Connect with us

দেশ

মমতাকে আগাগোঁড়া আক্রমণ রাহুলের, বললেন বাংলায় এখন একনায়কতন্ত্র চলছে। এই সরকারের পরিবর্তন চাই।

Published

on

লোকসভা ভোট ঘিরে রাজ্যে তৃণমূল ও বিজেপি সংঘাত ক্রমশই প্রকাশ্যে। আর ভোট যতই এগিয়ে আসছে ততই সেই সংঘাত আরও বাড়ছে। যদিও এ সংঘাত শাসক দল আর বিরোধী দলের আসন জেতার লড়াই। বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ করে এবারের ভোটে বঙ্গে 42 টি আসনে প্রার্থী ঘোষনা করে দিয়েছে মমতার সরকার। সেই মতো প্রচার চালানোও প্রায় শুরু হয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে মাত্র দুদিন আগেই বিজেপি প্রার্থীদের নাম ঘোষনা করে দিয়েছে। এই অবধি ঠিক ছিল। কিন্তু এবার রাজ্যে বিজেপির পাশাপাশি তৃণমূলের বিরোধিতা করতে উঠেপড়ে লেগেছে কংগ্রেস। কংগ্রেস প্রার্থী ঘোষনার পরেই প্রচার শুরু করেছে। এতদিন তৃণমূলের বিরোধিতা করার জন্য বামেরা সক্রিয় ছিল। কিন্তু এবার বামেদের মধ্যে সেই সক্রিয়তা না দেখা গেলেও গেরুয়া শিবির ও কংগ্রেস কিন্তু রাজ্যে তৃণমূল ছাড়া করতে একেবারে প্রস্তুত।

কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীকে চৌকিদার চোর বলে সম্বোধন করার পর এবার রাজ্যে ভোট প্রচারে এসে মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি বিঁধলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। উত্তর মালদার প্রার্থী ঈশা খান চৌধুরির সমর্থনে মালদায় জনসভায় যোগ দিতে এসে চাঁচল থেকে রাজ্যে একনায়কতন্ত্র চলছে বলে মন্তব্য করেন। একযোগে চাঁচলের সভা থেকে মোদীকেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তিনি। শনিবারের সভায় তিনি নাম না করেই বাংলায় একজনই একনায়কতন্ত্র চালাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ দাগেন তিনি। রাজ্যে নাকি স্বাস্থ্য থেকে শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোটাই অচল হয়ে পড়েছে, এমনটাও বলতে ছাড়েন নি কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের জন্য কি করেছেন এমন প্রশ্ন ছুঁড়ে এদিনের মঞ্চ থেকে রাহুল গান্ধী কৃশকদের দিকে কোনো নজরই দেননি তিনি এবং বাংলায় ঋণ মুকুব করেন নি তিনি, একথাও বলেন তিনি। সুর বদলে কৃষকদের সুবিধার জন্য কংগ্রেসকে রাজ্যে বাংলায় আনার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেন রাহুল গান্ধী। কংগ্রেস সরকার বাংলায় আসলে আম প্রক্রিয়াকরনের কারখানা খোলার প্রতিশ্রুতি দেন।

একইসঙ্গে সেই কারখানায় সমস্ত কৃষকদের আম বিক্রির সুযোগ থাকবে বলেও জানান তিনি। রাজ্যে আমূল পরিবর্তনের প্রসঙ্গ টেনে এদিন রাহুল জানান বাংলায় কংগ্রেসের হাত ধরে বদল আসবে এবং বাংলায় এখন একক ব্যক্তির রাজত্ব চলে বলেও দাবি জানান। তাই কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে রাজ্যের হাল হকিতক বদলে দেবে বলেও জানান। তবে রাহুল গান্ধী যতই চেষ্টা করুক না কেন সেই চেষ্টা মূল্যহীন বলেই মনে করছেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তিনি রাহুল গান্ধীকে রাজ্যে সাদরে সম্ভাষণও জানিয়েছেন। তবে একের পর এক বিরোধী দলের দৌরাত্ম্য একটু হলেও চিন্তায় ফেলেছে মমতার সরকারকে। আর ভোটের আগে যেভাবে রাজ্যের মন্ত্রী আমলারা দলছাড়া হয়েছেন তাতে তারকা প্রার্থীকেই হাতিয়ার করেছেন। কিন্তু এখনও অবধি বিজেপি মাত্র আটাশটি আসনে প্রার্থী দিয়েছেন। এরপর কতগুলো আসনে প্রার্থী দিতে পারবে তাও দেখার বিষয়।

রাহুল গান্ধীর এই দিনের সভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেস কে এই ধরনের আক্রমণ প্রসঙ্গ টেনে বাংলার বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন যে রাহুল গান্ধীর এমন মনোভাব যে মহাজোটবন্ধনে বেশ প্রভাব ফেলবে সেটা বলাই বাহুল্য। কারণ রাহুল গান্ধীর কোনভাবেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে যে কোন প্রকার আসন ছেড়ে দেবেন না সেটা তার বক্তৃতার মধ্যেই স্পষ্ট। সেই সঙ্গে রাহুল গান্ধী শুধুমাত্র নিজের আখের গোছাতে ব্যস্ত ভালভাবেই বুঝে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস সহ অন্যান্য বিরোধী দলগুলি।

Continue Reading

দেশ

জম্মু কাশ্মীরে সেনার হাতে খতম পাকিস্তানি জঙ্গি

Published

on

By

উত্তরি কাশ্মীরের বারামুলা জেলায় শনিবার সেনার এনকাউন্টারে খতম হয় এক জঙ্গি। বারামুলা জেলার বোনিয়ার এলাকায় শনিবার সেনা আর জঙ্গিদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষ চলাকালীন সেনার গুলিতে খতম হয় এক জঙ্গি। মৃত জঙ্গির থেকে হাতিয়ার আর প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোটক উদ্ধার হয়েছে। জঙ্গির পরিচয় জইশ এর কম্যান্ডার লুকমান এর নামে হয়েছে। মিডিয়া রিপোর্টস অনুযায়ী, জইশ এর কম্যান্ডার দক্ষিণ কাশ্মীর থেকে উত্তর কাশ্মীর যাচ্ছিল। সেখানে গিয়ে সে পাকিস্তান এবং অনান্য জঙ্গিদের নিয়ে জঙ্গি কার্যকলাপ চালাত। সেনা গোপন সুত্রে খবর পায় যে জইশ এর কম্যান্ডার দক্ষিণ কাশ্মীরের বারামুলা জেলায় লুকিয়ে আছে। গোপন খবর পাওয়ার পরেই সেখানে অভিযান চালায় সেনা।

কিছুদিন আগের রিপোর্টে উঠে এসেছিল যে, পুলওয়ামা হামলার পর ভারতীয় সেনা আরও দ্রুত গতিতে অপারেশন অলআউট চালিয়ে উপত্যকা থেকে ১২৫ জঙ্গিকে খতম করেছে এ বছরেই। মে মাসের সেশে দিকের রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, ফেব্রুয়ারি মাসের পর সেনার অপারেশন অলআউটে ১০১ জন জঙ্গিকে খতম করা হয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, সেনা কাশ্মীরে প্রায় ১২৫ জন জঙ্গিকে খতম করেছে। শুধু জুন মাসেই প্রায় ২৪ জঙ্গিকে খতম করা হয়েছে। ওই জঙ্গিরা লস্কর, হিজবুল আর জইশ এর জঙ্গি সংগঠন গুলোর সাথে যুক্ত ছিল। বিগত কয়েকটি এনকাউন্টারে সেনা প্রচুর পরিমাণে হাতিয়ারও উদ্ধার করেছে।

 

Continue Reading

দেশ

উন্নয়ন হয়নি বলে, পঞ্চায়েত সেক্রেটারিকে ল্যাম্পোস্টে বেঁধে পেটাল জনতা

Published

on

By

উন্নয়ন করা হয়নি কেন? পঞ্চায়েতের সেক্রেটারিকে ল্যাম্পোস্টে বেঁধে পেটাল সাধারণ জনতা। মধ্যপ্রদেশের রতলাম জেলার ভীমা খেদি গ্রামে দীর্ঘ দিন ধরে নূন্যতম উন্নয়ন করা হয়নি বলে অভিযোগ পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় কোনও উন্নয়ন হয়নি। নূন্যতম পরিষেবাটুকুও তাঁরা পান না কিছুতে। নিত্যদিন প্রবল প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এমনকী চলার মতো রাস্তাঘাটও নেই। অথচ রাস্তা নির্মাণের সামগ্রী মজুত করা হলেও রাস্তা নির্মানের কাজ সম্পন্ন হয়নি।

শুক্রবার এই অবস্থায় শুক্রবার ভীমা খেদি গ্রামে পরিদর্শনে গিয়েছিলেন পঞ্চায়েত সেক্রেটারি। সেখানেই তাঁকে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। শুধু বিক্ষোভ দেখিয়েই শান্ত থাকেনি ওই গ্রামের ক্ষুব্ধ জনতা। ল্যাম্পোস্টে বেঁধে বেধড়ক মারধোর করা হয় পঞ্চায়েত সেক্রেটারিকে। পরে পুলিশ এসে তাঁকে উদ্ধার করে।

আক্রান্ত পঞ্চায়েত সেক্রেটারি বলেছেন, “ওই গ্রামের যাবতীয় নির্মাণ কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য ইঞ্জিনিয়ার নিয়ে কাজের মূল্যায়ন করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু কিছু মানুষ আমার উপরে হামলা করল। আমাকে ল্যাম্পোস্টে বেঁধে পেটানো হল।”

Continue Reading

দেশ

রাস্তায় অসুস্থ মহিলাকে দেখে যা করলেন স্মৃতি ইরানি, জানলে আপনি গর্ব করবেন

Published

on

By

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি শনিবার নিজের সংসদীয় এলাকা আমেঠির সফরে যান। সেখানে গিয়ে তিনি এক অসুস্থ মহিলার সাহায্য করে মানুষের মন জয় করে নেন। ওনার কনভয় যখন বরৈলিয়া গ্রাম থেকে বেড়িয়ে যাচ্ছিল, তখন রাস্তা দিয়ে একটি মহিলাকে স্ট্রেচারে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এটা দেখেই তিনি ফট করে নিজের গাড়ি থেকে নেমে পড়েন, এবং নিজের সুরক্ষা ব্যাবস্থায় থাকা সরকারি অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে ওই অসুস্থ মহিলাকে হাসপাতালে পাঠান।

পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই মহিলা প্যারেলাইসিসে আক্রান্ত, আর এর জন্য উনি নিজের পায়ে আর চলা ফেরা করতে পারেন না। আজ ওনার পরিবারের লোকেরা ওনাকে ওনার ট্রাই সাইকেল স্ট্রেচারে করে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানিও ভাগ্যক্রমে ওই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন, উনি ওই মহিলার এই অবস্থা দেখে গাড়ি থামিয়ে ওনার শারীরিক অবস্থার খবরা খবর নেন, এবং ওনাকে নিজের সুরক্ষায় থাকা অ্যাম্বুলেন্স করে হাসপাতালে পৌঁছে দেন।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত এর সাথে শনিবার ২২ জুন আমেঠির দুই দিবসিয় সফরে যান। স্মৃতি ইরানি আমেঠির বরৌলিয়া গ্রামে যান, কারণ গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মনোহর পরিকর সাংসদ থাকাকালীন এই গ্রামকে দত্তক নিয়েছিলেন। উনি এই গ্রামে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। গোয়ার বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যদি উত্তর প্রদেশ সরকার চায়, তাহলে আমরা শ্রী মনোহর পরিকরের এর স্মরণে এই গ্রামে শিক্ষা, স্বাস্থ, রাস্তা, বিদ্যুৎ, জল এবং অনান্য সমস্ত রকম অসুবিধা গুলো দূর করব।”

 

Continue Reading

Trending