অপারেশন দেশবিরোধী! বেশ কয়েকটি প্রতিবাদী দল প্রোফাইল দেখে বাড়িতে পৌঁছে যাচ্ছে দেশ বিরোধীদের।

জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামা কিছুদিন আগে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় ভারতবর্ষের ৪৪ জন সিআরপিএফ জাওয়ান শহীদ হয়েছেন। আর তারপর থেকেই সারা দেশজুড়ে ক্ষোভে ফেটে পড়ছে মানুষজন। সবাই এই মুহূর্তে পাকিস্তানের উপর বদলা চাইছেন কারণ এই জঙ্গি হামলায় প্রত্যক্ষভাবে জড়িত পাকিস্তান এবং পাকিস্তান সমর্থিত জঙ্গি গোষ্ঠী জইশ-ঈ-মহম্মদ। এই রকম পরিস্থিতিতে যখন দেশের সকল মানুষ শোকস্তব্ধ, সকলে চোখের জল ফেলছে সেই সময় বেশ কিছু মানুষ যারা ভারতে থাকে, ভারতের খায়, ভারতের পড়ে অথচ এই জঙ্গি হামলায় ভারতেরই দোষ দেখছে অর্থাৎ ভারত বিরোধী পোস্ট করছে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় পাকিস্তানকে সমর্থন করেছে এবং ভারতীয় সেনাদের অপমান করেছে। আর সেটা দেখার পরে দেশ প্রেমিক মানুষ জেগে উঠেছে এবং প্রতিবাদ করছে।

এই মুহূর্তে কোচবিহার জেলা সংলগ্ন বেশ কয়েকটি জায়গাতে বেশ কয়েকটি প্রতিনিধি দল গড়ে উঠেছে এবং তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় নজর রাখছে। সোশ্যাল মিডিয়াতে যে সমস্ত মানুষ দেশ বিরোধী পোস্ট করছেন অর্থাৎ দেশের নিয়ে বাজে কথা বলছেন তাদের বাড়ি বাড়ি চলে যাচ্ছেন এই দলটি এবং তারা গিয়ে তাদেরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বলছেন। দেশের পতাকা নিয়ে ভারত মাতা কি জয় উচ্চারণ করতে বলছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ এলেও তাদের প্রতিবাদের সুর নরম হয়নি, তারা দাবি রেখেছেন যে পুলিশ চাইলে আমাদের গ্রেপ্তার করতে পারে কিন্তু এইভাবে দেশের নিয়ে বাজে কথা আমরা সহ্য করব না। আমরা নিজেদের প্রাণ থাকা পর্যন্ত দেশের ভালো করব এবং যারা দেশ বিরোধী কথা বলে তাদের উপযুক্ত শাস্তি দেব।

অর্ণব সাহা এবং সর্বজিত সাহা নামে দুইজন ব্যাক্তির ফেসবুক প্রোফাইল থেকে লাইভ করে দেখানো হয়েছে বেশ কিছু দেশ বিরোধী পোষ্টকারীর বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে তাদের কে তাদের বক্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ানো হয়েছে। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন শুধু দেবী বিশ্বাস নামে এক মহিলা ক্ষমা না চেয়ে উল্টে ভারত মাতার নাম বাজে কথা বলে এরফলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।
এইভাবে স্যোশাল মিডিয়া দেখে দেশবিরোধী মন্তব্য করা ব্যাক্তিদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে তাদের কে উচিৎ শিক্ষা দেওয়াকে বিভিন্ন মহল থেকে সঠিক পদক্ষেপ বলে মেনে নেওয়া হয়েছে।
#অগ্নিপুত্র