Wednesday, November 20, 2019
Home Blog Page 67

এবার পাকিস্তানের প্রাপ্তন অধিনায়ক করলেন বিরাট কোহলির প্রশংসা। জেনে নিন উনি ঠিক কি বললেন বিরাট কোহলির ব্যাপারে।

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ শুরু হবার আগে বিরাট কোহলি সম্পর্কে অনেকেই অনেক মতবাদ করেছিলেন। পিছিয়ে ছিলেন না পাকিস্তানের প্লেয়াররাও। পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক ওয়াসিম আক্রম বলেছিলেন যে এই অস্ট্রেলিয়া সিরিজই হচ্ছে বিরাট কোহলির ক্যাপ্টেনের এবং প্লেয়ার হিসাবে আসল পরীক্ষা। এই সিরিজেই নির্ধারণ করে দেবে বিরাট কোহলি আসলে কোন লেভেলের প্লেয়ার এবং ক্যাপ্টেন হিসেবে কতটা দক্ষ। আর এবার সিরিজ জয়ের পর ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলির প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রাক্তন পাক অধিনায়ক ওয়াসিম আক্রম।

সিরিজ শুরু হওয়ার আগে ওয়াসিম আক্রম বলেছিলেন যে এটাই বিরাট কোহলির নিজেকে সেরা প্রমাণ করার শ্রেষ্ঠ মঞ্চ। এই সময় অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট দলটি অতটা অভিজ্ঞ নয় যতটা তারা পূর্বে ছিল। তাই এই সময় পুরো শক্তি নিয়ে অস্ট্রেলিয়া দলের উপর ঝাপিয়ে পড়ে তাদের বিরুদ্ধে জয় ছিনিয়ে নেওয়ার বিরাট কোহলি আসল উদ্দেশ্য। এবং বিরাট কোহলি সেটাই করে দেখালেন। প্রথম ভারতীয় তথা এশিয়ার কোনো অধিনায়ক হিসাবে সিরিজ জিতলেন অস্ট্রেলিয়াতে।

আর এরপরই পুরোপুরি ভাবে বিরাট কোহলি প্রশংসায় ডুবে যান প্রাক্তন পাকিস্তানি অধিনায়ক ওয়াসিম আক্রম।উনি বিরাট কোহলির প্রশংসা করে জানিয়েছেন যে ভারত পুরো টিম হিসাবে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে খেলেছে এবং সেই দলের যোগ্য নেতৃত্ব দিয়েছেন বিরাট কোহলি। আমার মতে বিরাট কোহলি এত সুন্দর নেতৃত্বই ভারতকে অস্ট্রেলিয়া বিরুদ্ধে জয়ের পথ সুগম করে দিয়েছে এবং এর ফলে ভারতীয় ক্রিকেটের ভিত আরো মজবুত হয়ে গেল।

এছাড়াও পাকিস্তানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তথা পূর্ব পাকিস্তানি প্লেয়ার ইমরান খানও বিরাট কোহলি এবং ইন্ডিয়া টিমের যথেষ্ট প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন যে যে কোন এশিয়া দল হিসেবে অস্ট্রেলিয়া গিয়ে তাদের মাটিতে সিরিজ জয় ঐতিহাসিক। এবং এর জন্য বিরাট কোহলির অনবদ্য নেতৃত্বের প্রশংসা শোনা যায় তার মুখে।
#অগ্নিপুত্র

R.B.I সদস্য ফাঁস করলেন ভয়ঙ্কর তথ্য। ২০১৬ সালে নোটবন্ধী না হলে দেশের চরম আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি ক্ষতি হয়ে যেত দেশের।

এবার নোট বন্দি নিয়ে সরাসরি মুখ খুললেন রিজার্ভ ব্যাংকের নির্দেশক এস গুরুমূর্তি। তিনি জানালেন যে কেন্দ্রীয় সরকারের নোট বন্দি করার সিদ্ধান্ত ছিল জনকল্যাণমূলক, দেশপ্রেমিক এবং একেবারে সঠিক সিদ্ধান্ত। তিনি আরো বলেন তিনি বলেন যে 2016 সালে যদি সঠিক সময়ে নোটবন্দি না করা হতো তাহলে ভারতের অর্থ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভাবে ভেঙ্গে পড়ত। তিনি জানিয়েছেন যে 8.4 লক্ষ কোটি টাকার 500 এবং 1000 টাকার নোট হয়ে গিয়েছিল ভারতে। ভারতে সবথেকে বেশি ব্যবসা হয় রিয়েলস্টেট এর জিনিসপত্র নিয়ে। আর সেখানে মাত্র 500 এবং 1000 টাকার নোট ব্যাবহার বিনিময় বড় বড় অঙ্কের রিয়েলস্টেট এবং সোনা কেনাবেচা হত।

তিনি মনে করেন যে একমাত্র নোটবন্দি করার মধ্যে দিয়েই ভারতবর্ষে অর্থ ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়েছে। যদি সঠিক সময়ে নোট বন্দি না করা হত তাহলে ভারতের অর্থব্যবস্থা ঠেকত তালানিতে। তাছাড়াও এই দিন গুরুমূর্তি বাবু আর.বি.আই এর বিভিন্ন নিয়ম কারণ গুলি তুলে ধরেন এবং আর বি আই এর সংরক্ষিত অর্থের বেশ কয়েকটি তথ্য সকলের সামনে আনেন। তিনি ছোট এবং মাঝারি ব্যবসায়ীদের দেওয়া লোন পদ্ধতি কে আরও সহজ করার কথা জানিয়েছেন কারণ এর মাধ্যমে ভারতের অর্থ ব্যবস্থাকে আরও বেশি চাঙা করে তোলা সম্ভব হবে বলে তার মতবাদ।

তিনি এই দিন একটি বিশেষ মন্তব্য করেন রিজার্ভ ব্যাংকের উপর। তিনি জানিয়েছেন যে ভারতবর্ষের কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ ব্যাংকে জমা আছে 27 থেকে 28 শতাংশ টাকা। যেটা এই বিশ্বের আর কোন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে নেই। যেটা বলা যায় সব থেকে বেশি। কিন্তু আপনি কখনোই বলতে পারেন না যে একটা ব্যাংকের সমস্ত টাকা দিয়ে দেয়া হোক পাবলিকের হাতে। তবে এটাও ঠিক নয় যে এক সঙ্গে কত টাকা জমা রাখা যাবে, সেই সংরক্ষণের টাকার একটা পরিমাণ তিনি জানতে চেয়েছেন। এই ব্যাপারে বিশেষ মিটিং করা হবে কয়েক দিনের মধ্যে। এমনটাই জানালেন উনি।
#অগ্নিপুত্র

মহিলাদের অসম্মান করে মন্তব্য! এবার কেরিয়ার শেষ হয়ে যেতে চলেছে এই ভারতীয় ক্রিকেটারের।

বলিউডের পরিচালক করন জোহর তার নিজস্ব “শো কফি উইথ জোরন’ এর শোতে আমন্ত্রণ পেয়ে ভারতীয় ক্রিকেট তারকা হার্দিক পান্ডিয়া এবং অপর এক ওপেনার ব্যাটসম্যান কে.এল.রাহুল সেখানে আসেন। সেই শো এ তারা করণ জোহরের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতে একটা প্রশ্নের উত্তরে হেফাঁস মন্তব্য করে বসেন।

হার্দিক পান্ডিয়া কে প্রশ্ন করা হয় নাইট ক্লাবে গিয়ে তিনি কেন সেখানকার মেয়েদের নাম জিজ্ঞেস করে আসেন না। এর প্রতিউত্তরে হার্দিক পান্ডিয়া বলেন যে আমি কালো তাই আমি বিশেষত মেয়েদের ফিগারের দিকে নজর দি। তাদের নামের উপর আমার কোন আকর্ষন নেই। এছাড়াও তিনি তার একাধিক অবৈধ সম্পর্কের ব্যাপারেও খুল্লামখুল্লা বলেন। এছাড়াও এইদিন তাকে বলতে শোনা যায় যে আমার কাছে সেক্স করাটা কোন ব্যাপার নাই, আমি নির্দ্বিধায় বলে দিতে পারি যে “আজ মেনে কারকে আয়া” অর্থাৎ আজ উনি সেক্স করে এসেছেন। উনি জানিয়েছেন যে আমি একসাথে অনেক মহিলার সাথে ফ্লার্ট করি।

এই শোটি টিভিতে টেলিকাস্ট হওয়ার পরেই দেখা যায় যে হার্দিক পান্ডিয়া মহিলাদের নিয়ে অনেক অসম্মানিক মন্তব্য করেছেন। আর এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় উঠে বিভিন্ন মহল থেকে হার্দিক পান্ডিয়া কে কটাক্ষ করেন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী।

এই ঘটনার পরে এই বিষয়কে কন্ট্রোল করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হয় বিসিসিআই। বোর্ডের তরফে হার্দিক পান্ডিয়া এবং কে.এল.রাহুল জনকে শোকজ এর কার্ড ধরিয়ে দেয়া হয়েছে। এবং কেন তারা এমন মন্তব্য করলেন এই ব্যাপারে উপযুক্ত জবাব জানতে চওয়া হয়েছে 24 ঘন্টার মধ্যে। এর ফলে নিচের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন হার্দিক পান্ডিয়া। কিন্তু বিতর্ক এখনই থেমে যাচ্ছে না। এবার দেখার বিষয় এই প্রভাব তাদের কেরিয়ারে কতটা পরে।

#অগ্নিপুত্র

ফের ভাঙ্গন তৃণমূলে! এবার তৃণমূলের দুই সাংসদ যোগ দিলেন বিজেপি শিবিরে।

সামনেই হতে চলেছে 2019 লোকসভা নির্বাচন এবং তার ঠিক দু বছর পরে অর্থাৎ 2021 সালে পশ্চিমবঙ্গের হবে বিধানসভা নির্বাচন। এবং তার আগেই রাজ্যের শাসক দলে এক বড়সড় ভাঙ্গন দেখা দিল। বিজেপির দেশপ্রেম এবং উন্নয়নমূলক কাজ কর্ম দেখে এবার রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস থেকে একের পর এক নেতামন্ত্রী যোগদান করছেন বিজেপিতে এবার আরও এক বড় তৃণমূল নেতা যোগদান করলেন বিজেপি তে।

শাসক দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দানের ফলে এই রাজ্যের রাজ্য বিজেপি এই মুহূর্তে চরম লাভবান হচ্ছেন। কারণ তাদের সংগঠন দিনের পর দিন ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং শক্তিশালী হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। এবার তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করলেন বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর এর সংসদ সৌমিত্র খাঁ।

এইদিন ইনি বিজেপি দলে নিজের নাম নথিভুক্ত করে আসেন দিল্লিতে গিয়ে বিজেপির সদর দপ্তরে। এবং তিনি বিজেপিতে যোগদান করে জানিয়েছেন যে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যতে আর গণতন্ত্র বেঁচে নেই। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল দলে পুরোপুরিভাবে একনায়কতন্ত্র এবং পরিবার তন্ত্র চালাচ্ছেন। সেখানে অন্য কারোর কথা বলার কোন অধিকার নেই তিনি একাই সিদ্ধান্ত নেন এবং উন্নয়নে বাধা দেন।

তবে এবার সৌমিত্র খাঁ এর দেখানো পথে আরও বেশ কয়েক জন তৃণমূল নেতা তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করতে চাইছেন তাদের মধ্যে প্রথমে যার কথা আসে তিনি হলেন অনুপম হাজরা।

আপনাদের একটি বিশেষ তথ্য দিয়ে রাখি সেটা হলো এই অনুপম হাজরা হলেন একজন উচ্চশিক্ষিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি কোনওদিনই কাউকে তোয়াক্কা করতেন না কারণ তিনি মনে করতেন নিজের মতামত রাখার অধিকার দেশের প্রতিটি মানুষের আছে। তাই তিনি তৃণমূলের একনায়কতন্ত্রের প্রতিবাদ করে এবার তৃণমূল ত্যাগ করে বিজেপিতে নাম লেখাতে চলেছেন।

কয়েকদিন আগে বিজেপি নেতা মুকুল রায় বলেছিলেন যে আরো অনেকেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করবেন। তার সম্পূর্ণ খবর আমার কাছে রয়েছে। তবে কি তাহলে এটাই তার শুরু করে দিলেন মুকুল রায়? এবার দেখা যাক লোকসভা ভোটের আগে আর কত জন তৃণমূল কর্মী তৃণমূলের ঘর ভেঙ্গে বিজেপিতে যোগদান করেন।
#অগ্নিপুত্র

এবার সেনাবাহিনীর গাড়ীতে কেউ পাথর ছুঁড়লেই সে হয়ে যাবে অন্ধ। জেনে নিন কি এমন করলেন সেনাবাহিনী।

দীর্ঘদিন ধরে কাশ্মীরে সেনা জাওয়ানদের উপর পাথর হামলা করে অসছে কাশ্মিরবাসী মুসলিমরা। সেনারা বিভিন্ন উপায়ে তাদের আটকানোর চেষ্টা করে আসছেন। কিন্তু কোনো কিছু করেই তাদের আটকানো সম্ভব হয়নি। তাই এবার সকল কে অবাক করে সেনারা নিলেন এক অভিনব কৌশল।

এবার থেকে সেনা জওয়ানদের উপর পাথর হামলা করলে তাদের পেতে হবে চরম শাস্তি। এবার অন্ধ হয়ে যাবে সেনাদের উপর হামলাকারীরা। তাই এখন থেকেই সেনা জওয়ানদের উপর হামলাকারীদের সতর্ক বার্তা দিয়ে রাখলেন সেনা জাওয়ানরা।

এবার ভারতীয় সেনারা ব্যবহার করতে চলেছে নুতন প্রযুক্তিতে তৈরি হওয়া লেজার বুলেট। এর সাহায্যে যদি এবার কেউ সেনাদের উপর হামলা করেন তাহলে তাদের অন্ধ করে দেওয়া হবে।

সেনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন যে, এই লেজার ভেসিকলটি তৈরি করা হয়েছে পাথরবাজদের শায়েস্তা করবার জন্য। এই ভেসিকলের গায়ে লাগানো থাকবে স্পেশাল লেজার বুকেট। এই বুলেটের সাহায্যে যেকোনো ব্যাক্তিকে অন্ধ করে দেওয়া হবে কিছু সময়ের জন্য।

বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে যে, এই ভেসিকলের জন্য ভারত সরকারের খরচ হয়েছে ৫০ লক্ষ টাকা। এবং এটাই ২০ লক্ষ টাকা মূল্যের লেজার বুলেট লাগানো থাকবে। আর এই লেজারের এতটাই ক্ষমতা যে একসাথে ১০০০০ জনকে এট‍্যাক করা যাবে। এরফলে এবার থেকে ভারতের সেনা জাওয়ানদের উপর পাথর হামলা করা হলেই পাথরবাজদের অন্ধ করে দেওয়া হবে।
#অগ্নিপুত্র

দুদিনে পাকিস্তানের ১৭০ টি ট্যাঙ্কার উড়িয়ে দিয়েছিল ভারতীয় সেনাবাহিনী। জেনারেল হরবক্স সিং এর দক্ষতায় ভারত পেয়েছিল সাফল্য।

১৯৬৫ সালে এক অন্যরকম যুদ্ধে হেরে গিয়েছিল ভারত কিন্তু তারপর ভারতীয় সেনাবাহিনী যেটা করে দেখিয়েছিল সেটা দেখার পর পাকিস্তান ভালোভাবে বুঝে গিয়েছিল ভারতের শক্তি সম্পর্কে এবং তারা ভয়ে ভীত হয়ে পড়ে। সেই যুদ্ধ ইতিহাসে “The Real Answer” নামে পরিচিত।

সেই সময় ভারত ও পাকিস্তান পরিস্থিতি চরমে পৌঁছে গিয়েছিল। পাকিস্তান জেনারেল পাকিস্তানের স্পেশাল সেনাবাহিনী কে এই দায়িত্বটা দিয়েছিল যাতে ভারতের অমৃতসর অঞ্চল দখল করে নেওয়া হয়। এবং ভারতীয় সেনাবাহিনী যাতে জম্মু-কাশ্মীরে এসে তাদের ফেলে যাওয়া অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে যেতে না পারে।

১৯৬২ সালে চীনের সঙ্গে যুদ্ধ হওয়ার পর সেই যুদ্ধের ক্ষত তখনও দাঁড়িয়ে উঠতে পারেনি ভারত। এমন পরিস্থিতিতে আমেরিকার সাহায্য নিয়ে অত্যাধুনিক যুদ্ধ অস্ত্র ব্যবহার করে পাকিস্তান ভারতের যথাযথ ক্ষতি করে ভারতকে হারিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছিল। কারণ সেই সময় তখনও ভারতীয় অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহারের নীতি প্রয়োগ হয় নি।

৮ ই সেপ্টেম্বর ১৯৬৫ সালে পাঞ্জাবের এক এলাকায় ২২০ জন পাকিস্তান সেনাবাহিনী চালক এক ভয়াবহ হামলা। তাদের উদ্দেশ্য ছিল সেই সময় তাদের সামনে যায় আসুক না কেন সব কিছুকে একেবারে ধ্বংস করে দেওয়া। তাদের কে সেই সময় আটকানোর মত সেনাবাহিনী ভারতের প্রস্তুত ছিল না। কিন্তু জেনারেল হরবক্স সিং হাল ছাড়তে রাজি নন তিনি ওই মাত্র গুটিকয়েক ভারতীয় সেনাদের নিয়ে তৈরি করে ফেললেন পাকিস্তান বধের এক নতুন পরিকল্পনা। ভারতীয় সেনাবাহিনীকে তিন দিক থেকে একেবারে অন্য ছন্দে অর্থাৎ “U” আকৃতিতে সাজিয়ে ফেললেন। এবং তাদেরকে যথাযথ প্রস্তুত রাখলেন যাতে পাকিস্তানের প্রতিটি ট্যাঙ্কার কে একেবারে উড়িয়ে ধুলিস্যাৎ করে দেওয়া যায়।

সেই সময় পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর ভেবেছিল সেখানে কোন ভারতীয় আর্মি নেই। তাই তারা সহজেই সেখানে প্রবেশ করেছিল। আর ভারতীয় আর্মিরা খুব কাছেই লুকিয়ে ছিল আখের ক্ষেতে, তাই যখনই তারা সেখানে প্রবেশ করে ভারতীয় সেনাবাহিনী একের পর এক পাকিস্তানের ১৭০ টি ট্যাংকার উড়িয়ে দেয়। এবং সেখানে শুধুই মৃতদেহ পড়তে থাকে পাকিস্তানি ট্যাঙ্কারের। অপরদিকে ভারতের মাত্র ৩২ টি ট্যাঙ্কারের ক্ষতি হয়েছিল।

উল্লেখ্য এখনো পৃথিবীর সমস্ত সেনাবাহিনী স্কুলে জেনারেল হরবক্স সিং এর এই সাহসী পরিকল্পনার কথা পড়ানো হয়ে থাকে। এবং এর ফলে অনেক সেনা জাওয়ান উদ্বুদ্ধ হন দেশের জন্য নিজের শেষ প্রান নিশ্বাস পর্যন্ত লড়াই করে যাওয়ার।
#অগ্নিপুত্র

ক্যান্সারের থাবা এবার রোশন পরিবারে। হৃত্বিক রোশন নিজে জানালেন অসুস্থতার কথা।

দিন দিন বলিউডের ক্যান্সারের প্রকোপ বেড়ে চলেছে। ক্যান্সারের ছোবলে আক্রান্ত হচ্ছেন একের পর এক তারকা বলিউডি তারকা। এবার ইমরান খান, সোনালী বেন্দ্রের পর আরেক বলিউডি সুপারস্টার ক্যান্সার আক্রান্ত হয়েছেন। আর এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই চারিদিকে এই মুহূর্তে হুলুস্থূলুস বেঁধে গিয়েছে।

এবার বলিউডে অন্যতম সুপারস্টার হৃত্বিক রোশনের বাবা অর্থাৎ অন্যতম সেরা পরিচালক রাকেশ রোশন আক্রান্ত হয়েছেন ক্যান্সারে। আর এই খবর জানিয়েছেন হৃত্বিক রোশন নিজে। তিনি এইদিন ইনস্টাগ্রামে একটা ছবি পোস্ট করে তার বাবার অসুস্থতার কথা জানিয়েছেন। তিনি এটাও জানিয়েছেন যে তার বাবার ক্যান্সার হয়েছে গলায় অর্থাৎ গলার ক্যান্সারে আক্রান্ত বিখ্যাত পরিচালক রাকেশ রোশন।

এই দিন হৃত্বিক রোশন আরও জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন যে গত দুসপ্তাহ আগে তার বাবার ক্যান্সারের খবরটি ধরা পড়ে এবং তারপর থেকেই জোরকদমে শুরু হয়ে গিয়েছে চিকিৎসা। তিনি এটাও বলেন যে তার বাবার ক্যান্সার এই মুহূর্তে প্রথম স্টেজে রয়েছে। এবং তার সুস্থতার ব্যাপারে হৃত্বিক রোশন খুবই আশাবাদী কারণ তিনি জানিয়েছেন যে তার বাবা হচ্ছেন একদম শক্ত হৃদয়ের মানুষ অর্থাৎ তার বাবার মানসিক জোর চরম। আর মানসিক জোর এর জন্যই তার বাবা খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

সম্প্রতি বলিউডের বিখ্যাত অভিনেতা আয়ুষ্মান খুরানার স্ত্রীর স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন এবং তার চিকিৎসা চলছে এই ব্যাপারে স্পষ্ট ধারণা জানান আয়ুষ্মান খোরানা নিজে। এবং তিনি তার ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করে তার স্ত্রীর দ্রুত সুস্থতার কামনা করেন। এর পাশাপাশি অভিনেত্রী নাসিফা আলীও ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন।

অন্যদিকে বলিউডের আরেক বিখ্যাত অভিনেতা ইরফান খান দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন লন্ডনে। তিনি তার সমস্ত চিকিৎসা সেখানে করাচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে।
#অগ্নিপুত্র

রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বদের মধ্যে একমাত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেই ফলো করেন বিল গেটস। কারণ জানলে গর্ববোধ করবেন।

বিল গেটস হল সারা বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যাক্তি। এই বিল গেটস কে অনেকেই নিজের আদর্শ মনে করেন। তবে অবাক করা ব্যাপার এটাই যে সারা বিশ্বের কাছে আদর্শ হয়ে ওঠা বিল গেটস বেশ কয়েকজন ভারতীয় কে আদর্শ হিসাবে ফলো করেন।

উনি বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মধ্যে প্রথম সারিতে আছেন। তাই উনি যদি কোনো ব্যক্তি কে ফলো করেন তাহলে অবশ্যই সেটা বেশ অবাক ব্যাপার। আসুন দেখে নেওয়া যাক উনি কোন কোন ভারতীয় কে নিজে থেকে ফলো করেন।

উনার ফলো করার তালিকায় প্রথমেই যে ভারতীয়র নাম আসে সে হলেন ভারতের সবচেয়ে সফল এবং দেশপ্রেমিক বিসনেজম্যান রতনটাটা। এছাড়াও উনি অমিতাভ বচ্চন কে ফলো করেন।

তবে সবচেয়ে অবাক করা ব্যাপার এটাই যে উনি রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব হিসবে ভারতবর্ষের শুধুমাত্র একজন কেই ফলো করেন আর সে হল অমাদের সবার প্রিয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এছাড়া উনি আর কোনো ভারতীয় রাজনৈতিক নেতাকে ফলো করেন না।
উল্লেখ্য উনি কিন্তু চীনের প্রেসিডেন্ট সি জিন পিং এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কে ফলো করেন না।

উনি যে ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী কে ফলো করেন এটা আমাদের সকল ভারতীয়র কাছে খুব গর্বের ব্যাপার। কারণ উনি মনে করেন বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যাক্তি হলেন ভারতবর্ষের প্ৰধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
#অগ্নিপুত্র

হিন্দুদের আঘাত করা হচ্ছে বললেন ইসরোর চেয়ারম্যান। সবরীমালা প্রসঙ্গে এবার মুখ খুললেন উনি।

বেশ কয়েকদিন ধরে সবরীমালা মন্দির ইস্যুটি নিয়ে পুরো দেশ তোলপাড় হয়ে রয়েছে। এই মন্দিরের ঐতিহ্য বজায় রাখার জন্য বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন গুলি ক্রমাগত প্রতিবাদ করে চলেছে। এবং দেখা গিয়েছে যে বিভিন্ন মহল থেকে সেই সব হিন্দু সংগঠনগুলিকে অনেক সমর্থন দিয়েছেন অনেকে। তবে এবার সেই সমস্ত কিছুকে ছাড়িয়ে গেল।

ভারতের বৈজ্ঞানিক গবেষণা সংস্থা ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান এবার এই ইস্যু নিয়ে মুখ খুললেন, এবং হিন্দু সংগঠনগুলিকে সমর্থন জানালেন। উনি বললেন যে এইভাবে কোন মন্দিরের ঐতিহ্য নষ্ট করে রাতের অন্ধকারে সেই মন্দিরে মহিলা ভক্তদের প্রবেশ করানো কাপুরুষের মতো ঘটনা।

কারণ প্রত্যেক ধর্মেরই নিজের কিছু রীতিনীতি আছে।এবং সেই জন্য প্রত্যেক ধর্মের নিয়ম গুলি কে সম্মান করা আমাদের কর্তব্য। কিন্তু এইভাবে হিন্দু ধর্মের ঐতিহ্যে বারবার আঘাত করে মন্দিরে রাতের অন্ধকারে মহিলা ভক্ত প্রবেশ করানো উচিৎ নয়।

এছাড়াও এই দিন উনি কেরল সরকারকে যথেষ্ট চাপ দেন। তিনি বললেন যে কিছুদিন আগে কেরলে ভয়ংকর বন্যা হয়েছে। তারফলে কেরলে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কিন্তু সেদিকে কোনো নজর নেই কেরল সরকারের বরং তারা এই  সবরীমালা মন্দিরে মহিলা প্রবেশ এর নিয়ম নিয়ে পড়ে আছেন। কেন এইভাবে হিন্দুদের আঘাত করা হবে? আপনি আগে নিজের রাজ্যের পরিস্থিতি সামলান নিজের রাজ্য কে সঠিক ভাবে গড়ে তুলুন তারপরে এইসব তুচ্ছ ইস্যু নিয়ে মাথা ঘমাবেন।
#অগ্নিপুত্র

আ্যক্সিডেন্টের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার নিয়ে এল নুতন নিয়ম। এবার আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্সের সাথে লিংক করতে হবে আধারকার্ড।

ড্রাইভিং লাইসেন্সের সাথেও লিঙ্ক করতে হবে আধার কার্ডকে। এই দিন একটা সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ। এর আগেও মানুষ সরকারের আইন অনুসারে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও মোবাইল নম্বরের সাথে আধার কার্ড লিঙ্ক করেছে।

আর তার ফলে বেশ উপকার হয়েছে সাধারণ মানুষের তাই কেন্দ্রীয় সরকার আবার এমন নিয়ম চালু করতে উদ্যোগী। এই ব্যবস্থার কারন জানতে চাইলে রবিশঙ্কর প্রসাদ জানান দেখা যাচ্ছে কেউ কোনো দুর্ঘটনা ঘটিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে এবং এরপর নতুন লাইসেন্স বের করে নিচ্ছে। এই ব্যবস্থার পর মানুষ আর নতুন লাইসেন্স বের করতে পারলেও,ফিঙ্গার প্রিন্ট এবং চোখের মনির ছবি বদল করতে পারবেন।

ফলে অপরাধী পালিয়ে যেতে পারবে না। অপরাধী তার যোগ্য শাস্তি পাবে।
বিষয়টি তিনি জানান পাঞ্জাবের লাভলি প্রফেশনাল ইউনিভার্সিটিতে আয়োজিত জাতীয় বিজ্ঞান কংগ্রেসে।
তিনি আরো জানান ডিজিটালী ইন্ডিয়ার উদ্যেগে গ্রাম ও শহড়ের মধ্যে বৈষম্য অনেক কমেছে।

২০১৭-১৮ সালে ডিজিটাল লেনদেনের পরিমান ২০৭০ কোটি টাকা। এর ফলে দেশ উন্নয়নের দিলে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছেন।

দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়ে সফল অভিযান চালিয়ে এল ভারতীয় গোরখা বাহিনী। জেনে নিন সেই ইতিহাস।

ভারতীয় সেনা জওয়ানদের সম্মান জানাতে এবার রেড চিলি এন্টারটেইনমেন্ট অর্থাৎ শাহরুখ খানের নিজস্ব প্রজেক্ট নিয়ে আসতে চলেছে একটা সুন্দর সিনেমা। এই সিনেমাটি তৈরি হচ্ছে ভারতীয় সেনা জওয়ানদের স্পেশাল অভিযান “খুরকি অপারেশন” কে কেন্দ্র করে।

কিন্তু এই অপারেশন আসলে কি আসুন এই প্রশ্নের যথাযথ উত্তর আপনাদের সাথে আলোচনা করি।
এই অপারেশনটি হচ্ছে প্রায় দুমাস ধরে দক্ষিণ আফ্রিকাতে বহু মানুষ পণবন্দি ছিল তাদেরকে রক্ষা করার জন্য মেজর হরিন্দর সুদের নেতৃত্বে ভারতীয় কমান্ডো বাহিনী সেখানে গিয়ে অপারেশন চালান এবং তাদের প্রত্যেককে সসম্মানের সাথে সযত্নে ফিরিয়ে আনেন।

সেই উদ্ধার কাজ চালানোর জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনী থেকে 223 জন জাওয়ানকে বিমান লিফট করে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। এবং সেই স্থানে গিয়ে সেই বিদ্রোহ গোষ্ঠীর কাছ থেকে কোনো রকম ক্ষতি ছাড়ায় বহু মানুষ কি ফিরিয়ে আনেন ভারতীয় জাওয়ানরা। উল্লেখ্য এতে ভারতীয় কোন জাওয়ানের কোনরকম ক্ষতি করতে পারেনি সেখানকার সেই বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি।

এই পণবন্দিদের রক্ষা করার জন্য যখন ভারতীয় সেনা জাওয়ানের একটা ব্যাটেলিয়ান সেখানে পৌঁছায় সেখানকার গোষ্ঠীর মানুষজন ভারতীয় সেনা জওয়ানদের ঘিরে ফেলে এবং তাদের অস্ত্রশস্ত্র কেড়ে নেয়ার উপদ্রব চালায়। কিন্তু সেই সময় ভারত সরকার খবর পান এবং আরও অতিরিক্ত বাহিনী সেখানে পাঠান ফলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যায়। এর ফলে ক্রমাগত ভারতীয় সেনা জওয়ানদের চাপের ফলে সেই সমস্ত মানুষকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি।
#অগ্নিপুত্র

আমি টিএমসির কবর খুঁড়তে এসেছি। বেলাগাম দিলীপ ঘোষ।

চেনা মহিমায় পাওয়া গেল দিলীপ ঘোষ কে। দলীয় কর্মীদের স্বতস্ফূর্ত করার জন্য একটি সভাতে কড়া বাক্য প্রয়োগ করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
মমতা ব্যানার্জিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা দিয়ে শনিবার দিলীপ ঘোষ বলেন মমতা ব্যানার্জিই দেশের প্রথম বাঙালি প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। এই বাক্যটি পুরো রাজ্যে হইচয় ফেলে দেয়।

এরপরই বিজেপি কতৃপক্ষ প্রচার করেন কথাটির মধ্যে কোনো গভীরতা ছিল না। কথাটি ব্যাঙ্গছলে তিনি বলেছেন। এরফলে পরিস্থিতি বিগড়ে যায়। আর
এরফলে সৃষ্টি হওয়া পরিস্থিতিকে কন্ট্রোলে আনার জন্য খোদ দিলীপ ঘোষকে মাঠে নামতে হয়।

তিনি বলেন সিপিএম কংগ্রেস বলছে আমি নাকি তৃনমূল হয়ে গেছি। ওদের কথার দাম আগেও ছিল না আর এখনও নেই। আরে আমি তৃনমূলের কবর খঁড়তে এসেছি।এরা মানুষের ওপর যা অত্যাচার করেছে, এদের পতন ঘনিয়ে এসেছে। এদিন তিনি আরো বলেন পাগলেও বিশ্বাস করবেনা মমতা ব্যানার্জী প্রধানমন্ত্রী হবেন। কারণ যে নিজের রাজ্য ঠিকমতো সামলাতে পারেন না সেই ব্যাক্তি দেশ সামলাবেন কীভাবে। উনি আগে ঘর সামলাক তারপরতো দেশ।