fbpx
দেশরাজনৈতিক

রাহুল, মমতা চুপ! দ্বিতীয় সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের ফলে দেশের জনগনের ইচ্ছায় ফের একবার প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদী।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর উপর কাপুরুষোচিত হামলার বদলা নিল ভারত। ১২ দিনের মাথায় ভারতীয় বায়ুসেনা মিরাজ ২০০০ জঙ্গি বিমান দিয়ে হামলা চালিয়ে ১০০০ কেজি বিস্ফোরণ ফেলে তছনছ করে পাকিস্তানে অবস্থিত জঙ্গি ঘাঁটি গুলি। এই সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পরই দেশজুড়ে খুশির হাওয়া। সেনা জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নেওয়ার খবর পেয়ে সারা দেশ এই মুহূর্তে প্রশংসা করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর, সেই সাথে দেশের মানুষের কাছে প্রশংসা পাচ্ছেন আমাদের সকলের প্রিয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মহাশয়। কারণ কংগ্রেসের আমলে আমাদের দেশে মুম্বাই হামলার মত বড় বড় জঙ্গি হামলা হলেও কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি কংগ্রেস সরকার। আর মোদী সরকারের আমলে প্রত্যেকটি জঙ্গি হামলার জবাব দেওয়া হচ্ছে শক্ত হাতে। উরি হামলার পর জঙ্গিদের কঠোর জবাব দিতে মোদী সরকার করিয়ে ছিল ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ আর এবার পুলওয়ামা হামলার পরেও উপযুক্ত জবাব দিতে করা হল ‘দ্বিতীয় সার্জিক্যাল’ স্ট্রাইক। আর সেনাবাহিনীর আত্মবলিদান বিফলে যেতে না দিয়ে এইভাবে বদলা নেওয়ার জন্য এই মুহূর্তে পুরো দেশের কাছে প্রশংসা পাচ্ছেন মোদীজি।

আর স্বাভাবিক ভাবেই পুরো দেশের পাশাপাশি দেশের সমস্ত বিরোধী নেতামন্ত্রীরাও এই ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসা করতে বাধ্য হয়েছেন। কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী থেকে শুরু করে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিবাল, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমনকি তেজস্বী যাদব সকলেই এইদিন সেনাবাহিনীর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের এই সাহসী পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন। আর এরই মধ্যে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন এই আবহেই দেশের সমস্ত বিরোধিদের পিছনে ফেলে ভোটের হওয়া লেগে গেল মোদীর পালে।  বিষেজ্ঞদের মতে কিছু দিন আগে দেশের সমস্ত মোদী বিরোধী দল গুলি একজোট হয়ে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে সুর ছড়িয়ে মোদীজিকে ক্ষমতাচ্যুতি করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছিল। ডেমোনিটাইজেশন থেকে শুরু করে রাফায়েল, আর বি আই, সিবিআই এমনকি সম্প্রতি ঘটে যাওয়া পুলওয়ামা হামলা এই সব ইস্যুতেই মোদী সরকার কে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছিল মোদী বিরোধিরা।

রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছেন যে মোদী বিরোধী হওয়া দেশে শুরু হয়েছিল সেটা দ্বিতীয় সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পরে পুরোপুরি ভাবে মোদী সরকারের দিকে ঘুরে গিয়েছে। এমনকি এই মুহুর্তে দেশের জনগন মোদীজির ভক্ত হয়ে গিয়েছে কারণ এইভাবেও যে পাকিস্তান কে জবাব দেওয়া যায় সেটা ভারতের জনগণ ভাবতে পারে নি। কারণ কংগ্রেস শুধু মার খেয়েছে কোনোদিন পাল্টা দিতে পারি নি। আর মোদী সরকার আসার পর দেশের জনগণ জানতে পেরেছে যে এভাবেও বদলা নেওয়া যায়। আর এই সকল কারণের জন্যই রাজনৈতিক বিষেজ্ঞরা মনে করছেন যে লোকসভা নির্বাচনের আগে এই সব নানান কারণের জন্য বিজেপি অন্যান্য বিরোধীদের অনেক পিছনে ফেলে দেবে। এবং ফের একবার ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসবেন নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদী।
#অগ্নিপুত্র

Open

Close