Home Blog

মমতার শাসনে বেড়েই চলেছে ক্ষোভ! পুলিশের পর এবার দমকল কর্মীরা নামলেন রাস্তায়

চাকরির কোনও নিরাপত্তা নেই, দেওয়া হয় না কোনও ভাতা, তার ওপর কেটে নেওয়া হচ্ছে বেতন। এমনই অভিযোগ তুলে এবার রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাল দমকল বিভাগের প্রায় ১০০ জন অস্থায়ী কর্মী।

শনিবার কাজ করতে গিয়ে মৃত্যু হয় দমকল বিভাগের এক অস্থায়ী কর্মীর। এই মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসার পরেই রবিবার সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন দমকল বিভাগের অস্থায়ী কর্মীরা। এদিন অস্থায়ী কর্মীদের একাংশ দক্ষিণ কলকাতার টালিগঞ্জ থানার অন্তর্গত দেশপ্রাণ শাসমল রোড অবরোধ করেন এবং বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের অভিযোগ, আমরা দিন-রাত কাজ করে চলেছি। আমাদের কাজের নির্দিষ্ট কোনও সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়নি। আমাদের কোনও ভাতা দেওয়া হয়নি। তার ওপর বেতন কেটে নেওয়া হচ্ছে। দেওয়া হচ্ছে না নূন্যতম সম্মান টুকুও। এমনকি এই করোনা পরিস্থিতিতে অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। বার বার বলা স্বত্ত্বেও দেওয়া হচ্ছে না কোনও বর্মবস্ত্র (পিপিই)।

ঘটনার সূত্রপাত শনিবার, যখন কাজ করতে গিয়ে অস্বাভাবিকভাবে মৃত্যু হয় ২২ বছরের দেবনারায়ণ পালের। এদিন টালিগঞ্জ দমকল স্টেশনের কর্তৃপক্ষের গাফিলতির ফলে তাঁর ওপর একটি পোল পড়ে যায়। এর ফলে মৃত্যু হয় ওই কর্মীর। এই ঘটনায় স্টেশন মাস্টার কৃষ্ণেন্দু কুণ্ডলকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এইভাবে বারবার পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে নিচুতলার কর্মীদের বিক্ষোভ আন্দোলন প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে সরকারকে। এর আগে কলকাতা পুলিশ ট্রেনিং স্কুলে পুলিশ কর্মীদের বিক্ষোভ। তারপর গরফা থানা ও সল্টলেকের চতুর্থ ব্যাটালিয়নে পুলিশ কর্মীদের বিক্ষোভের ঘটনা এবং দমকল কর্মীদের বিক্ষোভ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ সম্পর্কে নিচুতলার কর্মীদের আস্থা হারিয়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে। এ দিকে সল্টলেকের ঘটনায় দুই পুলিশ কর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

তৃণমূলের হেভিওয়েট সাংসদের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছেন দলের নেতা কর্মীরা! নেওয়া হটে পারে কঠোর সিদ্ধান্ত

প্রথম থেকেই দলের প্রবীণ নেতাদের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। সময় যত  এগিয়েছে ততই বেড়েছে সেই দূরত্ব। আর এ বার করোনা ও আমপান পরবর্তী পরিস্থিতিতে জেলার একাধিক ব্লক সভাপতি পরিবর্তনের পাশাপাশি নতুন জেলা কমিটি তৈরির সঙ্গে সঙ্গে সাংসদ তথা সাংগঠনিক জেলা সভাপতি মহুয়া মৈত্রের সঙ্গে  জেলায় তৃণমূল নেতাদের একাংশের বিরোধ চরম আকার ধারণ করেছে।

দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই নেতারা সেই অসন্তোষ চেপে রাখেননি। রবিবার রাতেই তেহট্টের বিধায়ক তথা অবিভক্ত জেলা কমিটির প্রাক্তন সভাপতি গৌরীশঙ্কর দত্ত, রাজ্যের কারামন্ত্রী তথা কৃষ্ণনগর দক্ষিণের বিধায়ক উজ্জ্বল বিশ্বাস,  নাকাশিপাড়ার বিধায়ক তথা অবিভক্ত জেলা কমিটির প্রাক্তন কার্যকরী সভাপতি কল্লোল খাঁ দলের রাজ্য সভাপতি ও মহাসচিবকে ফোন করে তাঁদের অসন্তোষের কথা জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি, এত বড় একটা সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, অথচ তাঁদের কিছুই জানানো হয়নি। আর এই বিষয়টা সামনে আসার পরই দলের একেবারে তৃণমূল স্তরের কর্মীদের মধ্যে ব্যপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

দলের এক কর্মী বলেন, ‘‘এই মানুষগুলোকে সামনে রেখে আমরা সিপিএমের বিরুদ্ধে লড়াই করে ক্ষমতায় এসেছি। এই নেতারাই এক দিন আমাদের বুক দিয়ে আগলে রেখেছিলেন। এখন তাঁদের এ ভাবে অপমান আমরা কোনও ভাবেই মানব না।’’ তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, একেবার প্রথম থেকেই কল্লোল খাঁ, গৌরীশঙ্কর দত্ত, উজ্জ্বল বিশ্বাস, অবনীমোহন জোয়ারদার, রুকবানুর রহমানদের মতো নেতাদের সঙ্গে তিক্ত সম্পর্ক তৈরি হয়েছে মহুয়ার। এর আগেও চাপড়ার ব্লক যুব তৃণমূলের ব্লক  সভাপতি পরিবর্তন নিয়ে রুকবানুরের সঙ্গে তাঁর বিবাদ চরম আকার নিয়েছিল। এমনকি ছাত্র সংগঠনের ব্লক সভাপতি পরিবর্তন নিয়েও একই ভাবে বিবাদ সামনে চলে আসে তেহট্টের বিধায়ক গৌরীশঙ্কর দত্তর সঙ্গেও। ব্লক নেতৃত্বে পরিবর্তন করতে গিয়ে কল্লোলের সঙ্গেও তিনি বিবাদে জড়িয়ে পড়েন।

আবার জেলা কমিটিতে সহ সভাপতি  ও সাধারণ সম্পাদক পদে  যাঁদের আনা হয়েছে, তাঁদের বেশির ভাগই দীর্ঘ দিন ধরে সক্রিয় রাজনীতি থেকে দূরে আছেন বলে দাবি তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের একাংশের। জেলা কমিটি তৈরি হলেও পুরনো নেতাদের সঙ্গে কোনও রকম আলোচনা করা হয়নি বলে রাজ্য নেতৃত্বের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। এ নিয়ে কল্লোল বলেন, “ব্লক সভাপতি পরিবর্তন করতে গেলে রাজ্য নেতৃত্বের অনুমোদন লাগে। রাজ্য নেতৃত্ব কোনও অনুমোদন দেননি জানি।” আবার গৌরীশঙ্কর বলেন, “আমাদের অসন্তোষের কথা রাজ্য নেতৃত্বকে জানিয়ে দিয়েছি।”

এ দিনও ফোন করে মহুয়াকে পাওয়া যায়নি। জেলার পর্যবেক্ষক রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এটা দলের সিদ্ধান্ত। আলোচনার মাধ্যমেই ২০২১ সালকে সামনে রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

BIG BREAKING: তৃণমূলের বোমার আঘাতে আহত তৃণমূলের যুব সভাপতি সমেত সাত

গোটা রাজ্যবাসীই নানান সমস্যার সন্মুখিন। একদিকে ঝড়, আরেকদিকে ভাইরা এবং লকডাউন। আর এই সঙ্কটের মধ্যে কমছে না তৃণমূলের (All India Trinamool Congress) গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। রাজ্যের কোথাও না কোথাও প্রায় দিনই উঠে আসছে শাসকদের গোষ্ঠীদ্বন্দের খবর। আর এবারও সেই ত্রাণ বিলি নিয়ে তৃণমূলের দুই দলের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ। এমনকি চলল বোমাবাজিও।

এর আগে ত্রাণ বিলি নিয়ে কামহারটিতে তৃণমূলের গোষ্ঠীসংঘর্ষে প্রাণ হারান দলেরই এক কর্মী। ওই ঘটনায় তৃণমূল কাউন্সিলর রুপালী সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিল এলাকাবাসী। এবার সেই ঘটনার রেষ কাটতে না কাটতেই ভাঙ্গড় থানার গোবিন্দপুর এলাকায় ত্রাণ বিলি নিয়ে চলল গোষ্ঠী সংঘর্ষ।

তৃণমূলের দুই দলের মধ্যে হওয়া গোষ্ঠী সংঘর্ষে বোমার আঘাতে আহত হন সাতজন। ভাঙড়ের এক নম্বর ব্লকের তৃণমূল সভাপতি বাদল মোল্লা সমেত বেশ কয়েকজন ওই বোমার আঘাতে আহত হন। শনিবার রাতে এই ঘটনায় গোটা এলাকায় আতঙ্কের মহল সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে, ত্রাণ বিলি কোন দল করবে সেটা নিয়েই দুই দলের মধ্যে বেশ কয়েকদিন ধরেই বাকবিতণ্ডা চলছিল। আর সেটি গতকাল রাতে প্রকাশ্যে চলে আসে। তৃণমূলের নেতা কাইজার আহমেদ এর দলবল ওই এলাকায় ত্রাণ বিলি করছিল। আর সেই সময় তৃণমূলের আরেক নেতা বাদল মোল্লা সেখানে মানুষের নাম নিয়ে ত্রাণ দেবে বলে তালিকা তৈরি করছিল।

এরপর দুই দল সামনা সামনি আসার পর শুরু হয়ে যায় সংঘর্ষ। চলে বোমাবাজি। ওই বোমাবাজিতে তৃণমূল নেতা বাদল মোল্লা সমেত সাতজন আহত হন। আহতদের নলমুড়ি প্রাথমিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এবং বাদল মোল্লাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

একাই হারাব তৃণমূলকে, ২১ এর নির্বাচন প্রশঙ্গে বললেন অমিত শাহ

একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বাংলায় (West Bengal) ক্ষমতায় আসছি জানিয়ে দিলেন অমিত শাহ (Amit Shah)। শনিবার একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই দাবি করলেন প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। মোদী সরকার ২.০ এর প্রথম বর্ষপূর্তিতে এই কথা জানান তিনি।

অমিত শাহকে যখন জিজ্ঞাসা করা হয় যে, আগামী দিনে বিহার এবং পশ্চিমবঙ্গে দুটি রাজ্যে বিধানসভার নির্বাচন রয়েছে। করোনার মধ্যে এই দুটি রাজ্যে কিভাবে ভোট করানো সম্ভব হবে? তখন ওই প্রশ্নের উত্তর অমিত শাহ বলেন, ‘বড় বড় রাজ্যের ভোট সাধারণত আটকে থাকে না, তবে এরকম পরিস্থিতির সন্মুখিন কখনো হয়নি দেশ। সেই জনু এই পরিস্থিতিতে এই দুই রাজ্যে ভোট হবে কি না সেটা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

এরপর অমিত শাহ জানান, বিহারে আমাদের অবস্থা অনেক ভাল। এবং পশ্চিমবঙ্গে আমরা একক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় ক্ষমতায় আসছি। আপনাদের জানিয়ে দিই, অমিত শাহ এর আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, বিহারে নিতিশ কুমারের নেতৃত্বেই নির্বাচনে লড়বে বিজেপি। এমনকি নিতিশ কুমারই আগামী মুখ্যমন্ত্রী হবেন।

উনি পশ্চিমবঙ্গের রণনীতি নিয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, রাজ্যে বিজেপি সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপাবে। উনি জানান, পশ্চিমবঙ্গে এখন হিংসার রাজনীতি চলছে। ৩৪ বছর কমিউনিস্টরা যেমন ভাবে হিংসার রাজনীতি করেছিল, তৃণমূলও ঠিক তাই করছে। উনি জানান, পশ্চিমবঙ্গে এখন কেরলের মতই প্রতিহিংসার রাজনীতি চলছে। আর সেই হিংসা একমাত্র বিজেপিই রুখতে পারে।

রাজ্যের মন্ত্রীকে দল থেকে তাড়াতে হাজার হাজার মানুষ নিয়ে রাস্তায় নামছেন তৃণমূল বিধায়ক

লকডাউনের মধ্যেও কমছে না তৃণমূলের (All India Trinamool Congress) গোষ্ঠী কোন্দল। এবার রাজ্যের মন্ত্রী সাধন পাণ্ডের (Sadhan Pande) বিরুদ্ধে সরব হলেন দলেরই বিধায়ক পরেশ পাল (Paresh Paul)। বেলেঘাটার তৃণমূলের বিধায়ক পরেশ পাল রীতিমত হুমকি দিয়েই বলেছেন যে, লকডাউন উঠলেই মন্ত্রী সাধন পাণ্ডেকে দল থেকে তাড়াতে ১৫ হাজার মানুষ নিয়ে রাস্তায় নামবেন তিনি।

সম্প্রতি রাজ্যের পুরমন্ত্রি ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে। তিনি সরাসরি কলকাতার প্রাক্তন মেয়র তথা বর্তমানে কলকাতার প্রসাশক ববি হাকিমের বিরুদ্ধে মুখ খুলে বলেছিলেন যে, আমফান নিয়ে কলকাত পুরসভার কোন প্রস্তুতি ছিল না। এমনকি ফিরহাদ হাকিম কারোর থেকেই পরামর্শ নেয়নি বলে তোপ দেগেছিলেন তিনি।

মন্ত্রী সাধন পাণ্ডের এই মন্তব্যের ফলে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল আবারও প্রকাশ্যে এসেছিল। তৃণমূলের তরফ থেকে বর্ষীয়ান নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী সাধন পাণ্ডেকে শোকজও করা হয়েছিল। আর সেই সুযোগকে হাতিয়ার করে এবার রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রীর বিরুদ্ধে মোর্চা খুললেন বিধায়ক পরেশ পাল।

এটাই প্রথম না যে, সাধন পাণ্ডে আর পরেশ পালের কোন্দল সামনে এলো। এর আগেও বহুবার বাকবিতণ্ডায় জড়িয়েছিলেন তৃণমূলের এই দুই নেতা। এমনকি মন্ত্রী সাধন পাণ্ডেকে জানোয়ার আর লম্পট বলে আক্রমণ করেছিলেন পরেশ পাল।

এছাড়াও সাধন পাণ্ডের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযোগ করে পরেশ পাল বলেছিলেন যে, রোজভ্যালি মামলায় সিবিআই আর ইডির হাত থেকে বাঁচতে বিজেপির সাথে বোঝাপড়া করে তৃণমূলের ক্ষতি করেছেন সাধন পাণ্ডে। এবার ফিরহাদ হাকিম আর কলকাতা পুরসভাকে একহাতে নেওয়ার জন্য আবারও পরেশ পালের আক্রমণের মুখে সাধন পাণ্ডে।

সমীক্ষাঃ ভারতের ৫০ জন প্রভাবশালী মানুষের তালিকায় প্রথম নরেন্দ্র মোদী, দ্বিতীয় যোগী আদিত্যনাথ

ভারত (India) ও সমস্ত বিশ্বজুড়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ব্যাপক প্রভাব রয়েছে তা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। তবে সম্প্রতি এক সার্ভে নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তা ও দেশে উনার প্রভাবকে তুলে ধরেছে।

ফেম ইন্ডিয়া এবং এশিয়া পোস্ট এর এক সার্ভের মাধ্যমে দেশের ৫০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে। যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra modi) প্রথম স্থান অধিকার করেছেন। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ও হিন্দুত্ববাদের বড়ো মুখ হিসেবে পরিচিত যোগী আদিত্যনাথ ২য় স্থান অধিকার রয়েছেন। NSA অজিত ডোভাল নবম স্থান অধিকার করেছেন।

অন্যদিকে, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও এই তালিকায় জায়গা করে নিতে সফল হয়েছেন, তিনি ১৬ তম স্থানে রয়েছেন। দেশের অন্যান্য মুখ্যমন্ত্রীদের কথা বলতে গিয়ে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক ১০ তম, ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেেন ১২ তম স্থান অধিকার করেছেন। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ১৩ তম স্থানে রয়েছেন।

এই তালিকায় কংগ্রেসের সহসভাপতি রাহুল গান্ধী, যোগ গুরু রামদেব বাবা, অভিনেতা অক্ষয় কুমার এবং জেপি নাড্ডার মতো ব্যক্তিত্ব রয়েছেন। বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা ১৭ তম, স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন ১৮ তম এবং রাহুল গান্ধী ২১ তম স্থান পেয়েছেন। অভিনেতা অক্ষয়কুমার ২৩ তম স্থান পেয়েছেন। এই সার্ভেতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ৩য় স্থান অধিকার করেছেন। ব্যাবসায়ী রতন টাটা চতুর্থ স্থান এবং মুকেশ আম্বানি পঞ্চম স্থান অধিকার করেছেন।

জানিয়ে দি, এই সার্ভে ১২ হাজার বুদ্ধিজীবীদের মতের অনুযায়ী করা হয়েছে। তালিকায় রাজনীতিবদ, ব্যুরোক্র্যাটস, অভিনেতা, ব্যাবসায়ী, সাংবাদিক ও আধ্যাত্মিকতার সাথে জুড়ে থাকা মানুষজন রয়েছেন। ৫০ জনের এই তালিকায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ৯৯.৬ শতাংশ মতের সমর্থন পেয়ে প্রথম স্থানে রয়েছেন।

২১-এ হবে উৎখাত! তৃণমূলে বড়সড় দুর্যোগ আনার জন্য কোমর বাঁধল বিজেপি

২৭ মে, বুধবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকারের ৯ বছর হচ্ছে। ওই দিনই সরকারের বিরুদ্ধে ৯ দফা চার্জশিট দেবে রাজ্য বিজেপি। রাজ্য বিজেপি সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে। সামনের বছর বিধানসভা ভোট। লকডাউন থাকায় দু’মাস সমস্ত দলীয় কর্মসূচি বন্ধ ছিল। এবার লকডাউনের সময়সীমা শেষ হতে চলেছে। তাই দিল্লির শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে এবার ময়দানে ঝাঁপাতে চলেছে বঙ্গ বিজেপি।

রাজ্যে ‘অযোগ্য’ সরকারকে বদলে দিয়ে ২০২১ সালে বিকল্প সরকার প্রতিষ্ঠার ডাক দিচ্ছে তারা। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আইনশৃঙ্খলা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরতে ৯ দফা চার্জশিট তৈরি করছে বঙ্গ বিজেপি। করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে রাজ্যের ব্যর্থতার অভিযোগও তুলে ধরা হবে সেখানে। চার্জশিট তৈরির দায়িত্ব পড়েছে রাজ্য বিজেপির অন্যতম সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসুর উপর।

ইতিমধ্যেই বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়, সহ-পর্যবেক্ষক অরবিন্দ মেনন এবং সর্বভারতীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) শিবপ্রকাশের সঙ্গে দলের রাজ্য নেতৃত্বের এ ব্যাপারে ভিডিয়ো-বৈঠক হয়েছে। এমন পরিকল্পনাকে পাল্টা আক্রমণ করেছে শাসক দল।

তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কথায়, ‘‘পরপর দুর্যোগের সময়ে রাজনীতিতে এমন নিকৃষ্ট প্রচার কখনও দেখিনি! যখন মানুষকে বাঁচাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জীবন বাজি রেখে লড়ছেন, সেই সময়ে বিজেপির নেতারা কুর্সি দখলের ভাবনায় ব্যস্ত!’’ তবে শুধু রাজ্য সরকারকে আক্রমণই নয়, দিল্লি নির্দেশ দিয়েছে, ২০২১ কে সামনে রেখে জনসংযোগের ভিতকে আরও মজবুত করতে পথে নামতে হবে বিজেপির বঙ্গ ব্রিগেডকে।

বড়সড় ধাক্কা তৃণমূলে! বিজেপিতে যোগ দিলেন সহস্র মানুষ

করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই ‘দলবদল’ অব্যাহত বাঁকুড়ায়। শাসক শিবিরে বড় ধাক্কা। এবার ঘাস ফুল শিবির ছেড়ে পদ্মশিবিরে যোগ দিলেন ওন্দার রতনপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ২২ টি পরিবার। বিজেপির বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা নেতৃত্বের তরফে দাবি করা হয়েছে রতনপুরের আমলাগোড়া গ্রামের প্রথম সারির তৃণমূল কর্মী মিনতি পাল ও পল্টু গায়েনের নেতৃত্বে ২২ টি পরিবার তাদের দলে যোগ দিয়েছেন।

তৃণমূল ছেড়ে আসা ওই সব কর্মীদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিজেপির বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা সাধারণ সম্পাদক অমরনাথ শাখা।

পরে বিজেপির বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা সাধারণ সম্পাদক অমরনাথ শাখা বলেন, মোদিজীর নেতৃত্বে যেভাবে সারা দেশ এগিয়ে চলেছে, সেই কর্মকাণ্ডে নিজেদের নিয়োজিত করতেই ওই কর্মীরা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন। যদিও এবিষয়ে জানতে তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। সেকারণেই তৃণমূলের কোন প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

বাঁকুড়া বিজেপির অন্যতম শক্ত ঘাঁটি। গত লোকসভা নির্বাচনে এই আসন থেকে ভালো ফল করে বিজেপি। পেয়েছে দুই সাংসদ। বাঁকুড়া লোকসভা থেকে সাংসদ সুভাষ সরকার। এবং বিষ্ণুপুর লোকসভা আসন থেকে বিজেপির সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।

সীমান্তে চিনের দাদাগিরি রুখতে NSA অজিত দোভালের সাথে হাই লেভেল মিটিং প্রধানমন্ত্রীর

লাদাখে বাস্তবিক নিয়ন্ত্রণ রেখায় (LAC) চিনের তরফ থেকে সীমান্ত নিয়ে বেড়ে চলা বিবাদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) মঙ্গলবার হাই লেভেল মিটিং করেন। এই মিটিংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল (Ajit Doval), চীফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত আর তিন সেনার প্রধানেরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী মোদী এই বৈঠক ছাড়া বিদেশ সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিঙ্গলার সাথে এই বিষয়ে আলাদা করে কথা বলেন।

এর আগে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং সিডিএস জেনারেল বিপিন রাওয়াত আর তিন সেনার প্রধানদের সাথে চিনের সাথে বেড়ে চলা এই বিবাদ নিয়ে সমীক্ষা বৈঠক করেছেন। রাজনাথ সিংকে সেনা প্রধান মনোজ মুকুন্দ নরভানে এই বিষয় নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট দেন। সেনা প্রধান দুদিন আগেই লাদাখের সফর করেছেন। এরপর এটা জানা যায় যে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং সেনার মোতায়েন নিয়ে প্রশ্ন করেন এবং চিনের বিরুদ্ধে ভারতীয় সেনার সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

আপনাদের জানিয়ে দিই, পাঁচ মে থেকে এখনো পর্যন্ত দুই দেশের সেনার মধ্যে ৬ বার কথাবার্তা হয়েছে, কিন্তু সমস্যার কোন সমাধান হয়নি। সুত্র অনুযায়ী, চিনের দাবি হল ভারত যেন বাস্তবিক রেখার আশেপাশে নির্মাণকার্য না চালায়। আর ভারতও চিনের এই দাবি মানবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে। ভারত চিনকে সীমান্তে শান্তি বজায় রাখার কথা জনিয়ে দিয়েছে। এরপরেও চিনের সেনা সীমান্ত থেকে পিছু হটছে না।

বিদেশ মন্ত্রালয়ের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব চিনের সেই অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে, যেখানে চিন বলেছিল যে চারতিয় সেনা দ্বারা চিনের দিকে অতিক্রমণ করার পর উত্তেজনা বেড়েছে। ভারতের এই প্রতিক্রিয়া চিনের সেই অভিযোগের দুইদিন পর সামনে আসে, যেখানে চিন বলছিল ভারতীয় সেনা চিনের সীমান্ত পার করেছিল।

নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখে মমতা সরকারের বিরুদ্ধে গুরুতর নালিশ জানালেন অধীর চৌধুরী

আমফানে বিপর্যস্ত বাংলায় দেরি করে সেনা ডাকার জন্য এর আগেই মমতা ব্যানার্জীর (Mamata Banerjee) তীব্র সমালোচনা করেছিলেন কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী (Adhir Chowdhury)। এবার তিনি একধাপ এগিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে (Narendra Modi) চিঠি লিখলেন। উনি প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিতে স্পষ্ট লিখেছেন যে, ‘আমফানে বিপর্যস্ত বাংলার উদ্ধারকার্যে রাজ্য সরকার ডাহা ফেল। বাংলার মানুষদের পাশে দাঁড়াতে, আর তাদের উদ্ধার করতে যেন আরও সেনা পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।”

আমফানের কারণে কলকাতা এবং কলকাতার পার্শবর্তী জেলা গুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এখনো পর্যন্ত কলকাতার বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুত দেওয়া সম্ভব হয়নি। এমনকি রাস্তায় পড়ে থাকা গাছ গুলোও কাটা হয়নি। রাজ্য সরকার বিদ্যুত পরিষেবা নিয়ে নিজদের সমস্ত দায়িত্ব ঝেরে ফেলেছে।

মমতা ব্যানার্জী এবং কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, কলকাতায় বিদ্যুত পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা সিইএসসি বেসরকারি। তাই এলাকায় বিদ্যুত না আসলে যেন সরকারের উপরে দোষ না চাপানো হয়। এমনকি সরকারের তরফ থেকে এও বলা হয়েছে য, সিইএসসি সিপিএম আমলে তৈরি। তাই এর দায় রাজ্য সরকারের না।

এর আগেও কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী রাজ্য সরকারের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসা করেছিলেন। পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরানো নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসা করেছিলেন। এমনকি তিনি এও বলেছিলেন যে, রাজ্য সরকার শ্রমিকদের বাড়ি ফেরাতে চায় না, তাই প্রধানমন্ত্রী যেন দায়িত্ব করে অসহায় শ্রমিকদের বাড়ি ফিরিয়ে দেন।

চিনকে চাপে ফেলতে তাইওয়ানের রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণে হাজির ভারতের সাংসদেরা, রেগে লাল জিনপিং

বিজেপির (Bharatiya Janata Party) দুই সাংসদ তাইওয়ানের (Taiwan) রাষ্ট্রপতি সাই ইং ওয়েন (Tsai Ing-wen) এর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে অংশ নেন। আর এই বিষয়ে ভারতের (India) উপরে ক্ষেপে ওঠে চিন (China)। এমনকি ভারতকে নিজেদের অভ্যন্তরীণ মামলা দখল না দেওয়ার পরামর্শ দেয় চিন। তাইওয়ানের রাষ্ট্রপতি বুধবার শপথ নেন। দিল্লী থেকে বিজেপির সাংসদ মীনাক্ষী লেখি আর রাজস্থানের চুরু থেকে বিজেপির সাংসদ রাহুল কাসবন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

সাই ইং ওয়েন এর শপথ গ্রহণে ৪১ টি দেশের ৯২ জন বিখ্যাত ব্যাক্তি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অংশ নেন। ভারত থেকে দুই সাংসদ ছাড়া আমেরিকার বিদেশ মন্ত্রী মাইক পম্পিও এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

বিজেপির সাংসদের তাইওয়ানের রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পর চিন লিখিত ভাবে আপত্তি জাহির করে। নয়া দিল্লীর চিনি রাজদূত লিখিত আপত্তি দিয়ে ভারতকে চিনের অভ্যন্তরীণ মামলা থেকে দূরে থাকার কথা জানিয়েছে। অভিযোগে চিনের রাজদূত বলেছেন, তাইওয়ানের রাষ্ট্রপতিকে শুভেচ্ছা জানানো ভুল।

মাস খানেক ধরে চিন আর ভারতের সম্পর্কে ফাটল ধরেছে। চিন ভারতের সীমা অতিক্রম করে ঢোকার চেষ্টা করার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে চরম উত্তেজনা বেড়েছে। একদিকে চিন যেমন বাস্তবিক নিয়ন্ত্রণ রেখায় সৈন্য শক্তি বাড়াচ্ছে। তেমনই ভারতও চিনকে চাপে ফেলতে নিয়ন্ত্রণ রেখায় সেনার মোতায়েন করছে। আর দুই দেশের এই উত্তেজনার মধ্যে ভারতের এই পদক্ষেপ চিনকে চাপে ফেলার জন্যই যে নেওয়া হয়েছে, সেটা বলাই বাহুল্য।

কাজ না পাওয়ার জন্য অবশেষে রাজ্য ছাড়ছেন প্রশান্ত কিশোর? জোর জল্পনা রাজনৈতিক মহলে!

বড় সমস্যার সন্মুখিন প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor)। সামনেই বিহারের (BIhar) বিধানসভা নির্বাচন। আর করোনার সঙ্কটের মধ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি ধীরে ধীরে শুরু করেছে রাজনৈতিক দল গুলো। কিন্তু নির্বাচনে নিজের ক্ষমতার প্রদর্শন করা জেডিইউ এর প্রাক্তন সহ সভাপতি তথা রণনীতিকার প্রশান্ত কিশোরের চমক এই বিধানসভায় ফিকে পড়ছে।

‘ফির একবার হো, নিতিশ কুমার হো” এর স্লোগান দেওয়া প্রশান্ত কিশোর যখন নিতিশ কুমারের থেকে আলাদা হন, তখন উনি প্রেস কনফারেন্স করে জানিয়েছিলেন যে, উনি বিহারের মানুষের সাথেই থাকবেন। প্রশান্ত কিশোর পুরো বিহারে ‘বাত বিহার কি” অভিযান শুরু করেছিলেন।

ওই অভিযানে অনলাইনের মাধ্যমে বিহারের যুব সমাজকে যুক্ত করে রাজনীতিতে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল পিকের তরফ থেকে। বাত বিহার কি লঞ্চিং এর পর অনলাইনে মেম্বারশিপ যেমন চলছিল, তেমনই পিকে বিহারের রাজনৈতিক দল গুলোর মধ্যে নিজের জন্য একটি জায়গা খুঁজছিলেন। কিন্তু বিহারের রাজনীতির গলিতে পিকে কোথাও জায়গা পায়নি।

সুত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিহারে কাজ করা নিজের পিকের সংস্থা ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি (I-PAC) কে গোটানর কাজ শুরু করেছে পিকে। I-PAC এর পাটনা ব্রাঞ্চে কমপক্ষে ২৫০ জন কাজ করে। এর মধ্যে ৭৫% সেন্ট্রাল টিম। আর ১৫০ এর বেশি রিসার্চার এবং মনিটরিং এর কাজ করে। পিকে এবার এদের সবাইকে মধ্যপ্রদেশ, তামিলনাড়ু আর পশ্চিমবঙ্গে পাঠানোর কাজ শুরু করেছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিহারে I-PAC এর শুধু নামমাত্র কয়েকজন থাকবে। সেখানে কাজ করা কর্মচারীদের বলে দেওয়া হয়েছে যে, কাজ শেষ হলেই তাদের বিহারের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। কারণ এখন বিহারে কোন রাজনৈতিক দলই পিকেকে কাজ দিচ্ছে না। আর বিগত দুটি নির্বাচনে যাঁদের জন্য কাজ কোর্ট পিকে, এবার তাঁরাও দরজা বন্ধ করে দিয়েছে।

যদিও I-PAC এর বোর্ড মেম্বার্সদের মিটিংয়ে বেশ কয়েকজন স্বীকার করেছেন যে নিতিশ কুমারের সঙ্গ ত্যাগ করা ঠিক হয়নি পিকের। সবথেকে অবাক করা কথা হল, পিকে যেই বাত বিহার কি অভিযানের মাধ্যমে বিহারের মানুষের কাছে পৌঁছানর প্রয়াস করছিলেন, এবার সেই অভিজানেও আশঙ্কার মেঘ দেখা দিয়েছে। যদিও I-PAC এর টিম চেষ্টা করছে যে, এই অভিযান যে করেই হোক বাঁচাতে হবে।

TRending Now