Home Blog

বারাণসীর জ্ঞ্যানব্যাপী মসজিদ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত আদালতের, পরীক্ষা করে দেখা হবে ওখানে মন্দির ছিল কি না

নয়া দিল্লীঃ কাশী বিশ্বনাথ মন্দির আর জ্ঞানব্যাপী মসজিদ মামলায় বারাণসীর ফাস্ট ট্র্যাক আদালত পুরাতাত্ত্বিক বিভাগের গবেষণা নিয়ে রায় দিয়েছে। আদালত নিজের রায়ে পুরাতত্ত্ব বিভাগকে গবেষণা করার মঞ্জুরি দিয়েছে। আদালত বলেছে, গবেষণার সমস্ত খরচ সরকার চালাবে।

এই ইস্যুতে বারাণসী ফাস্ট ট্র্যাক আদালতে ২ এপ্রিল শুনানি সম্পূর্ণ হয়েছিল। আদালত দুই পক্ষের যুক্তি শোনার পর রায় সুরক্ষিত রেখছিল। আদালত কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের পক্ষকার আইনজীবী বিজয় শঙ্কর, সুনীর রস্তোগি আর রাজেন্দ্র পাণ্ডের যুক্তি শোনার পর বলেছিল যে, পুরাতাত্ত্বিক প্রমাণের জন্য গবেষণা করার ন্যায় সাপেক্ষ।

আজ আদালতের রায় ঘোষণার পর আইনজীবী বিজয় শঙ্কর আর সুনীল রস্তোগি সেই রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন। রস্তোগি বলেছেন, পুরাতত্ত্ব গবেষণার পর এটা পরিস্কার হয়ে যাবে যে, সেখানে আগে কোনও মসজিদ ছিল, নাকি প্রথম থেকেই মহাদেবের মন্দির ছিল।

এর আগে ২০১৯ সালে সুনীল রস্তোগি সিভিল জজ আদালতে জ্যোতির্লিঙ্গ ভগবান বিশ্বেশ্বরের তুফ থেকে একটি আবেদন দাখিল করেছিলেন। ওই আবেদনে তিনি ভারতীয় পুরাতত্ত্ব বিভাগ দিয়ে জ্ঞানব্যাপী মসজিদ চত্বরে গবেষণা করানোর দাবি জানিয়েছিলেন।

এছাড়াও আরও এক আবেদনকারী হরিহর পাণ্ডে ও ASI দ্বারা গবেষণা করার দাবি জানিয়েছিলেন। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, হরিহর আদালতের রায়কে ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়ে বলেছেন যে, আমরা এরজন্য অনেক লড়াই লড়েছি। এবার এই রায়ের ফল্র জ্ঞানব্যাপী মসজিদ হটানোর রাস্তা পরিস্কার হবে।

আরেকদিকে, মসজিদের কমিটির সদস্য সৈয়দ ইয়াসিন বলেছেন ফাস্ট ট্র্যাকের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তাঁরা হাইকোর্টে যাবে। এর পাশাপাশি কমিটি গবেষণার জন্য কাউকে মসজিদ চত্বরে প্রবেশ করতে না দেওয়ার ঘোষণা করেছে। ইয়াসিনের এই বয়ানে হরিহর পাণ্ডে বলেছেন, পুরাতত্ত্ব বিভাগ সুরক্ষাকর্মীদের সঙ্গে যাবে। তাঁদের রোখা মসজিদ কমিটির ক্ষমতার বাইরে। এবার গবেষণা হলেই সত্যি সামনে আসবে।

বাংলাদেশি শিশু হুজুর রফিকুল মাদানীর ফোনে পর্নো ভিডিও, বিয়ে নিয়েও অস্পষ্টতা

‘শিশু’ বক্তা হিসেবে পরিচিত রফিকুল ইসলাম মাদানীকে গ্রেপ্তারের পর বেরিয়ে আসছে তার নানা ঘটনা। বক্তা হিসেবে আলোচিত এই ব্যক্তির ব্যক্তিজীবনও বেশ আলোচিত। তার মোবাইল ফোনে মিলেছে বেশ কিছু পর্নো ভিডিও; রয়েছে বিয়ে নিয়েও অস্পষ্টতা।

বুধবার দুপুরে গ্রেপ্তার করা হয় ২৬ বছর বয়সী রফিকুল মাদানীকে, এরপর বিকেলে তার বিরুদ্ধে গাজীপুরের গাছা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আনে মামলা হয়। হেফাজতে নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে র‌্যাব, তার মোবাইল ফোনও তল্লাশি করা হয়।

র‌্যাবের একটি সূত্র জানিয়েছে, রফিকুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে তার ফোনে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু পর্নো ভিডিও পাওয়া গেছে। আসমা বেগম নামের এক নারীকে তিনি বিয়ে করেছেন বলে যে দাবি করেছেন তা নিয়েও নানা তথ্য পাওয়া গেছে। ওই নারীর সঙ্গে রফিকুলের সামাজিকভাবে বিয়ে হয়নি। বিয়ে নিয়ে অস্পষ্টতা রয়েছে।

‘শিশু বক্তা’ হিসেবে হঠাৎ পরিচিত হয়ে ওঠা রফিকুল ইসলাম কিছুটা অস্বাভাবিক খর্বকায়, বালকসুলভ চেহারা ও কোমল কণ্ঠস্বরের অধিকারী। তার নিজের ভাষ্যমতে, ‘১৯৯৫ সালে আমার জন্ম। কে বলছে আমি শিশু? আমার বয়স ২৬ বছর।’

রফিকুল ইসলামের বাড়ি নেত্রকোনায়। স্থানীয় স্কুলে শিক্ষাজীবন শুরু হলেও পরে তিনি মাদ্রাসায় ভর্তি হন ও নূরানি, হেফজ পড়েন। এরপর আট বছর কিতাবখানায় পড়েন।

মাদ্রাসার ছাত্র থাকার সময় বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলে ওয়াজ করতেন রফিকুল। তিনি দাওরায়ে হাদিস পড়েছেন রাজধানীর জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা মাদ্রাসায়। একই সঙ্গে তিনি বিএনপি-জামায়াত জোটের শরিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের অঙ্গসংগঠন যুব জমিয়তের নেত্রকোনা জেলার সহসভাপতি। নেত্রকোনার পশ্চিম বিলাশপুর সাওতুল হেরা মাদ্রাসার পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে আসছেন ‘শিশু বক্তা’।

রফিকুলের নামের শেষে ‘মাদানী’ শব্দ যুক্ত করা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। সাধারণত সৌদি আরবের মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা পড়াশোনা করেন, তাদের নামের সঙ্গে ‘মাদানী’ যুক্ত করা হয়। অভিযোগ, ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা না করেই নিজের নামের সঙ্গে ‘মাদানী’ শব্দ যুক্ত করেছেন তিনি।

এরই মধ্যে ‘মাদানী’ শব্দ প্রত্যাহার করতে রফিকুলকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী। তার পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শরীফুল হাসান খান গত ১৫ ফেব্রুয়ারি এই নোটিশ পাঠান।

বিতর্কিত বক্তা হওয়ায় রফিকুল ইসলামকে ওয়াজকারী বক্তাদের সংগঠন রাবেতাতুল ওয়ায়েজিন বাংলাদেশের সদস্য করা হয়নি। বরং সংগঠনটির পক্ষ থেকে তাকে বিভিন্ন সময় অপ্রাসঙ্গিক বক্তব্য না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

একুশের নির্বাচনে প্রার্থী হবেন না ‘বুড়ো বামেরা” ট্র্যাডিশন ভেঙে চলছে নতুনের খোঁজ

ঐশী, শতরূপ, সায়নদীপ থেকে সৃজন। সিপিএমের সম্ভাব্য প্রার্থীতালিকায় ‘স্মার্ট’ ও ‘ঝকঝকে’ মুখের সারি। চমক বলতে এটাই। সিপিএমের এক নেতার কথায়,’তৃণমূল-বিজেপির প্রার্থীদের বিরুদ্ধে দল বাজি রাখছে ‘তারুণ্যের স্পর্ধায়’।

জেএনইউ-তে শাসক বিরোধী লড়াইয়ে ভূ-ভারতের মুখ হয়ে উঠেছেন ঐশী ঘোষ (Aishe Ghosh)। সেই ঐশীকে ভাবা হচ্ছে দুর্গাপুরের পূর্ব কেন্দ্রে। বরানগরের সম্ভাব্য প্রার্থী ডিওয়াইএফআই-র রাজ্য সম্পাদক সায়নদীপ মিত্র। বেহালা পূর্বের সম্ভাব্য প্রার্থী এসএফআই-র রাজ্য সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য। কসবায় ফের প্রার্থী করা হতে পারে শতরূপ ঘোষকে। বালির সম্ভাব্য প্রার্থী দীপ্সিতা ধর। এসএফআই-র রাজ্য সভাপতি প্রতিকুর রহমানের নামও রয়েছে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায়। টালিগঞ্জে প্রার্থী হতে পারেন দেবদূত ঘোষ বা বাদশা মৈত্র। ব্রিগেডে ঘোষকের ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল বাদশাকে।

শুধু যে তারুণ্যে জোর দেওয়া হচ্ছে, তা নয়! বরং অভিজ্ঞতার মিশেলও থাকছে প্রার্থী তালিকায়। মহম্মদ সেলিম প্রার্থী হতে পারেন হুগলির চণ্ডীতলার। যাদবপুরে ফের দাঁড়াচ্ছেন সুজন চক্রবর্তী। সুশান্ত ঘোষের মতো ‘মাস’ নেতাকেও প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। তিনি শালবনীর সম্ভাব্য প্রার্থী। কান্তি গঙ্গোপাধ্যায় এবং অশোক ভট্টাচার্যরাও নিজেদের কেন্দ্রে প্রার্থী হচ্ছেন। এবার সম্ভবত ভোট দাঁড়াচ্ছেন না সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র। তেমনই বালুরঘাটে প্রার্থী হচ্ছেন না বিশ্বনাথ চৌধুরী।

তৃণমূল-বিজেপিতে ভোটের আগে একঝাঁক তারকা যোগ দিয়েছেন। সেদিকে ইঙ্গিত করে সুজন চক্রবর্তী বলেন,’যাঁরা মানুষের কথা বলে,তাঁরাই তারকা। আমাদের দলের হয়ে নাচলে-গাইলে টিকিট মিলবে, এমনটা আমাদের দলের ক্ষেত্রে হয় না।’

সিপিএমকে আকছার ‘পক্ককেশীদের দল’ বলে কটাক্ষ করে বিরোধীরা। ইদানীং, তাদের বিভিন্ন কর্মসূচিতে নবীনদের দেখা মিলছে। ব্রিগেডের মতো সভায় বক্তব্য রাখার সুযোগ পেয়েছেন ঐশীরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বামমনস্কদের প্রাধান্য বৃদ্ধি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। লকডাউনেও সস্তার ক্যান্টিনের ব্যবস্থাপনায় দেখা গিয়েছে যুবা কমরেডদের। আবার ব্রিগেডের প্রচারে যেভাবে ‘টুম্পা’র প্যারোডি শেয়ার করেছেন সূর্যকান্ত মিশ্রের মতো নেতারা, তাতে বদলের ইঙ্গিত স্পষ্ট। তাই নবীনের জয়গান সম্ভাব্য প্রার্থীতালিকায়। সঙ্গে রয়েছেন সেলিম, সুজনের মতো অভিজ্ঞরাও। রাজনৈতিক প্রচারের ঢক্কানিনাদের মাঝে ‘কাঁচা’ ও ‘পাকা’র এই ককটেলই এবার ইউএসপি আলিমুদ্দিনের, বলছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

২২ দিন ধরে নিখোঁজ ১৩ বছরের নাবালিকা! তৃণমূলের কাউন্সিলর আর ৫ মুসলিম যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ পরিবারের

২২ দিন ধরে খোঁজ নেই মেয়ের। পুলিশের কাছে অভিযোগ করেও মিলছে না সহযোগিতা। কিশোরীর বাড়ি ফিরে আসার অপেক্ষায় দিন গুনছে তাঁর পরিবার। এমনকি স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছে নির্যাতিতার পরিবার। ১৩ বছরের ওই নাবালিকা মালদহের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের শকুন্তলা পার্কের বাসিন্দা।

নির্যাতিতার বাবা জানান, ফেব্রুয়ারি মাসের ৮ তারিখ বিকেল চারটে থেকে নিখোঁজ তাঁর মেয়ে। এলাকায় তন্য তন্য করে খোঁজার পরেও হদিশ না মিললে মালদহের ইংরেজবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন নিখোঁজ কিশোরীর বাবা। তিনি জানান, অভিযোগ করার পর থেকে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি পুলিশ। কিশোরীর বাবা জানান, ‘আমার মেয়ের নিখোঁজ হওয়ার পরের দিন জানতে পারি যে, এলাকার পাঁচ যুবক আকবর শেখ, সুলতান শেখ, ছোটু শেখ, আসগর শেখ আর মনু শেখ মিলে আমার মেয়েকে তুলে নিয়ে গিয়েছে।”

নাবালিকার বাবা অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি জানি এই ঘটনার পিছনে ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলরও রয়েছেন। অভিযুক্ত যুবকদের আমাদের পাড়ায় আনাগোনা ছিল। আমি বারণ করেছিলাম। এরপর কাউন্সিলরের গ্যাং আমাদের বাড়িতে হামলা করেছিল। ওঁরা আমাকে হুমকি দিয়ে বলে গেছিল যে, মেয়েকে এলাকার থেকে দূরে কোথাও বিয়ে দিয়ে দিতে।”

নাবালিকার বাবা জানান, আমি এই বিষয়ে অনেকবার থানায় অভিযোগ জানিয়েছি। কিন্তু পুলিশ আমাদের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়নি। এরপর আমরা সোমবার রাতে মালদহরে ফোয়াড়া মোড়ে অনশনে বসি। নির্যাতিতার বাবা বলেন, ‘আমাদের মেয়ে আদৌ বেঁচে আছে কি না জানিনা। ২২ দিন হয়ে গেছে। মেয়ের কোনও খোঁজ নেই। শুনলাম কাউন্সিলর বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে বলছে পুলিশ কী করে সেটা দেখব।” কিশোরীর বাবা তাঁর মেয়েকে ফেরৎ পাওয়ার সাথে সাথে অভিযুক্তদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি করেছে।

আরেকদিকে, স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব এই ঘটনাকে বিজেপির নাটক বলে আখ্যা দিয়েছেন। যদিও নির্যাতিতার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে বজরং দলের সদস্যরা।

বিধানসভায় বসে দেখছিলেন পর্ন,ভাইরাল কংগ্রেস নেতার ভিডিও

0

কর্ণাটক বিধানসভায় শুক্রবার তুমুল হাঙ্গামার সৃষ্টি হয়। কংগ্রেসের বিধান পরিষদ প্রকাশ রাঠৌড় বিধানসভায় নিজের মোবাইলে নীলছবি দেখার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েন। উনি যে বিধানসভায় বসে বসে নীলছবি দেখছেন, সেটি ক্যামেরায় ধরা পড়ে যায়। এর সাফাই হিসেবে কংগ্রেসের বিধান পরিষদ বলেন, তিনি ইন্টারনেটে কিছুই দেখছিলেন না, নিজের মোবাইল থেকে অবাঞ্ছিত ভিডিও ডিলিট করছিলেন।

তিনি বলেন, আমি সদনে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করি না। কিন্তু এবার আমার কিছু প্রশ্ন করার ছিল, আর সেই কারণে আমি মোবাইল নিয়ে যায় আর নিজের মোবাইল বসে বসে চেক করছিলাম আমি। তিনি বলেন, আমি দেখি আমার মোবাইলের স্টোরেজ ফুল হয়ে গিয়েছে, আর এই কারণে আমি ভিডিও ডিলিট করতে থাকি বসে বসে।

জানিয়ে রাখি, এটাই প্রথম না যে কর্ণাটকের বিধায়ক বিধানসভায় বসে বসে অশ্লীল ভিডিও দেখতে গিয়ে ধরা পড়লেন। এর আগে ২০১২ সালে আরও ৩ জন বিধায়ক নীলছবি দেখতে গিয়ে ধরা পড়েছিলেন। আর সেই তিনজনের মধ্যে একজন ছিলেন তৎকালীন রাজ্যে উপ-মুখ্যমন্ত্রী এবং পরিবহণ মন্ত্রী। সেবারের ওই কাণ্ডের ফলে কর্ণাটক বিধানসভা রাতারাতি চর্চায় চলে এসেছিল। তৎকালীন বিরোধী দল কংগ্রেস আর জনতা দল সেকুলারের সদস্যরা এই ঘটনায় অভিযুক্ত তিন বিধায়ককে বহিস্কার করা আর তাঁদের অযোগ্য ঘোষণা করার দাবি তুলেছিল।

কর্ণাটক বিজেপির মুখপাত্র সম্প্রতি কর্ণাটক বিধানসভায় ঘটে যাওয়া এই মামলা নিয়ে বলেন, বিদ্যান মানুষের সদন বলে পরিচিত আমাদের বিধানসভা কংগ্রেসের বিধায়কের কারণে বদনাম হচ্ছে। শেষবার কংগ্রেস নিজে সদনে তুমুল হাঙ্গামা করেছিল। আর এবার সেই কংগ্রেস দলের সদস্য বিধানসভায় নীলছবি দেখতে গিয়ে ধরা পড়ল। আমি আশা করছি কংগ্রেস অভিযুক্ত বিধান পরিষদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। ডিকে শিবকুমার কড়া পদক্ষেপ নিয়ে তাঁকে দল থেকে বহিস্কার করবে।

‘বিজেপি দশটা মারলে আমিও বিশটা মারব” দল ঘোষণা করেই উস্কানিমূলক বয়ান আব্বাস সিদ্দিকীর

মালদহঃ মালদায় একটি সভায় যোগ দিয়ে উস্কানিমূলক মন্তব্য করে ফের শিরোনামে ফুরফুরা শরীফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি। তিনি ওই সভা থেকে বলেন, বিজেপি যদি ১০ টা মারে, তাহলে আমরা ২০ টা মারব। আজ কালিয়াচকের সুজাপুর বিধানসভায় একটি জলসার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে মুখ্য অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আব্বাস সিদ্দিকি।

সেখান থেকে তিনি জানান যে, ২০২১ এর  বিধানসভা নির্বাচনে তিনি মালদার ৬ টি আসনেই প্রার্থী দেবেন। তিনি এও জানান যে, অন্য কোনও দলের সাথে জোট হলে সমঝোতা হিসেবে ওনাকে যদি আসন ছাড়তে হয়, তাহলে তিনি ছেড়ে দেবেন।

তিনি বিজেপির সাথে সাথে তৃণমূলকেও এই জলসা থেকে আক্রমণ করেন। সিদ্দিকি বলেন, ‘আমি আগেই বলেছিলাম ২৫০ টা আসন আপনারা নিন, আমাকে ৪৪ টা আসন দিন। কিন্তু ওঁরা প্রশাসন দিয়ে ভয় দেখাচ্ছে, জুলুম করছে। আমাদের নামে মিথ্যে মামলা করছে। সংখ্যালঘুদের মনে ভয় ধরাতে ওঁরা বলছে, বিজেপি চলে আসবে। আবার বিজেপি বলছে মারবে। আসলে বিজেপির জুজু দেখিয়ে শুধু জেলে ভরছে প্রশাসন।”

এরপর আব্বাস সিদ্দিকি উস্কানিমূলক মন্তব্য করে বলেন, বিজেপি যদি দশটা মারে, তাহলে আমরা বিশটা মারব। আব্বাসের এরকম মন্তব্যের পর রাজ্য রাজনীতিতে হইচই পড়ে গিয়েছে।

অত্যাধিক ঠান্ডায় নুনু দাড়াচ্ছে না প্রায় ৩০ লক্ষ বাংলাদেশির

আজও ঘন কুয়াশা আর বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি। দুপুরের পর আবহাওয়ার পরিবর্তন। শনিবার থেকে তাপমাত্রা নামার ইঙ্গিত আবহাওয়া দপ্তরের। উইকেন্ডে হু হু করে নামবে পারদ। জমিয়ে শীতের স্পেল বর্ষ শেষে ।

এই ঠান্ডায় সব কিছু শুকিয়ে যাচ্ছে, নুনু দাড়াচ্ছে না কারণ এই ঠান্ডা সহ্য সীমার বাইরে! কারও ঠান্ডা চুল ছাড়া আর কোনো কিছুই খাড়া হচ্ছে না!! একদল সিঙ্গেলের উপর গবেষনায় দেখা গেছে এই তথ্য, প্রায় ৩০ লক্ষ বাংলাদেশির খাড়া হচ্ছে না!

বাংলদেশ জুড়ে আজ ঘন কুয়াশার সতর্কবার্তা। কয়েকটি জেলায় হালকা বৃষ্টি আজও। সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ। বিকেলের দিকে আবহাওয়ার উন্নতি।

বৃষ্টি আর মেঘলা আকাশের কারণে ঢাকার তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচে। আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের 1 ডিগ্রি নীচে নেমে 12.6 ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকালের থেকে যা তিন ডিগ্রী কম।

ঢাকায় গতকাল দিনের তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ছিল স্বাভাবিকের 6 ডিগ্রি নিচে 20.3 ডিগ্রি সেলসিয়াস। কার্যত কোল্ড ডে পরিস্থিতি। বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ 63 থেকে 97 শতাংশ।আজও মূলত মেঘলা আকাশ থাকবে এবং ঢাকাতেও খুব হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনার সকালের দিকে।

দায়িত্বে অবিচল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েও করছেন কাজ

0

জানুয়ারি মাসের ১১ তারিখে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রীপদ নায়েক। সেই দুর্ঘটনাতেই আহত হয়ে প্রাণ হারান ওনার স্ত্রী। ওই দুর্ঘটনা কর্ণাটকের উত্তর কন্নড় জেলা অকোলায় হয়। দুর্ঘটনার সময় শ্রীপদ নায়েক ওনার স্ত্রীর সাথে গোকরণ যাচ্ছিলেন। শোনা যায় যে, শ্রীপদ নায়েকের স্ত্রী দুর্ঘটনার পর জ্ঞান হারান আর অনেকক্ষণ ওনার জ্ঞান আসে না। হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা ওনাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

শ্রীপদ নায়েককে এরপর গোয়ার একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গোয়ার মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করে শ্রীপদ নায়েকের চিকিৎসার জন্য সমস্ত বন্দোবস্ত করার কথা বলেছিলেন।

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রীপদ নায়েক বলে, এখন তিনি আগের থেকে অনেকটা ভালো আছেন আর আগামী চার-পাঁচ দিনের মধ্যে ওনাকে গোয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অশেষ কৃপায় আর সবার আশীর্বাদে ওনার শারীরিক অবস্থা এখন অনেক ভালো।

উনি বলেন, ‘আমি অনেকদিন পর এই দিন দেখছি। আমি সবার কাছে আবেদন করছি যে, তাঁরা আমাকে দেখার জন্য যেন হাসপাতালে এসে ভিড় না জমান। আমি চার-পাঁচ দিনের মধ্যে ছুটি পেয়ে যাব, তখন সবার সাথে সাক্ষাৎ করব।” নায়েক নিজের শুভাকাঙ্খিদের আবেদন করে বলেন যে, তাঁরা যেন হাসপাতালে না এসে বাড়িতে বসেই তাঁর সুস্থতার কামনা করে।

তবে হাসপাতালের বেডে শুয়ে থাকলেও কাজে অবিচল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভাইরাল হওয়া ছবিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রীপদ নায়েককে হাসপাতালের বেডে শুয়ে শুয়ে জরুরী কাগজে সই করতে দেখা যাচ্ছে। ওনার এই ছবি ভাইরাল হতে চারিদিকে ওনার প্রশংসা হচ্ছে।

নন্দীগ্রামে ২ লক্ষের উপরে ভোট পাবে বিজেপি! মাথায় হাত মমতার

কারও ভরসায় নন্দীগ্রামে দাঁড়াচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? সেই প্রশ্ন তুলে আজ খেজুরি থেকে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘আমরা ২ লক্ষ ১৩ হাজার জয় শ্রী রাম বলা মানুষের ভোটের ভরসায় আছি।” শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘কার ভরসায় নন্দীগ্রাম থেকে দাঁড়াবেন আপনি? সমস্ত হিসেব আমার কাছে আছে। এখানকার প্রতিটি গ্রাম আমি চিনি। ৬২ হাজার ভোটের ভরসায় দাঁড়াবেন আপনি? আমরা তো ২ লক্ষ ১৩ হাজার জয় শ্রী রাম বলা মানুষের ভোটের ভরসায় আছি। আপনার ওই ৬২ হাজার ভোটেও সিঁধ কাটব।”

গতকাল নন্দীগ্রামে সভা ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেখান তিনি নিজেকে নন্দীগ্রামের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। এবং তিনি এও বলেছিলেন যে, নন্দীগ্রাম আর ভবানীপুর ওনার কাছে বড় বোন আর মেজো বোনের মতো তাই তিনি ভবানীপুরকেও নিরাশ করবেন না। ম্যানেজ করতে পারলে তিনি ভবানীপুর থেকেও দাঁড়াবেন। গতকাল মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা করার পর, আজ বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুটি আসন থেকে লড়তে দেবেন না বলে হুঙ্কার দেন।

এর আগেই শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছিলেন যে, মুখ্যমন্ত্রী যেদিন নন্দীগ্রামে সভা করবেন, তাঁর ঠিক পরের দিনই তিনি পাল্টা সভা করবেন। সেখান থেকে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের জবাব দেবেন। পূর্বসূচি অনুযায়ী আজ খেজুরিতে সভা করেন শুভেন্দু অধিকারী। আজ বিজেপির এই সভায় কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, বিজেপির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় সমেত বিজেপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এই সভা থেকে শুভেন্দু অধিকারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একের পর এক আক্রমণ করে যান। তিনি বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী হতাশাগ্রস্ত, বিগত ৫ বছরের একবারও নন্দীগ্রামের কথা মনে আসেনি ওনার।” শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে বলেন, ‘আপনি যাই করুন না কেন, সবার আগে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লেটার হেড ছাপিয়ে রাখুন। আগামী দিনে কাজে আসবে।”

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘আপনাকে কোনোভাবেই দুটো আসনে লড়তে দেব না। হয় ভবানীপুর, নাহলে নন্দীগ্রাম। যেকোনো একটি আসনে লড়ুন।

আরেকদিকে, আজকের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেইমান বলে কটাক্ষ করেন হুগলির বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুঝে গিয়েছেন যে ভবানীপুর থেকে দাঁড়িয়ে তিনি লাভ করতে পারবেন না। এই কারণে তিনি দুটি আসন থেকে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।” লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘নন্দীগ্রাম থেকে দাঁড়িয়েও কোনও সুবিধা করতে পারবেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামের মানুষ ওনাকে চিনে নিয়েছে।”

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার জন্য আপনাকে মূল্য চোকাতে হবে! তাণ্ডব টিমকে হুঁশিয়ারি যোগীর

0

সইফ আলী খানের নতুন ওয়েব সিরিজ তাণ্ডব নিয়ে চরম বিতর্ক শুরু হয়েছে। হিন্দু ধর্মে আঘাত করা অভিযোগ তুলে চারিদিক থেকে এই ওয়েব সিরিজ ব্যান করার দাবি তোলা হচ্ছে। চারিদিকে বিতর্ক সৃষ্টি হওয়ার পর পরিচালক আলী আব্বাস জাফর একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে ক্ষমাও চেয়ে নিয়েছেন। যদিও এই ক্ষমা চাওয়ার পর বিতর্ক বিন্দুমাত্র থামেনি।

বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াতও এই ওয়েব সিরিজ নিয়ে মুখ খুলেছেন। তিনি একটি ট্যুইট করে বলেছেন, ‘সমস্যা হিন্দু ফোবিক বিষয়বস্তু নিয়ে নয়। বরং এটি গঠনমূলকভাবেও খারাপ। আপত্তিজনক এবং বিতর্কিত দৃশ্যগুলি প্রতিটি স্তরে রাখা হয়েছে। সেটিও ইচ্ছাকৃতভাবে। দর্শকদের উপর নির্যাতন ও অপরাধমূলক অভিপ্রায়ের জন্য তাকে জেলে ঢোকানো উচিৎ।”

কঙ্গনা আরেকটি ট্যুইট করে বলেছেন, ‘ক্ষমা চাওয়ার জন্য বাঁচবে নাকি? ওঁরা সোজা মাথা কেটে দেয়, জিহাদি দেশ গুলো ফতোয়া জারি করে। লিবারেল মিডিয়া ভার্চুয়াল ভাবে লিঞ্চিং করে দেয়, তোমাদের শুধু প্রাণেই মারবে না ওঁরা, সেটিকে জাস্টিফাইও করা হবে। এবার বলো আলী আব্বাস জফর, আল্লাহকে এরকম মজা করার হিম্মত আছে?”

এবার উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর নাম উঠে আসছে তাণ্ডবের প্রতিবাদে। উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর মুখাপাত্র সলভ মণি ত্রিপাঠি একটি ট্যুইট করে তাণ্ডব নেতাদের চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, প্রস্তুত থাকুন ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার জন্য আপনাকে মূল্য চোকাতে হবে।

श्रीमान @Mdzeeshanayyub @aliabbaszafar @iHimanshuMehra @_gauravsolanki व सैफ अली

UP पुलिस मुंबई निकल चुकी है,वो भी गाड़ी से,FIR में मजबूत धाराएं लगी हैं,तैयार रहना,धार्मिक भावनाओं को आहत करने की कीमत तो चुकानी ही पड़ेगी।

श्री @OfficeofUT जी,उम्मीद है आप इनके बचाव में ना आएंगे pic.twitter.com/B1hXb57dMW

— Shalabh Mani Tripathi (@shalabhmani) January 18, 2021

উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের মুখাপাত্র সলভ মণি ত্রিপাঠি ট্যুইট করে লেখেন, ‘উত্তর প্রদেশ পুলিশ মুম্বাইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। তাও আবার গাড়ি নিয়ে। কড়া ধারায় FIR করা হয়েছে। প্রস্তুত থাকু, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার জন্য আপনাকে মূল্য চোকাতে হবে।” এরপর তিনি মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর অফিসকে ট্যাগ করে তিনি লেখেন, ‘আশা করি আপনি এই কাজে দখল দেবন না।”

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাথা কাটতে পারলে ৫ কোটি টাকা পুরস্কার! বিতর্কিত বয়ান মহন্ত পরমহংস দাস-এর

0

তপস্বী ছাউনির পরমহংস দাস মঙ্গলবার অয্যোধ্যায় একটি বিতর্কিত বয়ান দেন। উনি তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাথা কেটে আনা ব্যক্তিকে ৫ কোটি টাকা পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। উল্লেখ্য, তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিতর্কিত বয়ান সামনে এসেছিল। সেখানে ওনাকে দেবী সীতাকে নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য করতে শোনা গিয়েছিল।

তপস্বী ছাউনির মহন্ত পরমহংস দাস ভগবান রাম আর সীতা দেবীর অপমানের বদলা নেওয়ার জন্য তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাথা কেটে আনা ব্যক্তিকে ৫ কোটি টাকার পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা করেছেন।

মহন্ত পরমহংস দাস বলেন, তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সীতা মাতার অপমান করেছেন। এর সাথে সাথে উনি হিন্দু দেব-দেবীরও অপামান করেছেন। হিন্দুদের আস্থায় আঘাত করেছেন তিনি। পরমহংস প্রশাসনের কাছে দাবি করেছেন যে, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে যেন কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আর প্রশাসন পদক্ষেপ না নিলে, উনি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাথা কেটে আনা ব্যক্তিকে পাঁচ কোটি টাকা পুরস্কার দেবেন।

উনি বলেন, অনেকেই হিন্দু ধর্ম নিয়ে উল্টোপাল্টা মন্তব্য করে। দেবী-দেবতাদের নিয়ে অভদ্য কথা বলা হচ্ছে চারিদিকে। এটা আর সহ্যনিয় নয়।

শনিবার জোড়া কর্মসূচি, ফের রাজ্যে আসছেন BJP-র সর্বভারতীয় সভাপতি

একুশের নির্বাচনের আগে রাজ্যে সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপাচ্ছে বিজেপি। প্রতি মাসে নিয়ম করে অমিত শাহ ও নাড্ডার মতো নেতা বাংলায় আসবেন বলে বিজেপি সূত্রে খবর। এবার নতুন বছরের শুরুতেই রাজ্যে আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা।

রাজ্য বিজেপি সূত্রে খবর, আগামী ৯ জানুয়ারি রাজ্যে আসছেন নাড্ডা। একদিনের কর্মসূচিতে তাঁর লক্ষ্য এবার পূর্ব বর্ধমান। এদিন দুটি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন বিজেপি সভাপতি। বর্ধমানে শহরে করবেন রোড শো এবাং কাটোয়ায় একটি জনসভায় বক্তব্য রাখবেন তিনি।

নাড্ডার সফর নিয়ে আজ হেস্টিংসে বিজেপির কার্যালয়ে বৈঠকে বসেন বিজেপি নেতারা। উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় সম্পাদক অরবিন্দ মেনন, রাজ্য সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তী, রাঢ়বঙ্গ জোনের বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত রবীন্দ্র রাজু-সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

প্রসঙ্গত, ১০ ডিসেম্বর ডায়মন্ডহারবারে সভা করেন জেপি নাড্ডা। সেই সভায় যাওয়ার পথে হামলা হয় তাঁর কনভয়ে। এনিয়ে তোলপাড় হয় রাজ্য রাজনীতি। তাঁর সফরে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ৩ আইপিএস অফিসারকে তলব করা হয় কেন্দ্রের ডেপুটেশনে। এনিয়ে বহু জলঘোলার পর ফের রাজ্যে পা রাখছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি।

গত ২০ ডিসেম্বর বোলপুরে একটি রোড শো করেন অমিত শাহ। প্রচুর জনসমাগম হয় সেই সভায়। জেলা তৃণমূল(TMC) সভাপতির দাবি ছিল, অন্য জেলা, এমনকি ঝাড়খণ্ড থেকে লোক এনে রোড শো করেছে বিজেপি। ২৯ ডিসেম্বর পাল্টা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রোড শো করে ক্ষমতা প্রদর্শন করে তৃণমূলও। এবার বর্ধমানে নাড্ডার সভায় বিজেপি কতটা লোক আনতে পারে সেটাই এখন দেখার।

TRending Now

বারাণসীর জ্ঞ্যানব্যাপী মসজিদ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত আদালতের, পরীক্ষা করে দেখা হবে...

0
নয়া দিল্লীঃ কাশী বিশ্বনাথ মন্দির আর জ্ঞানব্যাপী মসজিদ মামলায় বারাণসীর ফাস্ট ট্র্যাক আদালত পুরাতাত্ত্বিক বিভাগের গবেষণা নিয়ে রায় দিয়েছে। আদালত নিজের রায়ে পুরাতত্ত্ব বিভাগকে গবেষণা...