রাম সেতু নিয়ে নানান মত আমদের তো জানাই আছে , আর তাকে ঐ তিহাসিক স্বীক্রিতি দেওয়া হোক। সে নিয়ে মুখ খুললেন বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী । এর আগে ড্রেজিং নিয়ে তিনি সুপ্রিম কোর্টে মামলাও করেন।  ওই সেতু রাম ও বানর সেনাদের দ্বারা তৈরি তাই সেই নিয়ে সমস্যা হতে পারে ।

ড্রেজিংয়ের ফলে এর ক্ষতি হলে মানুষের বিশ্বাসে আঘাত হবে। নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী সুপ্রিম কোর্টে এই নিয়ে মামলাও করেন।তারপর ‘সেতুসমুদ্রম’ প্রকল্পটি হলে ভারতের পূর্ব ও পশ্চিম উপকূলের মধ্যে জাহাজ চলাচলে সময় যেমন কম লাগবে, তেমনই তেলের খরচও কমবে। যদিও এন ডি এ সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই প্রকল্পে কাজ কার্যত এগোয়নি।

বিষয়টি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। আবার এরপরে রামসেতু কে ঐ তিহাসিক স্বীক্রিতি দেওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্টে দরখাস্ত করা হয়েছে। সমগ্র বিষয়টি এখন বিচারাধীন থাকবে। কিন্তু খুব তাড়াতাড়ি এর বিচারের জন্য বলা হয়েছে। সেতুসমুদ্রম প্রকল্পের জন্য অন্য কোনও বিকল্প রাস্তা খুঁজে দেখার কথা আজ জানানো হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। আপনাদের জানিয়ে রাখি, সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ৩ মাসের সময় নিয়েছে।

কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রকের তরফে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্র, বিচারপতি এ এম খানউইলকর এবং বিচারপতি চি ওয়াই চন্দ্রচূর-এর বেঞ্চকে একথা জানানো হয়েছে। এই সব কিছুর পরেও আবার রামসেতু আরেকবার শিরোনামে। সব মিলিয়ে কি হতে চলেছে তা বোঝার উপায় এখনো নেই। তাই এই বিচারের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য  অপেক্ষা  করতে হবে।