fbpx
নতুন খবরপশ্চিমবঙ্গরাজনৈতিক

এই কাজ করে পশ্চিমবঙ্গকে ১০০ বছর পিছিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কি এমন করলেন উনি…

পশ্চিমবঙ্গে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী এককথায় বহুমুখী প্রতিভার একজন মানুষ। একাধারে কবি, সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ, জ্ঞানী মানুষ, লেখিকা, চিত্রশিল্পী ছাড়াও অন্যান্য দিকে তাঁর অসাধারণ প্রতিভা রয়েছে। পাশাপাশি জনগনকে হাসানোটাও তাঁর এক অনন্য প্রতিভা। আর এতেই তিনি প্রায়ই মিডিয়া থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলড হন। এমনকি হিন্দি বলার সময়ও তাঁর বলায় খুঁত ধরা হয়। যদিও সেটি অনিচ্ছাকৃত ভাবে কিন্তু মানুষের তো যেকোনো বিষয়কে নিয়ে খিল্লি করাটাই কাজ। একবার পনের হাজার কেজির বাচ্চা বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ কয়েকমাস ধরে ট্রোলড হয়েছিলেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু বাচ্চার ওজনই নয় হিন্দুদের পরম আরাধ্য দেবতা বিষ্ণুদেবকে বিষ্ণুমাতা বলে সম্বোধন করেছিলেন, পাশাপাশি জৈন ধর্মকে যৌন ধর্ম বলেও কম সমালচনার মুখে পড়তে হয়নি তাঁকে।

এরপর ভারতের অন্যতম রাজ্য ওড়িষ্যাকে দেশ বলে এবং বিশ্বের মোট দেশের সংখ্যা এক হাজার একশো চল্লিশ বলেও ভুল করেছিলেন। যদিও পরে শুধরে বলেছিলেন ওটা মুখ ফসকেই বেরিয়ে গেছে। কিন্তু তাতে কি মানুষের ভাবনার তো শেষ নেই। একজন আইকন কিভাবে গাদা গাদা ভুল বলতে পারেন তাই নিয়ে সমালচনা তো করবেই। ট্রোলড হওয়ার ধারাবাহিকতা বজায় রেখে জলপাইগুড়িতে আবার তিনি সকলের সামনে হাসির পাত্রী হয়ে উঠলেন। একবার উদ্বোধন হওয়া জলপাইগুড়ির সার্কিট বেঞ্চকে উদ্বোধন করে যে ভুল তিনি  করেছেন তাতে শুধু ট্রোলড হওয়াই নয় রাজ্যের উন্নয়ন অনেকাংশে পিছিয়ে দিলেন বলেই মত একাংশ তাঁবড় রাজনীতি বিদদের। সার্কিট বেঞ্চের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাল ও বছরের কোনো তোয়াক্কা না করেই ভুলভাল বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

স্বাধীনতার প্রাক্কালে অর্থাৎ স্বাধীনতার প্রায় তেত্রিশ বছর আগে তিনি জলপাইগুড়ির সার্কিট বেঞ্চের শিল্যান্যাস করেছিলেন বলে জানান। অথচ তাঁর জন্ম স্বাধীনতার দশ বছর পর। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে ধিরেই জল্পনা উঠেছে রাজ্যের বিভিন্ন মহলে। প্রসঙ্গত, ভুল বলে মুখ্যমন্ত্রী এবার শোধরাননি। সাল ভুল বলার সত্ত্বেও তিনি দু দুবার জলপাইগুড়ির সার্কিট বেঞ্চের উদ্বোধনের সময় বলে বসেন 1912 সাল। আর তারপরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলডের পর ট্রোলড হতে হচ্ছে তাঁকে। যদিও অনিচ্ছাকৃত ভুল। তবুও অনেকের মতে তিনি বক্তব্য রাখার সময় কেন এত অন্য মনা হন। মন মঞ্চে থাকলে নাকি এরকম ভুল কখনই হতে পারে না। তবে মুখ ফসকে একবার যখন বলেছেন তা নিয়ে আর কি কি হতে পারেন ভবিষ্যতে তাই দেখার বিষয়।

আবার অনেকে মুখ্যমন্ত্রীর এইভাবে মঞ্চে উঠে ভুলভাল বক্তব্য দেওয়াকে অন্যমনস্ক হিসেবে তুলে ধরেছেন। অনেকে মজা করে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মঞ্চে উঠে অন্যমনস্ক হয়ে যান কারণ উনার মনে মনে ভয় আছে যেকোনো সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পশ্চিমবঙ্গ দখল করে নিতে পারেন। তাই নিজের রাজ্য হাতছাড়া হওয়ার ভয়ে নাকি উনি মঞ্চে উঠে অন্য মানুষকে ভুলভাল বলে থাকেন বলেও অনেকে মত প্রকাশ করেছেন।

Close