কাশ্মীরের মুসলিমদের নিয়ে ভাবার আগে চীনের মুসলিমদের নিয়ে ভাবুন, পাকিস্তানকে পরামর্শ আমেরিকার

0
104

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের মিথ্যা খবর ছড়ানো পাকিস্তানকে এবার একহাতে নিলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আমেরিকা পাকিস্তানকে পরিস্কার ভাষায় বলেছে, তাঁরা যেন চীনে জেলে বন্দি থাকা মুসলিমদের চিন্তা আগে করে। আমেরিকার দক্ষিণ আর মধ্য এশিয়া মামলার মন্ত্রী অ্যালিস ওয়েলস (Alice Wells)  বলেন, চীনে মুসলিমদের অবস্থা খুব আশঙ্কাজনক। তাঁদের নজরবন্দী করে ডিটেশন ক্যাম্পে রাখা হচ্ছে, কিন্তু পাকিস্তান এই নিয়ে কোন আওয়াজ তুলছে না।

অ্যালিস বলেন, পাকিস্তানকে এই ইস্যু নিয়ে বেশি চিন্তা করা দরকার। কারণ চীনে সবথেকে বেশি মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসন সংযুক্ত রাষ্ট্র মহাসভায় চীন দ্বারা মুসলিমদের নজরদারি শিবিরে ভয়ানক অত্যাচারের কথা সামনে আনে। অ্যালিস বলেন, গোটা চীনে মুসলিমদের অবস্থা খারাপ। তাঁদের জোর জবরদস্তি করে শিবিরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তাঁদের ধার্মিক স্বাধীনতা দেওয়া হয়নি। আমরা আগামী দিনেও এই ইস্যু বারবার তুলব।

চীনের পশ্চিম প্রান্ত শিনজিয়াং এ চীনের প্রশাসন আর সেখানকার স্থানীয় উইঘুর মুসলিমদের মধ্যে সংঘর্ষের ইতিহাস অনেক বছরের পুরনো। উইঘুর মুসলিম নিজেদের সাংস্কৃতিক আর আদিবাসি রুপে মধ্য এশিয়ার দেশ গুলোর বাসিন্দা মনে করে। ওই এলাকা গুলোতে কমিউনিস্ট চীন ১৯৪৯ সাল থেকে সম্পূর্ণ ভাবে নিয়ন্ত্রণ করে রেখেছে। দক্ষিণ তিব্বত এর মতো শিনজিয়াংও আধিকারিক রুপে স্বাধীন প্রদেশ বলে মানা হয়।

উইঘুর মুসলিমদের নিয়ে ইসলামিক দেশ গুলো চুপ, কারণ তাঁরা চীনের নজরে খারাপ হতে চায়না। পাকিস্তানের মতো দেশের অর্থবাবস্থা চীনের কারণে চলছে। এছাড়াও অন্যান্য ইসলামিক দেশ গুলোর সাথে চীনের বেশ ভালো ব্যাবসায়িক সম্পর্ক আছে। যদি এই ইসলামিক দেশ গুলো চীনে মুসলিমদের উপর হওয়া অত্যাচার নিয়ে কিছু বলে, তাহল চীন হয়ত তাঁদের বিরুদ্ধে মোর্চা খুলে নেবে। আর পাকিস্তানের মতো দেশ গুলোকে সাহায্য দেওয়া বন্ধ করে দেবে। আর এই জন্য এই পাকিস্তানের মতো ইসলামিক দেশ গুলো চীনের অভ্যন্তরীণ মামলায় দখল দিতে চায়না।