Home Blog Page 3

জলপথ দিয়ে পাকিস্তানকে ধ্বংস করার জন্য সমুদ্রে নামল সাইলেন্ট কিলার INS Khanderi

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) সাবমেরিন আইএনএস খান্ডেরি (INS Khanderi) কে নৌসেনার হাতে তুলে দেওয়া হল। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং আইএনএস খান্ডেরিকে নৌসেনার হাতে তুলে দেন। আইএনএস খান্ডেরির নির্মাণে পুরো ১০ বছর সময় লাগল। ইঞ্জিনিয়ার দের দিন রাতের পরিশ্রম আর ওনেক রকম পরীক্ষা নিরীক্ষার পর আইএনএস খান্ডেরি এবার নৌসেনায় নিযুক্ত হতে পারল। এই সাবমেরিন সমুদ্রে ৩৫০ মিটার পর্যন্ত ডুবে থাকতে পারে। আইএনএস খান্ডেরি থাকা স্থায়ীভাবে চৌম্বকীয় চালিত মোটর এর জন্য এই ডুবোজাহাজ একদম সাইলেন্ট থাকে, আর এর খবর শত্রুরা পায়না।

খান্ডেরির নাম মহান মারাঠা শাসক ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ এর খান্ডেরি দুর্গের নামে রাখা হয়েছে। ওই দুর্গের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এটি জলের মধ্যে খানে ছিল, মানে চারিদিক দিয়ে জলে ঘেরা, আর এই কারণেই শত্রুরা এই দুর্গ কোনদিনও জয় করতে পারেনি। INS Khanderi সমুদ্রে পুরো ৪৫ দিন পর্যন্ত থেকে ১২ হাজার কিমি দূরত্ব অতিক্রম করতে পারবে। এর আগে INS কোলাভরি স্করপিয়ন শ্রেণীর প্রথম ডুবোজাহাজ ছিল। এরপর INS খান্ডেরির নির্মাণ শুরু হয়। ভারতীয় নৌসেনা বিগত কয়েক বছর ধরে INS কোলাভরির ব্যাবহার করে আসছে। INS খান্ডের ওই ডুবো জাহাজের উন্নত ভার্সন। এবং কোলাভরির থেকেই দ্বিগুণ শক্তিশালী।

INS খান্ডের প্রায় ৬৭.৫ মিটার দীর্ঘ, আর ১২.৩ মিটার চওড়া। এই সাবমেরিন সমুদ্রে ৩৫০ মিটার পর্যন্ত ডুবে থাকতে পারে। এর সাথে সাথে এটি জলের মধ্যে একদম চুপচাপ ভাবে থাকতে পারে। INS খান্ডেরি নিজের বেস থেকে ১২ হাজার কিমি দূর পর্যন্ত সমুদ্রে দৌড় লাগাতে পারে।

INS খান্ডেরি সমুদ্রের ভিতরে প্রায় ২০ মাইল প্রতি ঘণ্টা, আর সমুদ্রের উপরে ১১ মাইল প্রতি ঘণ্টার গতিতে ছুটতে পারে। INS খান্ডেরিতে মোট ৩৬০টি ব্যাটারি আছে। প্রতিটি ব্যাটারির ওজন ৭৫০ কেজি। INS থাকা চৌম্বকীয় চালিত মোটর এর জন্য সমুদ্রের নীচে শত্রুদের চোখে ধুলো দিয়ে একবারে শান্ত থাকতে পারে।

 

তৃণমূলের হাতে খুন বিজেপির ৮০ কর্মীর আত্মার শান্তির জন্য তর্পণ করলেন বিজেপির কার্যকারিণী সভাপতি জেপি নাড্ডা

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গে বিগত কয়েক বছরে তৃণমূলের হাতে খুন ভারতীয় জনতা পার্টির ৮০ জন কর্মী সমর্থকের আত্মার শান্তির জন্য বিজেপির কার্যকারিণী সভাপতি জগত প্রসাদ নাড্ডা শনিবার তর্পণ করলেন। দিল্লী থেকে কলকাতায় আসা জে.পি নাড্ডার সাথে বিজেপির মহাসচিব কৈলাস বিজয়বর্গীয়, রাজ্য বিজেপির সভাপতি তথা মেদিনীপুরের বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ এবং বিজেপির নেতা মুকুল রায় উপস্থিত ছিলেন।

‘তর্পণ” পিতৃ পক্ষে করা একটি হিন্দু সাংস্কৃতিক রেওয়াজ, যেটার মাধ্যমে পূর্বপুরুষ অথবা পরিজনদের আত্মার শান্তি কামনা করে তাঁদের জল অর্পণ করা হয়। বিজেপির সুত্র অনুযায়ী, শুভ মহালয়ের দিন এই তর্পণের মাধ্যমে বিজেপি রাজ্যে তৃণমূলের হাতে রাজনৈতিক হিংসায় মৃত বিজেপির কর্মীদের বিচার চাইতে আবারও বড়সড় পরিকল্পনা করছে। ২০১৪ এর লোকসভা নির্বাচন থেকে বিজেপি এই রাজ্যে দাঁত জমিয়েছে, আর তখন থেকেই বিজেপি কর্মীদের উপর তৃণমূলের আক্রমণের ঘটনা আরও বেড়েছে।

রাজ্য বিজেপির নেতা সায়ন্তন বসু জানান, মহালয়ায় বিজেপির নিহত ৮০ জন কর্মী সমর্থকদের জন্য বাঘবাজার ঘাটে তর্পণের আয়োজন করা হয়েছে, এই কার্যক্রমে নিহত বিজেপি কর্মীদের পরিবারের সদস্য এবং বিজেপির বরিষ্ঠ নেতারা উপস্থিত থাকবেন। আপানদের জানিয়ে রাখি, এরাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের বিকল্প দল হিসেবে উঠে এসেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনে এরাজ্যে অভূতপূর্ব ফল করার পর বিজেপি এবং তৃণমূলের রাজনৈতিক সংঘর্ষ আরও বেড়েছে। লোকসভায় বিজেপি এই রাজ্যে ১৮ টি আসন জয় করার পর আগামী ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচন জয়ের লক্ষ্য রেখেছে।

আমেরিকা থেকে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী, বিমান বন্দরে স্বাগত জানানোর জন্য জড় হচ্ছে হাজার হাজার মানুষ

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ আমেরিকা থেকে সাত দিনের সফর সেরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi) শুক্রবার রাতে নয়া দিল্লীর জন্য রওনা দেন। ওনার বিমান মাঝপথে ফ্র্যাঙ্কফুটে টেকনিক্যাল হল্টের জন্য থামবে, এরপর সেখান থেকে সোজা দিল্লীর জন্য রওনা দেবে। আমেরিকা থেকে রওনা দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ট্যুইট করে আমেরিকার সমস্ত প্রবাসী ভারতীয় আর আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে (Donald Trump) ধন্যবাদ জানান।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ট্যুইট করে লেখেন, ‘কমিউনিটি কানেক্ট ভারত – আমেরিকা সম্পর্কের প্রাণকেন্দ্র। আমি ‘হাউডি মোদী” (Howdy Modi) অনুষ্ঠান কখনো ভুলবো না। আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতিতে ওই অনুষ্ঠান আরও বিশেষ হয়ে যায়। ওনার উপস্থিতি এটাই প্রমাণ করে যে, আমেরিকার সাথে ভারতের সম্পর্ক আর সেখানে উপস্থিত প্রতিভাবান ভারতীয়রা ওনার কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ।”

আমেরিকা থেকে ভারতে ফেরার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে জোরদার স্বাগত জানানো হবে। ২৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আমেরিকা থেকে এসে দেশের মাটিতে পা রাখবেন, আর ওনাকে স্বাগত জানানোর জন্য ভারতীয় জনতা পার্টি ভব্য আয়োজন করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যখন ভারতে পৌঁছাবেন তখন ওনাকে স্বাগত জানানোর জন্য পালম এয়ারপোর্টের বাইরের রাস্তার দুই দিকে হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত থাকবেন। সেই সময় দিল্লী বিজেপির সভাপতি মনোজ তিওয়ারি এবং বিজেপির অন্যান্য বড়বড় নেতারা উপস্থিত থাকবেন।

মহালয়ার পুণ্যলগ্নে হিন্দু সংগঠনের মিছিলে কাঁপল গোটা শহর

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ আজ শুভ মহালয়া। সেই মহালয়ার পুণ্যলগ্নে প্রতিবছরের মতো এ বছরও হিন্দু সংহতির আসাম শাখার উদ্যোগে শিলচর শহরে বিশাল মিছিল বের হয়। আসামে হিন্দু বাঙালিদের প্রধান আশা ভরসা হিন্দু সংহতির এই মিছিলে হাজার হাজার হিন্দু যুবক যোগ দেয়।

মিছিল নরসিংহটোলা থেকে শুরু হয়ে সারা শহর পরিক্রমা করে। মিছিলে সদ্য হয়ে যাওয়া NRC তালিকা থেকে বাঙালি হিন্দুদের নাম বাদ পড়ার প্রতিবাদে স্লোগান দেওয়া হয়। এছাড়াও হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে একটি ট্যাবলো তৈরি করা হয়, যার থিম ছিল ‘ডিটেনশন ক্যাম্প’।

ট্যাবলোসহ মিছিল সারা শহর পরিক্রমা করে। হিন্দু সংহতির যুবক কর্মীদের স্লোগানে পুরো শহর কেঁপে ওঠে। আজ এই মিছিল ডেনটেনশন ক্যাম্পের আতঙ্কে ভুগতে থাকা বাঙালি হিন্দুকে ভরসা যোগাবে, এমনটাই জানিয়েছেন আসামের হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী সম্রাট দত্ত।

২৫০০ কোটি টাকার সারদা কেলেঙ্কারিতে যুক্ত রাজীব কুমারকে হিরো বানিয়ে দিলো মমতা সরকার!

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ ফের রাজীব কুমারকে নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হল। সারদা মামলায় তথ প্রমাণ লোপাট করে আপাতত পলাতক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী ঘনিষ্ঠ আইপিএস অফিসার তথা কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন কমিশনার রাজীব কুমার। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা রাজীব কুমারকে হন্যে হয়ে খুঁজছে। কিন্তু ওনার এখনো কোন হদিশ পাওয়া যায়নি। আরেকদিকে রাজীব কুমারের জন্য ধর্নায় বসা মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীও মুখে কুলুপ এঁটেছেন।

বিজেপির নেতাদের মতে, রাজীব কুমারকে লুকিয়ে রেখেছে তৃণমূল কংগ্রেস। কারণ রাজীব কুমার গ্রেফতার হলেই তৃণমূলের প্রভাবশালী নেতা, মন্ত্রীরা ফেঁসে যাবেন ২৫০০ কোটি টাকার সারদা কেলেঙ্কারিতে। এমনকি তৃণমূলের যুবরাজ তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর ভাইপো সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও সারদা মামলায় ফেঁসে যাবেন বলে বিজেপির নেতাদের বক্তব্য। আর সেই কারণেই রাজীব কুমারের কোন হদিশ পাওয়া যাচ্ছেনা।

আরেকদিকে রাজ্য কংগ্রেসের সভাপতি সোমেন মিত্র বলেছেন, রাজীব কুমারকে হত্যার ছক করা হচ্ছে। কারণ রাজীব কুমার গ্রেফতার হলে অনেক প্রভাবশালী ব্যাক্তিদেরই জেলে যেতে হবে। রাজীব কুমারকে নিয়ে আপাতত রাজ্যের রাজনীতি তুঙ্গে। আরেকদিকে সুত্র থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, রাজীব কুমারের ছুটির মেয়াদ বাড়িয়েছে রাজ্য সরকার। আর এই নিয়েই আপত্তি জাহির করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই।

আর এরই মধ্যে রাজীব কুমারকে খুঁজে বের করলেন যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী অনুপম হাজরা। তিনি ফেসবুকে একটি পোস্ট করে লেখেন, ‘অবশেষে ক্লাস ফোরের সাধারণ জ্ঞানে খুঁজে পাওয়া গেলো রাজীব স্যারকে।” অনুপম হাজরার এই পোস্ট ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে হাসির রোল। আরেকদিকে প্রশ্ন উঠছে, দুর্নীতি পরায়ণ পুলিশ কর্মীর ছবি বাচ্চাদের পাঠ্যক্রমে কি করে? বাচ্চাদের ছোট বেলা থেকেই যদি এরকম মানুষের আদর্শ স্মরণ করতে বলা হয়, তাহলে তো ওরাও বড় হয়ে রাজীব কুমারই হবে।

পৃথিবীর একমাত্র দেশ পাকিস্তান, যারা জঙ্গিদের পেনশন দেয়! রাষ্ট্রসংঘে ইমরান খানকে ধুয়ে দিলো ভারত

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ শুক্রবার সংযুক্ত রাষ্ট্রের মহাসভায় (UNGA) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণের ১৭ মিনিট পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ভাষণ দেন। নিজের ৫০ মিনিটের ভাষণে ইমরান খান ভারতের ভুয়ো এবং মনগড়া চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করেন। আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের বিরুদ্ধে অন্যান্য দেশ গুলোকে এক করার জন্য প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এই বৃথা চেষ্টা করেন। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের এই ভাষণের প্রতিক্রিয়া শনিবার বিদেশ মন্ত্রালয়ের প্রতম সচিব বিদিশা মৈত্রা কড়া জবাব দেন।

রাইট টু রিপ্লাই অনুযায়ী, বিদিশা মৈত্রা পাকিস্তানের মিথ্যের পর্দাফাঁস করেন। উনি বলেন, ইমরান খানের ভাষণে ঘৃণায় ভরা ছিল, আর ওনার প্রতিটি কথাই মিথ্যে। তিনি আন্তর্জাতিক মঞ্চের ব্যাবহার ভুল ভাবে ভারতের বিরুদ্ধে করার চেষ্টা করেছেন। পাকিস্তান সরাসরি আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী লাদেনকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিল। পরমাণু নিয়ে দেওয়া ওনার বয়ান দ্বায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দেয়। পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কাশ্মীর প্রসঙ্গ তুলে বলেছিলেন, আমাদের কাছে হাতিয়ার তুলে নেওয়া আর পরমাণু হাতিয়ার ব্যাবহার করা ছাড়া আর কোন রাস্তা নেই।

মৈত্রা বলেন, ‘মানবাধিকার নিয়ে বড়বড় কথা বলা পাকিস্তানকে সবার আগে পাকিস্তানে বসবাস করা সংখ্যালঘুদের অবস্থা দেখা উচিত। পাকিস্তানে থাকা সংখ্যালঘুদের সংখ্যা ২৩ শতাংশ থেকে ৩ শতাংশ হয়ে গেছে। ওই দেশে শিখ, ইসাই, হিন্দু, বৌদ্ধ, শিয়া, সিন্ধী, পশতুন আর বালোচদের বিরুদ্ধে ইর্শানিন্দার আইন আগু করা হয়। ওদের উপর অত্যাচার করে ওদের জোর করে ধর্মপরিবর্তন করানো হয়। পাকিস্তানের ইতিহাস কখনো ভলা যাবেনা। ১৯৭১ সালে ওরা নিজদের লোকেদেরই নরসংহার করেছিল।

উনি বলেন, ‘বন্দুক তুলে নেওয়া মধ্যকালীন মানসিকতা দেখাচ্ছে পাক প্রধানমন্ত্রী। এক সময় ক্রিকেটার থাকা ইমরান খান জেন্টালম্যান গেমের কথা বলত, আর এখন বন্দুক উঠিয়ে যুদ্ধের কথা বলছে। ভারতের কোন নাগরিক চায়না যে, তাঁদের তরফ থেকে ইমরান খানের মতো মানুষ বলুক। কারণ তিনি ঘৃণা মনে নিয়ে নিজের দেশে সন্ত্রাসবাদের ফ্যাক্টরি বানিয়ে রেখেছে। পাকিস্তান এমন এক দেশ, যারা সন্ত্রাসবাদ আর ঘৃণাকে নিজেদের জীবনের অঙ্গ হিসেবে যুক্ত করে নিয়েছে, আজ তাঁরা মানবাধিকার আড়ালে ওয়াইল্ডকার্ডের ব্যাবহার করতে চাইছে।” ভারতের তরফ থেকে পাকিস্তানকে প্রশ্ন করা হয় যে, পাকিস্তান কি এটা স্বীকার করবে, যে তাঁরা বিশ্বের প্রথম দেশ যারা এমন এক ব্যাক্তিকে পেনশন দেয়, যে সংযুক্ত রাষ্ট্রে নিষিদ্ধ তালিকায় নিজের নাম লিখিয়েছে?

কাশ্মীরের মুসলিমদের নিয়ে ভাবার আগে চীনের মুসলিমদের নিয়ে ভাবুন, পাকিস্তানকে পরামর্শ আমেরিকার

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের মিথ্যা খবর ছড়ানো পাকিস্তানকে এবার একহাতে নিলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আমেরিকা পাকিস্তানকে পরিস্কার ভাষায় বলেছে, তাঁরা যেন চীনে জেলে বন্দি থাকা মুসলিমদের চিন্তা আগে করে। আমেরিকার দক্ষিণ আর মধ্য এশিয়া মামলার মন্ত্রী অ্যালিস ওয়েলস (Alice Wells)  বলেন, চীনে মুসলিমদের অবস্থা খুব আশঙ্কাজনক। তাঁদের নজরবন্দী করে ডিটেশন ক্যাম্পে রাখা হচ্ছে, কিন্তু পাকিস্তান এই নিয়ে কোন আওয়াজ তুলছে না।

অ্যালিস বলেন, পাকিস্তানকে এই ইস্যু নিয়ে বেশি চিন্তা করা দরকার। কারণ চীনে সবথেকে বেশি মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসন সংযুক্ত রাষ্ট্র মহাসভায় চীন দ্বারা মুসলিমদের নজরদারি শিবিরে ভয়ানক অত্যাচারের কথা সামনে আনে। অ্যালিস বলেন, গোটা চীনে মুসলিমদের অবস্থা খারাপ। তাঁদের জোর জবরদস্তি করে শিবিরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তাঁদের ধার্মিক স্বাধীনতা দেওয়া হয়নি। আমরা আগামী দিনেও এই ইস্যু বারবার তুলব।

চীনের পশ্চিম প্রান্ত শিনজিয়াং এ চীনের প্রশাসন আর সেখানকার স্থানীয় উইঘুর মুসলিমদের মধ্যে সংঘর্ষের ইতিহাস অনেক বছরের পুরনো। উইঘুর মুসলিম নিজেদের সাংস্কৃতিক আর আদিবাসি রুপে মধ্য এশিয়ার দেশ গুলোর বাসিন্দা মনে করে। ওই এলাকা গুলোতে কমিউনিস্ট চীন ১৯৪৯ সাল থেকে সম্পূর্ণ ভাবে নিয়ন্ত্রণ করে রেখেছে। দক্ষিণ তিব্বত এর মতো শিনজিয়াংও আধিকারিক রুপে স্বাধীন প্রদেশ বলে মানা হয়।

উইঘুর মুসলিমদের নিয়ে ইসলামিক দেশ গুলো চুপ, কারণ তাঁরা চীনের নজরে খারাপ হতে চায়না। পাকিস্তানের মতো দেশের অর্থবাবস্থা চীনের কারণে চলছে। এছাড়াও অন্যান্য ইসলামিক দেশ গুলোর সাথে চীনের বেশ ভালো ব্যাবসায়িক সম্পর্ক আছে। যদি এই ইসলামিক দেশ গুলো চীনে মুসলিমদের উপর হওয়া অত্যাচার নিয়ে কিছু বলে, তাহল চীন হয়ত তাঁদের বিরুদ্ধে মোর্চা খুলে নেবে। আর পাকিস্তানের মতো দেশ গুলোকে সাহায্য দেওয়া বন্ধ করে দেবে। আর এই জন্য এই পাকিস্তানের মতো ইসলামিক দেশ গুলো চীনের অভ্যন্তরীণ মামলায় দখল দিতে চায়না।

পাকিস্তান শান্তির দেশ, আমাদের দেশে এখন মাত্র ৫০টি জঙ্গি সংগঠন অ্যাকটিভ আছেঃ ইমরান খান

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ আরও একবার পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সন্ত্রাসবাদ নিয়ে স্বীকারোক্তি করলেন। একটি বিদেশী চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানে জঙ্গি ট্রেনিং এর কথা স্বীকার করলেন তিনি। উনি স্বীকার করেন যে, পাকিস্তানে এখন ৫০টি জঙ্গি সংগঠন আছে। যদিও উনি এও বলেন যে, ৯/১১ আমেরিকার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে হামলা হওয়ার পর জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে পাকিস্তান।

উনি বলেন, ১৯৮০ এর দশকে আফগানিস্তানের তৎকালীন সোভিয়েত সঙ্ঘের বিরুদ্ধে মোর্চা খোলার জন্য মুজাহিদ্দিনদের ট্রেনিং দিয়েছিল পাকিস্তান। তাঁদের জিহাদের জন্য তৈরি করা হয়েছিল, কিন্তু ৯/১১ এর হামলার পর আমেরিকার সাথে সাথে পাকিস্তানেরও শত্রুতা বেড়ে যায় মুজাহিদ্দিনদের। বিগত ১৫ দিনে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ইমরান খান পাকিস্তানকে পরোক্ষ ভাবে জঙ্গির দেশ বলে স্বীকার করে নিলেন। রাশিয়ার একটি মিডিয়াকে দেওয়া এই ইন্টারভিউতে উনি এই কথা বলেছেন।

আপনাদের জানিয়ে রাখি, এই সপ্তাহেই পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান স্বীকার করেছিল যে, পাকিস্তানে সেনা আর গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই আফগানিস্তানে লড়ার জন্য আলকায়দা আর অন্যান্য জঙ্গিদের ট্রেনিং দিয়েছে। আর তাঁর জন্য ওই জঙ্গি সংগঠন গুলোর সাথে পাকিস্তানের সম্পর্ক বেশ ভালো। কারণ তাঁরা পাকিস্তানের থেকেই ট্রেনিং পেয়েছিল।

সোমবার পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে আলকায়দা আর ওসামা বিন লাদেন কি করে পাকিস্তানে বাস করত সেই নিয়ে কোন তদন্ত করা হয়েছে কিনা জিজ্ঞাসা করলে পাক প্রধানমন্ত্রী জবাব দেন, ‘পাকিস্তানি সেনা আর আইএসআই এই সমস্ত জঙ্গি গোষ্ঠী গুলোকে আফগানিস্তানে লড়ার জন্য ট্রেনিং দিয়েছিল, তাঁদের সাথে আমাদের সম্পর্ক আগাগোড়াই ছিল, আমরা তাঁদের প্রশিক্ষণ দিয়েছিলাম বলেই, এই সম্পর্ক বজায় ছিল।”  উনি বলেন, ‘আমরা যখন এই জঙ্গি সংগঠন গুলোর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে চাই, তখন সবাই সহমত হয়নি। এমনকি সেনার মধ্যেও আমাদের সাথে সবাই সহমত হয়নি। আর এর জন্য পাকিস্তানে হামলা হয়েছিল।”

ইসলামিক আতঙ্কের বিরুদ্ধে সবাইকে এক করতে আজ সংযুক্ত রাষ্ট্রে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী, অপেক্ষারত গোটা বিশ্ব

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শুক্রবার সংযুক্ত রাষ্ট্রের মহাসভায় (UNGA ) বক্তব্য রাখবেন। ওনার এই ভাষণ ভারতীয় সময় প্রায় সন্ধ্যে ৭ঃ৫০ নাগাদ শুরু হবে। শোনা যাচ্ছে যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আজ সংযুক্ত রাষ্ট্রের মহাসভা থেকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে গোটা বিশ্বকে লড়াই করার জন্য একজোট করবেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পর সংযুক্ত রাষ্ট্রের মহাসভায় ভাষণ দেবেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

দুদিন আগে আমেরিকার হিউস্টিনে ‘হাউডি মোদী” অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সন্ত্রাসবাদ ইস্যু নিয়ে মুখর হয়েছিলেন। উনি বলেছিলেন যে, এবার সময় এসেছে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সবাইকে একজোট হয়ে লড়াই লড়ার। শোনা যাচ্ছে যে, সংযুক্ত রাষ্ট্রের মহাসভাতেও প্রধানমন্ত্রী মোদী আবারও পাকিস্তানের উপর আক্রমণ করতে পারেন। হাউডি মোদী অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের নাম নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেছিলেন, ‘ভারতের কাশ্মীর নিয়ে সিদ্ধান্তে ওরাই প্রশ্ন তুলছে, যারা নিজেদের দেশ সামলাতে পারেনা। এরাই সন্ত্রাসবাদদের পৃষ্ঠপোষক।”

আরেকদিকে, পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সংযুক্ত রাষ্ট্রে আবারও কাশ্মীর নিয়ে কান্নাকাটি করবেন। শোনা যাচ্ছে যে, পাকিস্তানের কাছে কাশ্মীর ইস্যু আন্তর্জাতিক মঞ্চে তোলার এটাই শেষ সুযোগ। এই ইস্যু পাকিস্তান এর আগে যতবার আন্তর্জাতিক মঞ্চে তোলার চেষ্টা করেছে, ততবারই ব্যার্থ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ভারত আর পাকিস্তান দুটো পরমাণু শক্তিধর দেশ। আর এই দুই দেশকেই এগিয়ে এসে কাশ্মীর সমস্যা নিজেদের মধ্যে মিটিয়ে নেওয়া উচিত। উনি এও বলেছিলেন যে, দুই দেশ সহমত হলে, আমি এই সমস্যা সমাধানের জন্য মধ্যস্থতা করতে পারি। যদিও তিনি এই মধ্যস্থতার কথা ট্যুইট করে বলেছিলেন, আর পরে সেটি ডিলিটও করে দেন। আমেরিকা সমেত গোটা বিশ্ব স্বীকার করেছে কাশ্মীর ভারতের অভ্যন্তরীণ ইস্যু। আর এর সমস্যা মেটাতে ভারত আর পাকিস্তানকেই এগিয়ে আসতে হবে, কোন তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ চলবে না।

NRC নাম না থাকলেও দেওয়া যাবে ভোট, নির্দেশিকা জারি নির্বাচন কমিশনের

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ নির্বাচন কমিশন (Election Commission) অসমে তাঁদেরও ভোট দেওয়ার অধিকার দিয়েছে, যাদের নাম রাষ্ট্রীয় নাগরিক রেজিস্টার (NRC) তে নেই। যদিও NRC লিস্টের বাইরে থাকা মানুষদের এই অধিকার ততদিন পর্যন্ত দিয়েছে, যতদিন না নাগরিক ট্রিবিউনাল তাঁদের বিরুদ্ধে কোন নির্নয় না নিচ্ছে। NRC লিস্টের বাইরে থাকা মানুষদের ‘ডি ভোটার” শ্রেণীতে রাখা হয়েছে।

সন্দেহভাজন অথবা ‘ডি ভোটার” অসমে ভোটারদের একটি শ্রেণী, এই শ্রেণীতে তাঁদেরই রাখা হয়, যাদের নাগরিকতা অনিশ্চিত অথবা বিবাদিত। ১৯৯৭ সালে নির্বাচন কমিশন রাজ্যের ভোটারদের তালিকা সংশোধন করার সময় এই শ্রেণীর সূচনা করে।

নির্বাচন কমিশন অনুযায়ী, নাগরিক ট্রিবিউনাল এর নির্ণয় আসা পর্যন্ত ভোটার লিস্টে থাকা সমস্ত ভোটাররা ভোট দিতে পারবেন। প্রসঙ্গত, অসমে ৩১ আগস্টে NRC এর ফাইনাল লিস্ট জারি করা হয়েছে। NRC এর এই ফাইনাল লিস্টে প্রায় ১৯ লক্ষ মানুষের নাম নেই। অসমে যাদের নাম NRC এর ফাইনাল লিস্টে নেই, তাঁরা এর বিরুদ্ধে নাগরিক ট্রিবিউনালে যেতে পারবে, আর তাঁদের দাবি অনুযায়ী তদন্ত চলবে।

অসমে NRC এর ফাইনাল লিস্ট জারি হওয়ার পর গোটা দেশে NRC লাগু করার কথা উঠছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ প্রথমেই ঘোষণা করে দিয়েছেন যে, NRC গোটা দেশে কার্যকারী হবে। ওনার এই বয়ানকে গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ আর উত্তর প্রদেশ সমেত সাত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা সহমত জানিয়ে নিজের রাজ্যে NRC করার দাবি করেছেন। যদিও পশিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী আর বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নিতিশ কুমার NRC এর বিরুদ্ধে সূর চরিয়েছেন।

৩১ জুলাই ২০১৮ সালে অসমে NRC এর ফাইনাল লিস্ট জারি করা হয়েছিল। তখন ওই লিস্টে নাম রাখার জন্য অসমের ৩.২৯ কোটি মানুষ আবেদন করেছিল। যাদের মধ্যে ৪০.০৭ মানুষ NRC লিস্টে যায়গা পাননি। অসম ভারতের প্রথম রাজ্য যেখানে ভারতীয় নাগরিকদের নাম যুক্ত করার জন্য ১৯৫১ এর পর NRC আপডেট করা হচ্ছে।

কাশ্মীরে ১৮০ কিমি বর্ডারে অ্যাক্টিভ করে দেওয়া হল গ্রাউন্ড সেন্সর, আশেপাশে আসলেই মরবে পাকিস্তান

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ পাঞ্জাবের সীমান্তে ড্রোন ব্যাবহার করে হাতিয়ার পাচার এবং জম্মু কাশ্মীরে অনুপ্রবেশের আশঙ্কার মধ্যে LOC আর ইন্টার ন্যাশানাল বর্ডারে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। কাঠুয়া থেকে জম্মু পর্যন্ত ১৮০ কিমি লম্বা ভারত পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সীমান্তে বিএসএফ অ্যান্টি টানেল অভিযান চালাচ্ছে।

এই অভিযান এখন লাগাতার জারি থাকবে। পাকিস্তান ঘেঁষা সীমান্তে সেনা আর বিএসএফ মোতায়েন জওয়ানদের আরও বেশি করে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ড্রোন দিয়ে হাতিয়ার সাপ্লাই এর আশঙ্কার মধ্যে সুরক্ষায় বজ্র আঁটুনি করার জন্য মাটি থেকে আকাশ পর্যন্ত বিশেষ ভাবে নজর রাখা হচ্ছে।

অ্যান্টি টানেল অভিযান অনুযায়ী, বিএসএফ আধুনিক হাতিয়ার আর উপকরণ এর সাথে ফেন্সিং এর কাছে থাকা ঘন ঝোপঝাড় কেটে সাফ করে দিয়েছে। থ্রি টায়ার ফেন্সিং এর পাশে থাকা এলাকা গুলোর আশেপাশে সাফাই অভিযান চালানো হয়েছে। বিএসএফ এর এক বরিষ্ঠ অয়াধিকারিক জানান, পাকিস্তান টানেল দিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করতে পারে। আর এই জন্যই এই অপারেশন লঞ্চ করা হয়েছে।

কাঠুয়া বর্ডার পর্যন্ত এই অপারেশন চালানো হচ্ছে। শোনা যাচ্ছে যে, আরএস পুরা সেক্টরে পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারীকে হাতেনাতে ধরার পর থেকে অ্যান্টি টানেল অভিযান চালানো হচ্ছে। আর এখন এই অভিযানকে আরও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বিএসএফ গ্রাউন্ডের সেন্সর সক্রিয় করে দিয়েছে। এই বছরের জুলাই মাসে বিএসএফ পাঞ্জাব আর জম্মু কাশ্মীরে বর্ডার অভিযান শুরু করেছিল। সেনা আর বিএসএফ বর্ডারে রেড অ্যালার্ট ঘোষণা করেছে। কুপওয়ারা, রাজৌরি, কাঠুয়া, বারামুলা, পুঞ্ছ, সাম্বা আর জম্মুর জেলা গুলোর এলওসি আর বর্ডারে সুরক্ষা দ্বিগুণ করে দেওয়া হয়েছে। সীমান্তে ড্রোন ব্যাবহারের আশঙ্কার জন্য চারিদিকে প্রখর নজর রাখা হচ্ছে।

সবথেকে পছন্দের মানুষের তালিকায় ওবামাকে পিছনে ফেলে প্রথম স্থান দখল করলেন নরেন্দ্র মোদী

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ গোটা ভারতে সবথেকে বেশি শ্রদ্ধা করা মানুষদের তালিকায় প্রথম স্থান পেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। ইউ গভ (YouGov) দ্বারা করা এই সমীক্ষায় প্রথম ১০ জনের তালিকায় বলিউডের দুজন অভিনেতার নাম আছে। ৬.৫৫ শতাংশ ভোট পেয়ে অমিতাভ বচ্চন (Amitabh Bachchan) ছয় নম্বর আর শাহরুখ খান (Shahrukh Khan) নয় নম্বরে আছেন। YouGov এই তালিকা অনলাইন ভোটিং করে জারি করেছে।

ভারতে সবথেকে বেশি পছন্দ করা মানুষদের তালিকায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রথম স্থান অধিকার করেছেন। ১৫.৬৬ শতাংশ ভোট পেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রথম স্থানে আছেন। ৮.৫৮ শতাংশ ভোট পেয়ে ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি দ্বিতীয় স্থানে আছেন। ৮.০২ শতাংশ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে আছে টাটা গ্রুপের প্রধান রতন টাটা। ৭.৩৬ শতাংশ ভোট পেয়ে আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা (Barack Obama) চুতুর্থ স্থানে আছেন।

৬.৯৬ শতাংশ ছোট পেয়ে মাইক্রোসফটের জনক বিল গেটস পঞ্চম স্থানে আছেন। ৬.৫৫ শতাংশ ভোট পেয়ে অমিতাভ বচ্চন ছয় নম্বর স্থানে আছেন। শচিন তেন্দুলকর ৫.৮১ শতাংশ ভোট পেয়ে সপ্তম স্থানে আছেন। ৪.৪৬ শতাংশ ভোট পেয়ে ভারতের বর্তমান অধিনায়ক বিরাট কোহলি অষ্টম স্থান অর্জন করেছেন। ৩.৬৩ শতাংশ ভোট পেয়ে শাহরুখ খান নবম ও ৩.৪৪ শতাংশ ভোট পেয়ে জ্যাকি চ্যান দশম স্থানে আছেন।

প্রসঙ্গত, শাহরুখ খানের শেষ মুক্তি পাওয়া সিনেমা ‘জিরো” বক্স অফিসে খুব একটা ভালো যায়গা হাসিল করতে পারেনি। কিন্তু এর পরেও শাহরুখের ভক্তরা ওনাকে অনেক ভালোবাসা দিয়েছে। আর এই কারণেই শাহরুক এই তালিকায় নিজের যায়গা রাখতে পেরেছেন।

এই শতাব্দীর মহানায়ক অমিতাভ বচ্চনের কথা বললে, ওনার কাছে এখন কোন বড় সিনেমা নেই। কিন্তু কদিন আগেই ওনাকে দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কার দিয়ে সন্মানিত করা হয়েছে। তবে বিগ বি আজকাল সিনেমার দিক থেকে একটু দূরে থেকে KBC অনুষ্ঠানে মেতে আছেন। আর এই KBC অনুষ্ঠান শুধু ভারতেই না, গোটা বিশ্বে থাকা ভারতীয়দের কাছে খুবই জনপ্রিয়।