উপযুক্ত শাস্তি! বিজয় মালিয়ার ৯০০০ কোটি টাকা ঋনের বদলে তার ১৩০০০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল মোদী সরকার।

কংগ্রেসের আমলে দেশের বেশ কয়েকজন অসাধু ব্যবসায়ী ভারতবর্ষকে একেবারে লুটেপুটে নিয়েছে। তাদের মধ্যে অন্যতম হলো বিজয় মালিয়া। উনি কংগ্রেসের আমলে অনেক টাকা লোন নিয়ে দেশে আরাম করে গায়ে হওয়া লাগিয়ে ঘুরে বেরিয়েছেন। কখনো কখনো কংগ্রেস নেতা মন্ত্রীদের পকেটের টাকা গুঁজে দিয়ে তাদের মুখ বন্ধ রেখেছেন। কিন্তু ২০১৪ সালে দেশে মোদী সরকার আসার পরে সেই ছবি একেবারে পাল্টে গিয়েছে। মোদি সরকার আসার পরে ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করতে থাকে বিজয় মালিয়ার ওপর। সেই ভয়ে উনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান এবং ভাবেন যে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়ে বেঁচে যাবেন কিন্তু তার ধারনাটি যে সম্পুর্ন ভুল সেটা প্রমাণ করে দিলেন মোদি সরকার। এখন উনি বিদেশে বসে শুধু লুকোচুরি খেলছেন দেশের সরকারের সাথে। কিন্তু তিনি তাও পেরে উঠছেন না মোদি সরকারের অত্যাধুনিক বুদ্ধির কাছে।

ক্ষমতায় এসে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া অসাধু ব্যবসায়ীদের জব্দ করার জন্য মোদি সরকার বিশেষ বিল পাস করান। সেই বিলের মাধ্যমে মোদি সরকার দেশের অসৎ ব্যবসায়ীদের বিদেশ থেকে গলায় দড়ি পরিয়ে দেশে নিয়ে আসছে এবং তাদের লুটে নিয়ে যাওয়া সমস্ত অর্থ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন।

এবার সেরকমই এক নিদর্শন আপনাদের সামনে তুলে ধরবো। বিজয় মালিয়া যিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছেন দেশের টাকা ধার নিয়ে, এবার তিনি এক টুইট করে লিখলেন যে “আমি ভারতবর্ষের ব্যাংক থেকে ৯০০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে পালিয়ে এসেছি, কিন্তু মোদী সরকার আমার ১৩০০০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে নিয়েছে, এটা কি ঠিক করছে মোদি সরকার?” এছাড়াও উনি বলেন যে রোজ সকালে উঠেই আমার কাছে রিপোর্ট আসেছে মোদি সরকার আমার কোনো না কোনো সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে নিয়েছে।

এর থেকে এটাই প্রমাণিত হচ্ছে যে দেশের অর্থ লুট করে যারা বিদেশে গিয়ে শান্তিতে থাকবার চিন্তা-ভাবনা করেছিল কিন্তু মোদি সরকার আসার পর তাদের রাতের ঘুম হারাম করে দিয়েছে। তারা এই মুহূর্তে ভারতের টাকা লুটে নিয়ে গিয়ে বিদেশে শান্তিতে থাকতে পারছে না। অর্থাৎ তাদেরকে দেশে ফিরে ভারতবর্ষের টাকা ফেরত দিতেই হবে, কারণ মোদি সরকার ভারতবর্ষকে এইভাবে লুটে নিয়ে যেতে দেবে না।
#অগ্নিপুত্র