Wednesday, November 20, 2019
Home Blog Page 66

মোদীজিকে হারানোর জন্য পাকিস্তানী জঙ্গিদের সাথে গোপনে বৈঠক করছেন রাহুল গান্ধী। নিজেদের ক্ষমতা দখলের জন্য দেশের ক্ষতি করতেও পিছু পা হবে না কংগ্রেস।

প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদিকে হারানোর জন্য কংগ্রেস যে  যেকোন উপায় অবলম্বন করতে পারেন সেটা আরও একবার পরিস্কার হয়ে গেল। মোদিকে হারানোর জন্য কংগ্রেসের দেশের পর্যন্ত ক্ষতি করে দিতে পারে এটা আগে অনেকবার প্রমাণিত হয়েছে। এর আগেও কংগ্রেস সিধু কে পাঠিয়ে ছিলেন পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা করে আসতে যাতে মোদির বিরুদ্ধে নানা রকম কৌশল অবলম্বন করা যায়। আর এবার উনি নিজেই চলে গেলেন পাকিস্তানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করার জন্য। আসন এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানা যাক।

রাহুল গান্ধী বৃহস্পতিবার রাতে হঠাৎ দুবাই উড়ে যান। তিনি কেন হঠাৎ করে বিদেশ গেলেন সেই ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে কংগ্রেসের বিভিন্ন মহল থেকে উত্তর আসে রাহুল গান্ধী ছুটি কাটানোর জন্য গিয়েছেন। কিন্তু বেশ কিছু প্রমাণের মাধ্যমে জানা যায় যে উনি ছুটি কাটানোর জন্য নয় নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য সাহায্য চাইতে গিয়েছেন পাকিস্তানের কাছে।

রাহুল গান্ধী সেখানে শিখ সম্প্রদায়ের সঙ্গে বৈঠক করার কথা বললেও আসলে তিনি খালিস্তান জঙ্গিদের সঙ্গে বৈঠক করে আসেন। আর এই ব্যাপারে কড়া দৃষ্টি রেখেছে দেশের কেন্দ্র সরকার কারণ তারা জানেন যে, যে কংগ্রেস দেশ ভাগ করে নিজেদের ক্ষমতা দখল করতে পারে। তারা মোদীজিকে হারানোর জন্য দেশের যে কোনো ক্ষতি করে দিতে পারে। তাই এই ব্যাপারগুলি কেন্দ্র সরকার যথেষ্ট কড়া নজরে রাখছেন।
#অগ্নিপুত্র

কংগ্রেস কে আক্রমণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। চোর যতই দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাক চৌকিদার ঠিক খুঁজে বের করে শাস্তি দেবে।

বিজেপির জাতীয় পরিষদের বৈঠকে ফের একবার দেশের প্রধানমন্ত্রী কে পাওয়া গেল চেনা ভূমিকায়। চরম আক্রমণ করলেন সকল বিরোধীদের বিশেষ করে কংগ্রেসকে। উনি বললেন যে কংগ্রেস যতই আমাদের উপর মিথ্যা দাগ লাগানোর চেষ্টা করুক না কেন আমরা এটা ভেবেই গর্বিত যে এখনো পর্যন্ত আমরা হলাম দুর্নীতি বিহীন সরকার। কংগ্রেস হাজার চেষ্টা করেও আমাদের উপর কোন রকম দুর্নীতির দাগ লাগাতে পারেনি। কারণ দেশের সাধারণ মানুষের ভরসা আমাদের উপর আছে। তারা ভরসা করে আমাদের হাতে দেশের দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন। তিনি জানান যে বর্তমানে দেশের 16 টি রাজ্যে বিজেপি এবং বিজেপি সাহায্যকারী দলগুলি রয়েছে। এটা আমাদের কাছে গর্বের ব্যাপার।

এছাড়া ঐদিন উনি কংগ্রেস কে আক্রমণ করে বলেন যে কংগ্রেস তাদের রাজত্বকালে অর্থাৎ 2004 থেকে 2014 সাল পর্যন্ত দেশকে একেবারে ভেঙ্গে মুছে দিয়েছেন। দুর্নীতিতে ভরে তুলেছে দেশের রাজনীতিকে। তাই উনি বলেন যদি স্বাধীনতার পর ভারতবর্ষের প্রথম প্রধানমন্ত্রী বল্লভ ভাই প্যাটেল হত তাহলে দেশের চেহারাটা এই মুহূর্তে অনেক পাল্টে যেতে পারত।

উনি কংগ্রেস কে আক্রমণ করে বলেন যে কংগ্রেস দেশের বিভিন্ন অসাধু ব্যবসায়ীদের কোনরকম নিয়ম না মেনে লোন দিয়েছেন তাই তারা এই মুহূর্তে ভারত ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার সাহস পেয়েছেন। কিন্তু সেই সাথে এটাও বলেন যে কংগ্রেস যত দুর্নীতি পাশে থাকুক না কেন এবং চোরেরা যতই দেশ ছেড়ে বিদেশ চলে যাক না কেন। চৌকিদার প্রত্যেক দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যাবসায়ী কে দেশে ফিরিয়ে আনবেন এবং তাদেরকে শাস্তি দেবেন।
#অগ্নিপুত্র

কাশ্মীরে ফের সেনার বড় সাফল্য। সেনা জাওয়ানের গুলিতে শেষ দুই হিজবিল জঙ্গী।

সেনারা তল্লাশিতে যায় কাশ্মীরের হিজবুল ইউরোপিয়ান এলাকায় এবং সেখানে গিয়ে তারা বুঝতে পারে এখানে জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে। এবং তারপরে সেনা এবং জঙ্গির মধ্যে তুমুল গোলাগুলি শুরু হয়ে যায়। হিজবুল জঙ্গিরা প্রথমে সেনাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে তারপর সেনারা বুঝতে পেরে পাল্টা জবাব দেয়। অনেকক্ষণ সেনা এবং জঙ্গিদের মধ্যে গুলির লড়াই চলে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আশেপাশের এলাকা। দীর্ঘ লড়াইয়ের পরে সেনার গুলিতে খতম হয়ে তিন জঙ্গি।

বিশেষ সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী সেনারা যখন সেই স্থানটি পরিদর্শন এর জন্য যায় তখন সেখানকার জঙ্গিরা লুকিয়ে থেকে সেনাদের উপর গুলি চালায় এর ফলে সেটা বুঝতে পেরে সঠিক সময়ে উপযুক্ত জবাব দেন জাওয়ানরা। এবং সেনার গুলিতে খতম হয়ে যায় একের পর এক জঙ্গি এর ফলে আশেপাশের এলাকা চরম উত্তেজিত হয়ে ওঠে, ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেনার তরফে জানানো হয়েছে যে এখন এনকাউন্টার জারি রয়েছে। যদিও বা কোন জঙ্গি বেঁচে যায় তাহলে তারা বেঁচে ফিরবে না। তাদেরকে শেষ করে এলাকা জঙ্গিমুক্ত করাই এখন সেনাদের মূল লক্ষ্য।
#অগ্নিপুত্র

কথা দিলেন মুকুল রায়। বললেন লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কে ২০ টির বেশি আসন জিততে দেব না।

মুকুল রায় যিনি একসময় তৃণমূলের সেকেন্ড ম্যান হিসেবে পরিচিত ছিল এই মুকুল রায় তৃণমূল দল ছেড়েছে প্রায় এক বছর হতে চলল। এবং দল ছাড়ার পর থেকেই তিনি বারে বারে তৃণমূলের সমালোচনায় মুখর হয়েছেন। আর এই দিন বিজেপির রাষ্ট্রীয় মঞ্চে দাঁড়িয়ে তার মুখে শোনা গেল এই একই কথা। তিনি জানালেন যে বাংলা রাজনীতিতে যথেষ্ট গুন্ডামী চলছে। তৃণমূল কংগ্রেস সেখানকার কোন বিরোধীদের সভা পর্যন্ত করতে দেন না। কারোর কথা বলার অধিকার নেই। যে তৃণমূলের বিরুদ্ধে কথা বলে তাকে খুন করে দেওয়া হয়। কিন্তু আমি কথা দিচ্ছি এইসব এর মাঝেও লোকসভা ভোটে তৃণমূল কে করবে ২০ টির বেশি আসন পেতে দেব না।

এমনকি এদিন প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী পর্যন্ত মুকুলের বক্তৃতার পর হাততালি দেন। এবং মুকুল রায়কে সমর্থন করে বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ বলেন যে বাংলায় এই মুহূর্তে কি ভয়াবহ পরিস্থিতি চলছে সেটা এখানে বলে বোঝানো সম্ভব নয়। সেখানে একের পর এক বিজেপি কর্মীকে খুন করে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এতকিছু করেও আমাদের আটকানো যাবে না। লোকসভা নির্বাচনেই তৃণমূল কে বিতাড়িত করব বাংলা থেকে।

বিজেপির এই রাষ্ট্রীয় মঞ্চে বেশিরভাগ সময় ভাষণ দেন দলের শীর্ষ নেতৃত্বরা। কিছু কিছু রাজ্যের কয়েকজন নেতা মন্ত্রীর ডাক পেলেও ডাক পাননি বাংলার রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা। কিন্তু তারা ডাক না পেলেও এই দিন মাইক হাতে তুলে দেওয়া হয় মুকুল রায়ের। এর থেকে বোঝা যায় যে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মুকুল রায় কে যথেষ্ট ভরসা করেন।

এই দিন মুকুল রায় বলেন যে বাংলায় তৃণমূল গঠন করার পেছনে কারিগর ছিলাম আমি। তাই তৃণমূলকে যে কোন মুহূর্তে ধ্বংস করে দেওয়ার মত ক্ষমতা আমার রয়েছে। কিছুদিন আগে দুজন বড় তৃণমূল সাংসদ কে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে প্রবেশ করিয়েছি এছাড়াও লোকসভা ভোট যতই এগিয়ে আসবে তত একে একে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করবেন। তার একটা বড় তালিকা আমার হাতে রয়েছে।

আর এইদিন এই সকল তথ্য তুলে ধরে উনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহ কে কথা দেন যে, তৃণমূল কংগ্রেস এই বাংলা থেকে ২০ টির বেশি আসন দখল করতে পারবে না লোকসভা নির্বাচনে।
#অগ্নিপুত্র

ফের ভাঙ্গন তৃণমূলে। লোকসভা ভোটের আগে জোর ধাক্কা খেল রাজ্যের শাসক দল। বিজেপিতে যোগদান করতে পারেন তৃণমূলের এই সংসদ।

বিজেপির জাতীয় কমিটির বৈঠকের আজ দ্বিতীয় দিন ছিল। এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়ে ছিল দিল্লির রামলীলা ময়দানে। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। এনারা দুজন এইদিন দলীয় নেতাকর্মীদের জয়ের মন্ত্র দেন। আগামী লোকসভা নির্বাচনে কেমন করে প্ৰচার করতে হবে সেই নিয়ে রননীতি তৈরি করা হয় ১২০০০ কর্মীসমর্থকদের নিয়ে।
বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে যে, এই বৈঠকের পরই উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদী বিজেপিতে যোগদান করতে চলেছেন।

এর আগে এই তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ অনেকবার প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাজের। সেইজন্যই রাজ্যের তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে উনার সম্পর্কে অবনতি হয়েছে। সেই সময়ই উনার বিজেপিতে যোগদানের প্রবনতা দেখা দিয়েছিল কিন্তু কিছু কারণবশত উনি যোগদান করতে পারেন নি।

তারপর উনি মাঝে মাঝেই বিজেপির সাথে অনেক বৈঠক করেছেন। দিল্লির বিজেপি সভাপতি জানিয়েছেন যে, এই চলতি মাসেই উনি বিজেপি যোগদান করতে পারেন।
#অগ্নিপুত্র

বাতকর্মে আর লজ্জা নয়। ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে বাতকর্মের গন্ধে। দেখুন কি বলছেন গবেষকরা।

বাতকর্ম এটা এমন একটা জিনিস যেটা আমাদের প্রত্যেক মানুষেরই কম বেশী হয়ে থাকে। কিন্তু অনেক সময় এই বাতকর্মের জন্য আমাদের অনেক অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হয়। ঘর ভর্তি লোকের সামনে বা অফিসের কোন দরকারই মিটিং বা পাবলিক প্লেসে যদি বাতকর্ম হয়ে যায় তাহলে আমরা অনেকেই চরম লজ্জার মধ্যে পড়ে যায়। কিন্তু এই লজ্জার মধ্যেও একটা খুশির খবর দিলেন বৈজ্ঞানিকরা। তারা জানালেন যে আর বাতকর্মের জন্য মানুষকে লজ্জা পেতে হবে না, এবার লজ্জার দিন শেষ। এবার এই বাতকর্মই বলে দেবে আপনার শরীর কতটা সুস্থ আছে কিংবা আপনি অসুস্থ কিনা? আসুন এই ব্যাপারে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

ডেনমার্কের এক গবেষক জানিয়েছেন যে বাতকর্ম এলে সেটা কখনো চেপে রাখতে নেই। সেটা চেপে রাখলে তা আমাদের শরীরের ক্ষতি করে তাই বাতকর্ম হলে সেটা করে ফেলা উচিত তা সে যত লজ্জার মুখে পড়তে হোক না কেন। এছাড়াও তিনি জানিয়েছেন যে যারা বেশি স্বাস্থ্যকর এবং ভাল-মন্দ খাবার দাবার খায় তাদের এই বাতকর্ম হবার প্রবণতা বেশি এবং যারা কোনো কারণবশত একটু কম স্বাস্থ্যকর খাবার-দাবার সেবন করেন তাদের শরীরে বাতকর্মের প্রবণতা কম। তাই এই বাতকর্ম শরীরের পক্ষে খুব ভালো কারণ এটাই বলে দেবে আপনার শরীর সুস্থ আছে কিনা? এমন কি শরীরের অনেক রোগ পর্যন্ত এই বাতকর্ম নিয়ন্ত্রণ করে ফেলে।

এছাড়াও বেশ কয়েকটি চমকপ্রবন তথ্য বিজ্ঞানীরা আমাদের সামনে এনেছেন।
যথা:-
১) একজন সুস্থসবল মানুষ ১২ বার বাতকর্ম করেন প্রতিদিন।

২) এই বাতকর্ম ঘুমের সময় বেশি হয়।

৩) ঘন্টায় ১১ কিমি গতিবেগ মানুষের বাতকর্ম হয়।

৪) মহিলারা পুরুষদের থেকে কম বাতকর্ম করে।

এছাড়া ইংল্যান্ডের বেশ কয়েকজন গবেষক জানিয়েছেন যে বাতকর্মের মাধ্যমে যে গ্যাস নির্গত হয় তার ফলে হার্ট আ্যটক, স্টক এমনকি ক্যান্সার পর্যন্ত ঠিক হয়ে যায়।

তাই এবার থেকে নিসংকচে বাতকর্ম করুন এবং সুস্থ থাকুন।
#অগ্নিপুত্র

এবার মোদী সরকার সরাসরি টাকা পাঠাতে চলেছেন দেশের গরিব, কৃষক ও বেকারদের আকাউন্টে। মকর সংক্রান্তির পরই বড় ঘোষণা।

কয়েকদিন আগে দেশের উচ্চ শ্রেণীর জন্য 10 শতাংশ সংরক্ষণ দিয়ে সকলের মধ্যে এক অবাক করা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এবং সেই সিদ্ধান্ত খুব তাড়াতাড়ি কার্যকর করতে চলেছেন মোদীজি। এর ফলে বেশ উপকৃত হবেন দেশের গরিব উচ্চ শ্রেণীর মানুষজন।

মোদি সরকারের আগামী কেবিনেট বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে 16 ই জানুয়ারী অর্থাৎ মকর সংক্রান্তি পরেই এই বৈঠক হবে। এবং সেই বৈঠকেই মোদি সরকার ঘোষণা করতে চলেছেন এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের।
এই সিদ্ধান্তে মোদি সরকার এবারে দেশের উচ্চশ্রেণীর বেকারদের পাশাপাশি দেশের গরিব চাষি এবং বেকারত্ব মহলের জন্য এক খুশির খবর নিয়ে এসেছেন।

মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে যে দেশের অত্যন্ত গরীব চাষী যারা অন্যের জমিতে চাষ করে নিজেদের দৈনন্দিন জীবন নির্বাহ করছেন। এবং দেশের বেকারদের জন্য এবার 30 হাজার টাকা করে সাহায্য দান করা হবে এবং সেই টাকা সরাসরি তাদের ব্যাংক আকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

কিন্তু কারা এই সিমের আওতাভুক্ত হবেন সেটা বিবেচনা করা হবে “ইউনিভার্সেল ইনকাম স্কিম” এর তথ্য অনুযায়ী। কিন্তু যারা এই সুবিধা ভুক্ত হবেন তাদের গ্যাসের সাবসিডির টাকা টি বন্ধ হয়ে যাবে এমনই জানানো হয়েছে কেন্দ্র সরকারের তরফে।

আর এর ফলে দেশের বেকার যুবকদের পাশাপাশি কৃষক মহলেও বেশ খুশির মেজাজ। তারা সকলেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
#অগ্নিপুত্র

বাংলার ঐতিহ্য দুর্গাপূজা বন্ধ করতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এমনই দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এবার নিজেদের আয় বাড়ানোর জন্য রাজ্যের পুজো কমিটি গুলির দিকে নজর দিল আয়কর দপ্তর। তারা নিজেদের আয় বাড়ানোর জন্য অর্থাৎ বিগ বাজেট ঘোষণা করার জন্য ইতিমধ্যেই শহরের 400 পূজা কমিটি কে আয়করের তরফে চিঠি পাঠানোর ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে 40 টি পূজা কমিটিকে ইতিমধ্যে চিঠি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে, বাকি রয়েছে আরও 360 টি, তাদের কেউ চিঠি পাঠানো হবে খুব দ্রুত এমনই খবর সামনে এসেছে।

আয়কর দপ্তর এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে এই রাজ্যের প্রায় চার হাজারেরও বেশি পূজা কমিটি রয়েছে কিন্তু বেছে বেছে এই চল্লিশটি পূজা কমিটিকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। কারণ তারা তাদের আয় এবং ব্যয়ের নিয়ে যে তথ্য আয়কর দপ্তর কে দিয়েছিল তাদের সেই তথ্যে যথেষ্ট সন্তুষ্ট হতে পারেনি আয়কর আধিকারিকরা। এই কারণে তাদেরকে আয় এবং ব্যয়ের হিসাব চেয়ে আলাদা ভাবে নোটিশ পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আর এর ফলে রাজ্যের বিগ বাজেটের পুজো কমিটি গুলি নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা জানিয়েছেন বেছে বেছে কেন আমাদের কে ধরা হচ্ছে? ধরতে হলে সমস্ত পুজো কমিটি গুলিকে ধরা হোক। কারণ এই রাজ্যের বড় বড় যে পূজাগুলি হয় তারা সকলেই অনেক অনেক খরচ করে। এছাড়াও তারা জানিয়েছেন যে রাজ্যের গৌরব এবং দেশের গৌরব হিসাবে দুর্গা পুজোকে আমরা আন্তর্জাতিক স্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি। এর জন্য রাজ্য সরকার আমাদের বিভিন্নভাবে কর ছাড় দিয়ে সাহায্য করেছেন আর এমন পরিস্থিতিতে কেন্দ্র সরকারের এই চাপ মনে হচ্ছে আমাদের উন্নয়নের কেউ পেছন থেকে পা ধরে টানছে।

আর এর ভিত্তিতেই এরদিন বারাসাত এর যাত্রা মঞ্চ থেকে কেন্দ্র সরকারকে তুলোধোনা করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন যে একটা পুজো কমিটিও যাবেন না তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে। তারা যদি চায় পুজো বন্ধ করতে তাহলে সবাই একজোট হয়ে রুখে দাঁড়ান।
এছাড়াও তিনি জানিয়েছেন যে রাজ্যের এই ঐতিহ্য দূর্গা উৎসব বন্ধ করার চেষ্টা করলে আমরা ছেড়ে কথা বলবো না আমরা প্রতিটি কথার হিসাব নিয়ে ছাড়বো।
#অগ্নিপুত্র

বিজেপি সরকার মুকুব করল ৬ লক্ষ ২২ হাজার কৃষকের বিদ্যুতের বিল। খুশির হওয়া কৃষি মহলে।

দীর্ঘদিন ধরে কৃষকরা বিদ্যুৎ এর বিল জমা দিতে না পেরে ব্যতিব্যস্ত হয়ে উঠেছিল। তাই এবার কৃষকদের কথা ভেবে গুজরাটের বিজেপি সরকার কৃষকদের বিদ্যুতের বিল মুকুব করল। গুজরাট সরকার সিদ্ধান্ত নিয়ে জানিয়েছেন যে, মোট ৬৫০ কোটি টাকা বিল মুকুব করে দেওয়া হবে। আর এরফলে গুজরাটের মোট ৬ লক্ষ ২২ হাজার কৃষকের একসাথে বিদ্যুতের বিল মুকুব হবে।

এছাড়াও গুজরাট সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, অনেক কৃষকের বিদ্যুৎ কানেকশন কেটে দিয়েছিল কারণ তারা অনেক মাসের বিল ঠিকঠাক জমা করতে পারে নি। তাই এবার সেই সমস্ত পরিবার গুলির বিদ্যুৎ কানেকশন পুনরায় ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

আর গুজরাট সরকারের এই ঘোষণার পর সবচেয়ে চাপে পড়ে গিয়েছে কংগ্রেস। কারণ কংগ্রেস সরকার কৃষিঋণ মুকুব করার কথা ঘোষণা করেও সেটা করেনি।

এছাড়াও কেন্দ্রের বিজেপি সরকার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে যার ফলে কৃষদের আয় একধাক্কায় দ্বিগুণ হয়ে যাবে। এর ফলে কৃষক মহলে বেশ খুশির হওয়া বয়ছে।
#অগ্নিপুত্র

কংগ্রেস কেন রাফায়েল চুক্তি বাতিল করেছিল? সেই তথ্য ফাঁস করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

এবার রাফায়েল ডিল নিয়ে কংগ্রেসকে বেশ চাপ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি প্রশ্ন করলেন যে কেন মিশেল মামাকে রাফায়েল ডিল বাতিল করার জন্য কংগ্রেসের তরফ থেকে টাকা দেওয়া হয়েছিল। তাহলে কি রাফায়েল ডিল বাতিল করার জন্য মিশেল মামার সঙ্গে কংগ্রেসের এত ভালো সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এবার কংগ্রেসকে বারে বারে খোচা দিচ্ছেন মিশেল মামা নিয়ে। আর এরফলে এবার বেশ জব্ধ হয়েছে রাহুল গান্ধী সহ কংগ্রেস দল।

সম্প্রতি অগষ্ঠা হেলিকপ্টার কেলেঙ্কারির বিষয়ে তদন্তের জন্য দুবাই থেকে ধরে আনা হয়েছে মিশেলকে। এবং তারপর তাকে বিভিন্নভাবে তদন্ত করেছে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থাগুলি। এবং তদন্তে উঠে এসেছে যে মিশেল ভারতের বিভিন্ন আমনা সহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক পরিবারকে অনেক টাকা ঘুষ দিয়েছেন ভারতের বিভিন্ন প্রতিরক্ষা বিষয়ে দুর্নীতি করার জন্য। জেরার সময় মিছিলের মুখে বেরিয়ে আসে মিসেস গান্ধী এবং তার সন্তানের কথা। এর থেকে সহজেই বোঝা যাচ্ছে যে উনি সরাসরি ইঙ্গিত করছেন রাহুল গান্ধী এবং সোনিয়া গান্ধী কে।

আর এই দিনের এই সভা থেকে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি সরাসরি কংগ্রেস কে প্রশ্ন করেন যে তাহলে কি মিশেল মামাকে সমস্ত রকম সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্যই তখনকার কংগ্রেস সরকার রাফায়েল ডিল বাতিল করে দিয়েছিলেন?

একটি সংবাদপত্রের রিপোর্টে এটাই জানা গিয়েছে যে মিছিল এবং তার আরো বেশ কয়েকজন সহকর্মী ভারতের রাফায়েল বিমান কেনার বিরুদ্ধে প্রচার চালিয়ে গিয়েছেন অনবরত। ভারত সরকার যাতে কোন ভাবেই রাফায়েল স্বাক্ষরিত না করে অর্থাৎ 36 টি বিমান যাতে ভারত সরকারের হাতে কোনভাবেই না আসে এর বিরুদ্ধে অনবরত অপ্রচার চালিয়েছেন মিশেল।

এছাড়া এইদিন মোদীজি বলেন যে চোরেরা সকলে একজোট হয়ে চৌকিদারকে সরানোর চেষ্টা করতে চেয়েছিল, কিন্তু এখন চৌকিদার তাদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছেন। এছাড়া ঐদিন মোদীজি আরও বলেন যে আমার উপরে যতই দুর্নীতির দায় লাগানোর চেষ্টা করুক না কেন মোদি সরকার সব সময় দেশের স্বার্থে স্বচ্ছ অভিযান জারি রাখবে।
#অগ্নিপুত্র

কুম্ভমেলার জন্য এবার সৌরভ গাঙ্গুলী কে আমন্ত্রণ করতে এলেন যোগী রাজ্যের এই মন্ত্রী। জেনে নিন সৌরভের প্রতিক্রিয়া।

আগামী 15 জানুয়ারি থেকে উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজ অনুষ্ঠিত হতে চলেছে হিন্দু ধর্মের সবচেয়ে বড় মেলা অর্থাৎ কুম্ভমেলা। এই মেলা হয় পাঁচ বছর অন্তর অন্তর। তাই 2013 সালের পরে আবার এ বছর এই মেলা হওয়ার উপক্রম হয়েছে। তাই উত্তর প্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকার এই মেলা আয়োজনে কোন রকম ত্রুটি রাখতে নারাজ। সমগ্ৰ শহরকে সাজানো হয়েছে এক অন্য ভূমিকায়। সমগ্র শহরটিকে মুড়ে ফেলা হয়েছে নিরাপত্তার চাদরে। এছাড়াও উত্তরপ্রদেশ সরকারের পক্ষ থেকে আরও অনেক আকর্ষণীয় জিনিস থাকবে এবারের কুম্ভ মেলায়। এবারের কুম্ভ মেলা পুণ্যার্থীদের স্নান এর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এবং যানজোট যাতে না হয় সে জন্য আলাদাভাবে হাজার হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করার জন্য।

উত্তরপ্রদেশ সরকার জানিয়েছেন যে এই পূর্ন মেলায় আসার জন্য দেশের সকল নাগরিককে তারা আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এছাড়াও বিশেষ ভাবে আমন্ত্রন জানানো হয়েছে দেশের অনেক বিশিষ্ট ব্যাক্তিকে। বিদেশে পর্যন্ত আমন্ত্রণ পত্র পাঠানো হয়েছে।

এছাড়াও দেশের বিভিন্ন মানিগুনি ব্যাক্তিদের পাশাপাশি সৌরভ গাঙ্গুলীকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য যোগী আদিত্যনাথ তার মন্ত্রিসভার মন্ত্রী এস পি সিংহ কে পাঠিয়েছেন কলকাতায়। এবং তিনি এসে ভারতীয় ক্রিকেটের প্রাক্তন ক্যাপ্টেন সৌরভ গাঙ্গুলীকে আমন্ত্রণ পত্র দিয়ে গেলেন।

উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথমবারের জন্য সেখান হতে চলেছে কুম্ভ মেলা তাই তিনি সেখানে কোনো রকম প্রতি রাখতে নারাজ। ইতিমধ্যেই মেলার বিভিন্ন কাজের জন্য শুধুমাত্র উত্তর প্রদেশ সরকার বরাদ্দ করে দিয়েছে আড়াই হাজার কোটি টাকা। এর সাহায্যে প্রয়াগরাজ সেজে উঠেছে একেবারে অন্যরকম সাজে।

ইতিমধ্যেই দেশ-বিদেশের বিভিন্ন কোনায় কোনায় যোগী আদিত্যনাথ তার প্রতিনিধি দল পাঠিয়ে দিয়েছেন নিয়ন্ত্রণ করার জন্য। এবং সেই অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে নিমন্ত্রণ করার জন্য তিনি তার মন্ত্রিসভার এক মন্ত্রীর এস পি সিংহ কে পাঠিয়েছেন। এবং তিনি বৃহস্পতিবার ভোররাতে পশ্চিমবঙ্গে এসে উপস্থিত হয়েছেন। তিনি কলকাতা শহরে এসে বেলুড় মঠ, ভারত সেবাশ্রম, বাবা লোকনাথের মন্দির সহ বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে কুম্ভ মেলায় যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ পত্র দিয়ে যাবেন বলে জানা গিয়েছে।

তিনি সৌরভ গাঙ্গুলীকে নিমন্ত্রণ পত্র দেওয়ার পরে চলে যাবেন সরাসরি রাজ্যপালের কাছে তিনি সেখানে গিয়ে রাজ্যপাল কে মেলায় যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ পত্র দিয়ে সেখান থেকে ফিরে যাবে না আবার উত্তরপ্রদেশে।
#অগ্নিপুত্ৰ

এমন কি হল যে বিজেপি সাংসদরা পরে এলেন “NAMO AGAIN” লেখা টি-শার্ট। জেনে নিন আসল কারণ।

আর মাত্র কয়েক মাসের অপেক্ষা তারপরেই সারা দেশজুড়ে হতে চলেছে লোকসভা নির্বাচন এবং এই লোকসভা নির্বাচনকে ঘিরে দেশের সকল রাজনৈতিক দল তাদের প্রচার চরম পর্যায়ে নিয়ে চলে গিয়েছেন। সকলেই জোর কদমে প্রচার শুরু করব দিয়েছেন নিজেদের দল বাঁচানোর জন্য। অন্যান্য দলের মতোই পিছিয়ে নেই দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল অর্থাৎ বিজেপি তারাও নানান পর্যায় নানান কৌশলে নিজেদের প্রচার শুরু করে দিয়েছেন।

কিন্তু নানা রকম প্রচার এর মধ্যেও এবার বিজেপি নিয়ে এলো এক নতুনত্ত প্রচার। এবং সেই প্রচার দেখে এই মুহূর্তে সমগ্র দেশ জুড়ে চরম আলোচনা হচ্ছে বিজেপির এই নতুনত্ব প্রচার ভূমিকা নিয়ে।

এই দিন সংসদে প্রবেশ করার সময় দেখা গেল হঠাৎই বিজেপি নেতা অনুরাগ ঠাকুর একটা নতুন টি শার্ট পড়ে এসেছেন। এবং সেটাতে বড় বড় করে লেখা রয়েছে “NAMO AGAIN”। তারপরে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন দিক থেকে প্রশংসা কুড়িয়েছে বিজেপি নেতা অনুরাগ ঠাকুর। তিনি ছবি নিজের টুইটারে ছাড়লে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সেখানে টুইট করে বলেন যে “ভালো হয়েছে।”

এরপরই কেন্দ্রীয় “সমাজিক ন্যায় বিচার এবং ক্ষমতায়ন মন্ত্রী” গেহলট কে দেখা যায় এই একই টি-শার্ট পরে সংসদে আসতে। তারপর উনিও নিজের টুইটারে সেই ছবি পোষ্ট করেন। এবং বলেন যে আমি আবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কে দেখতে চাই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। আর তারপরই একের পর এক বিজেপি নেতা মোহন সিং, নরেন্দ্র সিং, মধ্যপ্রদেশের প্রাপ্তন মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান গেহলটের সেই টুইট হ্যাগ (#) ট্যাগ দেন।

আর বিজেপির এই অভিনব প্রচারের প্রয়াস দেশের সকল জায়গা থেকে প্রশংসা আসে।
#অগ্নিপুত্র