমনই হুঙ্কার দিলেন বারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং।

রাম ভক্তদের ভয় পাচ্ছেন মমতা সেকারণেই ৫ তারিখ লকডাউন ঘোষণা করেছেন তিনি। কিন্তু মানুষের আবেগকে আটকাতে পারবেন না তিনি। মানুষ স্বতোঃস্ফূর্ত হয়েই আজ মন্দিরে প্রদীপ জ্বালাবে। মমতা মানুষের আবেগ বুঝতে পারছেন না বলে আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপি সাংসদ।

অযোধ্যায় রাম মন্দিরের শিলান্যাসের শুভক্ষণে সামিল হয়েছে রাজ্য বিজেপিও। মন্দিরে পুজো দিয়ে সেই শুভক্ষণ উদযাপন করেছেন রাজ্যের বিজেপি নেতারা। তাতে সামিল হয়েছিলেন বারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংও। তিনিও নিজে সকালে গিয়ে মন্দিরে পুজো দিয়েছেন। যজ্ঞ করেছেন।

অযোধ্যায় রাম মন্দিরের সূচনার মধ্য দিয়ে ৫০০ বছরের লড়াই পূর্ণতা পেল বলে দাবি করেছেন অর্জুন সিং। এই দিনটিকে ভারতের ধর্মীয় স্বাধীনতা প্রাপ্তির দিন বলে মনে করেন বিজেপি নেতা। সেকারণেই এই উৎসব পালন করছে মানুষ। এমনই দাবি বিজেপি সাংসদের।

 

ইসলামিক দেশ ইন্দোনেশিয়ায়ও রামের উপাসনা হয়, এটাই রামায়ণের মাহাত্ম্য: নরেন্দ্র মোদী

বুধবার অযোধ্যার রামমন্দিরের ভূমিপুজোর পর ভাষণে বিশ্বজুড়ে রামায়ণের প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। দেশ তথা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে, এমন কি মুসলিম দেশেও রামায়ণের অস্তিত্বের কথা তুলে ধরলেন তিনি।

মোদী জানান, রাম আসলে ঐক্যের প্রতীক। তিনি বলেন, “যেভাবে ভগবান রামের জয়ে সকলে একসঙ্গে প্রচেষ্টা করেছিলেন, যেভাবে সকলে স্বাধীনতার লড়াইয়ে গান্ধীজির পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, ঠিক সেভাবেই আজ দেশবাসীর প্রচেষ্টায় রামমন্দির তৈরির কাজ সম্পন্ন হল।”

এর পরেই রামের সর্বজনীনতা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। এর ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “যে রাম তুলসীর রাম, যে রাম গুরু নানকের রাম, যে রাম কবীরের রাম- সেই রামই জড়িত ভগবান বুদ্ধের সঙ্গে, আবার এই রামই স্বাধীনতার লড়াইয়ে মহাত্মা গান্ধীর ভজনের রাম হিসাবে মনোবল জুটিয়েছেন। রাম আসলে দেশের বিবিধের মাঝে ঐক্যের প্রতীক।

এর পরেই দেশের বিভিন্ন ভাষায় লেখা রামায়ণের কথা তুলে ধরেন তিনি। শুধু তাই নয়, দেশের বাইরে বিদেশেও যেভাবে নানা ভাষায় রামায়ণ লেখা হয়েছে, তার উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, “বিশ্বের সর্বাধিক ইসলাম আধিক্যযুক্ত দেশ ইন্দোনেশিয়া। সেখানেও যোগেশ্বর রামায়ণ, সোমেশ্বর রামায়ণের মতো রচনা রচিত হয়েছে। শুধু সেকালেই নয়, আজও সেখানে রামায়ণ আছে।” শুধু তাই নয়, ইরান ও চিনেও রামকথার বিবরণ রয়েছে, জানান প্রধানমন্ত্রী। আর এই কারণেই রামায়ণ ও রাম শুধু এ দেশের নয়, সমগ্র বিশ্বের কাছে ঐক্যের নাম, বলেন তিনি।

রামচন্দ্রের চিন্তা-ভাবনা প্রাচীনকাল থেকেই ভারতবাসীর পথপ্রদর্শক: গৌতম গম্ভীর

 অবশেষে সম্পন্ন হল রাম মন্দিরের ভূমি পুজো। নিজে দাঁড়িয়ে থেকে ভূমি পূজা সম্পন্ন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মহাশয়। অযোধ্যায় রাম মন্দিরের শিলান্যাস মহাযজ্ঞও ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গিয়েছে। শুধু অযোধ্যা কিংবা উত্তরপ্রদেশবাসী নয় গোটা ভারতবর্ষের মানুষ এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের অপেক্ষায় ছিল। আর এই রাম মন্দিরের ভূমি পূজাকে কেন্দ্র করে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে এক বিশেষ বার্তা দিলেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার তথা বর্তমান বিজেপি সাংসদ গৌতম গম্ভীর।

টুইট করে বিজেপি সাংসদ গৌতম গম্ভীর লিখেছেন, ” অত্যাচার করে নয়, নাগরিকদের সংহতি এবং ঐক্য বজায় থাকে সমস্যার সমাধান করার মাধ্যমে। ভগবান শ্রীরামচন্দ্রের চিন্তা ভাবনা প্রাচীনকাল থেকেই ভারতবাসীর পথপ্রদর্শক। আমাদের সমস্ত ভারতবাসীকে ন্যায়বিচার, মঙ্গল ও সমৃদ্ধির মূল্যবোধ গুলি অন্তর্ভুক্ত করার জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হবে যা ভগবান শ্রীরামচন্দ্রের প্রতীক।

অপরদিকে রাম মন্দিরের শিল্যান্যাস করে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী বললেন, “বহু বছরের অপেক্ষার পর আজ রাম মন্দিরের শিল্যান্যাস হল। দেশজুড়ে খুশির আমেজ। দেশের কোটি কোটি মানুষ আজ ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হলেন। সারা দেশে আজ উৎসবের মেজাজ।”

হিন্দুদের বাড়ি, দোকান থেকে ধার্মিক পতাকা খুলে নিয়ে গেলো পুলিশ! অভিযোগের তির তৃণমূলের বিরুদ্ধে

আজ ৫ আগস্ট ৫০০ বছর ভারতের ধর্মনগরী অযোধ্যায় রাম মন্দিরের পূর্ণনির্মাণ শুরু হয়েছে। বিদেশী আক্রমণকারী বাবর মন্দির ধ্বংস করে যে পাপ করেছিল তা মুছে ফেলে আজ মন্দিরের জন্য ভূমি পূজন করা হয়েছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বের সমস্ত হিন্দুদের জন্য আজ একটা বড়ো দিন।

তবে এমন পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গের মমতা সরকারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, আজ রাজ্য হটাৎ করে অত্যন্ত কড়াভাবে লকডাউন লাগু করে দেওয়া হয়েছে। শুধু এই নয়, অনেক জায়গায় হিন্দুদের ধার্মিক গেরুয়া পতাকা খুলে নেওয়ার অভিযোগও এসেছে।

মমতা সরকার পুলিশকে খারাপভাবে ব্যাবহার করে হিন্দুদের আবেগকে দমন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। লকডাউনের দরুন হিন্দুরা বাড়িতেই ছিল কিন্তু খুশি প্রকাশ করতে অনেকে বাড়ি ও দোকানে গেরুয়া পতাকা লাগিয়ে ছিল। মমতার সরকারের নির্দেশে সেই পতাকা খুলে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

মমতার সরকারের নির্দেশ মেনে পুলিশ অনেক স্থানে পতাকা ছিঁড়েছে এবং পুজোতে বাধা দিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনা প্রসঙ্গে অনেকে পুলিশকে ধিক্কার জানিয়েছেন।

বহু চেষ্টা হয়েছে রামের অস্তিত্ব মেটানোর, কিন্তু ওনাকে সর্বদা আমরা আগলে রেখেছিলাম: নরেন্দ্র মোদী

অযোধ্যা রাম মন্দিরের প্রতিষ্ঠার পর আমন্ত্রিতদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে মঞ্চে ওঠেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মঞ্চে উঠেই তিনি বলেন, “প্রথমে আমার সঙ্গে প্রভু রাম ও মাতা জানকীর নাম করে নিন। তার পরেই কথা এগোব। জয় শ্রী রাম।”

উপস্থিত সকলের জয়ধ্বনির পর তিনি বলেন, “আজ এই জয়ধ্বনি শুধু শ্রীরামের জন্যই এখানেই নয়। এই জয়ধ্বনির শব্দ সমগ্র বিশ্বজুড়ে। বিশ্বজু়ড়ে ভারতভক্তদের এই শুভ মুহূর্তের কোটি কোটি শুভেচ্ছা জানাই।”

একই সঙ্গে তাঁকে ভূমিপুজোর সুযোগ দেওয়ার জন্যও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, “এটা আমার সৌভাগ্য যে শ্রীরামজন্মক্ষেত্র ট্রাস্ট আমাকে এমন মহান ইতিহাসের অংশ হওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। আমি হৃদয় থেকে তাঁদের ধন্যবাদ জানাই। আর আমাকে তো আসতে হতই।”

মোদী বলেন, “ভারত আজ ভগবানের সান্নিধ্য। সরযূর তীরে নতুন ইতিহাস রচনা করছে। উত্তর থেকে দক্ষিণ, সর্বত্র ভারত আজ রামময়। পুরো দেশ রোমাঞ্চিত। প্রতিটি মন আলোকিত। আজ পুরো ভারতে এই ভাবনায় আবেগময়।”

এই মুহূর্তের ঐতিহাসিক গুরুত্ব বোঝাতে তিনি বলেন, “বহু যুগের অপেক্ষার আজ অবসান। কোটি কোটি লোক হয় তো আজ বিশ্বাসও করতে পারছেন না যে তাঁরা এমন ইতিহাসের সাক্ষী হলেন।”

বহু বছরের প্রচেষ্টার পর অবশেষে রামমন্দির তৈরির সূচনার পর যেন কিছুটা আবেগতাড়িত প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “বহু বছর ধরে আমাদের রামলালা এখানে তাঁবুতে থেকেছেন। আজ তাঁর জন্য মন্দির তৈরির সূচনা হল। ভেঙে পড়ে আবার উঠে দাঁড়ানো, আজ এ এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা।”

তিনি রাম মন্দির, অযোধ্যা আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত সকলকে এদিন স্মরণ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের স্বতন্ত্রতা আন্দোলনের সময়ে বহু প্রজন্ম তাঁদের সব সমর্পণ করে। সেই সময়ে ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে সর্বত্র আন্দোলন হয়েছিল। বহু মানুষ প্রাণ বলিদান দিয়েছিলেন। সেই একইভাবে রামমন্দিরের জন্য বহু প্রজন্ম একই ভাবে প্রচেষ্টা করেছেন। আজকের দিন সেই প্রচেস্টা, ইচ্ছা ও ত্যাগের প্রতীক।”

একই সঙ্গে তিনি বলেন যে রামের অস্তিত্ব মেটানোর বহু প্রচেষ্টা হয়েছে। “কিন্তু রামচন্দ্র সেই আমাদের মনে রয়েছেন। তিনি অমর। তিনি আবার তাই প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন, আজ সেই ভূমিপুজো হয়েছে। তাই ভগবান রামকে কখনো মুছে ফেলা সম্ভব নয়। তিনি সমগ্র ভারতবাসীর হৃদয়ে আছেন,” বলেন তিনি।

ভূতের মুখে রাম নাম! নিজেকে চরম রাম ভক্ত বলে ‘জয় শ্রী রাম” বলে উঠলেন তৃণমূল বিধায়ক

রাত পোহালেই অযোধ্যায় হবে বহু প্রতীক্ষিত রাম মন্দিরের শিলান্যাস। তার আগে আবেগে ফুটছেন রামচন্দ্রের কোটি কোটি ভক্ত। তার আগেই তৃণমূল (All India Trinamool Congress) বিধায়কের দলত্যাগের জল্পনায় টানটান উত্তেজনা ঘাসফুল শিবিরে। আর জল্পনা শুরু তৃণমূল বিধায়কের মুখে ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান শুনে। যে স্লোগানকে ‘গালাগালি’ বলে চিহ্নিত করেছিলেন তাঁর দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

জানা গিয়েছে, রাখীর দিন বিকেলে প্রকাশ্যে ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দিতে শোনা যায় ঘাটালের তৃণমূল বিধায়ক শংকর দলুইকে। পরে তিনি বলেন, ‘আমি গর্বিত হিন্দু’। বিধায়কের এই ২ বয়ানে তাঁর দলত্যাগের জল্পনা ছড়িয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর জুড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, রাখীর দিন বিকেলে ঘাটালের রাস্তায় সাধারণ মানুষকে রাখী পরাচ্ছিলেন কয়েকজন বিজেপি কর্মী। গেরুয়া পতাকা হাতে নিয়ে ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনী দিতে দিতে রাখী পরাচ্ছিলেন তাঁরা। তখন সেখানে এসে পড়েন বিধায়ক শংকর দলুই। পালটা ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনী দিতে শুরু করেন তিনি।

সূত্রের খবর, সম্প্রতি ঘাটালের একটি সমবায় ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে শংকরবাবুকে। তার পর থেকেই বিজেপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে তাঁর।

শংকরবাবু বলেন, ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনী বিজেপির একার সম্পত্তি না কি? আমি একজন গর্বিত হিন্দু। আমারও ‘জয় শ্রী রাম’ বলার অধিকার রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে ২ বার বিধায়ক করেছেন। সেই দল ছাড়ব কেন?’

চীনের চার হাজার কোটি টাকা লোকসান করিয়ে দিলো ভারতীয়রা! মাথায় হাত জিনপিংয়ের

চীনা (China) হাঁটাও দেশ বাঁচাও, এই অভিযানের আরও একটি পদক্ষেপ জিতে নিল ভারত (india)। চীনা রাখি (Chinese Rakhi) সম্পূর্ণ রূপে বয়কট করে, এবারে মেড ইন ইন্ডিয়ার রাখিই উঠল ভারতের ভাইয়ের হাতে।

 

‘হিন্দুস্তানি রাখি’
গত ১০ ই জুন দেশজুড়ে ‘হিন্দুস্তানি রাখি’ ব্যবহারের সদ্ধান্ত নিয়েছিল ব্যবসায়ী সংগঠন কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্স (CAIT)। চীন ভেবেছিল ভারতের পক্ষে চীনকে বাদ দিয়ে কোন কিছুই করা সম্ভব নয়। কিন্তু শত্রুর মুখে ছাই দিয়ে ভারত প্রমাণ করে দিল, চীনের দ্রব্য ব্যবহার না করলেও, ভারতের মানুষ বেঁচে থাকবে। আত্মনির্ভর ভারতের পথে এগোচ্ছে ভারত।

 

নিষিদ্ধ হয়েছে চীনা অ্যাপ
সীমান্ত এলাকায় বাড়তে থাকা উত্তেজনের মধ্যে মোদী সরকার এবং সেইসঙ্গে সমস্ত ভারতবাসী চীনের সঙ্গে সকল প্রকার সম্পর্ক ছিন্ন করতে মুখীয়ে রয়েছে। পূর্বেই সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার স্বার্থে ১০৬ টি চীনা অ্যাপ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। সেইসঙ্গে চীন পণ্য বর্জন তো লেগেই আছে। এবার সেই দলে পড়ল রাখিও।

ঝটকা পেল চীন
প্রতি বছর রাখির সময় ভারতে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকার রাখির ব্যবসা হয়। কিন্তু এতকাল যাবত ওই ৬ হাজার কোটি টাকার মধ্যে ৪ হাজার কোটি টাকার রাখি চীন থেকে আমদানি করা হত। আর মাত্র ২ হাজার কোটি টাকার রাখি থাকত ভারতের। কিন্তু এবারে ঘটল সম্পূর্ণ উল্টো, সমস্ত বাজারই ছেয়ে গেল ভারতের তৈরি রাখিতে। আমদানি হল না একটিও চীনা রাখি। ফলে ৪ হাজার কোটি টাকার একটা বড় ঝটকা পেল চীন।

তৈরি হয়েছিল প্রায় ১ কোটি রাখি
সমগ্র দেশ জুড়ে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও ব্যবসায়িক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত মহিলাদের হাত দিয়েই এবার প্রায় ১ কোটি রাখি তৈরি করা হয়েছিল। আবার কেউ কেউ ঘরে বসেই বিভিন্ন রকম রঙ ও ডিজাইনের রাখিও বানিয়েছিলেন। সেইসব রাখি তুলে দেওয়া হয়েছিল কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্সকে।

যাঁরা রামনাম বন্ধ করতে চাইছে তাঁদের নরকেও ঠাঁই হবে না: দিলীপ ঘোষ

আগামীকাল অযোধ্যায় রামমন্দিরের পুজো। সেই একইদিনে এই রাজ্যে সাপ্তাহিক লকডাউন। সেই নিয়ে সরব হয়েছেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, যাঁরা রামনাম বন্ধ করতে চাইছে তাঁদের নরকেও ঠাই হবে না। এতবার দিনবদল হয়েছে লকডাউনের। কিন্তু বারবার বলা সত্ত্বেও আগামীকাল লকডাউন থাকছে। ভূমিপুজো উপলক্ষে আগামীকাল রাজ্যে বিজেপির কর্মসূচিতে বাধা দিলে, ফল ভালো হবে না, প্রশাসনকে সরাসরি হুমকি দিয়ে মন্তব্য দিলীপ ঘোষের।

একাই বিজেপিকে ২১ এ ক্ষমতায় আনবেন দিলীপ ঘোষ, রাজ্য সভাপতির মন্তব্যে জোর জল্পনা

বিজেপি-র অন্তর্কলহ ক্রমশ প্রকট হয়ে উঠছে। গত সপ্তাহে দিল্লিতে বাংলা নিয়ে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে রাজ্য বিজেপির নেতাদের বৈঠকে তা প্রকাশ্যে চলে আসে। এরপরই বিভিন্ন মহলে শোনা যায় বিজেপির রাজ্য সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিতে চলেছেন দিলীপ ঘোষ। এই নিয়ে সরগরম হয়ে ওঠে বাংলার রাজনৈতিক মহল। কিন্তু সোমবার সাংবাদিক সম্মেলনে সেই সম্ভাবনা নাকচ করতে গিয়ে আরও বিস্ফোরক বিবৃতি দিয়ে ফেললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। যা নিয়ে সরগরম রাজ্য বিজেপি। দিলীপ ঘোষের বিবৃতি নিয়ে দিল্লির হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন রাজ্য বিজেপির অন্যান্য নেতারা।

কী বলেছেন দিলীপ ঘোষ?
রাজ্য বিজেপির অন্তর্কলহ নিয়ে দিলীপ ঘোষ দাবি করেন , বিজেপির মধ্যে কোন বিরোধ নেই। মিডিয়া বিরোধ তৈরির চেষ্টা করছে। তৃণমূল চক্রান্ত করছে। বিজেপি অন্য দলের থেকে আলাদা। এই পর্যন্ত সব ঠিক ছিল। এরপরের প্রশ্ন ছিল আপনি পদত্যাগ করছেন?  কার্যত মেজাজ হারিয়ে ফেলেন সভাপতি। তিনি বলেন, “দিলীপ ঘোষ যদি পদত্যাগ করবেন বলে মনে করেন তাহলে আর এই চেয়ারে বসে থাকত না। আমি বুকে পা দিয়ে রাজনীতি করি। যে সামনে আসবে তাঁর বুকের উপর পা গিয়ে রাজনীতি করব। আর দিলীপ ঘোষ একাই ২১-এ এই রাজ্যে বিজেপিকে নিয়ে আসবে। যদি কারোর বিশ্বাস কিংবা আত্মবিশ্বাস না থাকে তাহলে ঘরে বসে থাকুক। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী হলে এসে যেন মিস্টি খেয়ে যায়।”

দিলীপের এই বক্তব্যের পর বিজেপির ভিতরেই চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে কাকে ইঙ্গিত করলেন দিলীপ ঘোষ। এই নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছে বিজেপির অন্দরেই। পাশাপাশি  “একাই ২১-এ এই রাজ্যে বিজেপিকে নিয়ে আসবে।” এই বক্তব্যকে ঘিরে বিজেপির অন্যন্য রাজ্য নেতারা ক্ষোভ উগরে  দিয়েছেন। তাঁরা পরিষ্কারভাবে জানতে চেয়েছেন দিলীপ ঘোষ যদি একাই পারেন বাংলায় বিজেপিকে জিতিয়ে নিয়ে আসতে, তাহলে তাঁদের দলে থেকে লাভ কী? কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের হস্তক্ষেপ দাবি করে দিলীপ ঘোষের এই বক্তব্যের ভিডিয়ো ক্লিপ পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে দিল্লিতে।

শুভেন্দু অধিকারী চুপ হলেও, বিক্ষোভে সরব হলেন শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ এই বিধায়ক! চাপে মমতা

শুভেন্দু অধিকারীকে দলের সাধারণ সম্পাদক পদ দিয়ে ছেঁটে ফেলার চেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছিল। এবার বিদ্রোহের স্ফুলিঙ্গ দেখা দিল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা তৃণমূল (TMC) থেকে। এক বৈদ্যুতিন সংবাদ-মাধ্যমে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন ময়নার তৃণমূল বিধায়ক তথা শুভেন্দু অধিকারীর (Shuvendu Adhikari) বিশ্বস্ত অনুগামী, চিকিৎসক সংগ্রাম দোলুই।

তিনি বলেছেন, “সারা বাংলা শুভেন্দু অধিকারীকে ভালোবাসে, যিনি দিদির এক নম্বর সৈনিক। দিদির পরে দলে দ্বিতীয় ব্যাক্তি হওয়ার যোগ্য কিন্তু শুভেন্দু অধিকারী, তাঁকেই দলে সম্মান দেওয়া হচ্ছে না।” তাঁর আরও দাবি, “বিষয়টি এখনই বিবেচনা করে দেখুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমার দৃঢ় বিশ্বাস দল সুবিচার করবেই।” এমন মন্তব্য করে কার্যত তৃণমূল সুপ্রিমোকে চাপে ফেলে দিয়েছেন ময়নার বিধায়ক, এমনটাই মনে করছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহল।

২৩ জুলাই তৃণমূলের রাজ্য কমিটি ঘোষিত হওয়ার পর থেকে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে তৃণমূলের অন্দরে। শুভেন্দু অধিকারীকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, ছত্রধর মাহাতোর মত দলে নবাগতদের সঙ্গে সম্পাদক করা নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে তাঁর অনুগামীদের মধ্যে। বিষয়টি নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন শুভেন্দু অনুগামীরা। এবার দলীয় বিধায়কও নবগঠিত কমিটি নিয়ে খুশি নন বলে প্রকাশ্যেই বিদ্রোহ করে বসলেন। তবে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা তৃণমূল সভাপতি ও চেয়ারম্যান সাংসদ শিশির অধিকারী (Shishir Adhikari) বলেছেন, “যা সিদ্ধান্ত দল নিয়েছে তা ভালোর জন্যই নিয়েছে। দলের ওপর কেউ নয়। দলের সুপ্রিমোর সিদ্ধান্তই শেষ কথা, কে কী ভাবল সেটা কেউ মানে রাখে না।”

সংগ্রাম দোলুই

শুভেন্দু অধিকারীর পিতা শিশির অধিকারী এ বিষয়ে যাই বলুন না কেন, কমিটি গঠনের পর থেকেই মৌন হয়ে রয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। মনে করা হচ্ছে শুভেন্দু অনুগামীদের বিদ্রোহ আগামী দিনে আরও বড় জায়গায় যেতে পারে। কারণ শুধুমাত্র শুভেন্দু অধিকারী নয়, পরবর্তী ক্ষেত্রে বিভিন্ন জেলা কমিটি গঠনে যুব সংগঠন থেকে বাছাই করে তাঁর অনুগামীদের ছেঁটে ফেলা হচ্ছে। সম্প্রতি এক ভার্চুয়াল বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর এই সাংসদ ভাইপো জানিয়ে দিয়েছেন, ৪০ বছর বয়সের ওপরের কেউ সংগঠন করতে পারবেন না। অথচ, বর্তমানে তাঁর নেতৃত্বাধীন যুব সংগঠনের একাধিক ব্যক্তি রয়েছেন যাদের বয়স পঞ্চাশ ছুঁই ছুঁই। এমতাবস্থায় নিজের অনুগামীদের ছাঁটাই দেখে এখনও অবধি চুপ রয়েছেন শুভেন্দু। কিন্তু তাঁর অনুগামীদের ক্ষোভের বিস্ফোরণ হতে শুরু করেছে।

একবার রাম মন্দির হলেই মোদীর নেতৃত্বে কায়েম হবে রামরাজ্য, বললেন মুখ্যমন্ত্রী

অযোধ্যায় ভূমিপূজনের আগের দিন সবাইকে প্রদীপ জ্বালানোর পরামর্শ দিলেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে রামমন্দির তৈরি হলে দেশের ভাগ্য ফিরবে। তাঁর কথায়, “আমি বরাবরই ভাবতাম, নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বেই রামমন্দির তৈরি হবে। মোদীর নেতৃত্বেই দেশে রামরাজ্য আসবে। আমি সকলের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, ৪ ও ৫ অগাস্ট বাড়িতে মাটির প্রদীপ জ্বালান।” করোনায় আক্রান্ত হয়ে শিবরাজ সিং চৌহান এখন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

 

আগামী বুধবার অযোধ্যায় রামমন্দিরের শিলান্যাস করবেন মোদী। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন সেই অনুষ্ঠানে। সেই সঙ্গে থাকবেন অন্তত ২০০ পুরোহিত।

করোনা অতিমহামারীর পরিস্থিতিতে ওই অনুষ্ঠান নিয়ে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ। রামজন্মভূমি চত্বরের এক পুরোহিত এবং সেখানে প্রহরারত ১৪ জন পুলিশকর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ভূমিপূজন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি করোনা পজিটিভ হয়েছেন। মন্দির ট্রাস্ট অবশ্য বলেছে, ভূমিপূজনের অনুষ্ঠান নির্ধারিত সূচি মেনেই হবে।

উত্তরপ্রদেশে এখন করোনা রোগীর সংখ্যা ৩৮ হাজার ২৩। এরই মধ্যে শুরু হচ্ছে মন্দির নির্মাণের কাজ। আগে যে আয়তনের মন্দির তৈরি হবে বলে ভাবা হয়েছিল, বাস্তবে মন্দিরের আকার হতে চলেছে তার দ্বিগুণ। গতবছর নভেম্বর মাসে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে রামমন্দির নির্মাণের পথ তৈরি হয়। শীর্ষ আদালত কেন্দ্রীয় সরকারকে নির্দেশ দেয়, মসজিদ নির্মাণের জন্য সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে শহরে পাঁচ একর জমি দিতে হবে।

করোনা সংকটের সময়ে রামমন্দিরের ভূমিপূজনের জমায়েত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। তাঁর সাফ কথা, এই সময়ে পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে ভিডিও কনফারেন্স তথা ভার্চুয়াল ভূমিপূজন হতে পারত।

উদ্ধব ঠাকরে শিবসেনার সভাপতি। রাম জন্মভূমি আন্দোলনে শিবসেনারও ভূমিকা কম ছিল না। তাও স্মরণ করিয়ে দেন বালাসাহেব-পুত্র। রবিবার শিবসেনার মুখপত্র সামানায় উদ্ধবের এই বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে। উদ্ধবের বক্তব্য, লক্ষ লক্ষ রামভক্তদের কাছে এটা একটা বড় দিন। অনেক আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। তাঁদের আটকে যদি বড় মাথারা সেখানে গিয়ে ভূমিপূজন করেন তাহলে তাঁদের ভাবাবেগে ধাক্কা লাগবে। তিনি আরও বলেন, “রামমন্দির কোনও সাধারণ মন্দির নয়। এর পিছনে রয়েছে লম্বা ইতিহাস।”

মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “আমি চাইলে ওই অনুষ্ঠানে যেতে পারি। কিন্তু আমি চাই না লক্ষ লক্ষ রাম ভক্তকে আটকে দিয়ে নিজে যেতে। এটা তাঁদের আবেগের সঙ্গে তঞ্চকতা করা হবে।” ২০১৮ সালে মহারাষ্ট্র থেকে কয়েক হাজার শিব সৈনিককে নিয়ে অযোধ্যায় গিয়ে ধর্নায় বসেছিলেন উদ্ধব। সরযূ নদের তীরে বসে দাবি জানিয়েছিলেন, দ্রুত রাম মন্দির নির্মাণের ফয়সালা করতে হবে।

টপকালেন অটল বিহারীকে, প্রথম অ-কংগ্রেসি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নজির নরেন্দ্র মোদীর

নয়া দিল্লীঃ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) নামে আরও একটি রেকর্ড দায়ের হয়ে গেলো। নরেন্দ্র মোদী বিজেপির সবথেকে দীর্ঘকালীন ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এই রেকর্ড গড়লেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী (Atal Bihari Vajpayee) -এর রেকর্ড ভেঙে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সবথেকে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ আসনে কায়েম থাকার প্রথম অ-কংগ্রেসি নেতা হলেন। অ-কংগ্রেসি নেতা হিসেবে নরেন্দ্র মোদীর সবথেকে বেশিদিন প্রধানমন্ত্রী থাকার রেকর্ড বানিয়ে নিলেন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আগে অটল বিহারী বাজপেয়ী সবথেকে দীর্ঘ সময় ধরে থাকা প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। উনি লাগাতার ২ হাজার ২৫৬ দিন পর্যন্ত দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ১৯ মার্চ ১৯৯৮ এ অটল বিহারী বাজপেয়ী প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। তিনি ২২ মার্চ ২০০৪ পর্যন্ত দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। অটল বিহারী বাজপেয়ীর প্রথম কার্যকাল ১৯ মার্চ ১৯৯৮ থেকে ১৩ অক্টোবর ১৯৯৯ পর্যন্ত চলে। আর ওনার দ্বিতীয় কার্যকাল ১৩ অক্টোবর ১৯৯ থেকে ২২ মে ২০০৪ পর্যন্ত চলে।

বর্তমানে নরেন্দ্র মোদী এখনো পর্যন্ত ২ হাজার ২৬০ দিন ধরে লাগাতার প্রধানমন্ত্রীর পদে বহাল আছেন। নরেন্দ্র মোদীর লাগাতার সবথেকে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত পদে থাকা অ-কংগ্রেসি নেতা রুপে উঠে এলেন। নরেন্দ্র মোদীর কার্যকাল ২৬ মে ২০১৪ থেকে শুরু হয়েছিল। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে বিজেপি ব্যাপক জনমত নিয়ে কেন্দ্রে সরকার গঠন করে। ২৬ মে ২০১৪ এয় নরেন্দ্র মোদীর প্রথমবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। ওনার প্রথম কার্যকাল ২০১৯ এ শেষ হয়। কিন্তু এরপরে আবারও বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসে বিজেপি। উনি আরও একবার প্রধানমন্ত্রী হন দেশের।

দেশ স্বাধীনের পর ১৯৪৭ থেকে ২০২০ পর্যন্ত ১৫ জন প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন ভারতের। দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহর লাল নেহরু ছিলেন। আর উনি প্রথম দীর্ঘকালীন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ভারতের। উনি ৬ হাজার ১৩০ দিন ভারতের ক্ষমতায় ছিলেন। এরপর ইন্দিরা গান্ধী ৫ হাজার ৮২৯ দিন দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। মনমোহন সিং ৩ হাজার ৬৫৬ দিন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।

TRending Now