Connect with us

দেশ

ভোটের মুখে ফের রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর তথ্য উঠে এল সিবিআই রিপোর্টে, নাম জড়াতে চলেছে আরও…

Published

on

লোসকভা ভোটের প্রাক্কালেই প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারকে নিয়ে সরব হয়েছিল রাজ্যের শাসকদল। সারদা কেলেঙ্কারি মামলায় জড়িয়ে রাজীবের গ্রেফতারির সম্ভাবনা নিয়ে চিন্তায় পড়েছিল রাজ্যের শাসকদল। তাই ধর্নায় বসেছিলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী সহ একাধিক তৃণমূলের নেতা-নেত্রীরা। সেই সময়ের জন্য আপাতত রেহাই পেলেও ছাড় পেলেন না রাজীব কুমার। সিবিআই তদন্তে রাজীব কুমার নিয়ে উঠে এল এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। সেই তথ্য দেশের সর্বোচ্চ আদালতে জমা দিয়েছে সিবিআই। এবং জানা গিয়েছে আরও ভয়ানক অভিযোগ রয়েছে রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে। প্রসঙ্গত, রাজীব কুমার মামলায় মঙ্গলবারই শুনানির দিন ছিল। এদিনই সিবিআই এর তরফ থেকে সুপ্রিম কোর্টে কিছু তথ্য জমা দেওয়া হয়। ছয় পাতার সেই তথ্যেই উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর সব অভিযোগ।

এদিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ জানিয়েছেন রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে আনা এধরনের অভিযোগ সত্যি হলে চুপ করে থাকবে না আদালত। পাশাপাশি, রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে আনা ওই অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে কি কি ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে সেই বিষয়েও সিবিআইকে একটি আবেদন করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মাত্র দশ দিনের মধ্যেই রাজীব কুমার সংক্রান্ত সেই আবেদন আদালতে জমা দিতে হবে সিবিআইকে। অন্যদিকে, সিবিআইয়ের তরফ থেকে অভিযোগ আনা হলেও রাজীব কুমারের মুখের কথাকেও প্রাধান্য দিচ্ছে আদালত। জানা গিয়েছে রাজীব কুমারকে জিজ্ঞাসাবাদ না করে আদালতের পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ নেওয়া হবে না। প্রসঙ্গত, সারদা মামলা নিয়ে প্রায় ছ বছর আগে রাজ্য সরকারে পক্ষ থেকে সিট গঠন করা হয়। যার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন স্বয়ং রাজীব কুমার। কিন্তু সারদা মামলা যতই এগিয়ে যায় ততই সেখানে অনেক গাফিলতি দেখা যায়।

এমনকি প্রমান লোপাটের কথাও সামনে আসে। প্রমান লোপাটের অভিযোগ ওঠে রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে। এই নিয়ে তাঁর বাড়িতে সিবিআই তল্লাশি ও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে। কিন্তু তাতেও বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। আর এরপরই ধর্নার পথ বেছে নেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজীব কুমারের বাড়িতে তল্লাশি নিয়ে ধর্নায় বসলেন আর ভারতীয় ঘোষকে নিয়ে তিনি কি করলেন, এ ধরনের প্রশ্ন উঠলেও নিজের দাবিতে অনড় ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পরে সেখান থেকে কিছুটা অব্যাহতি পেলেও শিলং-এ রাজীব কুমার ও প্রাক্তন সাংসদ কুনার ঘোষকে সারদা মামলা নিয়ে জেরা করার জন্য ডেকে পাঠায় সিবিআই। টানা পাঁচ দিন ধরে সেখানে ম্যারাথন জেরা করে সিবিআই। আর সেখানে উঠে এসেছিল অনেক সন্দেহজনক কথা। সেই রিপোর্টই মঙ্গলবার শীর্ষ আদালতের কাছে জমা দেয় সিবিআই।

যদিও এই প্রথমবার নয়, এর আগে সারদা কেলেঙ্কারিতে যুক্ত থাকার বিষয়ে আরও অনেক অভিযোগ আনা হয়েছিল তাঁর বিরুদ্ধে। এর আগে সিবিআই তরফে দাবি করা হয়েছিল রাজীব কুমারের ফোনের কল লিস্ট থেকে নাম মুছে ফেলা হয়েছে, সেই প্রমান পাওয়ার পরই সিবিআইকে সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকে কল লিস্ট পুনরুদ্ধারের নথি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

দেশ

জম্মু কাশ্মীরে সেনার হাতে খতম পাকিস্তানি জঙ্গি

Published

on

By

উত্তরি কাশ্মীরের বারামুলা জেলায় শনিবার সেনার এনকাউন্টারে খতম হয় এক জঙ্গি। বারামুলা জেলার বোনিয়ার এলাকায় শনিবার সেনা আর জঙ্গিদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষ চলাকালীন সেনার গুলিতে খতম হয় এক জঙ্গি। মৃত জঙ্গির থেকে হাতিয়ার আর প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোটক উদ্ধার হয়েছে। জঙ্গির পরিচয় জইশ এর কম্যান্ডার লুকমান এর নামে হয়েছে। মিডিয়া রিপোর্টস অনুযায়ী, জইশ এর কম্যান্ডার দক্ষিণ কাশ্মীর থেকে উত্তর কাশ্মীর যাচ্ছিল। সেখানে গিয়ে সে পাকিস্তান এবং অনান্য জঙ্গিদের নিয়ে জঙ্গি কার্যকলাপ চালাত। সেনা গোপন সুত্রে খবর পায় যে জইশ এর কম্যান্ডার দক্ষিণ কাশ্মীরের বারামুলা জেলায় লুকিয়ে আছে। গোপন খবর পাওয়ার পরেই সেখানে অভিযান চালায় সেনা।

কিছুদিন আগের রিপোর্টে উঠে এসেছিল যে, পুলওয়ামা হামলার পর ভারতীয় সেনা আরও দ্রুত গতিতে অপারেশন অলআউট চালিয়ে উপত্যকা থেকে ১২৫ জঙ্গিকে খতম করেছে এ বছরেই। মে মাসের সেশে দিকের রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, ফেব্রুয়ারি মাসের পর সেনার অপারেশন অলআউটে ১০১ জন জঙ্গিকে খতম করা হয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, সেনা কাশ্মীরে প্রায় ১২৫ জন জঙ্গিকে খতম করেছে। শুধু জুন মাসেই প্রায় ২৪ জঙ্গিকে খতম করা হয়েছে। ওই জঙ্গিরা লস্কর, হিজবুল আর জইশ এর জঙ্গি সংগঠন গুলোর সাথে যুক্ত ছিল। বিগত কয়েকটি এনকাউন্টারে সেনা প্রচুর পরিমাণে হাতিয়ারও উদ্ধার করেছে।

 

Continue Reading

দেশ

উন্নয়ন হয়নি বলে, পঞ্চায়েত সেক্রেটারিকে ল্যাম্পোস্টে বেঁধে পেটাল জনতা

Published

on

By

উন্নয়ন করা হয়নি কেন? পঞ্চায়েতের সেক্রেটারিকে ল্যাম্পোস্টে বেঁধে পেটাল সাধারণ জনতা। মধ্যপ্রদেশের রতলাম জেলার ভীমা খেদি গ্রামে দীর্ঘ দিন ধরে নূন্যতম উন্নয়ন করা হয়নি বলে অভিযোগ পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় কোনও উন্নয়ন হয়নি। নূন্যতম পরিষেবাটুকুও তাঁরা পান না কিছুতে। নিত্যদিন প্রবল প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এমনকী চলার মতো রাস্তাঘাটও নেই। অথচ রাস্তা নির্মাণের সামগ্রী মজুত করা হলেও রাস্তা নির্মানের কাজ সম্পন্ন হয়নি।

শুক্রবার এই অবস্থায় শুক্রবার ভীমা খেদি গ্রামে পরিদর্শনে গিয়েছিলেন পঞ্চায়েত সেক্রেটারি। সেখানেই তাঁকে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। শুধু বিক্ষোভ দেখিয়েই শান্ত থাকেনি ওই গ্রামের ক্ষুব্ধ জনতা। ল্যাম্পোস্টে বেঁধে বেধড়ক মারধোর করা হয় পঞ্চায়েত সেক্রেটারিকে। পরে পুলিশ এসে তাঁকে উদ্ধার করে।

আক্রান্ত পঞ্চায়েত সেক্রেটারি বলেছেন, “ওই গ্রামের যাবতীয় নির্মাণ কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য ইঞ্জিনিয়ার নিয়ে কাজের মূল্যায়ন করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু কিছু মানুষ আমার উপরে হামলা করল। আমাকে ল্যাম্পোস্টে বেঁধে পেটানো হল।”

Continue Reading

দেশ

রাস্তায় অসুস্থ মহিলাকে দেখে যা করলেন স্মৃতি ইরানি, জানলে আপনি গর্ব করবেন

Published

on

By

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি শনিবার নিজের সংসদীয় এলাকা আমেঠির সফরে যান। সেখানে গিয়ে তিনি এক অসুস্থ মহিলার সাহায্য করে মানুষের মন জয় করে নেন। ওনার কনভয় যখন বরৈলিয়া গ্রাম থেকে বেড়িয়ে যাচ্ছিল, তখন রাস্তা দিয়ে একটি মহিলাকে স্ট্রেচারে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এটা দেখেই তিনি ফট করে নিজের গাড়ি থেকে নেমে পড়েন, এবং নিজের সুরক্ষা ব্যাবস্থায় থাকা সরকারি অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে ওই অসুস্থ মহিলাকে হাসপাতালে পাঠান।

পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই মহিলা প্যারেলাইসিসে আক্রান্ত, আর এর জন্য উনি নিজের পায়ে আর চলা ফেরা করতে পারেন না। আজ ওনার পরিবারের লোকেরা ওনাকে ওনার ট্রাই সাইকেল স্ট্রেচারে করে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানিও ভাগ্যক্রমে ওই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন, উনি ওই মহিলার এই অবস্থা দেখে গাড়ি থামিয়ে ওনার শারীরিক অবস্থার খবরা খবর নেন, এবং ওনাকে নিজের সুরক্ষায় থাকা অ্যাম্বুলেন্স করে হাসপাতালে পৌঁছে দেন।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত এর সাথে শনিবার ২২ জুন আমেঠির দুই দিবসিয় সফরে যান। স্মৃতি ইরানি আমেঠির বরৌলিয়া গ্রামে যান, কারণ গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মনোহর পরিকর সাংসদ থাকাকালীন এই গ্রামকে দত্তক নিয়েছিলেন। উনি এই গ্রামে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। গোয়ার বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যদি উত্তর প্রদেশ সরকার চায়, তাহলে আমরা শ্রী মনোহর পরিকরের এর স্মরণে এই গ্রামে শিক্ষা, স্বাস্থ, রাস্তা, বিদ্যুৎ, জল এবং অনান্য সমস্ত রকম অসুবিধা গুলো দূর করব।”

 

Continue Reading

Trending