গঙ্গা সাগর মেলায় এসে বিস্ফোরক পুরীর শঙ্করাচার্য নিশ্চলানন্দ সরস্বতী মহারাজ | অযোধ্যা মামলার রায়ে অখুশি এই ধর্মগুরু রাম মন্দিরের লাগোয়া কোন জমি সংখ্যালঘু মুসলিম সমাজের জন্য দেওয়ার ঘোর বিরোদীতা করেন এদিন | তিনি বলেন,এই জমি দেওয়া মানে সন্ত্রাসবাদীদের হাতে ভারতকে তুলে দেওয়া | কারণ ওই জমিতে সন্ত্রাসধর্মেরই পাঠ,প্রশিক্ষণ ও চর্চা হবে | বিস্ফরোক এই মন্তব্যে শুরু হয়েছে বিতর্ক |

তবে এখানেই থেমে থাকেননি পুরী শঙ্কারচার্য, তিনি বলেন ভারতের সমস্ত সংখ্যালঘু মানুষদের কাছে তার আবেদন তারা যেন মন্দিরের সেই জমি নিতে অস্বীকার করেন | কারণ তারা নিশ্চই নিজেদের নাম সন্ত্রাসবাদী বাবরের মত কালিমা লিপ্ত করতে চাননা | এই বিতর্কিত মন্তব্য করা আগে পুরীর মন্দিরের শার্ষ স্থানীয়ের বক্তব্য,বিশ্বের কোথাও হিন্দুদের শান্তিতে থাকতে দেওয়া হচ্ছেনা |

পাকিস্তান,বাংলাদেশ ও আরব দুনিয়াতে তো নয়ই | দেশ ভাগের পরেও নানা ভাবে অয়োধ্যা ও মথুরার মন্দির ছিনিয়এ নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে | তারপর নতুন করে এদের হাতে মন্দিরের পাশে জায়াগ দেওয়ার অর্থ এই তিন দেশের মদতে আরেকটি মক্কা করতে সুযোগ করে দেওয়া ভারতের বুকে | কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রীদের সুরেই তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশের যে সকল হিন্দু,বৌদ্ধ খ্রীস্টান সহ সংখ্যালঘু মানুষেরা তাদেরকে এদেশে জায়গা দিতেই হবে |

এরপর আরো এক ধাপ এগিয়ে বলেন, ভারত নেপাল ও ভূটানকে হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্ণিত করে এখানে ওই সকল শরণার্থীকে নাগরিকত্ব দেওয়ার সুপারিশও দেন তিনি | পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে দাঁড়িয়ে পুরীর শঙ্করাচার্য়ের এই ধরনের মন্তব্যের কারণে যথেষ্ট অস্বস্তিতে রাজ্য সরকার |বারবার পুরীতে ছুটে যাওয়া একাধিক নেতা নেত্রী কি তবে এবারের পর থেকে তাদের যাওয়া কমাবেন, কি নির্দেশ দেন দলনেত্রী সেদিকেই তাকিয়ে রাজ্যবাসী |