আজব! এবার লেজেন্ডদের মিউজিক বানানো শেখাবে বলে দাবি করল নোবেল!

একটি বেসরকারি চ্যানেলের টেলিভিশনের রিয়্যালিটি শোতে অংশ নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসেন বাংলাদেশের উঠতি তরুণ সঙ্গীতশিল্পী মাঈনুল আহসান নোবেল। দুই বাংলার দর্শকরাই তার গায়কীতে মুগ্ধ। শুধু দর্শকদের মুগ্ধতাই নয়, নোবেল প্রশংসা পেয়েছেন খ্যাতনামা সঙ্গীতজ্ঞদের কাছ থেকেও। তবে নিজের করা অনেক মন্তব্যে অহংকার প্রকাশ পেয়েছে এই উঠতি সঙ্গীতশিল্পীর।

মঙ্গলবার বাংলাদেশের মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিকে প্রায় চ্যালেঞ্জই ছুঁড়ে দিলেন নোবেল। তার দাবি গত ১০ বছরে এই দেশের মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি তৈরি হতেই পারেনি। নিজের ফেসবুক হ্যান্ডেলে নোবেল লিখেছেন, ‘বাংলাদেশে তো গত ১০ বছরে ভালো করে কেউ মিউজিকই করেননি। দাঁড়াও তোমার লেজেন্ডদের না হয় আমিই শিখাবো, কিভাবে ২০২০ সালে মিউজিক করতে হয়।’

অর্থাৎ এই সময়টাতেই যারা সংগীত জগতে কাজ করে গেছেন, আলোচিত হয়েছেন কিংবদন্তিতুল্য হয়েছেন তাদের ২০২০ সালে কীভাবে মিউজিক করতে হয় সেটাই শেখাবেন। নোবেলের এমন মন্তব্যে স্বাভাবিক ভাবে সে দেশের অনেক সঙ্গীতপ্রেমী ক্ষুব্ধ হয়েছেন।

নোবেল নিজের যোগ্যতার মানদণ্ড উল্লেখ করে বলেন, ‘দু-বছর আগে জন্ম নিয়েছি আপনাদের ভালবাসা নিয়ে। দু-বছরে ফ্লপ/হিট গানের সংখ্যা দুই। তোমার মনের ভেতর – অনুপম রায় (National Award winner), আগুনপাখি – শান্তনু মৈত্র (National Award winner)’

নোবেল বলেন, এই দশ বছরে তোমরা কে কটা হিট বা ফ্লপ গান দিয়েছ আমার পোস্টের কমেন্টস সেকশনে জানাও। বাংলাদেশে গত দশ বছরে ভালো করে কেউ গান বাজনাই করেনি। দাঁড়ান, আপনাদের লেজেন্ডদের না হয় আমিই শেখাবো, কীভাবে ২০২০ সালে মিউজিক করতে হয়।

এর আগেও নোবেল নানা সময় বিভিন্ন মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছেন। তাঁর নিষ্ক্রিয় মস্তিষ্ক স্বয়ং রবীন্দ্রনাথকেও শান্তিতে থাকতে দেননি। শুধু তাই নয়, গুণধর নোবেলের নাম যুক্ত হয়েছে ধর্ষণের অভিযোগেও। এত কিছুর পর দীর্ঘ লকডাউনে নোবেলের উপলব্ধি, তিনি আবার নতুন করে সে দেশের লেজেন্ডদের মিউজিকের ক্লাস নেবেন।