দেশনতুন খবররাজনৈতিক

দেশের মানুষই বলছেন, “কংগ্রেস হাঁটাও দরিদ্রতা নিজেই চলে যাবে কংগ্রেসের হাত ধরে।”

আসন্ন লোকসভা নির্বাচন ঘিরে রাজ্যে শাসক দলের অন্দরে এবং বিরোধীদলের মধ্যে অন্তর্দ্বন্ধ ক্রমশই প্রকাশ্য। লোকসভা নির্বাচনের আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাজ্য ও দেশের বিভিন্ন জায়গায় সভা করার কথা রয়েছে। এপ্রিলের 3 তারিখে রাজ্যেতেই মোদীর জোড়া সভা হওয়ার কথা। শিলিগুড়ি ও প্যারেড গ্রাউন্ডে। ভোটের আগেই তিনি বিগ্রেডের জনসভায় যোগ দেবেন। কিন্তু তার আগেই উত্তরাখন্ডের উধমসিং-এ জনসভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৃহস্পতিবার, উধমসিং জেলার রুদ্রপুরে দ্বিতীয়বার জনসভা করলেন। আর সেখানেই বিজেপি প্রার্থী অজয় ভট্টের সঙ্গে কংগ্রেস প্রার্থী হরিশ রাওয়াতের মুখোমুখি লড়াই হতে চলেছে। সেখানেই অজয় ভট্টের হয়ে প্রচার চালালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জনসভার মঞ্চ থেকেই তিনি একের পর এক কড়া ভাষায় কংগ্রেসকে বিঁধলেন।

উধম সিং-এর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বক্তব্য শুরু করার পর তিনি ভারতে যে কত বড় উন্নয়ন হয়েছে তার প্রমান দিতে তিনি পাঞ্জাব ও বিভিন্ন প্রদেশের মানুষের একত্রে এই জেলায় এসে উন্নয়নের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। সেখানেই কংগ্রেসের তীব্র নিন্দায় সরব হন মোদী। কেন্দ্রীয় সরকারের কাজের সঙ্গে কংগ্রেসের তুলনা টেনে এদিন প্রধানমন্ত্রী রাস্তার জ্যামের কথা বলেন। অর্থাৎ আগে কংগ্রেসের আমলে কি উন্নয়ন হয়েছে আর বিজেপির আমলে কি উন্নয়ন হয়েছে সেটা স্পষ্ট্য করে দেন।  রাস্তা দিয়ে মানুষের মাইলের পর মাইল হেঁটে যাওয়ার বিষয়টিকে দুর্নীতির সঙ্গে তুলনা দেন। আগে মানুষ উত্তরাখণ্ডকে দুর্নীতি দিয়ে চিনত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ত্রান থেকে সংস্কৃতি সমস্ত বিষয়েই দুর্নীতি হত বলে মন্তব্য করেন তিনি। উত্তরাখণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হরিশ রাওয়াতের দিকে তির বিঁধে এদিন প্রধানমন্ত্রী জানান তিনি নাকি নিজের রাজ্যের জন্য নয় বরং নিজের পরিবারের উন্নয়নের হয়ে কাজ করেছেন।

পাশাপাশি, হরিশ রাওয়াতের দিল্লীতে হাজির দিয়ে আসার কথা বলেন তিনি। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ীর প্রসঙ্গ টেনে এনে তাঁর দেখানো পথে হাঁটতে উদ্যত তাঁরা এমনটাও বলেন মোদী। একইসঙ্গে, কংগ্রেসের আমলে উত্তরাখণ্ড ছেড়ে যেভাবে মানুষ অন্যত্র চলে যেত সেই বিষয়েও গভীর নিন্দা জানিয়েছেন উত্তরাখণ্ডকে দেবভূমি থেকে সৈনিক ভূমি হিসেবে পরিচিত গড়ে তোলার বিষয়ে তচাঁর অবদানকে তুলে ধরেছেন সভায়। এমনকি উত্তরাখণ্ডের সমস্ত সৈনিকদের প্রতি তাঁর শ্রদ্ধাও জানিয়েছেন মোদী। কংগ্রেসের স্লোগান গরিবি হঠাও প্রসঙ্গকেও টেনে আনেন মোদী। বাহাত্তর বছর ধরে কংগ্রেস দেশের সঙ্গে যেভাবে বেইমানি করে দারিদ্র্যতা দূরীকরনের বদলে নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করেছে তাতে তিনি বেশি ক্ষুব্ধ বলেও মতপ্রকাশ করেন।

দেশের দারিদ্র্যতার প্রধান কারণ হিসেবে তিনি কংগ্রেসকেই দায়ী করেছেন। শুধু তাই নয় কংগ্রেসের সেই স্লোগান নিজেরা নিয়ে এবার কংগ্রেস ও দরিদ্র্যতা একাই চলে যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

Close