প্রশান্ত কিশোরের নয়া রিপোর্টে জোর চাঞ্চল্য তৃণমূলের অন্দরে, চাপে মমতা ব্যানার্জী

বর্তমান সময় দেশ হোক বা রাজ্য সমস্ত রাজনৈতিক ক্ষেত্রই এখন কম-বেশী দুর্নীতিতে ভরা। আর এই করোনা আবহের মধ্যেই দুর্নীতির জল কতটা গড়িয়েছে তারই হিসাব কষে ফেলেছেন। তৃণমূলের (All India Trinamool Congress) অন্দরে দুর্নীতি যারা করছেন তাদের এক রকম ধরে ফেলেছেন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর। ই রিপোর্ট দিয়ে তাই মমতাকে সতর্কবার্তা দিয়েছেন পিকে। আশঙ্কা করেছেন দুর্নীতির ছায়াই ‘বুমেরাং ’ হতে পারে তৃণমূলের জন্য।

ষড়যন্ত্রকারীর চোখ এড়ায়নি ঘাসফুলের অন্দরের নেতা কর্মীদের দুর্নীতির রিপোর্ট। আর এই রিপোর্ট কার্ড নিয়েই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দরবারে সংশোধনের রিপোর্ট কার্ড ধরালেন পিকে। মমতার সাবধানবাণীর পরেও এখনও শোধরাননি নেতা-কর্মীরা এমনই বলছে কুশলীর রিপোর্ট কার্ড।

২০২১ সালের নির্বাচনকে পাখির চোখ লড়বে তৃণমূল। তার আগেই এই দুর্নীতির গন্ধকেও মেরে ফেলতে হবে। এমনই জানিয়েছেন পিকে। তা না হলে ২০২১-এ বুমেরাং হয়ে যাবে তৃণমূল। লক্ষ্য তো দূরের কথা অন্দরের দুর্নীতিই ঘাসফুলকে শেষ করবে আশঙ্কা করেছেন প্রশান্ত। ‘দিদিকে বলো’র থিতু হয়ে যাওয়ায় আবার ব্যাপক দুর্নীতি করেছে দলের মধ্য থেকে। এই প্রসঙ্গে পঞ্চায়েতের দুর্নীতিকে বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন ভোটগুরু পিকে। নির্বাচনের আগেই এই দুর্নীতি দূর করতে আরও সতর্ক হতে উপদেশ দিলেন তিনি।

প্রসঙ্গত, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই দলের নেতাদের দুর্নীতি নিয়ে প্রকাশ্যে বহুবার সতর্ক করেছেন। নেতা-কর্মীদের এরকম আচরণ সহ্য করা হবে না বলেও হুশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গে সিন্ডিকেটরাজ বন্ধ করার জন্যও সরব হয়েছিলেন মমতা। লোকসভা ভোটের ফলাফলের পরেই মমতা কাটমানি ফেরত দেওয়ারও নির্দেশ দেন নেতাদের। তা সত্ত্বেও ভোটকুশলীর রিপোর্ট কার্ডে দুর্নীতির ছায়া বর্তমান। তা দূর করতেই আবার উপদেশ কিশোরের।