দেশজুড়ে যা অশা’ন্তির বাতাবরণ সৃষ্টি হয়েছে তা নিয়ে এবার মুখ খুললেন বিশিষ্ট সমাজকর্মী মেধা পাটেকর। তিনি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দেশের জন্য যে হিন্দুত্ব এজেন্ডা আনতে চলেছে তা আর গোপন নেই কারোর কাছে। গত বৃহস্পতিবার বাগ লিঙ্গাপল্লীতে সমাজ কর্মী সুন্দরআইয়া ভিগনান কেন্দ্রম আয়োজিত এক কনক্লেভে বক্তব্য করতে গিয়ে এমনটাই জানিয়েছে মেধা পাটেকর। তিনি বলেন, ‘‌মোদী এবং শাহের আসল উদ্দেশ্যই হল দেশে বিভাজন নীতি তৈরি করা এবং দেশকে হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত করা।’‌



মেধা পাটেকর আরও বলেন, ‘‌স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে এ ধরনের প্রতিকূলতার বিজ্ঞাপন প্রথমবার হচ্ছে। এটা যদি চলতেই থাকে তবে দেশ আর স্বাধীন থাকবে না। সময় এসেছে দেশের জন্য লড়াই করা এবং তাকে বিজেপি মুক্ত করা।’‌ অন্য সমাজকর্মীদের সঙ্গে তিনিও নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন, জাতীয় জনসংখ্যা নিবন্ধ এবং এনআরসির বিপক্ষে মন্তব্য করেন। কেন্দ্রের এই তিন আইনই গণতন্ত্র–বি’রোধী ও সংসদ–বিরু’দ্ধ ও জন–বিরু’দ্ধ বলে দাবি করেন তাঁরা।

মেধা বলেন, ‘‌সংশোধনী আইন দরিদ্রদের ওপর প্রভাব ফেলবে। এটি ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক কাঠামো ধ্বং’স করবে। আমরা প্রত্যেকেই এটা নিয়ে কথা বলছি। কিন্তু সত্যিকারের পরিবর্তন তখনই শুরু হবে যখন আমরা একসঙ্গে যোগ দেব। আমি খুবই আত’ঙ্কিত জেএনইউ–এর হাম’লার খবর শুনে। আমরা কোনও রাজনৈতিক দলকে ধর্ম, বর্ণ, জাতি বা লিঙ্গের ভিত্তিতে অপ’রাধ করতে দিতে পারি না। এটা অসংবি’ধানিক।’‌