Connect with us

আন্তর্জাতিক

মোদীর কূটনৈতিক চাপে পাকিস্তান এখন ভিখারী! পরমাণু হুমকি দেওয়া ইমরান এখন মোদীর হাতে-পায়ে ধরছে।

Published

on

পুলওয়ামায় ভয়াবহ জঙ্গি হামলার পর থেকে সারা দেশ রাগে ফুঁসছে, সেইসাথে বিশ্বের সমস্ত বড় বড় দেশ গুলি ভারতের পাশে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছেন। আর তারপরেই ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভারতীয় সেনা জওয়ানদের পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছেন পাকিস্তানের উপর আক্রমণ করার জন্য। আর সেই খবর প্রকাশে চলে আসার পর থেকেই ক্রমশ ভয়ে ভীত হয়ে পড়ছে পাকিস্তান এবং তাদের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। এইদিন ভয়ে একেবারে ভীত হয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান শান্তি স্থাপনের জন্য ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির কাছে আবেদন করলেন। উনি এবার আবেদন করে জানালেন যে আমরা পুলওয়ামা হামলায় তদন্তের সমস্ত রকম সহযোগিতা করতে রাজি কিন্তু কোনোরকম যুদ্ধ করতে চায় না। এর থেকে বোঝা যাচ্ছে যে এই মুহূর্তে পাকিস্তান পুরোপুরিভাবে ভয় পেয়ে গিয়েছে ভারতকে।

প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী রাজস্থানে একটি জনসভায় গিয়েছিলেন এবং সেখান থেকে পাকিস্তানকে কার্যত নিশানা করে বলেছিলেন যে পুলওয়ামা জঙ্গি হামলায় নিন্দা করে সারাদেশ এই মুহূর্তে ভারতবর্ষের পাশে দাঁড়িয়েছে। এটাই নতুন ভারত যাদের চারপাশে সমস্ত দেশ  দাঁড়াতে রাজি, সেই সাথে তিনি জানিয়েছিলেন যে কোনো শহীদের আত্মত্যাগ ব্যর্থ যাবে না শহীদের প্রত্যেকটি রক্তের ফোটার হিসাব আমরা ভালোভাবে নেব। এই কাপুরুষোচিত হামলার জবাব দেওয়া হবে পাকিস্তানকে। আর প্রধানমন্ত্রীর এহেনা মন্তব্যের পরই কার্যত ভয় পেয়ে ইমরান খান এই বিশেষ আবেদন জানিয়েছেন ভারত সরকারকে, উনি বলেছেন পাকিস্তান পুলওয়ামা ঘটনার তদন্তে সাহায্য করতে রাজি আছে।

ইমরান খান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরে জানিয়েছিলেন যে আমার লড়াই পাকিস্তানের গরিব দূর করা এবং অশিক্ষার বিরুদ্ধে এবং আমি পাকিস্তান থেকে সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করতে চাই। কিন্তু উনি সেই কথাগুলি শুধুমাত্র ভোটের জন্য যে বলেছিলেন সেটা স্পষ্ট কারণ ভোটের পরে সন্ত্রাসবাদ দমনে কোন রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি ইমরান খান। আর এবার ভীত হয়ে ভারতকে বলছি আমরা তদন্তে সাহায্য করতে রাজি এখন দেখা যাক সত্যিই কি ইমরান খান তদন্তে সাহায্য করবে নাকি শুধুমাত্র ভয় পেয়ে এখন মিথ্যা আশ্বাস দিচ্ছে ভারত সরকারকে।

কিছুদিন আগে পাকিস্তানের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম এবং বিভিন্ন বড় বড় নেতা-মন্ত্রীরা ভারতকে জানিয়েছিল যে তারা ভারতে যে কোন মুহূর্তে পরমাণু হামলা করতে পারে। আর সেই হুমকি দেওয়ার এই কদিনের মধ্যেই তাদেরকে ভারতের হাতে পায়ে ধরতে হচ্ছে এর কারণ মোদী সরকারের কূটনৈতিক বুদ্ধি, কারণ মোদি সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে পাকিস্তানকে যুদ্ধে পরাজিত করার আগে তাদের কে অনাহারে মারার পরিকল্পনা নিয়েছে। আর সেই লক্ষ্যেই এই মুহূর্তে ভারত থেকে বিভিন্ন সবজির যাওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছে পাকিস্তান। এমনকি পাকিস্তান থেকে কোনরকম ব্যবসায়ী দ্রব্য বিশেষ করে সিমেন্ট কিনতে চাইছে না ভারতের ব্যবসায়ীরা। আর এর ফলেই এই মুহূর্তে পাকিস্তানের পরিস্থিতি এমন জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে যে পাকিস্তানের সোনার থেকে সবজির দাম বেশি হয়ে যাবে কয়েকদিনে। এরকম চলতে থাকে তাহলে পাকিস্তান না খেতে পেয়ে মারা যাবে। তাই বাধ্য হয়ে ইমরান খান এখন ভারত সরকারের হাতে পায়ে ধরছে।
#অগ্নিপুত্র

আন্তর্জাতিক

জিনপিং এর কাছে আবারও হারল মোদী, এবারও এনএসজি গোষ্ঠীর সদস্য হচ্ছে না ভারত

Published

on

By

প্রতিবেশী দেশ চীন নিউক্লিয়ার সাপ্লায়ার্স গ্রুপ ( NSG ) তে ভারতের সদস্যতা নিয়ে আবারও নাক গলাল। চীন শুক্রবার জানায়, নন NPT সদস্য দেশগুলির জড়িত থাকার বিষয়ে একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা পৌঁছানোর আগে, এই গোষ্ঠীতে ভারতের প্রবেশের বিষয়ে কোন আলোচনা হবে না। ২০১৬ সালে মে মাসে ভারত NSG এর সদস্যপদের জন্য আবেদন করেছিল।

আর তখন থেকেই চীন বলে আসছে যে, এই গোষ্ঠীতে সেই দেশ গুলোকেই যুক্ত করা হোক, যারা Treaty on the Non-Proliferation of Nuclear Weapons (NPT) চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। NSG ৪৮ টি দেশের একটি সংগঠন, যারা গোটা বিশ্বে পরমাণু হাতিয়ারের ব্যাবসা করে। ভারত আর পাকিস্তান NPT তে স্বাক্ষর করেনি। আর এই গ্রুপের সদস্য হওয়া জন্য ভারতের আবেদনের পরেই, পাকিস্তানও আবেদন করে।

NSG তে ভারতের সদস্যতা নিয়ে চীনের বিদেশ মন্ত্রালয় এর মুখপাত্র লু কাং বলেছেন, যারা NPT তে স্বাক্ষর করেনি, তাঁদের কোন বিশেষ পরিকল্পনা ছাড়া এনএসজি গ্রুপের সদস্য বানানো নিয়ে কোন চর্চা হবেনা। আর এই জন্য এই গোষ্ঠীতে ভারতের সদস্যতা নিয়েও কোন চর্চা হবেনা।

লু আরও বলেন, এনএসজি এর সদস্যতা নিয়ে চীন ভারতের পথের কাঁটা কোনদিনও ছিলনা। লু বলেন, বেজিং চায় এনএসজি-তে সব নিয়ম আর অনুশাসনের পালন হোক। কাজাকিস্তানে আগামী ২০-২১ জুন এনএসজি এর বৈঠক হচ্ছে। লু বলেন, ‘আমি যতদূর জানি, এটা পূর্ণ বৈঠক হচ্ছে, আর এই বৈঠকে এনপিটি-তে স্বাক্ষর না করা দেশ গুলোর সদস্যতা আর তাঁদের সাথে জড়িত রাজনৈতিক এবং আইনি ইস্যু গুলো নিয়ে চর্চা হবে।”

Continue Reading

আন্তর্জাতিক

ট্রাম্প, পুতিন আর জিনপিং কে হারিয়ে বিশ্বের সর্ব শক্তিশালী নেতার খেতাব পেলেন নরেন্দ্র মোদী

Published

on

By

গোটা বিশ্বে আরও একবার সর্ব শক্তিশালী ব্যাক্তি হিসেবে উঠে এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। ব্রিটিশ হেরাল্ডের একটি সমীক্ষায়, পাঠকেরা ২০১৯ এ বিশ্বের সবথেকে শক্তিশালী মানুষ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বেছে নিলেন। এই সমীক্ষায় বিশ্বের আরও তাবড় তাবড় নেতাদের নামও ছিল। যেমন, ভ্লাদিমির পুতিন, ডোনাল্ড ট্রাম্প, জিনপিং ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সবাইকে পিছনে ফেলে এক নম্বর স্থান দখল করে নিলেন। ব্রিটিশ হেরাল্ডের এই সমীক্ষায়, বিশ্বের ২৫ টির ও বেশি শক্তিশালী নেতা তথা মানুষদের নাম ছিল।

পৃথিবীর সবথেকে শক্তিশালী মানুষের নির্বাচনের জন্য ব্রিটিশ হেরাল্ড শুধুমাত্র প্রতিটি নির্বাচনী বিঁধি পালনই করেনি, তাঁরা তাঁদের পাঠকদের ভোট দেওয়ার জন্য তাঁদের মোবাইলে ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ডও পাঠিয়েছিল। আর এর প্রধান কারণ এটাই ছিল যে, কোন ব্যাক্তি যেন একটার বেশি ভোট না দিতে পারে। ভোটিং এর সময় সাইট ক্রাশ হয়ে গেছিল, কারণ একসাথে অনেক মানুষ ভোট দেওয়ার জন্য সাইট ভিসিট করেছিলেন।

ব্রিটিশ হেরাল্ডের পাঠকেরা সবথেকে বেশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ৩০.০৯ শতাংস ভোট দিয়েছেন। এই নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ওনার প্রতিদ্বন্দ্বী নেতা পুতিন, ডোনাল্ড ট্রাম্প আর জিনপিং কে অনেক পিছনে ফেলে দিয়েছিলেন। এই ভোটে পুতিন ২৯.৯ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প ২১.৯ শতাংস, আর চীনের রাষ্ট্রপতি জিনপিং ১৮.১ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ছবি ব্রিটিশ হেরাল্ড ম্যাগাজিনের কভার ছবিতে জুলাইয়ের এডিশনে ছাপা হবে। এই এডিশন আগামী ১৫ই জুলাই মুক্তি পাবে।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অভূতপূর্ব সাফলতার পর গোটা বিশ্বে ওনার সন্মান অনেক বেড়ে গেছে। পুলওয়ামা হামলার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যেভাবে বালাকোটে এয়ার স্ট্রাইক করিয়েছিলেন। সেটার প্রশংসা গোটা দুনিয়ায় হয়েছে, আর এর জন্য ওনাকে বিশ্বের সবথেকে শক্তিশালী ব্যাক্তি রুপে তুলে এনেছে।

Continue Reading

আন্তর্জাতিক

মোদীর ৫৬ ইঞ্চির দমে ধ্বংস হল পাকিস্তানের অর্থনীতি, এক ঝটকায় পাকিস্তানের ৭০০ কোটি টাকায় চুনা লাগালো মোদী সরকার।

Published

on

পুলওয়ামা কাণ্ডের পরই মোদী শত্রু দেশ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে 56 ইঞ্চির বদলা নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। পাকিস্তান হয়তো তা ঘুণাক্ষরেও বুঝতে পারেনি। কিভাবে 56 ইঞ্চির বদলা মোদী নেবেন তা দেখাই দেশবাসীর কাছে প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু এবার যে মোদীর হুমকি সত্যি হল তার প্রমান মিলল। চলতি আর্থিক বছরে আশি হাজার কোটি টাকার বিনেবেশ পূরণ করেছে ভারত। শুধু তাই নয় লক্ষ্য পূরণের থেকেও বেশি রান করে ফেলেছে দেশের সরকার। শত্রু পাকিস্তানের সহায়তা নিয়েই ভারতের এই সাফল্য কিছুটা হলেও সম্ভব হয়েছে।

ভারতের এই সাফল্যের কথা প্রকাশ্যে এনেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুন জেটলি। চলতি আর্থিক বছরে ভারত সরকার পঁচাশি হাজার কোটি টাকা বিনেবেশ-এর লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করেছে। যা শত্রুদেশ পাকিস্তানের তিন হাজার কোটি টাকা শেয়ারের মাধ্যমেই এই বিনেবেশ সম্ভব হয়েছে। ভারত সাতশো কোটি টাকা আয় করতে পেরেছে শুধুমাত্র পাকিস্তানের জন্যই। আর সেই শেয়ার এখন ভারতীয় নিবন্ধিত বাজারেই স্থগিত আছে।

2018 সালেই কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেটে শত্রুদেশের সাতশো কোটি টাকা শেয়ার বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ডিপার্টমেন্ট অফ ইনভেস্টমেন্ট এন্ড পাবলিক অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট-এর তরফ থেকে শেয়ার বিক্রি করে পাঁচাশি হাজার কোটি টাকার বিনেবেশ পূরণ করে ফেলে ভারত। যার মাধ্যমে মোট দশ হাজার ছশো কোটি টাকা ভারতের ভান্ডারে যুক্ত হয়। এর পরবর্তী আর্থিক বছরে ভারতের বিনেবেশ-এর লক্ষ্য রয়েছে 90 হাজার কোটি টাকা।

শত্রু সম্পত্তি কি-
দেশভাগের পর থেকে চিন ও পাকিস্তানে বসবাসকারী ভারতীয়দের সম্পত্তিকে শত্রুদের সম্পত্তি বলে ধরা হয়। 1968 সালে সংসদ আইন অনুযায়ী সেই সম্পত্তির ওপর ভারতের অধিকার জন্মায়। আর তারপর থেকে সেগুলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে রয়েছে। এরপর 2017 সালের নতুন নিয়ম অনুযায়ী ভারতের হাতে সেই সম্পত্তি থাকলেও চিন ও পাকিস্তানে বসবাসকারী মানুষদের সম্পত্তিকে শত্রু সম্পত্তি বলে ধরে নেওয়া হয়। আর এভাবেই শত্রু সম্পত্তি তিন হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

Continue Reading

Trending