Thursday, November 21, 2019
Home Blog Page 2

মাত্র এক মাসেই ঘরোয়া পদ্ধতিতে লম্বা করুন চুল, বিজ্ঞানও হার মেনেছে এই ঘরোয়া উপায়ে

১ মাসেই লম্বা চুল কথাটি শুনে ভাবছেন হয়ত কোন প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন! তা নয় মোটেও। এ লেখায় আপনাদের জানাবো কি করে হোম মেইড মাস্ক দিয়ে এক মাসেই পাবেন লম্বা চুল। তার পূর্বে আমার নিজের কিছু সমস্যা ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি। আমার মামনি সবসময় বলেন নারীর সৌন্দর্য চুলে। লম্বা চুল সর্বদাই সকলের প্রিয়। সবার কথা অত জানি না তবে আমার নিজের লম্বা চুল ভীষন পছন্দ।

আমার চুল বেশ লম্বাই ছিল। সবার কাছেই চুলের জন্যে আমার জনপ্রিয়তাটা একটু বেশিই ছিল। সবাই আমার চুল অনেক পছন্দ করত। গত বছর আমার টাইফয়েড হয়। আর এ কারণে আমার চুল এত বেশি পড়ে যে কেটে ফেলা ছাড়া কোন উপায় ছিল না। কষ্ট হওয়া সত্ত্বেও বাধ্য হয়েই চুলগুলো কেটে ফেলি। রোগ তো ভালো হয়ে গেল ঠিকই কিন্তু আমার চুল একদমই বড় হচ্ছিল না।

নিজের চুল না বাড়ার কষ্টটা আরও বেশি বেড়ে যেত যখন আশেপাশের সবাই চুলের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করত। অনেক কিছু ব্যবহার করেছি কিন্তু এই সমস্যার সমাধান পাচ্ছিলাম না। পরে আমার মামনি আমাকে একটি হেয়ার মাস্ক বানিয়ে দেন। যেটা ব্যবহার করে আমার চুল এক মাসের মধ্যেই অনেকটুকু বেড়ে উঠে। আজ আমি আপনাদের সাথে হেয়ার মাস্কটি কীভাবে বানাবেন এবং ব্যবহার করবেন তা শেয়ার করব। আসুন তাহলে জেনে নিই, হেয়ার মাস্কটি কীভাবে এবং কী কী দিয়ে তৈরি করবেন।

১ মাসেই লম্বা হবে চুল পেতে ঘরে তৈরি হেয়ার মাস্ক

হেয়ার মাস্কটি বানাতে যা যা লাগবে-

ডিম- ১ টি

অলিভ অয়েল – ১ টেবিল চামচ

নারিকেল তেল – ১ টেবিল চামচ

মধু – ১ টেবিল চামচ

মাস্কটি যেভাবে বানাবেন

প্রথমেই একটি পরিষ্কার পাত্র নিন। পাত্রে অলিভ অয়েল, নারিকেল তেল এবং মধু ভালো করে মিশিয়ে নিন। সবশেষে সেটায় ডিম দিয়ে আবারও ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার আপনার হেয়ার মাস্ক রেডি।

মাস্কটি যেভাবে ব্যবহার করবেন

অল্প অল্প করে মাস্কটি স্ক্যাল্পে লাগিয়ে নিন। এরপর চুলেও লাগিয়ে নিন। কমপক্ষে এক ঘন্টা লাগিয়ে রাখুন মাস্কটি। এক ঘন্টা পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চুল ভালো করে ধুয়ে নিন। মনে রাখবেন, কখনই এই মাস্ক লাগানোর পর চুল গরম পানি দিয়ে ধুবেন না। যাই হোক, চুল ধুয়ে নেয়ার পর আপনি শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার ব্যবহার করতে পারেন। ভালো ফলাফল পেতে মাস্কটি সপ্তাহে ২-৩ বার ব্যবহার করুন। এক মাসের মধ্যে আপনি তাহলে আপনার চুলের পরিবর্তন লক্ষ্য করতে পারবেন।

এই মাস্কে যে যে উপাদানগুলো ব্যবহার করা হয়েছে প্রতিটি উপাদানের রয়েছে অনেক বেশি গুনাগুন। আসুন তাহলে মাস্কে ব্যবহৃত উপাদানগুলোর গুণাগুণ সম্পর্কে জেনে নিই-

মাস্কে ব্যবহৃত উপাদানগুলোর গুণাগুণ

১. ডিম

চুলের অনেক ধরনের সমস্যার সমাধান হয় এই ডিম ব্যবহার করার ফলে। ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ভিটামিন, ফ্যাটি এসিড যা চুলকে নারিশ করে। এছাড়াও ডিম আপনার চুলকে করবে স্ট্রং। মাঝে মাঝে দেখা যায় চুল ফেটে যায় কিংবা ভেঙে যায়। ডিম ব্যবহার করলে এই ধরনের সমস্যাগুলো থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

২. নারিকেল তেল

নারিকেল তেল চুলের জন্যে সবসময়ই অনেক বেশি উপকারী। নারিকেল তেল ব্যবহারের ফলে চুল পড়া কমে চুলকে ময়েশ্চারাইজ করে এবং চুলকে বেড়ে উঠতে সাহায্য করে।

৩. অলিভ অয়েল

অলিভ অয়েল চুলের শুষ্কতা দূর করে। চুলকে ড্যামেজ হওয়া থেকে রক্ষা করে। স্ক্যাল্প থেকে বিভিন্ন ময়লা দূর করতে সাহায্য করে। চুলকে হেলদি হতে সাহায্য করে এবং চুল বেড়ে উঠতে অলিভ অয়েল ও অনেক বেশি উপকারী।

৪. মধু

মধু এমন একটি উপাদান যা চুলের কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে এবং চুলকে অনেক বেশি মসৃণ করে। মধু একটি প্রাকৃতিক উপাদান যা চুলের অনেক ধরনের সমস্যার সমাধান দিয়ে থাকে।

১ মাসেই লম্বা চুল পেতে মাস্কটি ব্যবহার করে আমার চুলের অনেক পরিবর্তন হয়েছে। আর এক মাসের মধ্যেই সেই পরিবর্তনটা পেয়েছি আমি। আপনিও যদি কম সময়ে বাড়ন্ত চুল চান তবে এই মাস্কটি ব্যবহার করুন। আর হয়ে উঠুন লম্বা চুলের অধিকারী। মনে রাখবেন আপনি চাইলেই কিন্তু আপনার চুলকে করে তুলতে পারবেন পারফেক্ট।

জানুন অল্প বয়সে পাকা চুল রোধের ১০ টি প্রমাণিত পদ্ধতি

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ বয়স বাড়ার সাথে সাথে চুল পাকবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যদি ১৫/২০ বছর বয়সেই পাকা ধরে তাহলে মনের অবস্থা কেমন হবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আড় চোখে তাকালেই দেখা যায় আশেপাশের মানুষের মুচকি হাসি নতুবা হাজারও প্রশ্নে ভরা চোখের দৃষ্টি। মেলানিন নামক এক উপাদান চুলের রঙ নির্ধারণ করে, এর উৎপন্নের পরিমাণ কমে গেলেই চুল সাদা হওয়া শুরু করে মানে চুল তার পিগমেনটেশন হারায়।

ফলে অল্প বয়সে চুল পাকা শুরু হয়। আর একবার পাকা চুল সমস্যা আপনার জীবনে প্রবেশ করে ফেল্লে এর পরিমাণ দিন দিন বাড়তেই থাকবে। কিন্তু হয়ে গেলে কিছু করার থাকে না তাই আগে থেকেই এই ব্যাপারে সচেতন হতে হবে।

অল্প বয়সে চুল পাকা রোধের ১০টি উপায়

১.স্ট্রেস থেকে দূরে থাকুন

স্ট্রেস চুলের অকাল-পক্কতার প্রধান কারণ। হাসি খুশিতে জীবনটা ভরিয়ে তুলুন। দিনে কয়েকবার লম্বা শ্বাস নিন আর ব্যায়াম করার অভ্যাস গড়ে তুলুন। হাজার ব্যস্ততার মাঝেও নিজের জন্য কিছুটা সময় বের করে নিন। টেনশন কাটানোর জন্য অনেক সময় নিয়ে গোসল করুন।

২.ধূমপান পরিহার করুন

বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমানিত হয়েছে যে, ধূমপান শরীরের প্রিম্যাচিউর এইজিং(premature ageing)-এর জন্য দায়ী। ধূমপান বন্ধ করলে সার্কুলেশন(circulation) পর্যাপ্ত গতিতে চলে আর চুলের অকাল-পক্কতাও রোধ হয়। তাহলে দেখলেন তো সিগারেট শরীরের ক্ষতি করে, পকেটের-ও ক্ষতি করে।

৩.শরীরের আদ্রতা বজায় রাখুন

ক্যাফেইন এবং অ্যালকোহলের পরিমাণ কমিয়ে পানি পান করুন বেশি বেশি। মশলাদার আর ভাজাভুজি জাতীয় খাবার-ও এড়িয়ে চলুন, যেহেতু এই খাবারগুলো শরীরকে ডিহাইড্রেট (dehydrate) করে শুষ্ক করে তোলে। আদ্রতার অভাবে পুষ্টিকর উপাদান চুলের ফলিকলে পৌঁছাতে পারে না, ফলশ্রুতিতে পাকা চুলের আনাগোনা দেখা যায়।

৪.কপার সমৃদ্ধ খাবার খান

অনেক সময় শরীরে কপার-এর অভাব হলে চুল পেকে যেতে পারে, যেহেতু এটা মেলানিন উৎপন্নে সাহায্য করে। তাই আপনার খাদ্য তালিকায় পালংশাক, মাংস, আনারস, ডালিম, বাদাম, গরুর কলিজা, মাশরুম-এগুলো পর্যাপ্ত পরিমাণে রাখুন। প্রতিদিন মাল্টি-ভিটামিন-ও খেতে পারেন, যেহেতু এর বেশির ভাগই কপার ধারণ করে।

৫.আয়োডিন যুক্ত খাবার খান

আয়োডিন হলো আরেকটি মিনারেল যেটি চুলের রঙ বজায় রাখে। কলা, গাজর, সামুদ্রিক মাছ এবং পালং শাকের মত আয়োডিন সমৃদ্ধ খাবার প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় রাখা উচিত।

৬.অত্যাবশ্যকীয় উপাদান প্রোটিন

মেলানিন উৎপন্নের জন্য প্রোটিন-এর অবদান অনস্বীকার্য। তাই শুধু কার্বোহাইড্রেট নয় প্রোটিন-এর সাথেও সখ্যতা গড়ে তুলুন। যদি আপনি রুটি খান তবে তার সাথে একটি ডিম খেয়ে কার্বোহাইড্রেড আর প্রোটিনের মধ্যে সমন্বয় ঘটিয়ে নিন।

৭.পর্যাপ্ত ঘুম

পর্যাপ্ত ঘুম চনমনে, ফুরফুরে শরীরের জন্য ওষুধের মত কাজ করে। আমার কথাটা মেনেই দেখুন আপনার সব স্ট্রেস গায়েব হয়ে যাবে। আর আগেই বলেছি স্ট্রেস ফ্রি লাইফ মানেই পাকা চুলের উঁকি ঝুকিও গায়েব।

৮.বি গ্রুপের ভিটামিনের উপর গুরুত্ব দিন

ভিটামিন বি২, বি৬ এবং বি১২-এর অভাব চুলের অকাল-পক্বতার আরেকটি কারণ। বায়োটিন আর ফলিক এসিডের অভাবে চুল পাকা ধরে। ভিটামিন বি৬, বি১২ লাল রক্ত কনিকা তৈরির জন্য দরকার। আর এই রক্ত কণিকার মাধ্যমেই স্কাল্প-এ পুষ্টি আর অক্সিজেন পৌঁছায়। কলা, ডিম, মাংস, দুগ্ধজাত খাবার, শাকসবজি, পাস্তা বি গ্রুপের ভিটামিন-এ ভরপুর।

৯.ইম্প্রুভ সার্কুলেশন

ব্লাড সার্কুলেশন (blood circulation) পাকা চুল রোধের জন্য খুবই জরুরী। যদি ভিটামিন এবং মিনারেল মাথার তালুতে না পৌঁছায় তবে হাজার হাজার টাকা খরচ করে ভিটামিন খাওয়ার কোন উপকারিতা পাওয়া যাবে না। ঠিক মত সার্কুলেশন (circulation)-এর জন্য প্রত্যেকদিন ব্যায়াম করার চেয়ে ভালো কোন উপায় নেই। সেই সঙ্গে বাড়তি মেদ-ও ঝরে যাবে। আঙ্গুল দিয়ে প্রতিদিন মাথার তালুতেও ভালো ভাবে ম্যাসাজ করতে হবে ব্লাড সার্কুলেশন (blood circulation)-এর জন্য। এতে করে চুলের গোড়া শক্তও হবে।

১০.সেলেনিয়াম সমৃদ্ধ খাবার নির্বাচন করুন

সেলেনিয়াম এক ধরণের মিনারেল যা মানুষের শরীরের জন্য খুব উপকারী, বিশেষ করে চুলের বৃদ্ধি ও চুলের অকাল-পক্কতা ঠেকানোর জন্য। ফ্রি রেডিক্যাল যা বুড়িয়ে যাওয়া (aging process) তরান্বিত করে। সেলেনিয়াম এই ফ্রি রেডিক্যাল-এর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে আমাদের রক্ষা করে। স্যামন ফিশ, টুনা ফিশ, আখরোট, কিশমিশ সেলেনিয়ামের খুব ভালো উৎস।

অল্প বয়সে চুল পাকা রোধে কিছু ঘরোয়া উপায়

এত দিনতো জানতেন ঝিঙা তরকারি রেঁধে খেতে হয় আজ জেনে নিন ঝিঙা নারকেল তেলের সাথে ফুটিয়ে চুলে লাগালে আপনার পাকা চুল রোধ হবে। প্রতিদিন রাতে আমলকীর রস, বাদামের তেল আর কয়েক ফোটা লেবুর রস চুলে মাস্যাজ করুন, অল্প বয়সে চুল পাকা থেকে রেহাই পাবেন। আদা গ্রেট করে মধুর সাথে মিশিয়ে প্রত্যেক দিন ১ চা চামচ করে খান। চায়ের ঘন লিকার চুলে লাগালে চুল তার রঙ হারায় না। কারি পাতা নারকেল তেলের সাথে মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন তারপর ঠাণ্ডা করে চুলে লাগান।

অল্প বয়সে চুল পাকা অনেক কারণ আছে। জেনেটিক্যাল প্রবলেম তার মধ্যে অন্যতম। বংশগত কারণে তাড়াতাড়ি চুল পাকলে সেক্ষেত্রে আসলে করার তেমন কিছু থাকে না। তাই আগে থেকেই চেষ্টা করুন উপরোক্ত পদ্ধতি গুলো মেনে চলতে। আর যদি পেকে গিয়েই থাকে তাহলে হেয়ার কালার অথবা মেহেদি পাতা ছাড়া উপায় নেই। তবে আপনি যদি কালো ছাড়া অন্য কোন কালার করতে চান তবে আমি পরামর্শ দিব অবশ্যই নিজের গায়ের রঙের সাথে মানানসই করে করবেন। তাহলে আগের সাদা চুলের দুঃখ ভুলে আপনার মুখে হাসি ফুটবেই আর আপনি হয়ে উঠবেন আরও আত্মবিশ্বাসী।

৫২ বছর পূর্ণ করেছেন অক্ষয় কুমার, ওষুধ থেকে থাকেন দূরে! তবুও চরম ফিট তিনি

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ ৫২ বছর পূর্ণ করেছেন বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমার (akshay kumar)। কিন্তু তিনি এই বয়সেও পুরোপুরি ফিট। বয়সের ছাপ তার চোখে-মুখে বা স্বাস্থ্যে কোথাও এতটুকু পড়েনি। পেশীযুক্ত শরীর বানাতে অধিকাংশ অভিনেতা যখন স্টেরয়েডের দিকে ঝুঁকে থাকেন, সেখানে কোনোরকম স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ না খেয়েও মেদমুক্ত স্বাস্থ্য ধরে রেখেছেন এই অভিনেতা। জানা গেছে, এর সবটাই লুকিয়ে রয়েছে অক্ষয়ের ফিটনেস পরিকল্পনায়। অক্ষয়ের ডায়েট চার্টে। সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার দিক থেকে অক্ষয়ের দৈনন্দিন রুটিন অন্যান্য অভিনেতা-অভিনেত্রীর থেকে অনেকটাই আলাদা। এ ব্যাপারে অক্ষয় পুরোপুরি নিজের নিয়মে চলেন।

অক্ষয় খুব সরল জীবনযাপন করেন। রাত ৯টায় তিনি ঘুমিয়ে পড়েন এবং রোজ ভোর সাড়ে চারটেয় উঠে পড়েন। ভোরে ঘুম থেকে উঠেই তিনি শরীরচর্চা শুরু করেন। ঘুম থেকে উঠে তার প্রথম কাজ হাঁটা। সব তারকাদেরই নির্দিষ্ট জিম ট্রেনার থাকে। অক্ষয়ের কিন্তু কোনো ট্রেনার নেই। জিমে অক্ষয় যান এবং নিজের ইচ্ছামতো শরীরচর্চা করেন। যেদিন যেটা করতে ইচ্ছা করে, সেদিন সেটাই করেন তিনি। তবে জিমে ওয়েট লিফ্টিং করেন না তিনি। অক্ষয় মার্শাল আর্ট এবং কিক বক্সিংয়ে প্রশিক্ষিত। নিয়মিত তা অনুশীলন করেন। এর বাইরে সারাদিন ধরেই তিনি অবসর সময়কে কাজে লাগান। কখনও হাঁটেন, কখনও দৌড়ন, সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করেন।

অনেকটা সময় শরীরচর্চা করার পর নিয়মিত যোগব্যায়াম এবং মেডিটেশন করেন। এনার্জি এবং গতি বাড়ানোর জন্য সপ্তাহে তিন দিন নিয়ম করে বাস্কেট বল খেলেন। স্বাস্থ্য বজায় রাখতে কোনোরকম দোকানজাত সাপ্লিমেন্টের ওপর নির্ভর করেন না খিলাড়ি। দোকানজাত প্রোটিন পাউডার, স্টেরয়েড একেবারেই খান না। এমনকি ওষুধের ওপরও নির্ভর করেন না তিনি। জ্বর-সর্দি-কাশির জন্য দোকান থেকে ওষুধ না কিনে ঔষধি গুণসমৃদ্ধ বিভিন্ন ভেষজ গাছ-পাতা খেয়ে ফেলেন।

এত গেল মূলত অক্ষয়ের শরীরচর্চার কথা। সারাদিন কী ধরনের খাবার তিনি খেয়ে থাকেন? চা, কফি, মদ, সিগারেট- এসবে একেবারে ছুঁয়েই দেখেন না অক্ষয়। প্রতি রোববার তার পছন্দের খাবার মিষ্টি আর সপ্তাহের বাকি দিনগুলো খুব পরিমিত খান। সন্ধ্যা ৭টায় ডিনার সেরে ফেলেন। আর রোজ ৯টায় ঘুমাতে যান। মাঝের এই দুঘণ্টা খাবার হজমের জন্য হালকা কিছু কাজ করেন। ব্রেকফাস্টে থাকে পরোটা, এক গ্লাস দুধ বা ফলের রস বা মিল্কশেকস্ আর ডিম। এর দুঘণ্টা পর তিনি তাজা ফল খান। নানারকম সবজি তার খুব পছন্দের, ড্রাই ফল খান।

লাঞ্চে তিনি পছন্দ করেন ডাল, রুটি, সিদ্ধ চিকেন এবং দই। রাতে সবচেয়ে হালকা খাবার খান তিনি। নানারকম সবজি দিয়ে স্যুপ এবং স্যালাড। ব্যস এটুকু খেয়েই শুয়ে পড়েন। ইচ্ছা করলেও ঘুরেও রাতে মিষ্টির দিকে তাকান না। ভাত খেলে শুধুমাত্র ব্রাউন রাইস খান তিনি। সারাদিনে আমলার রস, আখরোট এগুলোও খেয়ে থাকেন। প্রসেসড্ ফুড একেবারেই পছন্দ নয় তার। আর সব রকমের সবজি খান।

 

দোকানে চুরির পর চিঠি লিখে দুঃখ প্রকাশ করে গেলো চোরেরা!

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় একটি কাপড়ের দোকানে চুরির ঘটনায় চিরকুট লিখে দুঃখ প্রকাশ করেছে চোর। এ ঘটনায় নগদ টাকাসহ বিপুল পরিমাণ কাপড় চুরি হয়েছে। শনিবার সকালে উপজেলার মুশুলী কলেজ গেইটের পাশেই ‘রফিক বস্ত্র বিতান’ নামে দোকানে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এর আগে শুক্রবার রাতে যেকোনো সময়ে এ চুরির ঘটনা ঘটে। নান্দাইল মডেল থানার এসআই সুব্রত সাহা এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। ‘রফিক বস্ত্র বিতান’ এর মালিক রফিকুল ইসলাম শুক্রবার রাত দোকান বন্ধ করে বাড়ি যাওয়ার পর রাতেই এ ঘটনা ঘটে। ছয় লাইনের ওই চিরকুটে চোর লিখেছে, রফিক ভাই, আপনার দোকান লুট করার জন্য দুঃখিত, মাফ করে দিবেন। ধন্যবাদ। আমি আপনার পরিচিতদের মধ্যে একজন। অটো দিয়ে মালগুলো নিতে অনেক কষ্ট হইছে। জানা গেছে, এদিন সকালে ‘রফিক বস্ত্র বিতান’ এর কর্মচারী মারুফ মিয়া দোকান খুলতে এসে দেখেন তালা ভাঙা। পরে মালিক রফিকুল ইসলামকে ফোন করে ঘটনাটি জানান। এরপর মালিক দোকানে এসে চিরকুটটি দেখতে পান।

এ প্রসঙ্গে দোকান মালিক রফিকুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি সততার সঙ্গে ব্যবসা করে আসছেন। প্রথমে ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করলেও ধীরে ধীরে বেচা-বিক্রি বৃদ্ধি পাওয়ায় ধারে (কর্জ) টাকা এনে দোকানে অনেক মালামাল নিয়েছেন। তিনি আরো বলেন, দোকানের ক্যাশ কাউন্টার ভেঙে নগদ ৩০ হাজার টাকা নিয়ে গেছে চোর। এছাড়া প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকার কাপড় চুরি হয়েছে।

প্রতিদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে মহাদেবের নন্দীর আকার! বিজ্ঞানও হার মেনেছে ভগবানের রহস্যের সামনে

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ অন্ধ্র প্রদেশের কুরনুল জেলায় অবস্থিত ইয়াগন্তী উমা মহেশ্বর মন্দিরটি আমাদের দেশের অন্যতম ঐতিহাসিক ঐতিহ্য। এই মন্দিরটি আশ্চর্যজনক হওয়ার সাথে সাথে এটি নিজের মধ্যে অনেকগুলি রহস্য ধারণ করে। এই মন্দিরে উপস্থিত নন্দী মহারাজের প্রতিমা নিরন্তর রহস্যজনক উপায়ে বিশাল আকার ধারণ করেই চলেছে, যার কারণে এই যজ্ঞন্তী উমা মহেশ্বর মন্দির যথেষ্ট শিরোনামে রয়েছে। নন্দী কি সত্যিই জীবিত হয়ে উঠবে? নন্দীর সম্পর্কে একটি বিশ্বাস আছে যে এমন একদিন আসবে যখন নন্দী মহারাজ জীবিত হয়ে উঠবেন, তিনি বেঁচে উঠলেই এই পৃথিবীতে এক মহা ঝড় বইবে এবং এই কলিযুগের অবসান হবে।

প্রতিবছর বছরে ১ ইঞ্চি বৃদ্ধি পায় এই মূর্তি : এই যজ্ঞন্তী উমা মহেশ্বর মন্দিরে স্থাপন করা নন্দীর প্রতিমার আকার প্রতি 20 বছরে প্রায় এক ইঞ্চি বৃদ্ধি পায়। এই রহস্য উদঘাটনের জন্য প্রত্নতত্ত্ব বিভাগও গবেষণা করেছিল। এই গবেষণা অনুসারে বলা হচ্ছে যে এই মূর্তি তৈরিতে যে পাথর ব্যবহার করা হয়েছিল তা বাড়ন্তকারী প্রকৃতির পাথর এবং এই কারণেই প্রতিমার আকার বাড়ছে।

ভক্তরা প্রদক্ষিণ করতে সক্ষম হয় না: বলা হয় যে এই যজ্ঞন্তী উমা মহেশ্বর মন্দিরে আসা ভক্তরা আগে খুব সহজেই নন্দীর পরিক্রমা করতে পারতেন কিন্তু যেহুত মূর্তিটি ক্রমশ আকারে বেড়েই চলেছে সেই কারণে এখন মূর্তির পরিক্রমা করা সম্ভব হয়ে উঠছে না। নন্দীর মূর্তির আকার ক্রমশ বিশাল হতে দেখে মন্দির প্রশাসন সেখান থেকে একটি স্তম্ভও সরিয়ে নিয়েছে।

মন্দিরের ইতিহাস: এই মন্দিরটি 15 তম শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছিল। এই মন্দিরটি সাংমা রাজবংশের রাজা হরিহর বুক্কা তৈরি করেছিলেন। কথিত আছে যে ঋষিষ অগস্ত্য এই স্থানে ভগবান ভেঙ্কটেশ্বরের মন্দির তৈরি করতে চেয়েছিলেন কিন্তু মন্দিরে প্রতিমা স্থাপনের সময় প্রতিমার পায়ের আঙ্গুল ভেঙে যায়। অগস্ত্য এই ঘটনার কারণ খুঁজতে ভগবান শিবের ধ্যান করেছিলেন। এর পরে ভগবান শিবের আশীর্বাদে আগস্থ ঋষি উমা মহেশ্বর এবং নন্দীর প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।

পুষ্করিনীর রহস্য কী? এই ইয়াগন্তী উমা মহেশ্বর মন্দির কমপ্লেসে একটি ছোট পুকুর রয়েছে যা পুস্করিনী নামে পরিচিত। এই পুষ্করিনীতে নন্দীর মুখ থেকে ধারাবাহিকভাবে জল পড়তে থাকে। লক্ষ লক্ষ চেষ্টার পরেও, পুষ্করিনীর মধ্যে কীভাবে জল আসে তা কেউ জানতে পারেনি। বিশ্বাস করা হয় যে ঋষি অগস্ত্য পুষ্করিনীতে স্নান করে শিবের উপাসনা করেছিলেন।

কাক মন্দির থেকে পালিয়ে যায়: মন্দির চত্বরে কাক কখনও আসে না। ধারণা করা হয় তপস্যা করার সময় অস্থিরতার কারণে ঋষি আগস্থ কাককে অভিশাপ দিয়েছিলেন যে কোনো কাক কখনও মন্দির চত্বরে আসতে পারবে না। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, পাথরগুলির প্রকৃতির কারণে নন্দীর মূর্তিটি আসলেই বৃদ্ধি পাচ্ছে বা এর পিছনে কোনও রহস্য রয়েছে তা বলা মুশকিল। কিন্তু দৈত্য নন্দীকে দেখে বলা ভুল হবে না যে সেদিন খুব দূর নয় যখন নন্দী মহারাজ জেগে উঠবেন এবং কলিযুগের লীলা শেষ হবে।

 

মাত্রা ছাড়াবেন না, সংযত থাকুন! মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীকে কড়া হুঁশিয়ারি বাবুলের

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ সম্প্রতি রাজ্যপালের কাজের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলে, তাঁকে মাত্রা না ছাড়ানোর জন্য সতর্ক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee)। এবার যেন খানিকটা সেই সুরেই তাঁকে পাল্টা সতর্ক হতে বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় (Babul Supriyo)। রবিবার কালিয়াগঞ্জের নির্বাচনী প্রচারে এসেছিলেন বাবুল। সেখানেই একটি সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীকে সতর্ক হতে বলেন বাবুল। জানান, তিনি যেন তাঁর ভাষায় এবং কাজে মাত্রা না ছাড়ান।

নির্বাচনী প্রচারে এসে সন্ত্রাসের আশঙ্কা করার কথা জানান বাবুল সুপ্রিয়। তিনি দাবি করেন, বামেরা যেভাবে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ভোট লুঠ করত, তৃণমূল একই কৌশলের পথ ধরেছে। বাম আমলে যে সব হার্মাদ গুন্ডারা ছিল, তারাই এখন তৃণমূলে। গত লোকসভা ভোটে কালিয়াগঞ্জে যেহেতু বিজেপি অনেক ভোটে এগিয়েছিল, সেই কারণে তৃণমূল আতঙ্কে আছে। ফলে তারা উপনির্বাচনেও সন্ত্রাস করবে বলে আশঙ্কার কথা জানান বাবুল। সেই সঙ্গে অভিযোগ করেন, পুলিশ তৃণমূলের বশংবদ। ফলে সন্ত্রাস রোখার লড়াই অনেক বেশি কঠিন।

এর পরেই মুখ্য়মন্ত্রী মমতাকে সতর্ক করে বাবুল সুপ্রিয় জানান, রাজ্যপাল একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ করছেন পশ্চিমবঙ্গে। তাই সরকার নানা ভাবে তাঁর বিরোধিতা করছে। রাজ্যের মানুষ সে সবই দেখছেন।রাজ্যের মানুষই মমতাকে ক্ষমতায় নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে রাজ্যের মানুষই তাঁকে সরিয়ে দেবে।

ভয় দেখিয়ে তৃণমূলে নিয়ে গেছিল পুলিশ, তৃণমূল ছেড়ে ফের বিজেপিতে নাম লেখাল শতাধিক কর্মী

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ দিন কয়েক আগে নৈহাটির বিজেপি যুব নেতা পাপ্পু মাহাতো দলীয় কর্মীদের নিয়ে তৃণমূলে যোগদান করেছিলেন। শনিবার বিকেলে পাপ্পু মাহাতো দলবল নিয়ে শাসকদল ছেড়ে ফের সাংসদ অর্জুন সিংয়ের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিলেন। এদিন পালাবদল কর্মসূচীতে সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, নৈহাটি থানার এক পুলিশ অফিসার পাপ্পুকে ফোন করে ভয় দেখিয়েছিল। ওই অফিসার ফোন করে পাপ্পুকে তৃণমূলে যোগদান করতে বলেছিল। নাহলে ওকে তিন বছরের জন্য জেলে পুড়ে দেবার ভয় দেখিয়েছিল ।ওই পুলিশ অফিসারের টেপ তার কাছে রয়েছে।

ওই পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হবে বলে জানালেন সাংসদ অর্জুন সিং। তাঁর বক্তব্য, কয়েকদিন আগে পুলিশের ভয় দেখিয়ে পাপ্পুকে তৃণমূলে যোগদান করিয়েছিল নৈহাটির বিধায়ক পার্থ ভৌমিক ও সুবোধ অধিকারী। এদিন পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিয়ে অর্জুন সিং বলেন, তৃনমূল ক্ষমতাচ্যুত হলে তাদের ( পুলিশ ) ছেলেদের যদি ফাঁসানো হয়, তখন কেমন লাগবে। এদিনের এই পালাবদল কর্মসূচিতে হাজির ছিলেন নৈহাটির বিজেপি কাউন্সিলর গনেশ দাস, রমেশ হালদার সহ মন্ডল নেতৃত্ব।

হয়ে গেলো ঘোষণা এপ্রিল মাস থেকে শুরু হবে রাম মন্দির নির্মাণ, লাগবে মাত্র দুই বছর

0

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ আগামী বছরের এপ্রিল মাস থেকে শুরু হবে রাম মন্দির নির্মাণের কাজ। সমগ্র মন্দির নির্মাণ করতে সময় লাগবে প্রায় দুই বছর। যার অর্থ ২০২২ সালের মধ্যে রাম মন্দির নির্মাণ সম্পন্ন হবে অযোধ্যায়। এমনই সংবাদ পরিবেশন করেছেন সংবাদ সংস্থা এএনআই। গত শনিবার বহু বিতর্কিত এবং প্রতীক্ষিত রাম মন্দির মামলার রায় ঘোষণা করেছে সুপ্রিম কোর্ট। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের সেই রায় অনুসারে, অযোধ্যার বিতর্কিত জমিতে নির্মাণ করা হবে রাম মন্দির। অযোধ্যাতেই অন্যত্র পাঁচ একর জমি মুসলিমদের দেওয়া হবে মসজিদ নির্মাণের জন্য। তবে বিতর্কিত জমিতে কিছুতেই মসজিদ নির্মাণ করা যাবে না।

আদালতের রায় প্রকাশ্যে আসতেই আসরে নেমেছে হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠী। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে স্থির হয়েছে যে গুজরাতের সোমনাথ মন্দিরের মতো অযোধ্যাতেও রাম মন্দির নির্মাণের জন্য একাধিক সদস্যের ট্রাস্ট গঠন করা হবে। পুরনো রাম জন্মভূমি ন্যাসের মধ্যেই যুক্ত করা হবে নতুন বেশ কিছু সদস্যকে। যাদের পরিচালনাতেই নির্মাণ করা হবে রাম মন্দির।

অযোধ্যায় এই রাম জন্মভূমি ন্যাসের ট্রাস্টের সঙ্গে যুক্ত হতে চাইছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এবং বজরং দল। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে প্রধানমন্ত্রীর দফতর। তবে রাম মন্দির নির্মাণের জন্য যে ট্রাস্ট গঠন করা হবে তা কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকের অধীনে রেজিস্টার করা থাকবে।মন্দির নির্মাণের জন্য যে বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হবে তার সংস্থানের জন্য কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেহে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। নিজেদের গচ্ছিত টাকা ছাড়াও আরও টাকা লাগবে বলেই দাবি করেছে ওই হিন্দুত্ববাদী সংগঠন।

এই বিষয়ে কেন্দ্র রাজি না হলে সাধারণ মানুষের থেকে চাঁদা তোলার ব্যবস্থা করার কথা ভাবছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। রাম মন্দির ঘিরে সুবিশাল পরিকল্পনা রয়েছে রাম জন্মভূমি ন্যাসের। সমগ্র মন্দির চত্বর জুড়ে ভারত এবং অযোধ্যার ইতিহাস তুলে ধরা হবে। সেই সঙ্গে অযোধ্যায় স্মার্ট সিটি গড়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। মন্দির নির্মাণের পাশাপাশি পর্যটন শিল্পের উন্নতির দিকেও নজর দিচ্ছে রাম জন্মভূমি ন্যাস। যার মূল লক্ষ্য এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়ন।

এক্ষেত্রে অন্য একটি বিষয় হচ্ছে, এই বৃহৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে অনেক জায়গার দরকার। বিতর্কিত জমি এবং অধিগৃহীত জমি নিয়ে মোট ৬৭ একর জমি রয়েছে রাম জন্মভূমি ন্যাসের হাতে। কিন্তু সমগ্র পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে দরকার লাগবে প্রায় ১০০ একর। এই অবস্থায় প্রয়োজনে আরও ৩৩ একর জমি অধিগ্রহণ করা হতে পারে বলেও জানা গিয়েছে সূত্র মারফত।

এই সপ্তাহের রাশিফল (১৭ নভেম্বর থেকে ২৩ নভেম্বর)

মেষ রাশি –> বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে মতের অমিল হতে পারে। কেউ কেউ কথা দিয়ে কথা নাও রাখতে পারে। বাস্তব পরিস্থিতি মেনে নেওয়ার চেষ্টা করুন। কারও কাছ থেকে অপ্রয়োজনীয় বিষয়ে সহযোগিতা আশা না করলে ভালো করবেন। ভাইবোনের কাছ থেকে আন্তরিক সহযোগিতা আশা করতে পারেন। ব্যয় বাড়তে পারে। অর্থপ্রাপ্তির যোগ রয়েছে।

বৃষ রাশি –> বয়োজ্যেষ্ঠদের সঙ্গে সময় কাটালে ভালো করবেন। তাদের সুপরামর্শ আপনার দৃষ্টিভঙ্গি কিংবা সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া সহজতর করবে। কেউ কেউ কোনো কারণে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হতে পারেন। কর্মের ব্যাপারে বিকল্প চিন্তাভাবনা করলে ভালো করবেন। কোনো ভুল সিদ্ধান্তের জন্য অনুতপ্ত হতে পারেন। অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি এড়িয়ে চলুন। অর্থপ্রাপ্তি হতে পারে।

মিথুন রাশি –> কাছে কিংবা দূরে ভ্রমণ হতে পারে। আধ্যাত্মিক জ্ঞানসম্পন্ন কারও কাছ থেকে দিকনির্দেশনা পেতে পারেন। কারও কারও তীর্থযাত্রা হতে পারে। যারা অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং করেন তারা কোনো সুখবর আশা করতে পারেন। অপ্রাসংগিক আলোচনা সামাজিক সমস্যার কারণ হতে পারে। স্থান কাল পাত্রভেদে কথা বলুন।

কর্কট রাশি –> ব্যবসায়িক প্রচার ও প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হতে পারে। অংশীদারি কিংবা যৌথমূলধনী ব্যবসায়ে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পাওয়া বিলম্বিত হতে পারে। বিবাহযোগ্য কারও কারও বিয়ের আলোচনা হতে পারে। প্রেমঘটিত বিয়েতে কোনো ধরনের সমস্যা দেখা যেতে পারে। পারষ্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহযোগিতামূলক মনোভাব দাম্পত্য জীবন আনন্দময় করে তুলবে। ভ্রমণ হতে পারে।

সিংহ রাশি –> শরীর স্বাস্থ্যের ব্যাপারে যত্নশীল হোন। বন্ধুবেশে কাছে বসে থাকা সুবিধাবাদী লোকদের সম্পর্কে সচেতন হোন। কেউ কেউ আপনাকে ব্যবহার করে লাভবান হওয়ার চেষ্টা করতে পারে। কর্মস্থলে আপনার দায়দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের চেষ্টা করুন। ব্যবসায়িক দিক ভালো যেতে পারে। যে কোনো কিছু করার আগে ভবিষ্যতে তার ফলাফল কি হতে পারে তা চিন্তা করুন।

কন্যা রাশি –> মনের মানুষকে কাছে পেতে পারেন। বিবাহযোগ্য কারও কারও বিয়ের বাজনা বাজতে পারে। শিক্ষা ও গবেষণায় অগ্রগতি হতে পারে। কেউ কেউ সাময়িকভাবে শারীরিক ও মানসিকভাবে কম ভালো অনুভব করতে পারেন। প্রয়োজনে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

তুলা রাশি –> আপনার কোনো প্রত্যাশা পূরণ হতে পারে। যারা আবাসন পরিবর্তন করতে চান তারা প্রয়োজনে অন্যের সহযোগিতা পেতে পারেন। মাতৃস্বাস্থ্য সাময়িকভাবে কম ভালো যেতে পারে। কারও কারও ঘরে ফেরা হতে পারে। সন্তানের সাফল্যে আনন্দ পেতে পারেন। শরীর স্বাস্থ্যের ব্যাপারে সচেতন থাকলে ভালো করবেন।

বৃশ্চিক রাশি –> গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য আদানপ্রদান হতে পারে। আলোচনার মাধ্যমে কোনো সমস্যার সমাধান হতে পারে। কারও কারও ভ্রমণের সূচি পরিবর্তন হতে পারে। মাতৃসান্নিধ্য আনন্দদায়ক হবে। বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ পেতে পারেন। কারও সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির আশঙ্কা রয়েছে। মনের কোনো আশা পূরণ হতে পারে।

ধনু রাশি –> পাওনা অর্থ আদায়ে তাগাদা দিন। আংশিক অর্থ আদায় হতে পারে। খাবার-দাবারে বিশেষ করে সচেতন থাকুন। অন্যথায় কেউ কেউ শারীরিক সমস্যায় ভুগতে পারেন। যাদের চক্ষু সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে তারা অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। স্বল্প দূরত্বে ভ্রমণ হতে পারে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আনন্দময় সময় কাটানোর সুযোগ পেতে পারেন।

মকর রাশি –> শরীর ও মন মোটামুটি ভালো যেতে পারে। কোনো কারণে মনের সন্দেহ প্রবণতা বাড়তে পারে। সংশয় কাটাতে সরাসরি কথা বলুন। কারণ কখনও কখনও আন্দাজ-অনুমান মিথ্যাও হতে পারে। অর্থপ্রাপ্তির যোগ রয়েছে। গৃহে অতিথি আসতে পারে। ব্যাংকিং সংক্রান্ত কাজে ব্যস্ততা বাড়তে পারে। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদান-প্রদান হতে পারে। মনের ইচ্ছা পূরণ হতে পারে।

কুম্ভ রাশি –> কর্মক্ষেত্রে আপনার বুদ্ধি ও কৌশল লাগিয়ে পদস্থদের সুদুষ্টি পেতে পারেন। নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করুন যা পেশাক্ষেত্রে আপনাকে এগিয়ে রাখবে। বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে যোগাযোগ হতে পারে। সামাজিক কোনো অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেতে পারেন। সাংগঠনিক কাজে ব্যস্ততা বাড়তে পারে।

মীন রাশি –> আপনার মনের কোনো সুপ্ত বাসনা পূরণ হতে পারে। অর্থপ্রাপ্তির সম্ভাবনা রয়েছে। বন্ধু কিংবা প্রিয়জনের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য কিংবা সহযোগিতা পেতে পারেন। নিজের কোনো ভুলের জন্য খেসারত দিতে হতে পারে। ঠাণ্ডা মাথায় ধীরস্থিরভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজে লেগে থাকার চেষ্টা করুন। কেউ কেউ সাময়িক অসুস্থতায় ভুগতে পারেন।

আবারও মা হতে চলেছেন ঐশ্বর্য? নাকি অন্য কিছু? সব প্রশ্নের উত্তর পাবেন এখানে

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ বচ্চন পরিবারে সুখবর? ‘ঝলসা’-র অন্দরে আসতে চলেছে নতুন অতিথি…? গত কয়েক দিন ধরে বলি টাউনের অন্দরে এই চাপা ফিসফাসই শোনা যাচ্ছে। কিন্তু কেন? চার দিন আগে ভাগ্নীর বিয়ে উপলক্ষে মুকেশ অম্বানী জমকালো এক পার্টি দিয়েছিলেন। চাঁদের হাট বসেছিল অম্বানীদের বাড়িতে। শাহরুখ, অনিল কপূরের পাশাপাশি, অভিষেক-ঐশ্বর্যও উপস্থিত হয়েছিলেন সেখানে। অভিষেক পরেছিলেন কালো সেমি ফরমাল শার্ট এবং একই রঙের ট্রাউজার্স। অ্যাশের পরনে ছিল উজ্জ্বল লাল আনারকলি। সেই অনুষ্ঠানের অ্যাশ-অভির কিছু ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় আসতেই গুঞ্জন জোরালো হয়ে যায়।

যে ছবিগুলো ভাইরাল হয়েছে তাদের বেশ কয়েকটিতে দেখা গিয়েছে ওড়না একটু নিচে পেটের কাছে নামিয়ে রেখেছেন মিস ইউনিভার্স। এর পরই নেটিজেনদের একাংশ প্রশ্ন তুলেছেন তবে কি ‘বেবি বাম্প’ লুকোচ্ছেন ঐশ্বর্য? কেউ আবার লিখেছেন, ‘ওঁকে তো আগের থেকে বেশ খানিকটা মোটা লাগছে। উনি কি সন্তানসম্ভবা?’ যদিও এই বিষয়ে বচ্চন পরিবারের তরফ থেকে এখনও কোনও মন্তব্য করা হয়নি তবু চর্চা চলছে জোরকদমে।

কেউ কেউ তো আবার এ-ও বলছেন, ‘আরাধ্যা হওয়ার সময়ও তো বেশ কিছুদিন প্রেগন্যান্সির কথা চেপে গিয়েছিলেন অ্যাশ, এবারেও হয়তো সেই পথেই হাঁটছেন তিনি।” ২০১১-র ১৬ নভেম্বর বেটি-বি ওরফে আরাধ্যা রাই বচ্চনের জন্ম হয়। অভিষেক-ঐশ্বর্যের প্রথম সন্তান। সে সময় বচ্চন পরিবার ভেসে গিয়েছিল খুশির জোয়ারে। আবারও কি ‘দাদাজি’ হতে চলেছেন বিগ-বি? সদ্যোজাতর হাসিতে খিলখিলিয়ে উঠতে চলেছে জলসার প্রতিটি কোণ?

‘জয় অনুভব করছি” কালিয়াগঞ্জে ট্রেন থেকে নেমেই বললেন লকেট চ্যাটার্জী

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ ট্রেন থেকে নেমেই জয় অনুভব করে ফেলেছেন বিজেপির মহিলা মোর্চার সভাপতি লকেট চ্যাটার্জি। শনিবার কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রচারে এসেছেন নেত্রী। কালিয়াগঞ্জে পৌঁছে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জয়ের বিষয়ে আশাবাদী লকেট চ্যাটার্জির দাবী, এই এলাকায় বিরোধীদের তেমন কোনও অস্তিত্ব নেই। জয় নিশ্চিত বিজেপির।

বিধানসভা উপনির্বাচনের দিন যতই এগিয়ে আসছে ততই রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জে। জোড় কদমে প্রচারে ঝাপিয়েছে তিন প্রধান রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীরা। প্রায় রোজ দিনই হেভিওয়েট নেতা নেত্রীদের এনে জোড় প্রচার চালাচ্ছে বিজেপি, কংগ্রেস ও তৃণমূল।

শনিবার দলীয় প্রার্থী কমল সরকারের হয়ে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিতে এসেছেন সাংসদ লকেট চ্যাটার্জি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, পুরোপুরি ভাবে এখানে ভারতীয় জনতা পার্টি জিতবে। ট্রেন থেকে নেমেই এই অনুভূতি হয়েছে। অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলিরও খুব একটা অস্তিত্ব আছে বলে মনে হয় না। এনআরসি প্রসঙ্গে এদিন নেত্রী বলেন, এন আরসি নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। নাগরিকত্ব বিল এলেই সবাই বুঝে যাবে তৃণমূল কংগ্রেস কী ভাবে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।

 

সেনার বিরুদ্ধে ভুয়ো খবর ছড়ানোয়, দশ দিনের নোটিশ জারি করে শেহলা রশিদকে গ্রেফতারের নির্দেশ আদালতের

0

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ  দিল্লির একটি আদালত পুলিশকে সেনাবাহিনী সম্পর্কে মিথ্যা সংবাদ ছড়িয়ে দেওয়ার কারণে শেহলা রশিদকে ১০ দিনের গ্রেপ্তারের নোটিশ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। শুক্রবার, পাতিয়ালা হাউস কোর্ট এই নির্দেশের সাথে রশিদের আগাম জামিনের আবেদনটি বাতিল করে দিয়েছিল যে তদন্ত প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে বলা হয়েছিল।

 

শেহলা রশিদ জেএনইউর প্রাক্তন ছাত্রনেতা এবং জেএনইউএসইউর প্রাক্তন সহসভাপতি, ১৮ আগস্ট কাশ্মীরের পরিস্থিতি সম্পর্কে ১০ টি টুইট করেছিলেন যাতে তিনি দাবি করেছিলেন যে উপত্যকার বর্তমান অবস্থা খুব খারাপ। কিন্তু কয়েক ঘন্টা পরে, ভারতীয় সেনাবাহিনী তার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে এবং একে ভিত্তিহীন বলে অভিহিত করেছে।

শেহলা রশিদ টুইট করেছিলেন যে জম্মু ও কাশ্মীরের জনগণ বলেছে যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জেএন্ডকে পুলিশের কোনও কর্তৃত্ব নেই। তাদের শক্তিহীন রেন্ডার করা হয়েছে। সব কিছুই আধা সামরিক বাহিনীর হাতে। একজন সিআরপিএফ লোকের অভিযোগে একজন এসএইচও বদলি করা হয়েছিল। শুধু তা-ই নয়, শেহলা নিজের টুইটে অভিযোগ করেছেন যে সুরক্ষা বাহিনী রাতে বাড়িতে প্রবেশ করে কাশ্মীরি ছেলেদের তুলে নিয়ে যায়, যদিও এই সব অভিযোগই মিথ্যে।