fbpx
দেশনতুন খবর

R.B.I সদস্য ফাঁস করলেন ভয়ঙ্কর তথ্য। ২০১৬ সালে নোটবন্ধী না হলে দেশের চরম আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি ক্ষতি হয়ে যেত দেশের।

প্রায় আড়াই বছর আগে অর্থাৎ ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে রাতারাতি কেন্দ্রীয় সরকারের ঘোষনায় পাঁচশো, হাজার টাকার পুরাতন নোট বাতিল হয়ে যায়। বিপাকে পড়েন দেশের আমজনতা। দেশের সরকারের এহেন হঠকারী সিদ্ধান্তে বিরক্তিও প্রকাশ করেছিলেন সাধারণ মানুষ। সাধারণ ভাবে কালো টাকা সরাতেই এই পদক্ষেপ বলে ধরা হলেও নোট বাতিলের আসল কারণ কিন্তু সকলের কাছেই অজানা। তবে এবার সেই বিষয়ে মুখ খুললেন রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার নির্দেশক সদস্য এস গুরুমূর্তি। তিনি নিজে মুখে স্বীকার করেছেন সেই সময় নোট বাতিল না হলে নাকি দেশ বিরাট আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ত। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, নোট বাতিলের সময় পাঁচশো ও হাজার টাকার নোটের সংখ্যা বিপুল পরিমানে বেড়ে গিয়েছিল।

আর যার বেশির ভাগটাই খরচ হয়েছিল রিয়েল এস্টেট ও সোনা কেনার কাজে। তাই সঠিক সময়ে যদি না নোট বাতিল করা হত তাহলে কিন্তু দেশের আর্থিক ব্যবস্থায় ব্যাপক প্রভাব ফেলত। তাই ভবিষ্যতের আর্থিক সংকটের কথা মাথায় রেখে মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্ত ঠিক ছিল বলেই মত তাঁর।
এস গুরুমূর্তি এও জানিয়েছেন, এরফলে ভারতের ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের কিছুটা হলেও সুবিধা হয়েছে। তবে সেই পদ্ধতি আরও সহজতর করে তুলতে চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। সোমবার একটি বৈঠকে গুরুমূর্তি জানিয়েছেন ঋণের মান বাড়ানো ও সুদের বিষয়েও আলচনা করা হবে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের টাকা সংরক্ষণ সম্পর্কে বলতে গিয়ে গুরুমূর্তি জানিয়েছেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কে ২৭ থেকে ২৮ শতাংশ টাকা সংরক্ষণ থাকে। যা অন্যান্য কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের কাছে থাকে না।

তাই কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের কাছে কত টাকা থাকবে সেই ব্যাপারেও নির্দিষ্ট নিয়ম তৈরি হওয়া উচিত বলেও মত প্রকাশ করেছেন তিনি।
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে নোট বাতিলের পর হাজারের বদলে দু হাজারের নোট যেমন হাতে পেয়েছে দেশবাসী তেমন পঞ্চাশ টাকার নোটের বিভিন্ন সময় পরিবর্তন করা হয়েছে এবং একশো টাকার নোটেরও বদল করা হয়েছে। পাশাপাশি বদল করা হয়েছে দশ টাকার নোটের এবং নতুন করে দুশো টাকার নোটের সংযোজন করা হয়েছে। তবে নোট বাতিল বিষয়ে লোকসভা নির্বাচনের আগেই কেন আরবিআই সদস্য মুখ খুললেন এই বিষয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে । কিন্তু নোটবাতিল হওয়ার পর দেশের মানুষের অল্পবিস্তর অসুবিধা হলেও আখিরে যে সকলের ভালোই হয়েছে সেটা স্পষ্ট।

কিন্তু যা কিছুই হয়ে যাক না কেন, নোটবাতিল যে দেশের স্বার্থেই করা হয়েছিল সেটা স্পষ্ট ভাবেই বোঝা যাচ্ছে। তবে মোদীজির এই পরিকল্পনায় সবথেকে অসুবিধা হয়েছিল দেশের অসাধু মানুষজনদের।

Close