হিন্দুত্ববাদের জয়! অনেক সংগ্রাম করে অবশেষে পাকিস্তানের বিচারক পদে নিযুক্ত হলেন এক হিন্দু মহিলা।

পাকিস্তান একটি এমন মুসলিম দেশ যেখানে বসবাস করে পৃথিবীর সবথেকে ভয়ংকর মুসলিম গোষ্ঠী গুলি। অর্থাৎ জঙ্গি গোষ্ঠী গুলি। এবং এখানকার জনগণ খুব ভয়ংকর, এখানকার সংখ্যাগুরু মুসলিমরা সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর ক্রমাগত আক্রমণ করে চলেছে। তাদের উপর নানান ভাবে অত্যাচার করে দিনের পর দিন তাদেরকে কোণঠাসা করে দিয়েছে। আগে পাকিস্তানের যে পরিমাণ হিন্দু ছিল এই মুহূর্তে তার থেকে অনেক কমে গিয়েছে পাকিস্তানে হিন্দুদের সংখ্যা। বলা যায় প্রায় শেষের দিকে পাকিস্তানে হিন্দুদের অস্তিত্ব।

কিন্তু এই হিন্দুত্বের দুরবস্থার মধ্যেও পাকিস্তানের ঘুরে দাঁড়ালেন এই হিন্দু মহিলা তিনি প্রমাণ করে দেখালেন যে হিন্দুরা চাইলে সমস্ত কিছুই করা সম্ভব। সুমন কুমারী নামে এই হিন্দু মহিলা পাকিস্তানের প্রথম হিন্দু বিচারক হিসাবে আত্মপ্রকাশ করলেন। এক পাকিস্তানী সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে যে, সুমন দেবী পাকিস্তানের হায়দ্রাবাদ শহর থেকে আইনে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এবং এখন উনি নিজের জেলাতেই বিচারক হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন।

সুমন দেবীর বাবা পবন কুমার পেশায় একজন চক্ষু চিকিৎসক। উনি জানিয়েছেন যে, আমার মেয়ে অনেক সংগ্রাম করে এই ডিগ্রী লাভ করেছে। আমার মেয়ের ইচ্ছা গরীব মানুষদের সমস্তরকম ভাবে আইনি সহায়তা প্রদান করা।
উল্লেখ্য এই মুহূর্তে পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার মাত্র ২ শতাংশ হিন্দু। আর এই নিয়ে দ্বিতীয় বার কোনো হিন্দু পাকিস্তানে বিচারক হিসাবে নিযুক্ত হলেন। এর আগে রানা ভগবান দাস নামে এক হিন্দু পুরুষ পাকিস্তানের বিচারক হয়েছিলেন ২০০৫ সালে।
#অগ্নিপুত্র