ছিঃ! খুবই শোচনীয় অবস্থা পাকিস্তানের। বিমান দুর্ঘটনার ছবি দেখিয়ে স্ট্রাইক করার মিথ্যা দাবি করছে পাক সেনা। ক্ষোভে ফুঁসছে পাক জনতা।

মঙ্গলবার সকালে পাকিস্থানের বালাকোটে জইশ সংগঠনের ডেরায় বোমা বর্ষণ করে এক বিরাট সাফল্য পেয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা। এরফলে পাকিস্থানের জনগন থেকে মিডিয়া সকলেই পাক প্রশাসন ও সেনাদের ওপর ক্ষুব্ধ। পাকিস্থানবাসীর মধ্যে যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ভারতকে হারানোর জন্য পাকিস্থানের সমস্তরকম চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা। চীনের দেওয়া দুটি জেএফ-17 কে উড়িয়ে দিয়েছে ভারত। পাশাপাশি পাকিস্থানের আরও দুটি জেট ফাইটারকে পরাস্ত করেছে, এমন অবস্থায় পাকিস্থানের জনগনকে খুশি করতে মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছে পাকিস্থানি সেনা। এমনকি মিথ্যা প্রচারও চালানো হচ্ছে সেদেশে, এমনটাই খবর। ভুয়ো ছবিকে আশ্রয় করে সংবাদমাধ্যমে সেই ছবি প্রচার করে শান্ত রাখতে চাইছে পাকিস্থানবাসীদের। পাকিস্থানিদের বলা হচ্ছে ভারতীয় জেট ফাইটার ভেঙে নাকি ভারতীয় পাইলটকে গ্রেফতার করেছে।

অথচ, যে ছবি দেখিয়ে পাকিস্থানের সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে পাক সেনারা সেটি আসলে সাম্প্রতিক কোনো ছবি নয়। বরং, ২০১৮ সালের ছবি তা আবার ভারতের থেকে নেওয়া। ২০১৮ সালে ওড়িশার হক-এ যে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার হয়েছিল সেই ছবি নিয়েই নিজেদের মিথ্যা ক্ষমতা জাহির করতে অপপ্রচার চালাচ্ছে পাকিস্থানি সেনারা।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার পাকিস্থানের বালাকোটে ভারতীয় বায়ুসেনার বারোটি বিমান যেভাবে হামলা চালিয়েছে তাতে পাকিস্থানের বিরাট অংশের ক্ষতি হয়েছে। এমনিতেই আর্থিকভাবে পাকিস্থানের অবস্থা এখন অনেকটাই শোচনীয়, তার ওপরে ভারত এতগুলো জঙ্গীকে শেষ করল এতে বেশ ক্ষুব্ধ হয়েছেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। চিন্তা বলা যায় রাতের ঘুম কেড়েছে। তাই প্রকাশ্যেই ভারতকে জবাব দেওয়ার কথা ঘোষনা করেছেন। যদিও বিষয়টি অতটাও সহজ নয়। অন্যদিকে আবার চীন পাকিস্থানের সঙ্গ ত্যাগ করে ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে। তাতে পাকিস্থানের অবস্থা আরও শোচনীয় হয়ে উঠেছে।

সন্ত্রাসবাদ নিধনের জন্য বেশ কয়েকমাস আগেই ভারত সরব হয়েছিল। ভারতের এই সিদ্ধান্তে পাশে দাঁড়িয়েছিল শক্তিশালী দেশগুলি। এতেও শিক্ষা হয়নি পাকিস্থানের। তা সত্ত্বেও পুলওয়ামায় সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সাড়ে তিনশো কেজির বিস্ফোরক ফেলে দেশের জওয়ানদের শেষ করতে উদ্যত হয়েছিল। তবে মাসুদ আজাহারের জঙ্গী গোষ্ঠীর ওপর ভারতের এতবড় হামলা আশা করেনি কেউই। আর তাতে বেজায় চটেছেন সেদেশের সাধারণ মানুষ। যেহেতু পাকিস্থানের সরকারের ওপর সেদেশের সেনাদের প্রভাব রয়েছে, তাই সেই প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে ভারতীয় জেট ফাইটার ধ্বংস করার মতো মিথ্যা কথা বলছে সেনারা। তবে আসলে যে ভারতের কাছে কোনো ভাবেই টিঁকতে পারছেনা তা স্পষ্টই।

Related Articles