in

নিজের খাসতালুকে জনতার বিক্ষোভের মুখে রবীন্দ্রনাথ ঘোষ! পালিয়ে নিজেকে রক্ষা করলেন এই দাপুটে নেতা

ভোটের সময় চরম সন্ত্রাস ছড়িয়েছিলেন এলাকা জুড়ে। ভোট দিতে যাওয়া মহিলাদের শ্লীলতাহানির শিকার হতে হয়েছিল ওনার অনুগামীদের হাতে। এবার পালা বদলেছে। লোকসভা ভোটে রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে (Rabindranath Ghosh)  কড়া টক্কর দিয়ে তৃণমূল প্রার্থীর হাত থেকে কোচবিহার লোকসভা আসন কেড়ে নিয়েছেন বিজেপির প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)। পালা বদলের পরেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সরব হয়েছে কোচবিহারের জনতা। আর সেই জনতার বিক্ষোভের মুখে পড়ে এবার মাঠ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হলেন কোচবিহার জেলার তৃণমূল সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ।

মঙ্গলবার তুফানগঞ্জের মরুগঞ্চে জনতার বিক্ষোভের মুখে পড়েন তৃণমূলের দাপুটে নেতা রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। দেখানো হয় কালো পতাকাও। পুলিশ জনতাকে সরানোর চেষ্টা করলে পুলিশের উপরেই চড়াও হয় ক্ষিপ্ত জনতা। ভাঙচুর করা হয় পুলিশের গাড়ি। ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কে করা হয় অবরোধ। জনতার রোষে অবশেষে এলাকা ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। সেখান থেকে তিনি যান কৃষ্ণপুর পঞ্চায়েত অফিসে। সেখানেও জনতার বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় ওনাকে।

এই ঘটনার পর তৃণমূল নেতা তথা কোচবিহার জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, ‘এটা পূর্বপরিকল্পিত হামলা। এক দলের লোক অন্য দলের দফতরে গিয়ে হামলা চালাচ্ছে। এরকম ঘটনা এর আগে কোনদিনও ঘটেনি, আমরা মানুষকে শান্ত থাকতে বলেছি।” স্থানীয়রা অভিযোগ করে জানান, রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে কালো পতকা দেখান হলেই, তৃণমূলের গুণ্ডারা গ্রামবাসীদের ব্যাপক মারধর করে। পুলিশ নীরব দর্শকের মোট দাঁড়িয়ে থাকে, এতেই জনতা ক্ষুব্ধ হয়ে পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর চালায় আর ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে।

What do you think?

0 points
Upvote Downvote

শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে BIMSTEC কে আমন্ত্রণ জানিয়ে, পাকিস্তান ও চীনকে কড়া বার্তা দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

জবরদস্ত ভাঙন তৃণমূলে, মমতাকে হারিয়ে এক রাতেই বাজিগর মুকুল