fbpx
আন্তর্জাতিকভারতীয় সেনা

এই বিশেষ কারণের জন্যই ভারতীয় বিমানের সিগন্যাল ধরতে ব্যার্থ হয় পাকিস্তানের রাডার সিস্টেম।

২৬শে ফেব্রুয়ারী ভারতীয় বায়ুসেনাদের আক্রমনে আজাহার বংশ কার্যত শেষ হতে বসেছে। কাশ্মীরে জঙ্গীহানার ১২ দিন পর ভারতের ১২টি মিরাজ বিমানের হানায় প্রায় ৪০০ পাকিস্থানি জঙ্গী প্রান হারায়। পাশাপাশি পুলওয়ামা জঙ্গীহানায় দায়ী জইস ই মহম্মদ -এর জঙ্গী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, কন্ট্রোল রুম ও হেড কোয়ার্টারও ধ্বংস হয়েছে, এমনকি সেখানকার বেশ কয়েকটি লঞ্চপ্যাডও ধ্বংস হয়েছে। এই ঘটনাকে ঐতিহাসিক সাফল্য বলে মনে করছে দেশবাসী। তবে এই ঘটনা চাপে ফেলেছে পাকিস্থান সরকার ও সেনাদের। বালাকোটে ভারতীয় মিরাজ বিমানগুলির এয়ার স্ট্রাইকের সময় পাকিস্থানি রাডার ভারতীয় সিগন্যাল ধরতে পারেনি কেন? সেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে পাক সংবাদমাধ্যমের তরফ থেকে। পাশাপাশি পাকিস্থানি সংবাদমাধ্যমের দাবি ভারতের এতবড় এয়ার স্ট্রাইক পাক সেনারা বুঝতে পারেনিই বা কেন?

আসলে মিরাজ বিমানের বিশেষত্বই হল রাডার সিগন্যাল ব্লক করা। আর এভাবেই তন্দ্রাচ্ছন্ন পাকিস্থানকে  রাডার ব্লক করে বালাকোটে কুখ্যাত পাক জঙ্গী সংগঠনকে উড়িয়েছে ভারতীয় মিরাজ বিমান।

খবর, মিরাজ বিমানের ছাড়া তরঙ্গের জন্যই রাডার মিরাজের সিগন্যাল ধরতে ব্যর্থ হয়। মিরাজে এই বিশেষ প্রযুক্তি এতটাই শক্তিশালী ছিল যার জন্য পাকিস্থান বুঝতে পেরেও শেষ রক্ষা করতে পারেনি। যা ভারতীয় জওয়ানদের বিরাট সাফল্য পেতে সাহায্য করেছে।

প্রসঙ্গত, ভারতের ১২ টি মিরাজ বিমানের হানায় জঙ্গী মাসুদ আজাহারের ভাই, দাদা ও শ্যালক নিহত হয়েছেন। পুলওয়ামা জঙ্গীহানায় নিহত ৪০ জন জঙ্গীর বদলা এত বড় হবে তা বুঝতে পারেনি কেউই। তবে প্রানের ঝুঁকি নিয়ে ওই মিরাজ বিমানের পাইলটরা যেভাবে অপারেশন চালিয়েথে তা সত্যিই প্রশংসনীয়।

Open

Close