রাম মন্দির নির্মাণে অযোধ্যায় গিয়ে কাজে হাত লাগাবে বাংলার মুসলিম শ্রমিকেরা

রাম মন্দির নির্মাণে আগ্রহী বাংলার শ্রমিকদের অযোধ্যায় পাঠাবে মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চ। শনিবার সংগঠনের রাজ্য কনভেনার আলি আবজল চাঁদ এই কথা জানান। আগামী ৫ আগস্ট রাম মন্দির নির্মাণের জন্য ভূমি পূজন এবং শিলান্যাস। তার পরেই শুরু হবে রামমন্দির নির্মাণ।আলি আবজল চাঁদ জানান, এই নির্মানে বাংলার বহু নির্মাণ শ্রমিক স্বেচায় শ্রমদিতে ইচ্ছুক। তাদের অযোধ্যায় পাঠানোর সবরকম দায়িত্ব রাজ্যের রাষ্ট্রীয় মুসলিম মঞ্চ নেবে। এমনকি অযোধ্যা থেকে বাংলায় ফেরার খরচও সংগঠন বহন করবে বলে জানান তিনি।


রাম মন্দির নির্মানে মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চ সবরকম পদক্ষেপ করতে চায়। কারণ রামমন্দির ও বাবরি মসজিদ নিয়ে কিছু মানুষ রাজনৈতিক ফায়দা তুলছে বরাবর। সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশ মেনে মন্দির, মসজিদ নির্মান করে এই বিতর্কের অবসান ঘটাতে চায় সংগঠন। রামমন্দির নির্মানের জন্য মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চের সদস্য সহ ১৫ জনের একটি কমিটি তৈরি করেছেন মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চের মার্গদর্শক ইন্দ্রেশ কুমার। কমিটিতে রয়েছেন মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চের কেন্দ্রীয় সংযোজক ইসলাম আব্বাসি, জামসেদ খান, ওয়াইসি হায়দার প্রমুখ।

আলি আবজল চাঁদ এই কথা জানান, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর রামমন্দির নির্মান নিয়ে জটিলতা কাটাতে এই কমিটি কাজ করেছে। পাশাপাশি মুসলিমদের বুঝিয়েছে কেন অযোধ্যায় রাম মন্দির প্রয়োজন। বাবরের বংশধরের রামমন্দির নির্মানে সোনার ইট দেওয়ার কথা মুসলিমদের কাছে তুলে ধরা হয়।

ইসলামের মতে কোনও বেআইনি ও বিতর্কিত জমিতে মসজিদ নির্মান করা যায় না। মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চ বিগত কয়েকবছর ধরে রাজ্যের সাধারন মুসলিমদের এইকথা বুঝিয়েছে বলে জানান আলি আবজল চাঁদ। তিনি বলেন ৫ আগস্ট রাম মন্দিরের ভূমি পূজোয় মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চ সবরকম ভাবে সহযোগিতা করবে। বাংলায় সংগঠনের সদস্যরা সেদিন বিশেষ ভাবে সক্রীয় থাকবে। যাতে বাংলায় হিন্দু, মুসলামনের সম্পর্কে কেউ চিড় ধরাতে না। পাশাপাশি আদালতের ঠিক করে দেওয়া জমিতে বাবরি মসজিদ গঠনেও মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চ কাজ করবে বলে জানান তিনি।