Wednesday, November 20, 2019
Home Blog Page 65

দেহের রোগ কে কাঁচকলা দেখাতে নিয়ম করে খান কলা। জেনে নিন কি বলছেন বিজ্ঞানীরা।

বয়স বেড়ে চলেছে দিনের পর দিন। শরীরের জোর ক্রমশ কমে আসছে। কাজে মন বসছে না। তাহলে উপায় কি? এই সবের থেকে মুক্তি পাওয়ার কি কোনো উপায় নেই? আছে উপায় আছে। জেনে নিন কি উপায়। কলা খান তাহলেই ফিরবে শরীরের হারিয়ে যাওয়া ক্ষমতা।

বিভিন্ন বিজ্ঞানীরা গবেষণার মাধ্যমে জানিয়েছেন যে, বয়স বাড়ার সাথে সাথে মানুষের শরীরে পটাশিয়ামের মাত্রা কমে যায়। আর এর ফলেই নানান অসুখের সৃষ্টি হয়। পটাশিয়াম কমে যাওয়ায় ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে অসুবিধা হয়। স্টোকের সম্ভবনা বেড়ে যায়।

তাই বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন যে, যদি কোনো মানুষ নিয়ম করে রোজ কলা খেতে পারে তাহলে তার কোনো দিন স্টোক হবে না। এছাড়াও যদি কেউ ধূমপান ছাড়তে চান তাহলে অবশ্যই খান কলা। এর ফলে নানান উপকার পাবেন।
#অগ্নিপুত্র

দেশের উন্নয়নের জন্য এবার মোদীজির হয়ে প্রচার করছেন “মহাত্মা গান্ধী।” জেনে নিন আসল ঘটনা।

দীর্ঘ অনেক বছর আগে গান্ধীজি আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছেন। তার আদর্শ ছিল দেশকে স্বাধীন করা এবং দেশের কথা ভাবা। হটাৎ উনার মৃত্যুর দীর্ঘ এতদিন পরে আবার সেরকমই একজনকে পাওয়া গেল সরাসরি দেখে চেনার উপায় নেই যে উনি গান্ধীজি নয়। দেখে মনে হচ্ছে উনি হয়তো গান্ধীজীর কোন আত্মীয় হবেন কারণ শারীরিক গঠন পুরোপুরিভাবে একই। কিন্তু না সেটা নয় তিনি হচ্ছেন গোয়ার একজন বাসিন্দা। শরীর মন বদলে গেলেও দুজনে আদর্শ কিন্তু একই দেশের ভালো করা এবং দেশের মানুষকে ভাল করা। কিন্তু আগেকার গান্ধীজি আর এই গান্ধীজির মধ্যে একটা পার্থক্য সেটা হচ্ছে রাজনৈতিক রঙের। এই গান্ধীজি পুরোপুরি ভাবে সাপোর্ট করেন নরেন্দ্র মোদিকে এবং বিজেপিকে। কারণ তিনি মনে করেন বিজেপি হল এই মুহূর্তে ভারতবর্ষের একমাত্র রাজনৈতিক দল যারা দেশের কল্যাণ এবং দেশের মানুষের ভালো চায়।

তাই তিনি এই মুহূর্তে নিজের পেশা ইঞ্জিনিয়ারিং ছেড়ে নিজের পরিবার স্বজন এর থেকে অনেক দূরে এসে বিজেপির হয়ে ক্রমাগত প্রচার করে চলেছেন। উনি আবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদীকে। কারণ উনি জানিয়েছেন যে দেশের সার্বিক উন্নয়ন, আর্থিক ও সামরিক শক্তির উন্নয়ন করেছে বিজেপি। তাই ফের একবার উনি বিজেপিকে দেখতে চান দেশের ক্ষমতায় কারণ দেশের উন্নতির একমাত্র বিকল্প বিজেপি দল।
#অগ্নিপুত্র

জেনে নিন হাওড়া ব্রীজের নানা অজানা তথ্য। ঠিক কি কারণে তৈরি করা হয়েছিল হাওড়া ব্রীজ।

কলকাতার নাম উঠলে প্রথমেই যে নামটি সবার সামনে ফুটে ওঠে সিটি হল কলকাতা চির ঐতিহ্য হাওড়া ব্রিজ। হাওড়া ব্রিজ এর রয়েছে অনেক ঐতিহাসিক ঘটনা। হাওড়া ব্রিজ ইংরেজ আমলে তৈরি হয় এটি তৈরি করতে লেগেছিল তিনজন উন্নত মানের আর্কিটেকের সাহায্য। তারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে অবশেষে হাওড়া ব্রিজ কে দাঁড় ছিল গঙ্গা নদীর উপর।

এই ব্রীজটি যখন তৈরি হয়েছিল তখন বৃষ্টিতে একটিও নাট বল্টু ব্যবহার করা হয়নি এবং টাটা স্টিলের সাহায্যে ব্রীজটি তৈরির কাজ সম্পূর্ণ হয়েছিল। আপনাদের একটা বিশেষ তথ্য দিয়ে রাখি যখন হাওড়া ব্রিজ যখন তৈরি হয়েছিল তখন এটি ছিল সমগ্র বিশ্বের মধ্যে তৃতীয় ঝুলন্ত ব্রিজ কিন্তু বর্তমানে এটি স্থানে পৌঁছেছে সপ্তম স্থানে।

এই হাওড়া ব্রিজ হলো পৃথিবীর সবথেকে ব্যস্ততম ব্রীজ। কারণ এই ব্রীজটিতে প্রত্যেকদিন এক লক্ষ যানবাহন এবং 5 থেকে 10 লক্ষ মানুষ দৈনিক পারাপার করে। এমনকি এই ব্রীজটি এতটাই জনপ্রিয় যে বিভিন্ন বাংলা এবং হিন্দি সিনেমায় এই হাওড়া ব্রিজ কে দেখানো হয়েছে বারেবারে। তাই আপনারা যারা কলকাতা ঘুরতে আসেন তাদের কাছে একটাই অনুরোধ কলকাতায় এসে হাওড়া ব্রীজ পরিদর্শন করে যাবেন। কারণ এটি হচ্ছে পৃথিবীর অন্যতম সৌন্দর্য একটি নিদর্শন এবং ভারতবর্ষের গর্ব।
#অগ্নিপুত্র

নিজের হাতে তৃণমূল কংগ্রেস কে গড়েছি তাই আমি চাইলেই একা হাতে ধ্বংস করতে পারি তৃণমূলকে। – মুকুল রায়

মুকুল রায় যিনি একসময় দীর্ঘ 34 বছরের বাম রাজত্বের অবসান ঘটিয়ে তৃণমূলকে রাজ্যে ক্ষমতায় আসার জন্য সাহায্য করেছিলেন। তিনি দিনরাত পরিশ্রম করে বাংলায় বাম রাজত্বের অবসান ঘটিয়ে রাজ্যে জোড়া ফুল ফুটিয়ে ছিলেন। এবং তৃণমূল কে ক্ষমতায় এনেছিলেন। তিনি ছিলেন তৃণমূলের সেকেন্ড ম্যান। কিন্তু তৃণমূলের দুর্নীতি দেখে তিনি গত বছর তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন।

এবারে সেই মুকুল রায় সরাসরি হুমকি দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসকে। উনি বললেন যে নিজের হাতে তৃণমূল দলটিকে গড়েছি। তাই তৃণমূলের সব কিছু আমার জানা। আমি যেহেতু তৃণমূল দল কে গড়েছি তাই আমি চাইলেই নিমেষের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস কে ধ্বংস করে দিতে পারি।
#অগ্নিপুত্র

জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে ট্রাম্প এবং পুতিন কে পিছনে ফেলে দিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কারণ জানলে গর্ববোধ করবেন।

এই মুহূর্তে ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মহাশয় শুধুমাত্র ভারতবর্ষতে সম্মানীত এবং জনপ্রিয় হয়ে ওঠে নি। উনি ভারতবর্ষ ছাড়াও এই মহান বিশ্বের সকল মানুষের কাছে এই মুহূর্তে বেশ জনপ্রিয় একজন রাজনীতিবিদ হিসাবে পরিচিত হয়েছেন। উনার কাজকর্মে মুগ্ধ হয়েছে ভারতবর্ষ ছাড়াও দেশ-বিদেশের অনেক গুণী মানুষ জন এখন উনার পরম ভক্ত হয়ে গিয়েছেন।

এই মুহূর্তে বিভিন্ন স্যোসাল মিডিয়ায় মোদী ঝড় অব্যাহত। দিনের পর দিন মোদী ঝড় বেড়েই চলেছে। তাই ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে পুতিন ট্রাম্প কে একেবারে পিছনে ফেলে দিলেন। শুধুমাত্র দেশের মাধ্যেই সীমাবব্ধ নেই মোদীজির জনপ্রিয়তা। দেশ ছেড়ে বিদেশেও এই মুহূর্তে উনি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন।

সম্প্রতি দেখা গেল জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে মোদীজি বিভিন্ন স্যোশাল মিডিয়া অর্থাৎ ফেসবুক, টুইটারে পিছনে ফেলে দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল ট্রাম্পকে।

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে দেখা গিয়েছে যে, রাজনৈতিক ব্যাক্তিদের মধ্যে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ট্রাম্প, দ্বিতীয় স্থান লাভ করেছে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো। আর সকল বিশ্বনেতাকে পিছনে ফেলে দিয়ে ইনস্টাগ্রামে প্রথম স্থান দখল করেছেন ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মহাশয়। এই মুহূর্তে উনার ফলোয়ার সংখ্যা ১৪.৮ মিলিয়ন।
#অগ্নিপুত্র

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ৩ বছরের অজ্ঞাতবাসে কোথায় আশ্রয় নিয়েছিলেন? জেনে নিন সেই অজানা তথ্য।

আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী একজন অত্যন্ত জনদরদি প্রধানমন্ত্রী। উনার মত প্রধানমন্ত্রী দেশের পক্ষে খুবই জরুরী। আর এই মোদিজির জীবনে এমন অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা আছে যেগুলো হয়তো দেশের মানুষ সকলে ঠিকমতো জানেন না। এ রকমই একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলো মোদীজি হিমালয় যাত্রা।

উনি যখন হিমালয় যাত্রা গিয়েছিলেন সেই সময় তার পরিবারের মা বাবা এমন কি কোন সদস্য জানতেন না মোদীজি কোথায় গিয়েছেন এবং তার শরীর কেমন আছে তিনি কি আদৌ বেঁচে আছেন এই ব্যাপারে কোন তথ্য ছিল না মোদিজীর পরিবারের কাছে।

কিন্তু মোদীজি সেই অজানা তথ্যটি একটু হলেও সবার সামনে চলে আসে 2015 সালে, যখন তিনি পশ্চিমবঙ্গে বেলুড়মঠে আসেন। জানা গিয়েছে যে তিনি প্রধানমন্ত্রী হবার আগেই বেলুড়মঠে একবার এসেছিলেন সন্ন্যাস গ্রহণের জন্য কিন্তু সেই সময় তিনি কোনো কারণবশত সন্ন্যাস গ্রহণ করতে পারেননি। তিনি সেখানকার স্বামী আত্মস্থানন্দ কে নিজের গুরু মনে করেন। সেই জন্য উনার দেওয়া একটি ফুল সব সময় নিজের কাছে রেখে দেন।

সেই সময় মাত্র 16 বছর বয়স ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। সেই জন্যই হয়তো উনি সেই সময় সন্ন্যাস গ্রহণ করতে পারেননি। কিন্তু তিনি বরাবর তার নিজের আইডল স্বামী বিবেকানন্দকে অনুসরণ করে চলেছেন। সেই জন্যই তিনি বিবেকানন্দের দেখানো পথে গিয়ে হিমালয় গিয়েছিলেন।
#অগ্নিপুত্র

এই বিজেপি শাসিত রাজ্যে শুরু হয়ে গেল উচ্চ বর্ণের সংরক্ষণ। জেনে নিন কি বলছেন রাজ্যের মানুষ।

কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশের উচ্চ বর্ণের গরিবদের সংরক্ষণ বিল আনেন। সেই বিল লোকসভা এবং রাজ্যসভায় খুব সহজেই পাস হয়ে যায়। এর ফলে শনিবার এই বিলে সাক্ষর করে দেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। এর ফলে সমগ্র দেশজুড়ে এই বিল চালু করার স্বকৃতি পেয়ে যায়।

কিন্তু এখন পর্যন্ত দেশের কোনো রাজ্য এই বিল চালু করেন নি। কোনো রাজ্য চালু না করলেও রাজ্যের মানুষের কথা ভেবে এবার এই বিল চালু করল দেশের অন্যতম উন্নয়নশীল রাজ্য গুজরাট সরকার।

জানা গিয়েছে যে, আগামী ২০ ই জানুয়ারি গুজরাটে হতে চলেছে রাজ্যের পাবলিক সার্ভিস পরীক্ষা তার আগেই অর্থাৎ ১৪ ই জানুয়ারি থেকে গুজরাটে লঘু হয়ে গেল সংরক্ষণ বিল।

কংগ্রেসের কিছু নেতানেত্রী এই বিলের বিরোধিতা করলেও সেই দিকে কান দিতে নারাজ গুজরাটের বিজেপি সরকার। তারা সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন যে, রাজ্যের মানুষের সুবিধার জন্য আমরা এই বিল টি তাড়াতাড়ি লঘু করলাম রাজ্যে।

গুজরাট সরকারের এই সিদ্ধান্তের জেরে খুশির হওয়া গুজরাটে। উচ্চবর্ণের গরিবদের মধ্যে এই মুহূর্তে একটা আসার আলো সৃষ্টি হয়েছে যে তাদের কথাও কেউ ভাবে।
#অগ্নিপুত্র

লোকসভা ভোটের আগে জোর ধাক্কা কংগ্রেস শিবিরে। বিজেপিতে যোগদান করতে চলেছেন তিন কংগ্রেস বিধায়ক।

কিছুদিন আগে কর্ণাটকে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল। সেই নির্বাচনে ব্যাপক জনসমর্থন পেয়েছিল বিজেপি দল কিন্তু তার তত্ত্বেও সেখানে সরকার গঠন করতে পারেনি বিজেপি। কারণ কর্ণাটকের জেডিএস এবং কংগ্রেস একজোট হয়েছিল। কিন্তু সেই জোট আর বেশিদিন স্থায়ী হল না।

সূত্রে খবর এবার কর্ণাটকের তিনজন কংগ্রেস বিধায়ক যোগ দিতে চলেছেন বিজেপি তে। বর্তমানে এই তিনজন বিধায়ক রয়েছেন মুম্বাইয়ের একটি হোটেলে। জানা গিয়েছে যে সেই হোটেলেই নাকি যোগযোগ রাখছে বিজেপি নেতাদের সাথে। কিন্তু এই ব্যাপারে এখন মুখ খোলেন নি কোন বিজেপি বিধায়ক।

উল্লেখ্য গত লোকসভা নির্বাচনে এখানে বিজেপি পেয়েছিল ১০৪ টি আসন। অপরদিকে কংগ্রেস পেয়েছিল মাত্র ৮০ টি আসন। কিন্তু বিজেপি সেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমানে ব্যার্থ হয়। সেই সুযোগ কংগ্রেস এবং জেডিএস মিলে জোট করে সেখানে সরকার গঠন করে।

কিন্তু এবারে যে খবর বেরিয়ে এল সেটাই কংগ্রেসের মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ার মত অবস্থা।
বিজেপির নেতৃত্বের তরফে জোরালো দাবি করা হয়েছে যে, শুধুমাত্র কংগ্রেস নয় জেডিএস এর বেশ কয়েকজন সংসদ এবার বিকেপিতে যোগদান করতে চলেছেন। এর ফলে লোকসভা নির্বাচনের আগেই কর্নাটকে সরকার গঠন করতে পারে বিজেপি।
#অগ্নিপুত্র

আগেরবার মোদীজির কাছে হেরে গিয়েছিলেন! তাই এবার লোকসভা ভোটে আর লড়াই করবেন না এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

লোকসভা ভোটের আগে এই মুহূর্তে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে তৈরি হয়েছে এক মহাজোট বন্ধন। সেই মহাজোট বন্ধনে দিল্লির শাসক দল কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছে। দীর্ঘ দিনের ঝগড়া ভুলে গিয়ে একসাথে হয়েছেন হাত এবং ঝাড়ু।

কিন্তু হাত এবং ঝাড়ুর মোদির বিরুদ্ধে একসাথে লড়াই করার কথা জানালেও এই লোকসভা নির্বাচনে নিজে প্রার্থী হিসাবে দাঁড়াবেন না বলে জানিয়ে দিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টির সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল। কিন্তু কেন তিনি এবার লোকসভা নির্বাচনে লড়বেন না সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে গিয়ে এই তথ্যটি উঠে আসে যে, এম আদমি পার্টির মন্ত্রীরা জানিয়েছেন লোকসভা নির্বাচনের পর বছর ঘুরতে না ঘুরতেই দিল্লিতে বিধানসভা নির্বাচন। তাই এই মুহূর্তে লোকসভা নির্বাচনে থেকে কেজরিওয়াল বেশি ফোঁকাশ করতে চাই দিল্লির বিধানসভা নির্বাচনে।

তবে আম আদমি পার্টির নেতা মন্ত্রীরা যাই বলুক না কেন এর পেছনে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা সম্পন্ন এক অন্য গন্ধ পাচ্ছেন। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মধ্যে কয়েকজন জানিয়েছেন যে এর আগেরবারে মোদিকে হারানোর জন্য মোদী যেখান থেকে ভোটে দাড়িয়ে ছিলেন সেই কেন্দ্র থেকেই কেজরিওয়াল দাঁড়িয়েছিলেন নির্বাচনে। অর্থাৎ বারানসি থেকে দুজনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। কিন্তু সেই সময় কেজরিবাল কে একেবারে ধরাশায়ী করে দিয়েছিলেন নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদী। এবং সেখানে লজ্জাজনক পরিস্থিতিতে হেরে গিয়েছিলেম কেজরিবাল। সেও জন্যেই হার নিশ্চিত জেনে মুখ বাঁচাতে এবার উনি নিজেকে লোকসভা নির্বাচন থেকে সরিয়ে রাখতে চাইছেন।
#অগ্নিপুত্র

ভারতের চাপের ফলে এবার পাকিস্তান কে “ন‍্যাটো বহির্ভূত মিত্র” তালিকা থেকে বাদ দিতে চলেছে আমেরিকা প্রশাসন।

ফের একবার পাকিস্তান আন্তর্জাতিক মঞ্চে জরালো ধাক্কা খেল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের “ন‍্যাটো বহির্ভূত মিত্র” তালিকা থেকে এবার সরাসরি বাদ দিতে চলেছেন পাকিস্তানের নামটি।

আমেরিকার ক্ষমতায় ডোনাল্ড ট্রাম্প আসার পরেই তিনি বারবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন। এমনকি ভারত জাতীয় স্তরে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টি করার ফলে আমেরিকা সে বিষয়ে বাড়তি নজর দিয়ে দেখেছেন। এবং সেজন্যই পাকিস্তানের সমস্ত রকম অনুদান বন্ধ করে দিয়েছেন আমেরিকা প্রশাসন।

আর এবার “ন‍্যাটো বহির্ভূত মিত্র” তালিকা থেকে পাকিস্তানের নাম বাদ দিতে চলেছে ট্রাম্প প্রশাসন। আর এরফলে বেশ চাপে পড়ে যাবে পাকিস্তান আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক দিক দিয়ে।

আমেরিকা প্রশাসন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে যে পাকিস্তান কে বার বার বারন করার পরও পাকিস্তান সন্ত্রাস দমনে কোন বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করেনি। অফুরন্ত সন্ত্রাসবাদ কে সাহায্য করেছে পাকিস্তান সরকার। এমনকি আফগানিস্তানের যাতে ক্ষতি হয় সেই জন্য পাকিস্তান সন্ত্রাসীদের সাহায্য করেছে।

তাই আমেরিকা প্রশাসন জানিয়ে দিয়েছে যে সন্ত্রাসের রাঘব বোয়ালদের বিরুদ্ধে এবার যদি পাকিস্তান যথাযথ ব্যাবস্থা না নেই তাহলে সরাসরি পাকিস্তান কে “ন‍্যাটো বহির্ভূত মিত্র” তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হবে। যদিও এই ব্যাপারে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
#অগ্নিপুত্র

এই হিন্দু সংসদ আমেরিকার সাংসদে গীতা পাঠ করে শপথ নিলেন। আমেরিকার আসন্ন নির্বাচনে ইনি নিতে চলেছেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।

বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং ধনী দেশ হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা আমেরিকা। এবার সেই আমেরিকার একটি রাজনৈতিক বিষয়ক খবর সকলের সামনে চলে এল। এই মুহূর্তে আমেরিকার রাজনীতিতে চরম উত্তেজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। কারন আমেরিকার মহিলা হিন্দু সংসদ এক বিশেষ ঘোষনা করে দিয়েছেন। এই হিন্দু সংসদের নাম তলসী গাবার্ড। ইনি ২০১৩ সাল থেকে আমেরিকার এই একই পদে রয়েছেন। এই মুহুর্তে ইনি বেশ পারদর্শী হয়ে গিয়েছেন আমেরিকার রাজনীতিতে। আসুন বিস্তারিত আলোচনা করা যাক।

ইনি জন্মগ্রহণ করেন আমেরিকার সামোয়ায়। সেই সময়কাল ছিল ১৯৮১ সাল ১২ ই এপ্রিল। আর এই তলসী গাবার্ডই ছিল আমেরিকার প্রথম হিন্দু সংসদ। উনি ভারতের বংশধর হলেও জন্মের পর আমেরিকা কেই নিজের ঠিকানা করে ফেলেন। তুলসী গাবার্ডের পিতা হলেন মাইক গাবার্ড এবং মাতা ক্যারল গ্যাবার্ডের। ইনারা দুজনই ছিলেন ক্যাথলিক পরিবারের। কিন্তু বড় হয়ে হিন্দুধর্ম সম্ভন্ধে জেনে হিন্ধুধর্মের প্রতি আসক্ত হয়ে তুলসী গাবার্ড হিন্ধুধর্ম গ্রহন করেন।

তুলসী গাবার্ডের পিতা মাইক গাবার্ড ছিলেন একজন রাজনৈতিক নেতা। তাই ছোট থেকেই তুলসী গাবার্ডের মধ্যে একজন রাজনৈতিকের ছায়া ছিল। এছাড়াও খুব কম বয়সে এই তুলসী গাবার্ড সমাজসেবার সাথে যুক্ত ছিলেন। “সুস্থ গীত বন্ধন” নামে উনি একটি এনজিও চালাতেন। উনি মাত্র ২১ বছর বয়সে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন এবং সবচেয়ে কম বয়সী সংসদ হিসাবে আমেরিকার রাজনীতিতে রেকর্ড করেন। বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে যে, ভোটে জয়লাভ করার পর সংসদ হিসাবে শপথ নেওয়া সময় উনি আমেরিকার প্রথা নয় বরং ভারতের হিন্দুত্ববাদী প্রথা মেনে উনি গীতা হাতে নিয়ে সংসদে শপথ গ্রহণ করেন।

তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, এই তুলসী গাবার্ডের জনপ্রিয়তা তখন বহুগুন বেড়ে গিয়েছিল যখন উনি আমেরিকার সেনাবাহিনীতে যোগদান করেছিলেন।

এছাড়াও জানা গিয়েছে যে, ২০২০ সালে আমেরিকার নির্বাচনে একমাত্র হিন্দু সংসদ হিসাবে ইনি নির্বাচনে বিশেষ ভুমিকা গ্রহণ করবেন।
#অগ্নিপুত্র

গরিবদের জন্য ফের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিলেন মোদী সরকার। এবার ফ্রিতে দেওয়া হবে গ্যাস সিলিন্ডার।

2019 লোকসভার কথা মাথায় রেখে মোদি সরকার বিরোধীদের দিয়ে চলেছেন একের পর এক মাস্টার স্ট্রোক। 2019 এ যে করেই হোক জিততে হবে এমন চিন্তা ধারা নিয়ে মোদি সরকার এগিয়ে চলেছেন। তাই দেশবাসীকে দিয়ে চলেছেন একের পর এক বহুমূল্য উপহার এবং এই উপহার পাওয়ার পরে দেশের গরীব সমাজে ব্যাপকভাবে খুশি হয়েছেন সেটা বলাই বাহুল্য।

এবার আগামী বাজেটে মোদি সরকার ঘোষণা করতে চলেছেন আর একটি বিরাট প্রকল্পের। দেশের গরীব মানুষদের কথা ভেবে তাদেরকে বিনামূল্যে গ্যাস দেওয়ার কথা ঘোষণা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদী।

ইতিমধ্যে মোদি সরকার দেশের অনেক গরিব মানুষদের উজ্জ্বলা যোজনা আওতাভুক্ত করেছেন। উজ্জ্বলা যোজনা আওতাভুক্ত হওয়ার ফলে তারা এখন আর কষ্ট করে কাঠ কয়লা পুড়িয়ে রান্না বান্না করে না। তারা সহজেই কেন্দ্র সরকারের অধীনে গিয়ে গ্যাস পান, এবার সেই সমস্ত মানুষদের বিনামূল্যে বছরে ২ টি করে দেওয়ার কথা ভাবছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে লোকসভার আগে এটা যদি বিজেপি সরকার ঘোষণা করে দেয় তাহলে এটা হবে বিজেপির সব থেকে বড় ঘোষণা। এবং এর ফলে উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ সহ বিভিন্ন রাজ্যে বিজেপির জয় কেউ আটকাতে পারবে না এবং 2019 এ আবার একবার প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদি।
#অগ্নিপুত্র