Monday, December 16, 2019
Home Blog Page 70

ক্যান্সারের থাবা এবার রোশন পরিবারে। হৃত্বিক রোশন নিজে জানালেন অসুস্থতার কথা।

দিন দিন বলিউডের ক্যান্সারের প্রকোপ বেড়ে চলেছে। ক্যান্সারের ছোবলে আক্রান্ত হচ্ছেন একের পর এক তারকা বলিউডি তারকা। এবার ইমরান খান, সোনালী বেন্দ্রের পর আরেক বলিউডি সুপারস্টার ক্যান্সার আক্রান্ত হয়েছেন। আর এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই চারিদিকে এই মুহূর্তে হুলুস্থূলুস বেঁধে গিয়েছে।

এবার বলিউডে অন্যতম সুপারস্টার হৃত্বিক রোশনের বাবা অর্থাৎ অন্যতম সেরা পরিচালক রাকেশ রোশন আক্রান্ত হয়েছেন ক্যান্সারে। আর এই খবর জানিয়েছেন হৃত্বিক রোশন নিজে। তিনি এইদিন ইনস্টাগ্রামে একটা ছবি পোস্ট করে তার বাবার অসুস্থতার কথা জানিয়েছেন। তিনি এটাও জানিয়েছেন যে তার বাবার ক্যান্সার হয়েছে গলায় অর্থাৎ গলার ক্যান্সারে আক্রান্ত বিখ্যাত পরিচালক রাকেশ রোশন।

এই দিন হৃত্বিক রোশন আরও জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন যে গত দুসপ্তাহ আগে তার বাবার ক্যান্সারের খবরটি ধরা পড়ে এবং তারপর থেকেই জোরকদমে শুরু হয়ে গিয়েছে চিকিৎসা। তিনি এটাও বলেন যে তার বাবার ক্যান্সার এই মুহূর্তে প্রথম স্টেজে রয়েছে। এবং তার সুস্থতার ব্যাপারে হৃত্বিক রোশন খুবই আশাবাদী কারণ তিনি জানিয়েছেন যে তার বাবা হচ্ছেন একদম শক্ত হৃদয়ের মানুষ অর্থাৎ তার বাবার মানসিক জোর চরম। আর মানসিক জোর এর জন্যই তার বাবা খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

সম্প্রতি বলিউডের বিখ্যাত অভিনেতা আয়ুষ্মান খুরানার স্ত্রীর স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন এবং তার চিকিৎসা চলছে এই ব্যাপারে স্পষ্ট ধারণা জানান আয়ুষ্মান খোরানা নিজে। এবং তিনি তার ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করে তার স্ত্রীর দ্রুত সুস্থতার কামনা করেন। এর পাশাপাশি অভিনেত্রী নাসিফা আলীও ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন।

অন্যদিকে বলিউডের আরেক বিখ্যাত অভিনেতা ইরফান খান দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন লন্ডনে। তিনি তার সমস্ত চিকিৎসা সেখানে করাচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে।
#অগ্নিপুত্র

রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বদের মধ্যে একমাত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেই ফলো করেন বিল গেটস। কারণ জানলে গর্ববোধ করবেন।

বিল গেটস হল সারা বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যাক্তি। এই বিল গেটস কে অনেকেই নিজের আদর্শ মনে করেন। তবে অবাক করা ব্যাপার এটাই যে সারা বিশ্বের কাছে আদর্শ হয়ে ওঠা বিল গেটস বেশ কয়েকজন ভারতীয় কে আদর্শ হিসাবে ফলো করেন।

উনি বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মধ্যে প্রথম সারিতে আছেন। তাই উনি যদি কোনো ব্যক্তি কে ফলো করেন তাহলে অবশ্যই সেটা বেশ অবাক ব্যাপার। আসুন দেখে নেওয়া যাক উনি কোন কোন ভারতীয় কে নিজে থেকে ফলো করেন।

উনার ফলো করার তালিকায় প্রথমেই যে ভারতীয়র নাম আসে সে হলেন ভারতের সবচেয়ে সফল এবং দেশপ্রেমিক বিসনেজম্যান রতনটাটা। এছাড়াও উনি অমিতাভ বচ্চন কে ফলো করেন।

তবে সবচেয়ে অবাক করা ব্যাপার এটাই যে উনি রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব হিসবে ভারতবর্ষের শুধুমাত্র একজন কেই ফলো করেন আর সে হল অমাদের সবার প্রিয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এছাড়া উনি আর কোনো ভারতীয় রাজনৈতিক নেতাকে ফলো করেন না।
উল্লেখ্য উনি কিন্তু চীনের প্রেসিডেন্ট সি জিন পিং এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কে ফলো করেন না।

উনি যে ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী কে ফলো করেন এটা আমাদের সকল ভারতীয়র কাছে খুব গর্বের ব্যাপার। কারণ উনি মনে করেন বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যাক্তি হলেন ভারতবর্ষের প্ৰধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
#অগ্নিপুত্র

হিন্দুদের আঘাত করা হচ্ছে বললেন ইসরোর চেয়ারম্যান। সবরীমালা প্রসঙ্গে এবার মুখ খুললেন উনি।

বেশ কয়েকদিন ধরে সবরীমালা মন্দির ইস্যুটি নিয়ে পুরো দেশ তোলপাড় হয়ে রয়েছে। এই মন্দিরের ঐতিহ্য বজায় রাখার জন্য বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন গুলি ক্রমাগত প্রতিবাদ করে চলেছে। এবং দেখা গিয়েছে যে বিভিন্ন মহল থেকে সেই সব হিন্দু সংগঠনগুলিকে অনেক সমর্থন দিয়েছেন অনেকে। তবে এবার সেই সমস্ত কিছুকে ছাড়িয়ে গেল।

ভারতের বৈজ্ঞানিক গবেষণা সংস্থা ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান এবার এই ইস্যু নিয়ে মুখ খুললেন, এবং হিন্দু সংগঠনগুলিকে সমর্থন জানালেন। উনি বললেন যে এইভাবে কোন মন্দিরের ঐতিহ্য নষ্ট করে রাতের অন্ধকারে সেই মন্দিরে মহিলা ভক্তদের প্রবেশ করানো কাপুরুষের মতো ঘটনা।

কারণ প্রত্যেক ধর্মেরই নিজের কিছু রীতিনীতি আছে।এবং সেই জন্য প্রত্যেক ধর্মের নিয়ম গুলি কে সম্মান করা আমাদের কর্তব্য। কিন্তু এইভাবে হিন্দু ধর্মের ঐতিহ্যে বারবার আঘাত করে মন্দিরে রাতের অন্ধকারে মহিলা ভক্ত প্রবেশ করানো উচিৎ নয়।

এছাড়াও এই দিন উনি কেরল সরকারকে যথেষ্ট চাপ দেন। তিনি বললেন যে কিছুদিন আগে কেরলে ভয়ংকর বন্যা হয়েছে। তারফলে কেরলে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কিন্তু সেদিকে কোনো নজর নেই কেরল সরকারের বরং তারা এই  সবরীমালা মন্দিরে মহিলা প্রবেশ এর নিয়ম নিয়ে পড়ে আছেন। কেন এইভাবে হিন্দুদের আঘাত করা হবে? আপনি আগে নিজের রাজ্যের পরিস্থিতি সামলান নিজের রাজ্য কে সঠিক ভাবে গড়ে তুলুন তারপরে এইসব তুচ্ছ ইস্যু নিয়ে মাথা ঘমাবেন।
#অগ্নিপুত্র

আ্যক্সিডেন্টের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার নিয়ে এল নুতন নিয়ম। এবার আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্সের সাথে লিংক করতে হবে আধারকার্ড।

ড্রাইভিং লাইসেন্সের সাথেও লিঙ্ক করতে হবে আধার কার্ডকে। এই দিন একটা সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ। এর আগেও মানুষ সরকারের আইন অনুসারে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও মোবাইল নম্বরের সাথে আধার কার্ড লিঙ্ক করেছে।

আর তার ফলে বেশ উপকার হয়েছে সাধারণ মানুষের তাই কেন্দ্রীয় সরকার আবার এমন নিয়ম চালু করতে উদ্যোগী। এই ব্যবস্থার কারন জানতে চাইলে রবিশঙ্কর প্রসাদ জানান দেখা যাচ্ছে কেউ কোনো দুর্ঘটনা ঘটিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে এবং এরপর নতুন লাইসেন্স বের করে নিচ্ছে। এই ব্যবস্থার পর মানুষ আর নতুন লাইসেন্স বের করতে পারলেও,ফিঙ্গার প্রিন্ট এবং চোখের মনির ছবি বদল করতে পারবেন।

ফলে অপরাধী পালিয়ে যেতে পারবে না। অপরাধী তার যোগ্য শাস্তি পাবে।
বিষয়টি তিনি জানান পাঞ্জাবের লাভলি প্রফেশনাল ইউনিভার্সিটিতে আয়োজিত জাতীয় বিজ্ঞান কংগ্রেসে।
তিনি আরো জানান ডিজিটালী ইন্ডিয়ার উদ্যেগে গ্রাম ও শহড়ের মধ্যে বৈষম্য অনেক কমেছে।

২০১৭-১৮ সালে ডিজিটাল লেনদেনের পরিমান ২০৭০ কোটি টাকা। এর ফলে দেশ উন্নয়নের দিলে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছেন।

দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়ে সফল অভিযান চালিয়ে এল ভারতীয় গোরখা বাহিনী। জেনে নিন সেই ইতিহাস।

ভারতীয় সেনা জওয়ানদের সম্মান জানাতে এবার রেড চিলি এন্টারটেইনমেন্ট অর্থাৎ শাহরুখ খানের নিজস্ব প্রজেক্ট নিয়ে আসতে চলেছে একটা সুন্দর সিনেমা। এই সিনেমাটি তৈরি হচ্ছে ভারতীয় সেনা জওয়ানদের স্পেশাল অভিযান “খুরকি অপারেশন” কে কেন্দ্র করে।

কিন্তু এই অপারেশন আসলে কি আসুন এই প্রশ্নের যথাযথ উত্তর আপনাদের সাথে আলোচনা করি।
এই অপারেশনটি হচ্ছে প্রায় দুমাস ধরে দক্ষিণ আফ্রিকাতে বহু মানুষ পণবন্দি ছিল তাদেরকে রক্ষা করার জন্য মেজর হরিন্দর সুদের নেতৃত্বে ভারতীয় কমান্ডো বাহিনী সেখানে গিয়ে অপারেশন চালান এবং তাদের প্রত্যেককে সসম্মানের সাথে সযত্নে ফিরিয়ে আনেন।

সেই উদ্ধার কাজ চালানোর জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনী থেকে 223 জন জাওয়ানকে বিমান লিফট করে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। এবং সেই স্থানে গিয়ে সেই বিদ্রোহ গোষ্ঠীর কাছ থেকে কোনো রকম ক্ষতি ছাড়ায় বহু মানুষ কি ফিরিয়ে আনেন ভারতীয় জাওয়ানরা। উল্লেখ্য এতে ভারতীয় কোন জাওয়ানের কোনরকম ক্ষতি করতে পারেনি সেখানকার সেই বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি।

এই পণবন্দিদের রক্ষা করার জন্য যখন ভারতীয় সেনা জাওয়ানের একটা ব্যাটেলিয়ান সেখানে পৌঁছায় সেখানকার গোষ্ঠীর মানুষজন ভারতীয় সেনা জওয়ানদের ঘিরে ফেলে এবং তাদের অস্ত্রশস্ত্র কেড়ে নেয়ার উপদ্রব চালায়। কিন্তু সেই সময় ভারত সরকার খবর পান এবং আরও অতিরিক্ত বাহিনী সেখানে পাঠান ফলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যায়। এর ফলে ক্রমাগত ভারতীয় সেনা জওয়ানদের চাপের ফলে সেই সমস্ত মানুষকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি।
#অগ্নিপুত্র

আমি টিএমসির কবর খুঁড়তে এসেছি। বেলাগাম দিলীপ ঘোষ।

চেনা মহিমায় পাওয়া গেল দিলীপ ঘোষ কে। দলীয় কর্মীদের স্বতস্ফূর্ত করার জন্য একটি সভাতে কড়া বাক্য প্রয়োগ করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
মমতা ব্যানার্জিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা দিয়ে শনিবার দিলীপ ঘোষ বলেন মমতা ব্যানার্জিই দেশের প্রথম বাঙালি প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। এই বাক্যটি পুরো রাজ্যে হইচয় ফেলে দেয়।

এরপরই বিজেপি কতৃপক্ষ প্রচার করেন কথাটির মধ্যে কোনো গভীরতা ছিল না। কথাটি ব্যাঙ্গছলে তিনি বলেছেন। এরফলে পরিস্থিতি বিগড়ে যায়। আর
এরফলে সৃষ্টি হওয়া পরিস্থিতিকে কন্ট্রোলে আনার জন্য খোদ দিলীপ ঘোষকে মাঠে নামতে হয়।

তিনি বলেন সিপিএম কংগ্রেস বলছে আমি নাকি তৃনমূল হয়ে গেছি। ওদের কথার দাম আগেও ছিল না আর এখনও নেই। আরে আমি তৃনমূলের কবর খঁড়তে এসেছি।এরা মানুষের ওপর যা অত্যাচার করেছে, এদের পতন ঘনিয়ে এসেছে। এদিন তিনি আরো বলেন পাগলেও বিশ্বাস করবেনা মমতা ব্যানার্জী প্রধানমন্ত্রী হবেন। কারণ যে নিজের রাজ্য ঠিকমতো সামলাতে পারেন না সেই ব্যাক্তি দেশ সামলাবেন কীভাবে। উনি আগে ঘর সামলাক তারপরতো দেশ।

কুম্ভমেলায় আসার জন্য পাকিস্তানি হিন্দুদের বিশেষ সুবিধা দিতে চলেছে যোগী সরকার।

২০১৭ সালের উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশের প্রাপ্তন শাসকদল সমাজবাদী পার্টিকে চিরতরে মুছে দিয়ে উত্তরপ্রদেশে ক্ষমতায় আসে যোগী আদিত্যনাথের বিজেপি সরকার। যোগীজি সেখানে ক্ষমতায় আসার পর উত্তর প্রদেশের চারিদিকে উন্নতি শুরু হয়ে যায়, সব দিক থেকে উন্নতি করেছেন যোগী আদিত্যনাথ। তাই এই মুহূর্তে উনি উত্তরপ্রদেশের সবচেয়ে সফলতম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে গ্রাহ্য হয়েছেন।

এছাড়াও যোগী আদিত্যনাথ এর আরেকটি পরিচয় আছে। উনাকে হিন্দু ধর্মের পোস্টার বয় বলা হয় কারণ উনি ক্ষমতায় আসার পরে হিন্দুদের নিয়ে অনেক বড় বড় কাজ করেছেন। এবং হিন্দু ধর্মের প্রচার করেছেন।

এবার যোগী আদিত্যনাথ হিন্দুদের নিয়ে একটা বড়োসড়ো সিদ্ধান্ত নিলেন। এবার উনি জানিয়ে দিলেন যে আগামী ১৫ তারিখ হতে চলা কুম্ভ মেলায় যদি কোন পাকিস্তানি হিন্দু আসতে চায় তাহলে তাদেরকে সমস্ত রকম সাহায্য করা হবে। তাদের স্পেশাল ভিসার ব্যবস্থা করে দেয়া হবে এমনকি তাদের জন্য সুরক্ষা ব্যবস্থা, থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

এছাড়াও উত্তর প্রদেশের সরকারের এক মন্ত্রী জানিয়েছেন যে যদি পাকিস্তান থেকে কোন হিন্দু ভারতে এসে কুম্ভ মেলায় যোগদান করতে চান তাহলে তাকে সবসময় স্বাগত জানাবেন আমাদের সরকার এবং তার সমস্ত রকম দায়িত্ব উত্তর প্রদেশ সরকার নেবে। এছাড়াও তিনি বলেছেন যে পাঞ্জাবের বাসিন্দাদের যে যে সুবিধা গুলি দেওয়া হবে সেই সকল সুবিধা অর্থাৎ গঙ্গা-যমুনা এবং সরস্বতী নদীতে চান করার সুবিধা দেওয়া হবে পাকিস্তানি হিন্দু নাগরিকদের।

উনি আরো বলেছেন যে আমি নিজেকে অমৃতসরে গিয়ে সমস্ত পাঞ্জাববাসী কে আমন্ত্রণ জানিয়ে এসেছি যাতে তারা সকলে আসেন কুম্ভ মেলায়। এছাড়াও পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যপাল কেউ আমার তরফ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এবং উনারা প্রত্যেকেই আমার আমন্ত্রণ পত্র সযত্নে গ্রহণ করেছেন।
#অগ্নিপুত্র

চাঞ্চল্যকর খবর! শুধু হেলিকপ্টার নয়, আরও অনেক ডিলে কংগ্রেস কে টাকা দিয়েছে মামা মিশেল।

দেশের তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট ফের একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরলেন আদালতের সামনে। এই দিন মূলত এই কথাটি নিয়ে বেশি পরিচর্যা হয় সেটা হল কংগ্রেসের আমলে দেশজুড়ে হয়ে যাওয়া অগাস্টা ভিভিআইপি হেলিকপ্টার কেলেঙ্কারির বিষয়টি।

ক্রিশ্চিয়ানো মিসেল যিনি হলেন হেলিকপ্টার কেলেঙ্কারির মূল অভিযুক্ত তাকে বিশেষ তদন্ত করার জন্য ইডির তরফ থেকে তাকে দুবাই থেকে ভারত পর আনানো হয়। এবং তারপর তার ওপর শুরু হয় তদন্ত কিন্তু এ তদন্ত করতে গিয়ে ইডি জানিয়েছেন যে, শুধুমাত্র হেলিকপ্টার নয় বরং আরো অনেক কেলেঙ্কারির সঙ্গে তিনি যুক্ত এবং তাকে সেই সব করার জন্য টাকা দিয়েছিল তৎকালীন কংগ্রেস সরকার।

ইডির আইনজীবীরা মূল বিচারপতির কাছে জানিয়েছেন যে এই ক্রিস্টিয়ান মিশেলকে দু’দফায় টাকা দিয়েছিলেন তৎকালীন কংগ্রেস সরকার। প্রথম দফায় দিয়েছিলেন ২ কোটি ৪২ লক্ষ ইউরো এবং দ্বিতীয় দফায় দিয়েছিলেন ৬০ লক্ষ ৯৫ হাজার ২৪৫ পাউন্ড।

এছাড়াও ইডির তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে এই মিশেলকে কোনোভাবেই জামিন দেয়া যাবে না। কারণ উনি শুধুমাত্র অগাস্টা নয় এছাড়া আরো অনেক প্রতিরক্ষা দুর্নীতির জন্য টাকা নিয়েছিলেন কংগ্রেস সরকারের কাছ থাকে। এখন যদি তাকে জামিন দিয়ে দেওয়া হয় তাহলে আর সত্যি সকলের সামনে আসবে না। কারণ একদিকে ইনি হলেন ব্রিটিশ নাগরিক অপরদিকে ভারতের সঙ্গে এর কোনো যোগাযোগ নেই। তাই তাকে যদি একবার জামিন দিয়ে দেওয়া হয় তাহলে তার নাগাল পাওয়া যাবে না।

এর আগে ইডি একবার জানিয়েছিল যে মিশেল কে তদন্ত করার সময় তারা মিসেস গান্ধী এবং তার ছেলের নাম পায়। এছাড়াও আরও কংগ্রেসের এক বড় নেতার শর্ট অক্ষর অর্থাৎ AP নামে তাকে চিহ্নিত করে মিছিল। তাই এবার আরো ভালো করে ইডি তদন্ত করে দেখতে চাই যে আর কোন কোন প্রতিরক্ষা কেলেঙ্কারির জন্য কংগ্রেসের কাছ থেকে মিশেল টাকা নিয়ে দেশের ক্ষতি করতে চেয়েছিল।
#অগ্নিপুত্র

অস্ট্রেলিয়া কে হারিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করল ভারত। গাঙ্গুলী-ধোনি যা পারে নি সেটাই করে দেখালো বিরাট কোহলি।

ভারতবর্ষের মানুষ ক্রিকেট কে সবথেকে বেশি ভালবাসেন। এবং ভারতবর্ষের সবথেকে জনপ্রিয় খেলা হল ক্রিকেট। এমনকি অনেকে ক্রিকেটকে পূজা পর্যন্ত করে থাকেন ভারতবর্ষে। কারণ ক্রিকেট ভারতবর্ষের মানুষকে অনেক কিছু দিয়েছে, সম্মান দিয়েছে ভালোবাসা দিয়েছে এমনকি শত্রু দেশের কাছে মাথা উঁচু করার অধিকার পর্যন্ত অনেক সময় ক্রিকেট আমাদের দিকে থাকে।

কিন্তু ক্রিকেট অনেক কিছু দিলেও একটা জিনিস এখনও পর্যন্ত ভারতবসীকে দিতে পারিনি সেটা হল অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তাদের থেকে সিরিজ ছিনিয়ে আনা, বিশেষ করে টেস্ট সিরিজ। এতদিন এটা ছিল অসম্ভব কিন্তু এই অসম্ভবকে এবার সম্ভব করে দেখালো ভারতীয় ক্রিকেট দল।

ভারতের সর্বকালের সেরা অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলী এবং ভারতের অপর আরেক অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি যেটা করে দেখাতে পারেনি অর্থাৎ অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে সিরিজ জেতা এবার সেটা করে দেখালেন ভারতের সবচেয়ে এগ্রেসিভ খেলোয়াড় এবং ভারতের অন্যতম একজন সফল অধিনায়ক বিরাট কোহলি।

অস্ট্রেলিয়া গিয়ে অস্ট্রেলিয়া মাটিতে তাদের কে হারিয়ে এল ভারতীয় ক্রিকেট দল এবং তাদেরকে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবারের জন্য টেস্ট সিরিজ জিতল ভারতীয় ক্রিকেট দল।
সিরিজের প্রথম এবং দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে অস্ট্রেলিয়ায় বিরুদ্ধে 2-1 এ এগিয়ে থেকে টেস্টের চতুর্থ নম্বর ম্যাচে নেমেছিল ভারতীয় দল।

চতুর্থ ম্যাচের প্রথম থেকেই ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের দাপট ছিল অব্যহত। চেতেশ্বর পূজারা এবং উইকেটরক্ষক রিষব পন্থের ব্যাটের উপর ভর করে ভারতীয় দল পৌঁছে যায় রানের পাহাড়ে। এবং তার বিরুদ্ধে ব্যাটিং করতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং বিপর্যয় দেখা যায়। একের পর এক অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান প্যাভিলিয়নে ফিরে যান অত্যন্ত কম সংখ্যক করে।

এর ফলে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়া কে ফলো অন করে ভারতীয় দল এটা একটা বিশ্বরেকর্ড হয়ে গিয়েছে। এর ফলে ফলো অন এ ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যানদের দেখায় অত্যন্ত নার্ভাস। কিন্তু বৃষ্টির ফলে চতুর্থ টেষ্ট টি পুরোপুরিভাবে সম্পূর্ণ হয়নি। তাই এই ম্যাচটি ড্র বলে ঘোষণা করে দেন আম্পায়াররা।

তাই চতুর্থ টেস্টটি ড্র হওয়ার ফলে এই চার ম্যাচের টেষ্ট সিরিজে ভারত 2-1 এ জিতে থাকায় এই টেষ্ট সিরিজটি জিতে গিয়েছে ভারতীয় দল। এর ফলে এটা একটা বিশ্বরেকর্ড হয়ে গিয়েছে। কারণ সৌরভ গাঙ্গুলী, মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো বড়-বড় ক্যাপ্টেন যেটা করে উঠতে পারিনি সেটাই করে দেখালেন বর্তমান ক্যাপ্টেন বিরাট কোহলি। এর ফলে ভারতীয় ক্রিকেটে বিরাট কোহলির মান একটা অন্য পর্যায়ে চলে গেল। ভারতীয় দল সৃষ্টি করল ইতিহাস।
উল্লেখ্য অস্ট্রেলিয়ার অনেক বড় বড় প্রাপ্তন ক্রিকেটার দাবি করেছিল যে ভারত সিরিজ জিততে পারবে না। তাই এই জয় তাদের মুখের উপর একটা দারুন জবাব দেওয়া হল। তাদের বুঝিয়ে দেওয়া হল ভারত চাইলে সব পারে।
#অগ্নিপুত্র

৫০০ বছরের পুরনো পরম্পরা। শিব পূজা করেন এই মুসলিম পরিবার।

ভারতবর্ষ হলো একটি ধর্মনিরপেক্ষ দেশ। এখানে যে যার মত করে ধর্ম পালন করেন, তাতে কেউ বাধা দেওয়ার নেই। কিন্তু ভারতবর্ষের অনেক এমন মুসলিম পরিবার রয়েছেন যারা ভারতবর্ষের হিন্দু থেকে রূপান্তরিত হয়ে মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করেছেন বা তাদেরকে জোর করে মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করানো হয়েছে। তাই তারা এখনো হিন্দু দেবদেবীকে পূজা করে চলেছেন। আছে এমন একটি নিদর্শন আপনাদের সামনে তুলে ধরবো।

একটি বিখ্যাত শিব মন্দির এটি অবস্থিত পশ্চিম গুয়াহাটিতে অর্থাৎ অসম রাজ্যের গুয়াহাটিতে। এই মন্দিরটি আজ থেকে প্রায় ৫০০ বছর আগেকার। এই মন্দির অর্থাৎ এই শিব মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল ৫০০ বছর আগে এবং এসি মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এক মুসলিম ব্যাক্তি যার নাম বারহান শাহ।

পরবর্তীকালে সেই ব্যক্তি মারা যাওয়ার পর সেই মন্দির এর সমস্ত দায়ভার নিয়ে নেন তার উত্তরসূরিরা। তারপর থেকে উনার উত্তরসূরিরাই এই মন্দিরের সমস্ত দেখাশোনা দেখভাল করেন। শুধু দেখাশোনা দেখভালই করেন না বরং নিয়ম মেনে রোজ এই মন্দিরে করা হয় নৃত্যপূজো।

এই পরিবারের একজন সদস্য মতিবার রহমান আমাদের জানিয়েছেন যে, আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই মন্দিরের সমস্ত আচার আচরণ এবং নিয়ম গুলি সঠিকভাবে পালন করে চলেছি। আমাদের পূর্বপুরুষের দিয়ে যাওয়া দায়িত্বটি আমরা যথাযথভাবে পালন করার চেষ্টা করছি। এছাড়াও উনি বলেন যে এই মন্দিরে শুধু মুসলিম সম্প্রদায় নয় হিন্দু- মুসলিম সকলে মিলে আসেন এবং পূজার্চনা করেন। এবং এই মন্দিরের সাম্প্রদায়িকতার বজায় রাখা আমাদের সকলের কর্তব্য।
#অগ্নিপুত্র

ফের পশ্চিমবঙ্গে আত্মঘাতী কৃষক। তৃণমূল কংগ্রেসের আমলে একের পর কৃষক মৃত্যু এরাজ্যে।

ফসলের দাম না পেয়েই কী আত্বহত্যা পশ্চিমবঙ্গে? কয়েক লক্ষ টাকা ৠন নিয়ে আলু চাষ করে বর্ধমানের গোলাম আম্বিয়া মল্লিক। সেই টাকা শোধ করতে না পেরে আত্বঘাতী হয়েছে এক কৃষক। ঠিকানা জামালপুর থানার পাঁচড়ার সরকারডাঙা এলাকায়।

মৃতের স্ত্রী কলিমা বেগম জানান গোলাম আম্বিয়া মল্লিক মোট ১৫ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেন। যার মধ্যে ৮ বিঘা ছিল লিজে নেওয়া। চাষের জন্য তিনি ৩ লক্ষ টাকা কেসিসি এবং মহাজনের কাছে ৠন হিসাবে নেন।
উৎপন্ন হয়েছিল ১২০০ বস্তা আলু ,যার মধ্যে থেকে মাত্র ২০০ বস্তা আলু তিনি মাঠ থেকেই বিক্রি করেন। বাকি আলু তিনি হিমঘরে রাখেন। এবং সেখান থেকে আরো ২০০ বস্তা আলু তিনি বিক্রি করেন।

নতুন আলু মাঠ থেকে ওঠায় পুরোনো আলুর বস্তা হিমঘর থেকে ৪০-৫০ টাকা দরে নিলাম করা হচ্ছিল। দাম কমের জন্য তিনি আলু বের করেননি। এবছরও তিনি ব্যংকে ৩ ভরি সোনা বন্ধক রেখে ৠন নিয়ে ১০-১২ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেন।

শুক্রবার সকাল ১০ টার পর ঘর থেকে বেরোলে তাকে সারাদিন ধরে খোঁজাখুঁজি করলে রাত ১০ টার কাছাকাছি বাড়ির পাশে একটি ঘরে গলায় দড়ির ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়।এরপর পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে।

ঘটনার কারন বিশ্লেষন করতে গিয়ে পাঁচড়া গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান বলেন আলুর দাম না পাওয়ার জন্যই আত্যহত্যা করেছেন গোলাম আম্বিয়া মল্লিক। আবার পুর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহকারি সভাপতির মতে আলুর দাম না পাওয়া আত্যহত্যার কারন নয়। তাহলে কী নিজেদের দোষ এড়িয়ে যেতে চাইছে জেলার উচ্চপদাধিকারীরা। বর্ধমান যেটা একটা কৃষি প্রধান জেলা সেই জেলায় যদি এই ভাবে কৃষকদের মৃত্যু হয় তাহলে কীভাবে আমাদের রোজকার খাবার জোগাড় হবে। রাজ্য সরকার তাহলে কি করছেন। নিজেদের দায়িত্ব এড়িয়ে এই ভাবে আর কতদিন চলবে। কৃষক হত্যাকারী রাজ্য সরকার জবাব দিন।

লোকসভা নির্বাচনের আগে এই রাজ্যে ৪৫০০ কোটি টাকার প্রজেক্ট কেন্দ্রীয় সরকারের। নুতন বছরের উপহার দিলেন নরেন্দ্র মোদী।

আগামী পাঁচ বছর কে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে সেই নিয়ে বিরোধী দল থেকে শুরু করে শাষক দলের প্রস্তুতি তুঙ্গে। সবচেয়ে কৌতুহলের বিষয় হল নরেন্দ্র মোদী কোন স্থান থেকে ভোটে দাড়াবেন। আর এই সময় ওড়িশাতে ৪৫০০ কোটির কেন্দ্রীয় সরকারি প্রোজেক্ট লঞ্চ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

জানা গেছে লোকসভা নির্বাচনের সময় ওডিশায় বিধানসভা নির্বাচন চলবে। তাই আগে থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছে বিজেপি। কারন উড়িষ্যা কে হাতছাড়া করতে চান না বিজেপি শিবির।

২৪ শে ডিসেম্বর ওড়িশার খুদড়া শহড়ে একটি জনসভায় প্রোজেক্ট লঞ্চের কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ওড়িশাবাসীর কাছে যা নতুন বছরের উপহার। প্রধানমন্ত্রী আরো জানান ২০১৯ এ রাজ্যের আরো উন্নতি হবে। সেই তালিকায় রয়েছে পরিবহন, সড়ক, রেল, পেট্রোলিয়াম, পাসপোর্ট সার্ভিস। এছাড়াও তিনি উদ্বোধন করেন পোষ্ট অফিসে পাসপোর্ট সেবার ও নতুন প্যাইসেন্জার ট্রেনের।

এই ব্যাপারে বিজেপি বিধায়ক প্রদীপ পুরোহিত জানান ওডিশার পুরী থেকেই নরেন্দ্র মোদী নির্বাচনের জন্য লড়াই করার সম্ভাবনা আছে। প্রায় ৯০ শতাংশ সম্ভাবনা বর্তমান তিনি বলেন। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সেই বিষয়ে আগ্রহী।