জর্জ ফার্নান্ডেজ ইনি হলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী। অপরদিকে ইনি হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের জন্মদাতা। তিনি যদি না থাকতেন তাহলে ভারতীয় রাজনীতিতে এতদিন তৃণমূলের কোনো অস্তিত্বই থাকত না। ১৯৯৮ সালের ১ লা জানুয়ারি যখন তৃণমূল কংগ্রেস আত্মপ্রকাশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর হাত ধরে সেই সময় মঞ্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার সঙ্গী অজিত পাঁজা সহ মাত্র কয়েকজন আঞ্চলিক নেতা উপস্থিত ছিলেন। একমাত্র কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জর্জ ফার্নান্ডেজ এবং তার জন্য তৃণমূল কংগ্রেস ভারতের রাজনীতিতে স্বীকৃতি পেয়েছিল সেদিন।

সেই সময় কেন্দ্রে বিজেপি নেতৃত্বাধীন NDA সরকার ছিল। এবং সেই সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ছিলেন জর্জ ফার্নান্ডেজ এবং সেই সময় অনেক ভালো ভালো কাজ করে দেশের মধ্যে চরম সুনাম অর্জন করেছিলেন তিনি। আর সেটাই ছিল কংগ্রেসের সব থেকে বড় মাথা ব্যথার কারণ। সেই জন্য কংগ্রেস নানা রকম মিথ্যা অভিযোগ তুলে জর্জ ফার্নান্ডেজের বদনাম করে দিয়েছিল। এবং তার বিরুদ্ধে মিথ্যা কমিটি গঠন করে তদন্ত চালিয়ে ছিল এর ফলে সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার ৯ জন সংসদ জর্জের উপর থেকে মুখ ঘুরিয়ে নিয়ে তাদের ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করেছিল। এরফলে  জর্জ ফার্নান্ডেজ বাধ্য হয়েছিল পদত্যাগ করতে।

কিন্তু নানান তদন্ত করেও জর্জ ফার্নান্ডেজ এর বিরুদ্ধে কোনো রকম দেশদ্রোহীতার প্রমাণ জোগাড় করতে পারেনি কংগ্রেস। ফলে জর্জ ফার্নান্ডেজ পুরোপুরিভাবে বেকসুর খালাস হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তিনি দোষী প্ৰমান হওয়ার আগেই তার ওপর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তিনি প্রতিষ্ঠা করে দিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসকে। এর থেকে সহজে বোঝা যায় যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের দলের জন্মদাতা কে পর্যন্ত অস্বীকার করতে পারে শুধুমাত্র গদির লোভে। এবং তিনি সেটা আগেও করেছেন এবং এখনো করে চলেছেন বাংলার বুকে এবং বাংলার মানুষকে এখনো পর্যন্ত ঠকিয়ে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
#অগ্নিপুত্র